সেদিন হাতে কোন কাজকর্ম ছিল না, সন্ধ্যার পর্বে মাঠ হইতে ফুটবল খেলা দেখিয়া ধর্মতলা দিয়া ফিরিতেছিলাম। মোহনবাগান হারিয়া যাওয়াতে মনও প্রফুল্ল ছিল না—কি আর করি, ধর্মতলার মোড়ের কাছেই মট্ লেনে (নম্বরটা মনে নাই তবে কাড়িটা চিনি) তারানাথ জ্যোতিষীর বাড়ি গেলাম।
তারানাথ একাই ছিল। আমায় বলিল—এস, এস হে, দেখা নেই বহুকাল, কি ব্যাপার?
কিছুক্ষণ গল্পগুজবের পরে উঠিতে যাইতেছি এমন সময়ে ঘোর বন্টি নামিল। তারানাথ আমায় এ অবস্থায় উঠিতে দিল না।
https://www.golperasor.com/202....2/05/modhu-sundori-d
কেমন হলো বাংলাদেশে সাড়াজাগানো সিনেমাটির সিকুয়েল
***********************************************************************
২০২০ সালে কোভিড মহামারির শুরুর দিকে লকডাউন চলছিল। সারা দুনিয়ার প্রায় সবকিছুই বন্ধ। দর্শকের হাতে অঢেল সময়, ধীরে তাঁদের সামনে উন্মুক্ত হচ্ছে ওটিটির নানা ধরনের কনটেন্ট। এর মধ্যেই সামনে আসে তেলেগু সিনেমা ‘হিট: দ্য ফার্স্ট কেস’। মুক্তির পরই ভারত তো বটেই, বাংলাদেশি দর্শকের কাছেও ব্যাপক জনপ্রিয় হয় সিনেমাটি। দ্রুত মুক্তি পায় বাংলা সাবটাইটেল। বছর দুই পর মুক্তি পেয়েছে ছবিটির সিকুয়েল ‘হিট: দ্য সেকেন্ড কেস’। কেমন হলো বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমাটি?
সারা দুনিয়া তো বটেই, দক্ষিণ ভারতেও ক্রাইম থ্রিলার সিনেমার অভাব নেই। তবে দুই কারণে ব্যতিক্রম ছিল ‘হিট’-এর প্রথম কিস্তি। প্রথমত, তেলেগু সিনেমার বেশির ভাগই হয় ‘ওভার দ্য টপ’ ধরনের, সেখানে ছবিটি ছিল বাস্তবসম্মত। দ্বিতীয়ত, গল্প আহামরি কিছু না হলেও পরিচালক শৈলেশ কোলানু দারুণ বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে পর্দায় গল্প বলেছিলেন।
সিনেমাটির প্রধান চরিত্র তেলিঙ্গানা সিআইডির হোমিসাইড বিভাগের বিশেষ দল ‘হিট’-এর কর্মকর্তা বিক্রম। যে চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি পান সেই সময়ে তুলনামূলক কম জনপ্রিয় বিশ্বাক সেন। প্রথম কিস্তি ব্যাপক প্রশংসিত হওয়ার পর ভক্তদের অপেক্ষা ছিল দ্বিতীয়টির। সে অপেক্ষা ফুরিয়েছে, গত ২ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় সিনেমাটি। আজ ৬ জানুয়ারি ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম কিস্তি মুক্তির এক বছর পর আসে দ্বিতীয়টির ঘোষণা। জানা যায় ‘হিট ২’-এর পরিচালক শৈলেশ থাকলেও বদলে যাবেন নায়ক। বিশ্বাক সেনের বদলে প্রধান চরিত্রে দেখা যাবে আদিভি শেষকে। এই ‘হিট’ ফ্র্যাঞ্চাইজির অন্যতম প্রযোজক দক্ষিণি তারকা নানি। তিনি চেয়েছিলেন এই ফ্র্যাঞ্চাইজির নায়কের নামে নয়, বরং গল্পের জোরে জনপ্রিয় হোক। এ কারণেই প্রতি কিস্তিতে আলাদা আলাদা অভিনেতাকে প্রধান চরিত্রে হাজির করেন।
এবার আসা যাক ‘হিট ২’ কেমন হলো সে প্রসঙ্গে। মুক্তির পর ছবিটি ব্যবসাসফল হয়েছে, অল্প বাজেটে নির্মিত সিনেমাটি ৫০ কোটির বেশি রুপি আয় করেছে। তবে সমালোচক, দর্শক সবারই ছবিটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ছিল। একইভাবে বাংলাদেশি দর্শকের মধ্যেও ছবিটি নিয়ে দেখা গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
একদলের বক্তব্য ‘হিট’-এর চেয়ে ‘হিট ২’ ভালো। কারণ, প্রথম কিস্তিতে দর্শকের জন্য পরিচালক কোনো ক্লু ছাড়েননি, যা মার্ডার-মিস্ট্রি ঘরানার সিনেমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় কিস্তিতে ভুল শুধরেছেন নির্মাতা, ফলে পুলিশের সঙ্গে ক্লু ধরে রহস্য সমাধানে এগিয়ে যান দর্শকেরা। প্রথমটির তুলনায় বাজেট বেশি পাওয়ায় দ্বিতীয়টি আরও স্মার্টভাবে বানানো হয়েছে।
তবে ভিন্নমতও আছে। অনেক বাংলাদেশি দর্শক মনে করছেন, ‘হিট’-এ নায়ককে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, সেটা তাঁদের বেশি ভালো লেগেছে। নায়কের অতীত ইতিহাস, ট্রমায় ভোগা, রহস্য সমাধানের স্টাইল বেশি মনে ধরেছে তাঁদের। অনেকের কাছে দ্বিতীয়টির তুলনায় প্রথমটির খলনায়ককেও বেশি ভালো লেগেছে। কেউ আবার মন্তব্য করেছেন, দ্বিতীয়টির গল্প কোন দিকে যাচ্ছে, সেটি আগেই অনুমান করতে পেরেছিলেন তাঁরা।
এবার আসা যাক গল্প প্রসঙ্গে। ‘হিট’-এর এবারের কিস্তি তৈরি হয়েছে অন্ধ প্রদেশের সমুদ্র শহর বিশাখাপত্তমের প্রেক্ষাপটে। হোমিসাইড ইনটারভেনশন টিম বা হিট-এর এসপি কৃষ্ণা দেব ওরফে কেডির দিনকাল ভালোই কাটছিল। ঝামেলা হয় তখনই, যখন হঠাৎই শহরে এক ক্রমিক খুনির উদয় হয়। এক নারীর খণ্ডিত মৃতদেহ মেলে। ফরেনসিক বিভাগ জানায়, দেহের খণ্ডিত অংশগুলো একজন নয় বরং তিন আলাদা নারীর! এরপর ক্রমিক খুনির পেছনে কেডি কীভাবে ধাওয়া করে, তাই নিয়ে এগিয়েছে গল্প।
ছবিতে কেডি তথা আদিভির প্রেমিকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন মডেল-অভিনেত্রী মীনাক্ষী চৌধুরী। এ ধরনের সিনেমায় নায়িকার তেমন কিছু করার থাকে না। তবে যেটুকু সুযোগ পেয়েছেন, তাতে মীনাক্ষী চলনসই। দক্ষিণি সিনেমার বড় অভিনেত্রীদের সঙ্গে পাল্লা দিতে হলে তাঁকে আরও উন্নতি করতে হবে সন্দেহ নেই।
‘হিট ২’-এর বড় চমক ছিল সিনেমাটির শেষে, নানির অতিথি চরিত্রে। দর্শকেরা বুঝে গেছেন ‘হিট ৩’-এর প্রধান চরিত্রে দেখা যাবে তাঁকে। ছবিটি অবশ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়নি।
Source: প্রথম আলোl
** কোথায় গেল নবিজির ধর্ম? **
নবিজির বিদায় হজের ভাষণ থেকেই শুরু হল ইসলাম ধ্বংসের পথ তৈরি করার নিল নকশা। যার ফলস্রোতে নবিজিকে বিষ পান করানো ও নবিজির মৃত্যুর পরে ওনাকে দাফন না করে ক্ষমতা দখল এবং মা ফাতেমা আঃ এর ঘর দরজা ভাঙা সহ সকল কিছুর উপরে ধারাবাহিক আঘাত। আর অপকর্ম গুলিকে জায়েজ করার জন্যে তাদের হাতে লিখে জান সংবিধান যাহা বর্তমানে হাদিস দলিল নামে পরিচিত। যাহার মাঝে নবিজির বাস্তব ইসলাম এবং ইসলামের কর্মের কোন অস্তিত্ব নাই বরং ইহুদি খ্রিষ্টানের আকিদার সাথে গুজামিল করে এবং তিন কিতাবকে সহচর করে কিতাব লিখেন এবং তাদের সহচর করে দলও বড় করেন আর তার মাঝে উদাও করেন নবিজির দেখানো সাম্য ধর্ম বাস্তব ইসলাম। যেখানে তাদের কাছে আল্লাহ প্রদত্ত মাওলায়ত কোন দাম নাই বরং তারা দাম দিয়ে গেছেন দুনিয়ার লোভি কুচক্রী মহলকে তার ফলে এজিদ এবং অহাব নজদির মত সকল কুক্ষেত লোকেরা ইসলামের নামে রাজ্য শাসন করে প্রায় ১৪০০ বছরে নবিজির দেওয়া বাস্তব ইসলাম আজ মুসলিম বিশ্বে কথার কথা হয়ে দাড়িয়েছে। না হয় একবার বাস্তব ইসলামি তরিকার কোন লোকের সাথে আলাপ করে দেখেন আপনার মৌলবি বা পীরের কাছে কোন ইসলাম আছে কি না? স্রষ্টার প্রতিনিধি মওলা আলী আঃ কে চিনেন কি না বা বর্তমানে মওলার কোন ক্ষমতা আপনি পান কি না? তার বাস্তবতার জন্যে ইসলামি তরিকার বায়াত ছাড়া অন্য কোন তরিকায় তার কোন সন্ধান পাবেন না। তাই ইসলামি তরিকায় বায়াত নিন ও নবিজির এবং মওলা আলী আঃ সন্ধানি হন আর নিজের পরিবারকে করুন মা ফাতেমা আঃ এর জান্নাতি পরিবার।
জনের তৃতীয় অধ্যায়
***********************************************************************
মূলত গানের মানুষ। জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘ব্ল্যাক’-এর জন কবির হিসেবেই মানুষ তাঁকে চিনেছেন, এরপর অভিনেতা হিসেবে। প্রথমে অল্পস্বল্প হলেও পরে নিয়মিত টিভি নাটকে দেখা যেত তাঁকে। তবে বছর কয়েক আগে সেখান থেকেও বিরতি নেন। ২০২০ সালে প্রথম করোনা বিধিনিষেধের পর ইউটিউবে শুরু হওয়া তাঁর পডকাস্ট এখন বেশ জনপ্রিয়। পডকাস্ট হলো অডিও বা ভিডিও অনুষ্ঠান, যা শ্রোতারা ব্যক্তিগত ডিভাইসে নিয়ে যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো সময় শুনতে পারেন।
প্রথমে গায়ক, পরে অভিনেতা, হালে পডকাস্ট সঞ্চালক—ভবিষ্যতে আর কোন কোন পরিচয়ে হাজির হবেন? প্রশ্নটা পাড়তেই হেসে উঠলেন জন কবির। তিনি জানালেন, আগে থেকে কিছুই পরিকল্পনা করেন না। যত দিন ভালো লাগে, কাজটা করে যান, আগ্রহ হারিয়ে ফেললে ছেড়ে দেন। এই যেমন আগেই জানিয়ে রাখলেন তাঁর পডকাস্ট যতই জনপ্রিয়তা পাক, তিনি যদি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন, ‘টা টা’ বলতে সময় নেবেন না।
বছর তিনেক আগে জন কবিরের পডকাস্টের আইডিয়াটি অবশ্য আসে গান থেকেই। ‘সাত-আট বছরের একটা পরিকল্পনা ছিল। সংগীতশিল্পী হিসেবে আমি জানি গানটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু যাঁরা শ্রোতা বা অন্য পেশার, তাঁরা গানকে কীভাবে দেখেন—এই মৌলিক আইডিয়া থেকেই শুরু করেছিলাম। এখন শোতে অন্যান্য বিষয়েও কথা হয়,’ বললেন জন।
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, মেজবাউর রহমান সুমন, সাফা কবির, আয়মান সাদিক, নুহাশ হুমায়ূন—পরিচালক, অভিনয়শিল্পীসহ নানা পেশার মানুষদের দেখা গেছে তাঁর অনুষ্ঠানে। এর মধ্যে লক্ষণীয় বিষয়, গানের মানুষদের উপস্থিতি কম। জন জানালেন, ব্যাপারটি ইচ্ছাকৃত। তাঁর ভাষ্যে, ‘যখন শুরু করি, তখন গানের মানুষদের নিয়ে কোনো পরিকল্পনা ছিল না। কারণ, গান নিয়ে নানা সময়ে আমাদের তো কথা হয়ই। এটা নতুন কিছু নয়। এর চেয়ে বরং অভিনয়শিল্পী, খেলোয়াড়, ইনফ্লুয়েন্সাররা গান নিয়ে কী ভাবেন, এটা আমার কাছে বেশি আকর্ষণীয়।’
কারও সঙ্গে কথা বলার আগে তাঁর সম্পর্কে খোঁজখবর করাটাই প্রচলিত রীতি। তবে জন জানালেন, বিষয়টি নিয়ে তাঁর অবস্থান একেবারেই উল্টো। এ কারণেই পডকাস্টটি তাঁর কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। সেটি কেমন? শিল্পী ব্যাখ্যা করলেন নিজেই, ‘আমি টিমকে বলে রাখি, অতিথি সম্পর্কে আমাকে কোনো কিছু জানাবে না। আমার কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ব্যাপার হলো অতিথি সম্পর্কে তাঁর মুখ থেকেই জানা। আগে থেকে জেনে বসে থাকলে মানুষটি সম্পর্কে অবচেতন মনে একটা পূর্বধারণা তৈরি হয়।’
সঞ্চালনা সম্পর্কে নিজের দর্শনের আরও ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বললেন, ছোটবেলা থেকেই তাঁর বই পড়তে ভালো লাগে না। জনের জানাশোনার বড় উৎস হলো টেলিভিশন, রেডিও আর মানুষ। বইয়ের পাতায় পড়ার চেয়ে মানুষের কাছ থেকে গল্প শোনা বরাবরই তাঁর কাছে বেশি আকর্ষণীয়।
জন কবিরের পডকাস্টের এ পর্যন্ত ৩ মৌসুমে ২৬ পর্ব প্রচারিত হয়েছে। এর মধ্যে কোনোটিকে আলাদা করতে চান না তিনি, সব কটিই সমান প্রিয়। জন চেষ্টা করেন ফি বছর দুটি করে সিজন করতে, প্রতি সিজনে আট পর্ব। কিন্তু গানসহ নানা ব্যস্ততায় হয়ে ওঠে না।
বাইরের দেশে আজকাল নানা ধরনের শো হয়। জনের নিজের ভালো লাগে স্যাটারডে নাইট লাইভ, স্টিফেন কোলবার্টের শো, পডকাস্টের মধ্যে ভালো লাগে অ্যান্ড্রু শার্লসের অনুষ্ঠান। বাইরের শোর কথা উঠলেই অবধারিতভাবে উঠে আসে আরেকটি প্রশ্নও—বিদেশি শোতে নানা সংবেদনশীল বিষয়েও সঞ্চালক প্রশ্ন করেন, অকপট উত্তর দেন অতিথিও। জন কি প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে বিতর্ক তৈরি হবে, এমন বিষয় এড়িয়ে যান? জন জানালেন, মানুষ শুনতে পছন্দ করবেন, এমন প্রশ্নই করেন না তিনি। তাঁর মতে, ‘নেতিবাচক বিষয় বাদ দিয়ে কথা বলি। যদি এমন কোনো অতিথি আসেন, যাঁর নানা বিষয় নিয়ে বিতর্ক আছে, চেষ্টা করি, সেটি দূরে রাখতে। এমন প্রশ্ন করি না যাতে তিনি সমস্যায় পড়েন। আলাপচারিতা যতটা সম্ভব “সামাজিক” রাখতে চাই।’
ভবিষ্যতে নিজের শোতে সরকারি বা বিরোধী দলের বড় কোনো নেতাকে পেলে খুশি হবেন জন। তবে অবশ্যই আলাপটা জমবে মজার কোনো বিষয়ে, রাজনীতি সেখানে থাকবে না।
অনেক দিন ধরেই নাটকে অনিয়মিত জন কবির। তাঁর পডকাস্টের পর্বগুলোর নিচে অনেক দর্শকও তাঁকে পর্দায় দেখতে চেয়ে মন্তব্য করেছেন। জন বলেন, ‘নাটক করতে গেলে একে তো প্রচুর সময় দিতে হয়, তা ছাড়া চিত্রনাট্যও পছন্দ হচ্ছিল না। ফলে বিরতি অবধারিত ছিল।’ তবে অভিনয়ের দরজা মোটেই পাকাপাকিভাবে বন্ধ করে দেননি, ‘আমার কাছে চরিত্রই সব। পছন্দ হলে পাঁচ মিনিটের চরিত্রেও অভিনয় করব। নায়ক, খলনায়ক, কেন্দ্রীয় চরিত্র এসব নিয়ে মাথাব্যথা নেই। পর্দায় ছাপ রাখা যাবে, এমন কিছু হলেই হলো।’
শুরুটা হয়েছিলে গানের জনকে দিয়ে, শেষটাতেও জানতে চাওয়া হলো গানের খবর। তিনি জানালেন, তাঁর ব্যান্ড ইনডালোর নতুন অ্যালবাম উত্তর খুঁজি দক্ষিণের কাজ চলছে। চলতি বছরের কোরবানি ঈদ বা তারপর আসবে অ্যালবামটি।
Source: প্রথম আলোl
২০২২ সালটা আমার জীবনের সবচেয়ে খারাপ একটা বছর ছিল
***********************************************************************
ভারতে কী করছেন?
আমার আম্মুর খুব পছন্দ ভারতের প্রতিটা স্টেট। আম্মুর জন্যই ভারতে আসা। নতুন বছরটা পরিবারের সবাইকে নিয়ে শুরু করেছি।
বছরের শুরুতেই সাড়া ফেলেছে আপনার অভিনীত ‘কঞ্জুস’।
গত বছর ঈদুল আজহার পর এটাই মনে হয় প্রথম বা দ্বিতীয় নাটক। অনেকটা বিরতি দিয়ে এবার নাটক মুক্তি পেয়েছে। সবাই বলছিল, নাটক কেন মুক্তি পাচ্ছে না, কী নিয়ে ব্যস্ত। বিরতির পর ফেরা নিয়ে একটু ভয় হচ্ছিল। ভাবছিলাম, দর্শক হয়তো আমার নাটক মিস করতে করতে আমাকে ভুলেই গেছেন। কিন্তু আমার ধারণা ভুল, দর্শক আমাকে ভালোবাসেন। আমার নাটক পছন্দ করেন। যে কারণে ‘কঞ্জুস’ নিয়ে দর্শকদের এত আগ্রহ। আমার অনেক ভালো লাগছে।
দর্শকেরা আপনাকে রোমান্টিক গল্পগুলোতেই বেশি দেখেন, সেখানে ‘কঞ্জুস’ নাটকে আপনার চরিত্রটি একদমই ব্যতিক্রম।
ব্যতিক্রমী ধরনের গল্প ও চরিত্র খুব একটা করতে চাই না। কারণ, ব্যতিক্রমী ধরনের কাজই যদি বেশি করি, তাহলে ব্যতিক্রম শব্দটাই আর থাকে না। এ কারণে আমি পাঁচটি কাজ করলে চেষ্টা করি দুই–তিনটা ব্যতিক্রম ধরনের গল্প বা চরিত্র করতে। এটাও সেই পরিকল্পনা করেই করা। আমার দর্শকও চান রোমান্টিক ধরনের গল্প থেকে বের হয়ে একটু চরিত্রপ্রধান কাজগুলোতে দেখতে। এখন চেষ্টা করছি ব্যতিক্রমী গল্প বা চরিত্রে নিজেকে প্রেজেন্ট করার। এখন কম কাজ করি। সেই কারণে চরিত্র নিয়ে ভাবি, তখন নিজেকে ভেঙে কাজ করা যায়।
নতুন বছরে পরিকল্পনা কী? কাজে কোনো পরিবর্তন আনতে চান?
নতুন বছরেই একটা পরিবর্তন আনতে চাই। আগে অনেক অনেক নাটকে অভিনয় করতাম। এই বছরে খুব বেশি নাটকে অভিনয় করব না। কম করলেও মানসম্মত কাজ উপহার দেব।
মধ্যে বেশ কিছু সময় কাজ থেকে দূরে রয়েছেন, এই বিরতি কেন?
গত বছর আমি খুব কম কাজ করেছি। গত বছর বাবাকে হারিয়েছি। তখন মনে হয়েছে, পরিবারকে বেশি সময় দেওয়া দরকার। শেষ দুই মাস পরিবারের পাশাপাশি নিজেকে সবচেয়ে বেশি সময় দিয়েছি। আমার কাছে মনে হয়েছিল, ২০২২ সালটা পরিবারকে বেশি সময় দেওয়ার দরকার ছিল। গত বছরটা যেহেতু অনেক বড় বিরতি দিয়েছি, এই বছর মন দিয়ে কাজ করব। দর্শক অনেক ভালো ভালো কাজ উপহার পাবেন।
Source: প্রথম আলোl
মানুষকে এই কারণেই প্রথম শ্রেণির প্রাণী বলা হয়, যে তারা বিভিন্নভাবে বিভিন্ন সময় নিয়ে মিলন করে একে অপরের মাঝে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে। যা অন্য কোন প্রাণীর পক্ষে সম্ভব হয় না। তাই যারাই আপনাকে প্রচলিত ধর্ম সমুহের কাল্পনিক অবাস্তব প্রভুর দোহায় দিয়ে ধর্ম জ্ঞান বা মত বা পথ দেয়, বুঝবেন তারা সব পরজীবি মেরুদণ্ডহীন এক ধাপ্পা ও ধান্ধাবাজ। কেননা তারা আত্ম জ্ঞান বিবেক হীন, তাদের সবই অন্য মানুষের কথার উপর প্রতিষ্ঠিত, মান্ধাতার আমলের কে কি বলেছে কি করেছে এইসব তাদের পাথেয়। আর সেসব কাল্পনিক অবাস্তব কল্পকাহিনী মানুষের বাস্তব জীবনে কোন কাজেই লাগে না।।। কেননা সেসব নামমাত্র প্রভুরা মানুষের ভাল মন্দ সব করবে মরার পরে, আর মরার পরের জীবন সমন্ধে কোন মানুষেরই বাস্তব উপলব্ধি সম্পন্ন জ্ঞান নাই। কেননা কোন ধান্ধাবাজই মরার পরে আর ফিরে আসে নাই। মানুষ বাস্তব জীবনে ভাত কাপড় পায় না, থাকার জায়গা নাই। রুগে শোকে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে মারা যাচ্ছে। অথচ এই মানুষের খাওয়ানোর মালিক লালন পালনকারী থাকে আকাশে, এর থেকে বড় কোন মিথ্যাচার ও ঠগবাজি আর জগতে আর নাই।।। মানুষের জন্ম লালন পালন রক্ষাকারী সব ঘরে জনক জননীতে।।।
Install app for better experience