👶 নীরবতা থেকে ছয়টি হৃদস্পন্দন
২১ বছর ধরে তিনি অপেক্ষা করেছিলেন—একটি শিশুর মুখে “মা” ডাক শোনার জন্য।
আর যখন সেই মুহূর্ত এল…
নীরবতা ভেঙে গেল ছয়টি কণ্ঠে।
নাইজেরিয়ার ৪৯ বছর বয়সী ডরিস লেভি উইলসন অসম্ভবকে প্রায় পবিত্র করে তুলেছিলেন।
কোনো IVF নয়।
কোনো সিজারিয়ান নয়।
শুধু বিশ্বাস, শক্তি—আর এমন একটি শরীর, যা হাল ছাড়তে রাজি ছিল না।
দুই দশকের অপেক্ষার পর ২০১৫ সালে তিনি যমজ সন্তানের জন্ম দেন।
কিন্তু ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঘটল আরও এক বিস্ময়কর ঘটনা—
চার মেয়ে। দুই ছেলে।
সবাই সুস্থ। সবই স্বাভাবিক প্রসব।
চিকিৎসকেরা বিস্মিত।
বিজ্ঞান যেন নীরব।
আর ডরিস?
তিনি শুধু হাসলেন—আর কৃতজ্ঞতা জানালেন।
তিনি এই দ্বিগুণ অলৌকিক ঘটনার কৃতিত্ব দেন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসা ভেষজ চিকিৎসা ও ঐতিহ্যবাহী মালিশকে।
প্রযুক্তি নয়।
ক্লিনিক নয়।
বরং তার মানুষের জ্ঞান—আর তার চেয়েও বড় কিছুর ইচ্ছাশক্তি।
আজ তার ছয় সন্তানের নাম—মিরাকল, মার্ভেলাস—
শুধু নাম নয়, ঘোষণা।
প্রতিটি হৃদস্পন্দন এক একটি অধ্যবসায়ের স্তব।
প্রতিটি শ্বাস—অসম্ভবের বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ।
এই গল্প শুধু মাতৃত্বের নয়।
এটি এমন বিশ্বাসের কথা, যা ভেঙে পড়ে না।
এমন ভালোবাসার কথা, যা তিক্ততা ছাড়াই অপেক্ষা করে।
আর কখনও কখনও, যখন সব হিসাব বলে “না”—
জীবন তখন ফিসফিস করে বলে, “হ্যাঁ।” 💛