সিনিয়র লেডি ডন বউ। পর্ব - ০৫
-------------------------------------------------
আমিঃ নাহ আমার এইসব ভালো লাগে না আর আপনি এইসব আর করবেনও না (কি আর কমু ভাই মাইয়ার লজ্জা শরম বলতে কিচ্ছু নেই)।
মিমঃ আচ্ছা করব না তবে আজ রাতে একটু করব।। কারণ তোমার পালানোর শাস্তি এখনও রয়েগেছে।
আমিঃ নিচে তু আমায় কয়েকটা চড় মেরেছিলেন।। এতে কি আমার শাস্তি শেষ হয়নি😓..? মিমঃ কিছুটা হয়েছে কিন্তু এখনও পুরোটা হয়নি।। তাই রাতে এর পুরো শোধ নিয়ে নিব।আমিঃ কিছু বললাম না কারণ যত যাই বলি না কেন উনি বুঝবেন না।
https://www.lovestorybangla.xy....z/2022/10/blog-post_
হাজতবাস । পর্ব - ০১
-------------------------------------
কিরে শালী রেট কত এক রাতের? ফিগার তো ভালোই বানাইছোস এইসব ছোট পোলাপান দিয়া কি আর তোর সুখ হইবো? আইজ রাইতে আয় আমার কাছে সব দিক দিয়াই তোরে ভরাই দিম যাহ! যদি আইজ আহোস তাইলে তোরে মামলা ও দিমু না যাহ! "
https://www.lovestorybangla.xy....z/2022/11/blog-post_
ক্লাসের সেই ছেলেটি
-------------------------------------
কেমিস্ট্রি ল্যাবে হাতাহাতির এক পর্যায়ে ক্লাসের সবচেয়ে শান্ত, সবসময় কোণায় বসে থাকা ইন্ট্রোভার্ট ছেলেটি যেদিন শ্রেয়া কে প্রতিপক্ষের এসিডের আক্রমণ থেকে বাঁচানোর জন্য দৌড়ে আসে, সেদিন সবাই বিস্ময়ের উর্ধ্বে পৌঁছে গিয়েছিলো।
https://www.lovestorybangla.xy....z/2022/11/blog-post_
যদি দেখা না হতো । পর্ব - ০৯
---------------------------------------------
মেহেন্তাঃ আমি বাচ্চা নষ্ট করে দিছি
তানিশাঃ কিহহহ,,এগুলো কি বলছিস,,তোর আর কাব্যের ভুলের জন্য একটা নিষ্পাপ বাচ্চাটাকে মেরে ফেললি
মেহেন্তাঃ আমি চায়না কাব্যের কোন চিহ্ন আমার জীবনে থাকুক
তানিশাঃ তাই বলে
https://www.lovestorybangla.xy....z/2022/11/blog-post_
আমার বাবা থিয়েটার কর্মী ছিলেন , ছোটবেলা থেকেই আমি আবার বাবার রিহার্সেল ফ্লোরে যেতাম , সবার অভিনয় দেখতাম , বাবা অভিনয় ও নাকি দেখেছি শো তে গিয়ে, তা আমার মনে নেই আম্মু বলে আমাকে , তবে আমার মঞ্চনাটক করার সুযোগ হয় নি । ৩ বছর বয়সেই আমি বুলবুল ললিতকলা একাডেমি ভর্তি হয়ে যাই নৃত্যের উপর তালিম নিতে , তাই আমার জগতে নাচ আর কিছুই ছিল না । এরপর যখন ক্লাস সেভেন এ পড়ি আমি টেলিভিশন নাটক করলাম , এর আগেও করেছি তবে কিছুই বুঝতাম না । আমি অভিনয়ের শুরু থেকেই চেয়েছিলাম মঞ্চে কাজ করবো , শিখবো , তবে করতে পারি নি , পড়াশুনা , শুটিং এবং অবশ্যই আঁশেপাশের মানুষের ইনফ্লুয়েন্সে হয় নি , তবে আমি সবসময় টের পেয়েছি অভিনয় নিয়ে আমাকে কাজ করতে হবে , আমাকে তালিম নিতে হবে , আমাকে শিখতে হবে । তারপর প্রথম কোভিডের পর পরই সৈয়দ জামিল আহমেদের কাছে একটি ৭ দিনের অভিনয়ের ওয়ার্কশপে যোগ দেই , এবং আমি বুঝি এই মানুষটাই আমাকে অভিনয় সম্পর্কে জ্ঞান দিবেন , আমাকে শিখতেই হবে , তারপর স্যার এর সাথে আর ও দুইটা ওয়ার্কশপ করি ডিরেকশনের এবং প্লে এনালাইসিস এবং এবার করলাম আবার ২ মাস ব্যাপী অভিনয় কর্মশালা যার মূখ্য শিক্ষক ছিলেন মহসিনা আক্তার , এবং তত্বাবধায়নে ছিলেন স্যার । ২ মাস ওয়ার্কশপ শেষে আমাদের প্রোডাকশন করতে হয়েছে আমন্ত্রিত অতিথিদের সামনে । শো শেষ করে এভাবেই আমার মা আমাকে জরিয়ে ধরে কাঁদছিল । এমন মুহূর্ত আমার জীবনের জন্যে আশির্বাদ । এর চেয়ে সুন্দর ছবি আর নেই জীবনে ।