🐻😨 তার হাড় ভেঙে গেল—এবং তবুও লড়ার সিদ্ধান্ত নিল। “এমন কোনো ম্যানুয়াল নেই যা আপনাকে নিজের হাড় ভেঙে যেতে অনুভব করার জন্য প্রস্তুত করবে যখন একটি ভালুক আপনার মুখ ছিঁড়ে ফেলবে।”
এভাবেই জেরেমি ইভান্সের মনে আছে। ইয়েলোস্টোনের একাকী হাইকিং দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছিল— যখন একটি গ্রিজলি ভালুক তাকে প্রথম খুঁজে পায়।
সে protocol অনুযায়ী কাজ করেছিল: স্থির থাকো। কিন্তু ভালুকটি সে সবের পরোয়া করেনি।
সে তাকে গাছ থেকে টেনে নামাল, কাপড়ের মতো ঝাঁকাতে লাগল, এবং ধীরে ধীরে, পদ্ধতিগতভাবে তার মুখের বাম দিকে কামড় বসাল। প্রতিটি মচমচ শব্দ, প্রতিটি ছিঁড়ে যাওয়া, তার স্মৃতিতে খোদাই করা ছিল।
কিন্তু যন্ত্রণার গভীরে, ভয়ের চেয়ে গভীর কিছু জেগে উঠল: বেঁচে থাকা।
জেরেমি তার আঙুলগুলো ভালুকের নাক, চোখ এবং কানে ঢুকিয়ে দিল। সে যেন এক জন আবেশিত মানুষ— শুধু প্রবৃত্তি দ্বারা নয়, ভালোবাসার দ্বারাও যুদ্ধ করছিল।
কারণ তার মনে, সে তার মেয়েকে দেখেছিল— যে এখনো হাঁটতে শেখেনি।
সেই চিন্তা তাকে ৪৫ মিনিটের জন্য টেনে নিয়ে গেল— রক্তাক্ত, অর্ধ-অন্ধ, ভাঙা— যতক্ষণ না সে সাহায্যের জন্য কল করার মতো সংকেত খুঁজে পায়। 📱🚁
সে বেঁচে গেল। একাধিক অস্ত্রোপচারে তার মুখ পুনর্গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু যা তার আত্মাকে পুনর্গঠন করেছে… সেটা ছিল যে কারণে সে বেঁচে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। 👣❤️
প্রকৃতি সুন্দর। কিন্তু কখনোই শান্ত নয়। এবং মাঝে মাঝে, একজন মানুষ যা হতে পারে— তা হল... একজন বাবা যে বিদায় বলতে প্রস্তুত ছিল না।