প্রথম শ্রেণির ছাত্রকে নিয়ে গেল চিতাবাঘ!
ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনে জেলায় চিতাবাঘের হামলায় প্রাণ গেল এক প্রথম শ্রেণির ছাত্রের। ছয় বছরের ওই শিশুর নাম সিদ্ধার্থ প্রবীণ কেড়কর। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জুন্নারের কুমশেত গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, দিনমজুর বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান সিদ্ধার্থ স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র ছিল। পড়াশোনার প্রতি তার আগ্রহ পরিবারের কাছে একমাত্র আশার আলো হয়ে উঠেছিল।
ঘটনার দিন সন্ধ্যায় বই হাতে বাড়ির উঠানে পড়তে বসেছিল শিশুটি। এ সময় হঠাৎ করে একটি চিতাবাঘ তাকে আক্রমণ করে এবং টেনে-হিঁচড়ে বনের দিকে নিয়ে যায়। উঠানে পড়ে থাকে খোলা বইটি।
পরে স্বজনরা শিশুটিকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারকে খবর দেন। প্রতিবেশীদের সঙ্গে নিয়ে ব্যাপক খোঁজাখুঁজি শেষে বাড়ি থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় শিশুটির মৃতদেহ পাওয়া যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, এ বছর পুনে জেলায় চিতাবাঘের হামলায় এটি দ্বিতীয় মৃত্যুর ঘটনা। গত এপ্রিল মাসে শিরুরের ইনামগাঁওয়ে ৮৫ বছরের এক বৃদ্ধা চিতাবাঘের হামলায় নিহত হয়েছিলেন। গত বছর এ জেলায় চিতাবাঘের আক্রমণে ৯ জন নিহত এবং আরও ৯ জন আহত হয়েছিলেন।
একজন মানুষ, একটাই প্রাণ, কিন্তু কোটি হৃদয়ের অনুপ্রেরণা সামান কুনান
৩৮ বছর বয়সী সাবেক থাই নেভি সিল ডাইভার সামান কুনান, থাইল্যান্ডের এক গুহায় আটকে পড়া ১২ জন শিশু ও তাদের কোচকে বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন।
যখন তিনি বুঝতে পারেন শিশুগুলোর অক্সিজেন ফুরিয়ে যাচ্ছে, তখন নিজের অক্সিজেন ট্যাংক তাদের জন্য রেখে দিয়ে তিনি ফিরে যান নতুন ট্যাংক আনতে — কিন্তু আর ফিরতে পারেননি।
তার এই নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগের কারণে, বেঁচে যায় সেই ১২টি প্রাণ।
তাঁর মৃত্যু কেবল একটি দুঃখজনক ঘটনা নয়, এটি মানবতার সবচেয়ে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সেন্ট থমাস অ্যাকুইনাস -------
২০১৩ সালের ১৬ আগস্ট রাতে,এমভি সেন্ট থমাস অ্যাকুইনাস ফেরিটি সেবু সিটির দিকে যাচ্ছিল,তখন সংকীর্ণ সেবু প্রণালীতে বহির্গামী পণ্যবাহী জাহাজ এমভি সালপিসিও এক্সপ্রেস সিয়েটের সাথে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের ৩০ মিনিটের মধ্যেই,৪৫৫ ফুট লম্বা ফেরিটি ঢেউয়ের তলায় ডুবে যায়,যার ফলে কয়েক ডজন লোক প্রাণ হারায়।
ফেরিতে ৭১৫ জন যাত্রী এবং ১১৬ জন ক্রু ছিলেন, ৭৫০ জনকে উদ্ধার করা হলেও ৬১ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে,আরও ৫৯ জন নিখোঁজ রয়েছে। তেল-মাখা জলের মধ্যে বেঁচে যাওয়া অনেককে অন্ধকারে লাইফ জ্যাকেটের জন্য লাফিয়ে পড়তে হয়েছিল, অন্যদিকে স্থানীয় জেলেরা সমুদ্র থেকে মানুষকে উদ্ধার করতে সাহায্য করেছিল।
টালিসে থেকে মাত্র ১.২ মাইল দূরে দুর্ঘটনাটি ঘটে এবং তদন্তকারীরা পরে জানতে পারেন যে পণ্যবাহী জাহাজটি ভুল প্রবেশপথে ছিল। ১২০,০০০ লিটার বাঙ্কার জ্বালানি সমুদ্রে লিক করে ফেরিটির দ্রুত বন্যা পরিস্থিতি আরও খারাপ করে তোলে,যা একটি আঞ্চলিক পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ডুবুরিরা কয়েকদিন ধরে মৃতদেহ উদ্ধার করে এবং বিষাক্ত সমুদ্রের জল অনেক বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিকে অসুস্থ করে তোলে। সালপিসিও শিপিং কোম্পানি ইতিমধ্যেই একাধিক দুর্যোগের সাথে জড়িত ছিল এবং এই সাম্প্রতিক ট্র্যাজেডি আবারও ফিলিপাইন জুড়ে বন্দরের নিরাপত্তা,রক্ষণাবেক্ষণ এবং আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ব্যর্থতা প্রকাশ করে।
Install app for better experience