😲 বহু বছর ধরে ভারতের সঞ্জু ভগত একটি অস্বাভাবিকভাবে ফুলে থাকা পেট নিয়ে জীবন কাটিয়েছেন। তার পেট এতটাই বড় হয়ে গিয়েছিল যে শ্বাস নিতে কষ্ট হতো এবং তিনি নিয়মিত অস্বস্তি ও বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতেন। অধিকাংশ মানুষই ধারণা করেছিলেন, এটি একটি বিশাল টিউমার।
কিন্তু মুম্বাইয়ের টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকেরা এমন এক দৃশ্যের মুখোমুখি হন, যা কেউ কল্পনাও করেননি। তার পেটের ভেতরে পাওয়া যায় আংশিকভাবে গঠিত একটি মানবদেহ, যাতে হাত-পা, চুল এবং জননাঙ্গের মতো অঙ্গও ছিল।
বিশেষজ্ঞরা জানান, সঞ্জু ভগতের ছিল "ফিটাস ইন ফিটু (Fetus in Fetu)" নামের একটি অত্যন্ত বিরল জন্মগত অবস্থা। গর্ভাবস্থায় যমজ ভ্রূণের একটি অন্যটির শরীরের ভেতরে আটকে গেলে এমনটি ঘটতে পারে। সঞ্জুর ক্ষেত্রে, অপরিণত সেই যমজ ভ্রূণটি ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তার শরীরের ভেতরে ছিল এবং তার রক্ত সরবরাহের মাধ্যমেই টিকে ছিল।
সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সেই অস্বাভাবিক টিস্যু অপসারণ করা হয়। সঞ্জু ভগতের এই ঘটনা চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে অন্যতম বিরল ও বিস্ময়কর ঘটনা হিসেবে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়।
🧬 "ফিটাস ইন ফিটু" একটি অত্যন্ত বিরল জন্মগত অবস্থা, যা আনুমানিক প্রতি ৫ লাখ জন্মে মাত্র ১টি ক্ষেত্রে দেখা যায়।