হরিপদ বেজায় কৃপণ। একদিন তার বাড়িতে হাজির হলেন তার বন্ধু শশধর।
শশধর: কিরে হরিপদ, তোর বাড়িতে এলাম, কিছু খাওয়াবি না?
হরিপদ: কী খেতে চাস, বল। ঠান্ডা, না গরম?
শশধর: নিয়ে আয়। ঠান্ডা গরম দুটাই খাব।
হরিপদ হাঁক ছাড়লেন, ‘কই রে জগাই, ফ্রিজ থেকে এক গ্লাস ঠান্ডা পানি আর চুলা থেকে এক গ্লাস গরম পানি নিয়ে আয়!’
সদ্য চাকরি হারিয়েছে এক যুবকের। বন্ধুর বাড়িতে এসে সে তার দুঃখের কথা জানাচ্ছিল—
বন্ধু: ফোরম্যান তোমাকে বরখাস্ত করল কেন?
যুবক: তুমি তো জানো, ফোরম্যানরা কী হয়? নিজেরা কাজ না করে দু’পকেটে হাত ঢুকিয়ে অন্যদের কাজ-কর্ম তদারকি করে।
বন্ধু: তা জানি। কিন্তু তিনি তোমাকে তাড়ালেন কেন?
যুবক: আর কেন, ঈর্ষায়। আসলে সব কর্মী আমাকেই ফোরম্যান ভেবে বসেছিল।
পল্টু জঙ্গলের ভেতর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল। ঘুটঘুটে অন্ধকার। হঠাৎ শোনা গেল অশরীরী আওয়াজ, ‘পল্টু’।
পল্টু: কে? কে কথা বলে?
অশরীরী: ভয় পেয়ো না। আমি ইচ্ছাপূরণ দৈত্য। আজ এই শুভদিনে আমি তোমার একটি ইচ্ছা পূরণ করব। বলো, কী চাও তুমি?
সাহস ফিরে পেল পল্টু। তারপর বললো—
পল্টু: আমার জন্য পুরো বিশ্ব পরিভ্রমণ করে আসবে, এমন একটা ট্রেন সার্ভিস চালু করে দাও, যেন আমি ঘুরে ঘুরে সব দেশের নববর্ষের উৎসব উপভোগ করতে পারি।’
দৈত্য: এটা তো খুব কঠিন কাজ। তুমি বরং অন্য কিছু চাও।
পল্টু: তাহলে আমাকে এমন ক্ষমতা দাও, আমি যেন নারীদের মন বুঝতে পারি।
দৈত্য: ট্রেন কী এসি, নাকি নন-এসি লাগবে?
Install app for better experience