আচ্ছা বিয়ের নিয়মটা যদি এমন হতো.!'💙
ছেলে থাকবে স্টুডেন্ট, মেয়েও থাকবে স্টুডেন্ট। ছেলের বয়স ১৮ আর মেয়ের বয়স ১৬ হওয়ার সাথে সাথেই তাদের বিয়ে দিবে.!'🥰
বিবাহর আগে তারা যেভাবে থাকতো এখনো সেভাবে থাকবে। ছেলে ছেলের বাসাই থাকবে, মেয়ে মেয়ের বাসায় এই থাকবে। আগে যেভাবে মেয়ের খরচ তার বাবা দিতো, এখনো ঠিক তেমন দিবে.!'🧡
সম্ভব হলে ছেলে অথবা ছেলের পরিবার দিবে। মধ্যখান দিয়ে একটি হালাল সম্পর্ক তৈরি হবে। দুজন প্রেম করবে কিন্তু কোনো প্রকার পাপ হবে না। হবে শুধু সোয়াব। পূর্ণ হবে অর্ধেক দ্বীন.!'🥰
দুজন মিলে দ্বীনের পথে চলা সহজ হবে। চোখের যিনা থেকে বাঁচা যাবে। ইসলামের বিধি নিষেধ গুলো মেনে চলা সহজ হবে। হালাল ভাবে সব কিছু গড়ে উঠবে.!'💚
তারপর ছেলে যখন তার ক্যারিয়ার উন্নত করতে পারবে চাকরি- অথবা ব্যবসা করে নিজে চলা এবং স্ত্রীকে চালানোর মতো সামার্থ হবে, তখন তার বাসায় তার বউকে নিয়ে আসবে.!'💝
এতে করে বাঁচবে সমাজ, হবেনা ধর্ষণ, হবেনা কোনো যিনা, হবে না কোনো পাপাচার। এটা সকল পিতা মাতার বোঝা উচিত.!'🥰🌻
নীরা, সংগ্রহ !🌸
ফ্রিল্যান্সিং শিখুন একটি সফল ক্যারিয়ার গড়ুন
যেকোনো ধরনের পড়াশোনার পাশাপাশি আপনি একটি ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার বেছে নিতে পারেন।
বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং করে বহু মানুষ কোটিপতি হচ্ছেন। আপনি কি একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে চান ??
তাহলে আপনাকে অবশ্যই দক্ষতা বিকাশ ( Skills Develop ) করতে হবে। একটি জিনিস সর্বদা মনে রাখবেন, আপনি যা অর্জন করবেন তা থেকে আপনি অবশ্যই উপকৃত হবেন। দক্ষতা (Skills ) কখনো ব্যর্থ হয় না। আপনিও দক্ষতা বিকাশের (Skills Development) মাধ্যমে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে পারেন।
আপনার ধৈর্য, আপনার কঠোর পরিশ্রম, আপনার সময় আপনাকে এমন জায়গায় নিয়ে যাবে যা সাধারণ মানুষ কল্পনাও করতে পারে না।
আর সময় নষ্ট না করে, বাবা-মার বোঝা না হয়ে, আপনিও দক্ষতা বিকাশ
( Skills Develop ) করে মা-বাবার মুখে হাসি ফূটাতে পারেন।😃😃😃
সংজোয়ার
Injeb Changma, 8 অক্টোবর, 2017
এধক্যে দেচ্ আ-র কুধু পেবং আমা মুরহ্ দেচ্,
মুরহ্-মুড়িহ্ ছরাহ্-ছরিহ্ গম লাগেদে বেচ্।
কধক ছরাহ্ কধক মুরহ্ কধক গম পানি,
ছাবাই ছাবাই রিপ রিপ অয়্যা গম লাগেদে ঘরানি।
চের কিত্তে তারুম বন নানাঙ ফুল ফুদি থান,
ফুলত পুরি ভমরাউন মুধু চুজি খান।
তারা পহরত চান পহর ঘুমত পরিহ যেই,
বেন্যা অহলে পেইগ গীদে ঘুমত্তুন জাগি যেই।
তনচঙ্গ্য, খেয়াং, লুসাই, মরুং, কুমি-বনযোগী,
দচ ভাচ্ তেরোবো জাদি এই জাগানত আগি।
পাংখু, চাকসহ তিবিরে, চাঙমা;
মারমাসহ দচ্চান ভাচ এগারবো আমার মা।
এগারবো মা’র পুঅ-ছা আমি বেক্কুন আমি ভেই,
দেচ্চান আমার ভাজি যার বেক্কুনে উজে যেই।
নদরেবং মিশিনগান ন দরেবং রাইফেল,
জুম্ম জাদরমান আমার দেচ্চান ভাজি গেল।
ন দরেবং এবার আমি সং গরি উজেই,
বিজগত পাদাত লেঘা থেবং যুনিয়্য মরি যেই।
সময়টা ১৯৫৪ সাল। অন্যান্য দিনের মতই সেদিনও ছিল কর্মব্যাস্ত টোকিও বিমানবন্দর, এর মাঝেই দুপুরের দিকে ইউরোপ থেকে একটি বিমান এসে অবতারণ করে টোকিও বিমানবন্দরে। । ওই বিমানের ওঠার লাইনে দাঁড়ান হ্যাট-কোর্ট-প্যান্ট পড়া এক শ্বেতাঙ্গ। কাস্টম অফিসাররা নিয়ম মেনেই পরীক্ষা করেন পাসপোর্ট।
Read more https://www.anuperona.com/taured-japan/
Install app for better experience