আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় এলে পশ্চিমবঙ্গে বাবরি মসজিদের মতো কোনো স্থাপনা গড়ে উঠতে দেওয়া হবে না—এমন মন্তব্য করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার (১৫ এপ্রিল) জলপাইগুড়িতে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া সমালোচনা করেন। তার ভাষায়, ‘বাংলায় কাউকে বাবরি মসজিদ নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না।’ শাহ অভিযোগ করেন, নবগঠিত আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর তৃণমূল কংগ্রেসের মদদেই বিতর্কিত কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরে তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর হুমায়ুন কবীর মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গায় একটি মসজিদ নির্মাণের প্রস্তাব দেন, যা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। নিজ বক্তব্যে অমিত শাহ আরও দাবি করেন, এই প্রকল্পে হুমায়ুন কবীর মুখ্যমন্ত্রীর নীরব সমর্থন পাচ্ছেন। মালদহের গাজোল ও মানিকচকে পৃথক সভায় তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘এটি ভারত—এখানে কেউ বাবরি মসজিদ তৈরি করতে পারবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার ভাইপোর বুঝে নেওয়া উচিত, এ ধরনের পরিকল্পনা সফল হবে না।’ অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস এই মন্তব্যকে উসকানিমূলক বলে অভিহিত করেছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদ অঞ্চলে প্রস্তাবিত মসজিদ প্রকল্পকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে এই ইস্যুটি ভোটারদের প্রভাবিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে, আর ফলাফল ঘোষণা করা হবে ৪ মে। নির্বাচনের প্রাক্কালে ধর্মীয় সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে কেন্দ্রের এই সরাসরি অবস্থান রাজ্যের রাজনীতিতে বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে। হুমায়ুন কবীরের দল এই মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে প্রচার চালালেও বিজেপি এটিকে তৃণমূলের দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখছে। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের ফলই নির্ধারণ করবে এই বিতর্কিত প্রকল্পের ভবিষ্যৎ।
১২ অক্টোবর ২০২৫ সালে ধারণ করা একটি ছবি ইতালীয় সাময়িকী L’Espresso তাদের ১০ এপ্রিল সংখ্যার প্রচ্ছদে প্রকাশ করে। ছবিটির ক্যাপশনে বিভিন্ন আঞ্চলিক সংঘাত ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিয়ে কঠোর ভাষায় সমালোচনা তুলে ধরা হয়। ছবিতে পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহের সময় ফিলিস্তিনি গ্রামবাসীদের সঙ্গে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি দেখা যায়। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি স্থানীয়দের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করছিল এবং ঘটনাটি মোবাইলে ধারণ করছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলমান সংঘাত, আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং মানবাধিকার ইস্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা ও সমালোচনা রয়েছে। পশ্চিম তীর, গাজা, লেবানন, সিরিয়া ও ইরান ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন পক্ষের অবস্থান ও ব্যাখ্যাও লক্ষ্য করা যায়। এ ধরনের ছবি ও প্রতিবেদন সাধারণত বৃহত্তর রাজনৈতিক বাস্তবতা, সংঘাতের মানবিক দিক এবং আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়াকে সামনে নিয়ে আসে। তবে এসব বিষয় বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে আবেগের পাশাপাশি তথ্যভিত্তিক ও ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্বপূর্ণ।
ফাভিওলা নোভা রদ্রিগেজ মাত্র দুই বছর বয়সে ২০১৮ সালে মৃত্যুবরণ করে। তাকে লাস ক্রুসেস, নিউ মেক্সিকোতে মোজানিক সিমেট্রিতে সমাহিত করা হয়—তার ছোট্ট কবর ঘিরে রাখা হয়েছিল খেলনা, ভালোবাসা এবং এক নীরব শোকের ভারে। 🕊️ দুই বছর পর, ২০২০ সালের ১ জুন রাতে, কাছাকাছি একটি সিকিউরিটি ক্যামেরায় অপ্রত্যাশিত কিছু ধরা পড়ে। ক্যামেরাটি মূলত তার কবর পর্যবেক্ষণের জন্য নয়, বরং অন্য একটি সমাধিতে ভাঙচুর ঠেকানোর জন্য বসানো ছিল। যা রেকর্ড হয়েছিল, তা সবাইকে অবাক করে দেয়। ভিডিওতে দেখা যায় একটি ছোট শিশু, প্রায় ফাভিওলার বয়সী, রাতে কবরস্থানের ভেতর হাঁটছে। শিশুটি বিভিন্ন কবরের কাছে থামে… আর ধীরে ধীরে রাখা খেলনাগুলো স্পর্শ করছে ও খেলছে। 🧸🌙 পরিবার যখন ভিডিওটি দেখে, প্রথমে তাদের মনে হয়েছিল এটি কোনো রহস্য নয়—বরং ভয়। তারা চিন্তিত হয়ে পড়ে যে কোনো জীবিত শিশু রাতে হারিয়ে গেছে এবং একা ঘুরে বেড়াচ্ছে। উদ্বিগ্ন হয়ে তারা দ্রুত কবরস্থানের কর্মীদের জানায়। সেখানেই একজন কর্মী নাকি কিছুক্ষণ থেমে গিয়ে বলেন—তিনি ওই ছোট্ট মেয়েটিকে চিনতে পারেন। তিনি পরিবারকে নিয়ে যান কাছের একটি কবরের দিকে। সেটি ছিল ফাভিওলারই। এর পর কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। কোনো নিশ্চিত উৎসও নেই, এমনকি কোনো চূড়ান্ত উত্তরও নেই যা সবকিছুকে পরিষ্কার করে। ঘটনাটি ধীরে ধীরে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে—কোনো অতিপ্রাকৃত প্রমাণ হিসেবে নয়, বরং এমন এক মুহূর্ত হিসেবে যা শোক, কাকতালীয় ঘটনা এবং অমীমাংসিত প্রশ্নের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকে। এটি আসলে অজানা কিছু ছিল কি না, বা শুধুই হারানোর অনুভূতি আমাদের দৃষ্টিকে বদলে দেয় কি না—তা যাই হোক না কেন, একটি সত্য থেকে যায়: ফাভিওলাকে মনে রাখা হয়েছিল। তার খেলনাগুলো স্পর্শ করা হয়েছিল। আর তার গল্প নীরবতায় হারিয়ে যায়নি। 💔✨
দীর্ঘদিন স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে এক যুবকের সঙ্গে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। সময়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক গোপনে শারীরিক সম্পর্কে রূপ নেয় বলে জানা যায়। এদিকে অভিযোগ রয়েছে, একই যুবকের সঙ্গে প্রবাসীর মেয়েরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের দাবি, মা ও মেয়ে—দুজনই ওই যুবকের কারণে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তারা যুবককে বিয়ের দাবি জানান। কিন্তু জটিলতা তৈরি হয়—যুবক কাকে বিয়ে করবে, মা নাকি মেয়েকে? এরই মধ্যে অভিযুক্ত যুবক হঠাৎ মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রবাসীর স্ত্রী স্থানীয়দের কাছে বিচার দাবি করেন। ঘটনাটি কয়েকদিন আগে কুমিল্লায় ঘটেছে বলে জানা গেছে। তথ্যসূত্র: স্থানীয় গণমাধ্যম।
চারজন আফ্রিকান শিক্ষার্থীর উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রমাণ করেছে যে সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞান একসঙ্গে কাজ করলে দৈনন্দিন বর্জ্যও মূল্যবান শক্তির উৎসে পরিণত হতে পারে। তাদের উদ্ভাবনে মূত্রকে বিদ্যুতে রূপান্তর করা হয়, যা বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় একটি টেকসই সমাধান হিসেবে কাজ করতে পারে। এই প্রযুক্তিতে তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে মূত্র থেকে হাইড্রোজেন আলাদা করা হয়, এরপর তা বিশুদ্ধ করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, অপ্রচলিত উৎস থেকেও কীভাবে নবায়নযোগ্য শক্তির সম্ভাবনা তৈরি করা সম্ভব। যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ অনিয়মিত, সেখানে এ ধরনের উদ্ভাবনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। সহজলভ্য উপকরণ ব্যবহার করায় এই পদ্ধতিটি সাশ্রয়ী, সহজপ্রাপ্য এবং পরিবেশবান্ধব। এই আবিষ্কারটি তার অভিনবত্ব ও বাস্তব প্রয়োগের জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে তরুণদের অনুপ্রাণিত করছে। এটি দেখায়, বাস্তব সমস্যার সমাধানে শিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক কৌতূহল কতটা গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বে এখনও ৭০ কোটিরও বেশি মানুষ নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাই এ ধরনের উদ্যোগ তৃণমূল পর্যায়ের উদ্ভাবনের গুরুত্বকে সামনে আনে। এই প্রকল্পটি আশার প্রতীক—যা প্রমাণ করে, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ তরুণদের হাত ধরেই আসতে পারে বড় পরিবর্তন।
দীর্ঘদিন স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে এক যুবকের সঙ্গে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। সময়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক গোপনে শারীরিক সম্পর্কে রূপ নেয় বলে জানা যায়। এদিকে অভিযোগ রয়েছে, একই যুবকের সঙ্গে প্রবাসীর মেয়েরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের দাবি, মা ও মেয়ে—দুজনই ওই যুবকের কারণে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তারা যুবককে বিয়ের দাবি জানান। কিন্তু জটিলতা তৈরি হয়—যুবক কাকে বিয়ে করবে, মা নাকি মেয়েকে? এরই মধ্যে অভিযুক্ত যুবক হঠাৎ মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রবাসীর স্ত্রী স্থানীয়দের কাছে বিচার দাবি করেন। ঘটনাটি কয়েকদিন আগে কুমিল্লায় ঘটেছে বলে জানা গেছে। তথ্যসূত্র: স্থানীয় গণমাধ্যম।