ভিয়েতনামের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা মাইলফলকে, চিকিৎসকেরা CAR-T সেল থেরাপি নামে এক যুগান্তকারী চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করে লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত ১২ বছর বয়সী এক কিশোরীর জীবন সফলভাবে রক্ষা করেছেন।
প্রচলিত চিকিৎসা এবং অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন ব্যর্থ হওয়ার পর, চিকিৎসক দলটি এই উদ্ভাবনী “জীবন্ত ওষুধ” পদ্ধতির আশ্রয় নেয়।
এই প্রক্রিয়ায় রোগীর নিজস্ব রোগপ্রতিরোধী কোষ সংগ্রহ করে তা তাইওয়ানের বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়, যেখানে জিনগতভাবে পরিবর্তন করে সেগুলোকে ক্যান্সার কোষ শনাক্ত ও আক্রমণ করার উপযোগী করা হয়।
উন্নত এই “যোদ্ধা কোষগুলো” রোগীর শরীরে ফিরিয়ে দেওয়ার পর তারা অবশিষ্ট ক্যান্সার কোষগুলোকে খুঁজে বের করে সফলভাবে ধ্বংস করে।
উচ্চ জ্বরসহ কঠিন পুনরুদ্ধার পর্বের মধ্য দিয়ে যেতে হলেও, এখন রোগী ক্যান্সারমুক্ত। ভিয়েতনামে এই নির্দিষ্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোনো শিশু রোগীর সফল চিকিৎসার এটিই প্রথম ঘটনা।
যদিও এটি এক অসাধারণ সাফল্যের গল্প, তবুও স্পষ্ট করা জরুরি যে এটি সব ধরনের রক্তের ক্যান্সারের জন্য সার্বজনীন “নিরাময়” নয়; বরং এটি অত্যন্ত কার্যকর একটি চিকিৎসা পদ্ধতি।
তবে এই সাফল্য প্রমাণ করে যে উন্নত জিন থেরাপি এখন এ অঞ্চলে একটি কার্যকর বিকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
এই অর্জন একই ধরনের জীবন-হুমকিপূর্ণ রোগে আক্রান্ত আরও অনেক শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নতুন আশা জাগিয়েছে এবং দেশের ক্যান্সার চিকিৎসা পদ্ধতিতে সম্ভাব্য পরিবর্তনের দ্বার উন্মোচন করেছে।