বাংলাদেশের কোন অপারেটরের নেটওয়ার্ক গতি সবচেয়ে ভালো
এটা নির্ভর করবে আপনার এলাকার নেটওয়ার্কের উপর । একটা উদাহরণ দিলেয় বুঝবেন । মনে করেন আপনি দুইটি সিম ব্যবহার করেন । সেখানে আপনার বাড়ির কাছে বাংলালিংক অপারেটরের টাওয়ার আছে ।
বাড়ি থেকে অনেক দূরে গ্রামীণফোনের টাওয়ার আছে । সেখানে দেখা যায় বাংলালিংক এর নেটওয়ার্ক গতি সবচেয়ে ভালো পাওয়া যাবে । অবশ্যই গ্রামীনফোনের নেটওয়ার্ক কম পাওয়া যাবে ।
কাছের টায় বেশি গতি পাবে । কারণ সব সিম এখন ৪জি ব্যবহার করে । ৫জির প্রস্তুতি চলছে ।যেমন আপনি যদি টেলিটক ব্যবহার করে থাকেন তাহলে বিষয়টি আরও ভালো বুঝতে পারবেন ।
শহর অঞ্চলে টেলিটক খুব ভালো ভাবে ব্যবহার করা যায় । কিন্তু গ্রাম অঞ্চলে নেটওয়ার্কে সিগনাল ও খুঁজে পাওয়া যায় না । কারণ সেই সব জায়গায়তে টেলিটকের টাওয়ার খুব কম ।
তাই বলা যায় এটা আপনার ডিভাইস ও কাছের টাওয়ার এর উপর নির্ভর করে অনেকটা । ধন্যবাদ ।
উইন্ডোজ কম্পিউটারের গতি বাড়াবেন যেভাবে
***********************************************************************
আপনার পারসোনাল কম্পিউটার (পিসি) একটু পুরোনো হয়েছে। তার ওপর ভারী ভারী সফটওয়্যার ইনস্টল করা। নিয়মিত অ্যান্টিভাইরাসও দেওয়া হচ্ছে না। সব মিলিয়ে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে চলা পিসির গতি কমে গেছে। আবার নতুন পিসিরও গতি কমে যেতে পারে। যদি আপনার পিসির গতি কম থাকে, তবে কিছু পরামর্শ অনুসরণ করতে পারেন। এতে পিসির গতি বাড়তে পারে।
১
আপনার পিসিতে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ও অন্য যন্ত্রাংশের চালক সফটওয়্যারের সর্বশেষ হালনাগাদ দেওয়া আছে কি না, দেখুন। না থাকলে এখনই দিন। এ জন্য স্টার্ট বাটন থেকে সেটিংসে গিয়ে উইন্ডোজ আপডেট এবং চেক ফর আপডেটে চাপুন। যদি ‘ইউ আর আপ টু ডেট’ লেখা থাকে, বুঝবেন পিসি হালনাগাদ আছে। আর যদি ‘আপডেটস আর অ্যাভেইলেবল’ লেখা থাকে, আপডেট দিয়ে দিন। তাতে আপনার পিসিরি গতি বাড়তে পারে।
২
একই সময়ে অনেক অ্যাপ, প্রোগ্রাম ও ওয়েব ব্রাউজার খোলা থাকলে কম্পিউটারের গতি কমে যায়। একই সময়ে ব্রাউজারে অনেক ট্যাব খোলা থাকলেও গতি কমে যেতে পারে। যদি এমনটা হয়ে থাকে, তবে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ, ট্যাবগুলো বন্ধ রাখুন। এতেও যদি গতি না বাড়ে, তবে পিসি রিস্টার্ট দিন এবং কেবল প্রয়োজনীয় অ্যাপ, প্রোগ্রাম ও ব্রাউজার খুলুন, দেখবেন গতি বাড়ছে।
৩
গতি বাড়াতে উইন্ডোজের রেডিবুস্ট ফিচার ব্যবহার করতে পারেন। রেডিবুস্টের মাধ্যমে আপনি ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ বা এসডি কার্ডকে একটি অতিরিক্ত র্যামের মতো ব্যবহার করে পিসি না খুলেই গতি বাড়াতে পারেন। রেডিবুস্ট ব্যবহারের জন্য আপনার ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ বা মেমরি কার্ড থাকতে হবে এবং সেটিতে অন্তত ৫০০ মেগাবাইট খালি জায়গা এবং উচ্চ ডেটা ট্রান্সফার রেট থাকবে হবে।
৪
আপনার হার্ডডিস্কের পেজিং ফাইলকে উইন্ডোজ মেমোরির মতো ব্যবহার করে। উইন্ডোজ ১১–তে একটি সেটিংস আছে, যা পেজ ফাইল আকারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালায়। আপনার উইন্ডোজে এই সেটিংস ঠিকভাবে কাজ করছে কি না, নিশ্চিত হোন। এটি পিসির গতি বাড়ায়।
৫
আপনার পিসির ডিস্কে জায়গা কমে গেছে কি না, দেখুন। এমন হলে ডিস্ক খালি করেও পিসির গতি বাড়াতে পারেন। এই ক্ষেত্রে আপনি আপনার যন্ত্রাংশ থেকে অপ্রয়োজনীয় বা অস্থায়ী কিছু ফাইল মুছে ফেলতে পারেন।
৬
উইন্ডোজ ১১ সংস্করণে অ্যানিমেশন ও শ্যাডো ইফেক্টের মতো অনেক ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট আছে। শুনতে দারুণ মনে হলেও এতে অপারেটিং সিস্টেমের অতিরিক্ত শক্তি খরচ হয়। এর ফলে পিসির গতি কমে যায়। আর পিসির র্যাম যদি কম থাকে, তবে এটি আরও বেশি কার্যকর। তাই উইন্ডোজের উপকরণ ও কর্মক্ষমতার মধ্যে সামঞ্জস্য করুন।
৭
আপনি হয়তো আপনার ফাইলগুলো যেকোনো জায়গা থেকে ব্যবহারের সুবিধা নিতে অনলাইন ক্লাউড স্টোরেজ ওয়ানড্রাইভ ব্যবহার করেন। ফাইলগুলো আপনার পিসি ও ওয়ানড্রাইভের মধ্যে সিনক্রোনাইজিংয়ের মাধ্যমে রাখেন। এতে আপনার পিসির গতি কমে যায়। তাই পিসির গতি বাড়াতে সিঙ্ক করা বন্ধ রাখতে পারেন।
৮
আপনার পিসি খোলার সঙ্গে সঙ্গে কিছু প্রোগ্রাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয় এবং ভেতরে–ভেতরে চলতে থাকে। আপনি এই প্রোগ্রামগুলো বন্ধ রাখতে পারেন। এতে পিসি চালু হওয়ার পর এগুলো চলতে শুরু করবে না। এর ফলে পিসির গতি বাড়বে।
৯
ভাইরাস, ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকর সফটওয়্যারের কারণে আপনার পিসির গতি কমে যেতে পারে। আপনার পিসিতে ভাইরাস বা অন্যান্য ক্ষতিকারক কোনো সফটওয়্যার আছে কি না, স্ক্যান করে সেগুলো মুছে ফেলুন। এতে আপনার পিসির গতি বাড়বে।
১০
সম্প্রতি ইনস্টল করা নতুন কোনো অ্যাপ, ড্রাইভার বা আপডেটের কারণে আপনার পিসিতে হয়তো সমস্যা দেখা দিয়েছে। পিসি রিস্টার্ট দিন। এতে হয়তো আপনার পিসি পুনরায় স্বাভাবিকভাবে চলতে শুরু করবে এবং গতি বাড়বে।
সূত্র: সাপোর্ট ডট মাইক্রোসফট ডটকম
Source: প্রথম আলো
দুই বছর পর লাস ভেগাসে আবার প্রযুক্তিপণ্যের সর্ববৃহৎ মেলা
***********************************************************************
প্রযুক্তি অনুরাগীদের অপেক্ষার পালা অবশেষে শেষ হচ্ছে। ৫ থেকে ৮ জানুয়ারি চার দিনব্যাপী কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক শো (সিইএস) বসছে যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাস কনভেনশন সেন্টারে। ২০২০ সালের পর এবারই সশরীর বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইলেকট্রনিকস পণ্যের এই প্রদর্শনী হচ্ছে। বছরজুড়ে দুনিয়ার বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো কী ধরনের পণ্য আনবে, তার ধারণা পাওয়া যায় সিইএস থেকে। এ বছরের এই প্রদর্শনীর থিম হলো মানব নিরাপত্তা (হিউম্যান সিকিউরিটি), যা মানুষের খাদ্য বা স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগকে বোঝায়।
এরই মধ্যে ২ হাজার ৮০০-র বেশি প্রতিষ্ঠান এই মেলায় নিবন্ধন করেছে। এর মধ্যে স্যামসাং, অ্যামাজন, গুগল, এলজি, মাইক্রোসফট, সনি, প্যানাসনিক ও আসুসের মতো বড় বড় নামও রয়েছে। তবে অ্যাপল কম্পিউটার থাকছে না। এ ছাড়া স্টার্টআপসহ অনেক ছোট কোম্পানি এতে অংশ নেবে। এবারই প্রথম বাংলাদেশ থেকে প্রথম কোম্পানি হিসেবে অংশ নিচ্ছে ওয়ালটন।
যেসব চমক থাকছে
কিছু বড় কোম্পানি এই প্রদর্শনীতে কী পণ্য উন্মুক্ত করবে, সে ব্যাপারে মুখ খুলছে না। তবে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান আবার প্রকাশ করেছে। যেমন সনি একটি গাড়ির ভিডিও প্রকাশ করে বলেছে, ‘৪ জানুয়ারি লাস ভেগাসে দেখা হচ্ছে।’ জাপানি এই প্রতিষ্ঠান ২০২৫ সাল থেকে বৈদ্যুতিক গাড়ি উৎপাদন ও বিপণন করতে স্বদেশি হোন্ডা কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করেছে।
এ ছাড়া প্লেস্টেশন ৫-এর জন্য সনির ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি হেডসেট প্লেস্টেশন ভিআর২ ফেব্রয়ারিতে বাজারে আসার কথা। এটিও সিইএসে দেখানো হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আসুস এ প্রদর্শনীতে ত্রিমাত্রিক ওএলইডি ল্যাপটপ কম্পিউটার উন্মুক্ত করবে বলে গুঞ্জন রয়েছে। আসুস গত ডিসেম্বরে এ–সংক্রান্ত একটি টিজারও প্রকাশ করেছিল। এ ছাড়া ডেল, এইচপি ও লেনোভো গেমিংয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে এমন নতুন টু-ইন-ওয়ান ল্যাপটপ বা মনিটর আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। সিইএস ২০২৩–এর জন্য অ্যামাজনের ডেডিকেটেড ওয়েব পেজ থাকলেও কোম্পানিটি তাদের পণ্য সম্পর্কে কিছু বলেনি।
সূত্র: ডেইলি মেইল
Source: প্রথম আলো
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে নতুন সুবিধা পরখ করছে ইউটিউব
***********************************************************************
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমচালিত স্মার্টফোন ও অন্য যন্ত্রের জন্য নতুন ভিডিও প্রগ্রেস বার এনেছে ইউটিউব। এখন অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের ইউটিউব ভিডিওতে লাল রঙের ভিডিও প্রগ্রেস বার দেখা যায়। নতুন নকশায় প্রগ্রেস বার আরও সরু হতে পারে।
গুগলের নাইন টু ফাইভ প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নতুন নকশার ভিডিও প্রগ্রেস বার অ্যান্ড্রয়েডের কিছু ডার্ক থিম ব্যবহারকারীরা দেখতে পারছেন। নতুন প্রগ্রেস বার সাদা বা ধূসর রঙের। তবে ইউটিউবের কতসংখ্যক ভিডিওতে এমন প্রগ্রেস বার দেখা যাচ্ছে, সে সম্পর্কে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
ইউজার ইন্টারফেসে ইউটিউব সম্প্রতি অনেক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। ভিডিও চালু অবস্থায় নির্দিষ্ট অংশ বড় (জুম) করে দেখার সুযোগ দিতে ‘পিনচ টু জুম’ সুবিধাসহ লাইক, সাবস্ক্রাইব বাটনে পরিবর্তন এনেছে ইউটিউব। এ ছাড়া গত বছরের নভেম্বরে ভিডিও নির্মাতাদের জন্য লাইভ কিউঅ্যান্ডএ (প্রশ্নোত্তর) সুবিধা চালু করে ইউটিউব।
নতুন এ সুবিধা চালুর ফলে লাইভ ভিডিওর সঞ্চালকেরা দর্শকের করা প্রশ্নগুলো আলাদা চ্যাট বক্সে দেখতে পারবেন এবং চ্যাট বক্সে থাকা প্রশ্নগুলো থেকে উত্তর দিতে পারবেন।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
Source: প্রথম আলো
ভাষা শেখাতে টিকটক
***********************************************************************
ওয়েলসের ওয়েলশভাষীরা নিজেদের মাতৃভাষার প্রচারে ও অন্যদের ওয়েলশ শেখাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটক ব্যবহার করছেন। এই মাধ্যম ব্যবহার করে ওয়েলশ ভাষা শিখতে আগ্রহীরা ওয়েলশ ভাষাপ্রেমীদের সঙ্গে যুক্ত হতে পারছেন।
ওয়েলসের কারমারদেনশায়ারের লানেলিতে বসবাস করেন ইতিহাসে স্নাতক ২৩ বছর বয়সী বেথানি ডেভিস। টিকটকে তাঁর ৪৪ হাজার অনুাসারী। তিনি টিকটকের জন্য ওয়েলশ ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে আধেয় (কনটেন্ট) তৈরি করেন। বেথানি যখন ছোট ছিলেন, তখন তাঁরা এ অঞ্চলে চলে আসেন। সে সময় ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় ওয়েলশ ভাষায় পড়ানো হতো। এ জন্য তাঁর মা তখন ওয়েলশ ভাষা শিখেছিলেন। তাঁর মায়ের কাছ থেকেই তিনি অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন। এরপর স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু করলেও ওয়েলশ ভাষা ও সংস্কৃতি তিনি ভালোবাসতেন।
করোনায় স্বামীসহ ঘরবন্দী ছিলেন বেথানি। তাঁর স্বামী ভালো ওয়েলশ বলতে পারতেন না। তখন তিনি এ ভাষায় কথোপকথন না করতে পারায় শূন্যতা অনুভব করতেন। এ থেকেই টিকটকে ওয়েলশ ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে কাজ শুরু করেন বেথানি। টিকটক ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘টিকটকের ভিডিও স্বল্পদৈর্ঘ্যের ও মজার। এটিই মূলত টিকটকের অনন্য বিষয়, যার ফলে আপনি অন্যদের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন।’
বেথানির মতো টনিরিফেলে বসবাসরত নিকি গ্যাম্বলও ওয়েলশ ভাষা নিয়ে টিকটকে আধেয় প্রকাশ করেন। তিনি স্কুল, কলেজে ওয়েলশ ভাষায় পড়াশোনা করতেন। তবে তাঁর পরিবার এ ভাষায় কথা বলতে পারেন না। তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ও বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ওয়েলশ ভাষা ব্যবহার করতেন। করোনায় টিকটকে যুক্ত হয়ে তিনি দীর্ঘদিন চর্চা না করা ওয়েলশ ভাষা নিয়ে তাঁর দক্ষতা প্রকাশ শুরু করেন।
তিনি বলেন, ‘স্কুল শেষে আমি আসলে তেমন ওয়েলশ ব্যবহার করতাম না। এরপর আমি দেখলাম টিকটক ভীষণ কাজের। এটি আমার পুরোনো জীবনটা ফিরিয়ে দিয়েছে।’ টিকটকে ৪০ হাজারের বেশি মানুষ গ্যাম্বলকে অনুসরণ করেন।
সূত্র: বিবিসি
Source: প্রথম আলো