এলিয়েন (ভিনগ্রহবাসী) পৃথিবী ভ্রমণ করেছে কিংবা দুর্ঘটনায় পড়ে অবতরণ করেছে—এখন পর্যন্ত এমন কোনো তথ্যপ্রমাণ পায়নি পেন্টাগন। আকাশে অজ্ঞাত উড়ন্ত বস্তু তথা ইউএফও নিয়ে নতুন এক গবেষণা নিয়ে এ কথা বলেছেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। খবর আল-জাজিরার
তবে মহাকাশে, আকাশে কিংবা পানির নিচে যেখানেই হোক না কেন, অস্বাভাবিক ও অজ্ঞাত বস্তুগুলোর তদন্তের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পেন্টাগন। তাদের সামনে কয়েক শ নতুন ঘটনা এসেছে, যা এখন তদন্ত করা হচ্ছে বলে গতকাল শুক্রবার মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
গত বছরের জুনে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালকের দপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৪ থেকে ২০২১ সাল নাগাদ ১৪৪টি ইউএফও দেখা যাওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। এর মধ্যে ৮০টি ইউএফও একাধিক সেন্সরে ধরা পড়েছিল।
গোয়েন্দা ও নিরাপত্তাবিষয়ক আন্ডারসেক্রেটারি রোনাল্ড মোলট্রি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ে আছি। আমরা এমন কিছু পাইনি যে আমরা যেসব বস্তু দেখেছি, তার কোনো একটির উৎস এলিয়েন হতে পারে বলে আমাদের মনে হতে পারে।’
দেখা যাওয়া অজ্ঞাত বস্তুগুলোর তদন্তে পেন্টাগন অল-ডোমেইন অ্যানোমালি রেজল্যুশন অফিস (এএআরও) নামে একটি নতুন বিভাগ গঠন করে। এএআরও পরিচালক শন কির্কপ্যাট্রিক বহির্জাগতিক জীবনের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেননি। এই কর্মকর্তা বলেন, তিনি এ গবেষণার জন্য একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি গ্রহণ করছেন।
কির্কপ্যাট্রিক বলেন, ‘আমি শুধু বলব, আমরা আমাদের বিশ্লেষণকে খুব পুঙ্খানুপুঙ্খ এবং বলিষ্ঠভাবে কাঠামো দিয়েছি। আমরা পুরো বিষয়টি সবিস্তার বিচার-বিশ্লেষণ করে দেখব।’
ইউএফওর ওপর এক বছরের বেশি সময় মনোযোগ দেওয়ার পর গত জুলাইতে এএআরও প্রতিষ্ঠা করা হয়। এসব ইউএফও মার্কিন সামরিক বাহিনীর পাইলটরা পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। কিন্তু লজ্জার মুখে পড়তে পারেন, এ ভয়ে কোনো কোনো সময় বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানাতে তাঁরা ইচ্ছুক ছিলেন না।
এএআরও প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে কির্কপ্যাট্রিক বলেন, ‘আমরা এ ধরনের আরও অনেক ঘটনার তথ্য পেয়েছি।’ সম্ভাব্য ইউএফও দেখা যাওয়ার নতুন কতগুলো তথ্য পাওয়া গেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কয়েক শ।
কর্মকর্তারা জানান, ২০২১ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত ইউএফও দেখা যাওয়ার কতগুলো তথ্য পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে চলতি বছরের শেষ দিকে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালকের দপ্তর থেকে হালনাগাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হতে পারে।
প্রায় অর্ধশতাব্দীর বেশি সময়ের মধ্যে গত মে মাসে ইউএফও নিয়ে প্রথমবারের মতো শুনানির আয়োজন করে মার্কিন কংগ্রেস। এতে এসব বস্তু এলিয়েন নাকি চীন, রাশিয়া বা সম্ভাব্য অন্য কোনো বিরোধী পক্ষ নতুন অজ্ঞাত কোনো প্রযুক্তি উড়িয়েছে, এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন একাধিক কংগ্রেস সদস্য। অজানা বস্তুগুলো নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করেছে।
এসব অজ্ঞাত বস্তুর বাইরেও অনেক নতুন প্রযুক্তি রয়েছে, যেমন স্টিলথ (রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম) বোমারু ও যুদ্ধবিমান, ড্রোন, হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের এসব প্রযুক্তি রয়েছে। ভুল করে এগুলোকেও ইউএফও মনে করা হতে পারে।
Source: প্রথম আলো
আজ বুধবার চীনে অনুষ্ঠিত ‘ইনো ডে ২০২২’ অনুষ্ঠানে নতুন চিপ, স্বাস্থ্যের তথ্য জানার যন্ত্র এবং স্মার্ট চশমা উন্মোচন করেছে অপো। ভার্চ্যুয়াল এ অনুষ্ঠানে নতুন প্রযুক্তিপণ্য উন্মোচনের পাশাপাশি জীবনমান উন্নয়নে নিজেদের ভূমিকা তুলে ধরেছে চীনা স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে উন্মোচন করা নতুন পণ্যগুলো দেখে নেওয়া যাক।
মারিসিলিকন ওয়াই চিপ
মারিসিলিকন ওয়াই চিপটিতে উন্নত এনসিক্সআরএফ (N6 RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এতে রয়েছে ১২ এমবিপিএস ব্যান্ডউইডথ ব্লুটুথ ধারণক্ষমতা। এই ব্লুটুথ ব্যান্ডউইডথের পরিমাণ আরও ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করা যাবে। এতে থাকা এসওসি অডিও প্রযুক্তি নির্বিঘ্নে ২৪ বিট বাই ১৯২ কিলোহার্টজের আল্টা ক্লেয়ার অডিও তারহীনভাবে স্থানান্তর করতে পারে।
ওহেলথ এইচওয়ান
হেলথ এইচওয়ান নামের মনিটরটি রক্তে অক্সিজেন মাত্রা, হৃৎস্পন্দন, তাপমাত্রা ও ফুসফুসের কার্যক্ষমতা মাপতে পারে। মাত্র ৯৫ গ্রাম ওজনের যন্ত্রটি মানুষের ঘুমের তথ্যও পর্যবেক্ষণ করতে পারে। তারহীন হওয়ায় সহজে ব্যবহার করা যায় যন্ত্রটি।
অপো এয়ার গ্লাস টু
অপো এয়ার গ্লাস টু নামের নতুন স্মার্ট চশমাটিতে এসআরজি (সোলার-রিফ্লেকটিভ গ্লাস) ওয়েভ গাইড লেন্স ব্যবহার করা হয়েছে। ফোন কল করার সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি মুখের কথা কাচে দেখাবে চশমাটি। শুধু তা–ই নয়, এক ভাষার কথা অন্য ভাষায় অনুবাদও করবে। পণ্যগুলো কবে আসবে বা দাম কত হবে, তা জানায়নি অপো।
Source: প্রথম আলো
উইন্ডোজ ১০ এবং উইন্ডোজ ১১ অপারেটিং সিস্টেমে থাকা দুটি জিরো ডে নিরাপত্তা ত্রুটির সমাধান করে সফটওয়্যার হালনাগাদ (নিরাপত্তা প্যাচ) উন্মুক্ত করেছে মাইক্রোসফট। ভয়ংকর এ ত্রুটি থেকে নিরাপদ থাকতে ব্যবহারকারীদের দ্রুত উইন্ডোজ হালনাগাদ করতেও পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
সিভিই-২০২২-৪৪৬৯৮ এবং সিভিই-৪৪৭১০ নামের ত্রুটিগুলো বেশ কিছুদিন আগে শনাক্ত হলেও দ্রুত সফটওয়্যার হালনাগাদ করতে পারেনি মাইক্রোসফট। এসব ত্রুটি কাজে লাগিয়ে উইন্ডোজ ১০ এবং উইন্ডোজ ১১ অপারেটিং সিস্টেমের নিরাপত্তাব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে পারে হ্যাকাররা। ফলে এরই মধ্যে উইন্ডোজে চলা কম্পিউটারে সাইবার হামলা চালানো হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জিরো ডে নিরাপত্তা ত্রুটি মূলত সফটওয়্যারের দুর্বলতা। নিজেদের তৈরি সফটওয়্যারে ত্রুটি শনাক্ত হলে দ্রুত সমাধান করে নিরাপত্তা প্যাচ উন্মুক্ত করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। কিন্তু প্যাচ উন্মুক্তের আগে হ্যাকাররা যদি সেই ত্রুটি ব্যবহার করতে পারে, তখন সেটিকে জিরো ডে নিরাপত্তা ত্রুটি বলা হয়।
Source: প্রথম আলো
ইউটিউবে ভালো মানের ভিডিওর নিচেও বিভিন্ন ধরনের অবমাননাকর মন্তব্য করেন অনেকে। ভিডিওর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলেও এসব মন্তব্যের কারণে ভিডিও নির্মাতাদের পাশাপাশি দর্শকেরাও বিব্রত হন। আর তাই অবমাননাকর মন্তব্য ঠেকাতে নতুন সুবিধা চালু করছে ইউটিউব।
নতুন এ সুবিধা চালু হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবমাননাকর মন্তব্য শনাক্ত করে মন্তব্যকারীদের বার্তা পাঠিয়ে সতর্ক করবে ইউটিউব। শুধু তাই নয়, মন্তব্যটি মুছে ফেলার পাশাপাশি প্রয়োজনে মন্তব্যকারীদের ২৪ ঘণ্টার জন্য ব্লকও করবে ভিডিও বিনিময়ের সাইটটি।। ফলে তারা ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত ইউটিউবের কোনো ভিডিওতে মন্তব্য করতে পারবেন না।
অবমাননাকর মন্তব্য নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ জাোয়, ইউটিউবের নীতিমালা ভঙ্গ করা মন্তব্যগুলোর নেতিবাচক প্রভাব থেকে অন্য ব্যবহারকারীদের রক্ষা করতেই এ উদ্যোগ। বর্তমানে এ সুবিধার কার্যকারিতা পরখ করা হচ্ছে। অবমাননাকর মন্তব্য ঠেকাতে সাফল্যও মিলেছে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে কেবল ইংরেজি ভাষায় লেখা মন্তব্যগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে ইউটিউব। সমস্যা সমাধানে নিজেদের মন্তব্য শনাক্তকরণ পদ্ধতিতে আরও বেশ কয়েকটি ভাষা যুক্তের পরিকল্পনা করেছে ভিডিও বিনিময়ের সাইটটি।
Source: প্রথম আলো
রায়ের বাজার বধ্যভূমি #রায়ের_বাজার_বধ্যভূমি
https://www.vromonkal.com/2022..../12/rayer-bazar-bodh
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভিডিও গেম সংগ্রহ করে পাঁচবার গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নিজের নাম লিখিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের বাসিন্দা আন্তোনিও রোমেরো মন্টেরো। ৪৫ বছর বয়সী রোমেরোর সংগ্রহে ২৪ হাজার ২৬৮টি ভিডিও গেম রয়েছে। এসব গেমের বর্তমান বাজারদর প্রায় ২১ লাখ ডলার।
মেইল অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তোনিও রোমেরো মন্টেরো মোট পাঁচবার গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করেছেন। সবচেয়ে বেশি এক্স বক্স গেম, সবচেয়ে বেশি সেগা গেম, সবচেয়ে বেশি নিন্টেন্ডো গেম, সবচেয়ে বেশি প্লে স্টেশন গেম এবং সবচেয়ে বেশি ভিডিও গেম সংগ্রহকারী হিসেবে রেকর্ডগুলো করেন তিনি।
আন্তোনিও রোমেরো মন্টেরো জানিয়েছেন, ১০ বছর বয়স থেকেই ভিডিও গেম সংগ্রহ করেন তিনি। সংগ্রহের তালিকায় এক্স বক্স, সেগা, নিন্টেন্ডো, প্লে স্টেশনের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভিডিও গেম, গেমিং কনসোল এবং যন্ত্রাংশও রয়েছে। কোনো পরিকল্পনা করে নয়, শখের বশেই এগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে।
কিশোর বয়স থেকে সেগা গেম কেনার পর ধীরে ধীরে সংগ্রহের পরিমাণ বাড়তে থাকে আন্তোনিওর। নিজ ঘরের পুরো একটি রুমজুড়ে ভিডিও গেমগুলো সাজিয়ে রেখেছেন তিনি। প্রায় ২৫ হাজার গেম সংগ্রহে থাকলেও আন্তোনিওর প্রিয় গেম সুপার নিন্টেন্ডো ও সুপার ক্যাসলেভানিয়া।
Source: প্রথম আলো
Install app for better experience
D M Shanto Islam
বলেন হতভাগা কপালপোড়া হয়
মন্তব্য মুছুন
আপনি কি এই মন্তব্যটি মুছে ফেলার বিষয়ে নিশ্চিত?