মধ্যযুগের অন্ধকার যুগে, যেখানে ধর্মদ্রোহিতাকে নির্দয় নিষ্ঠুরতার সাথে শাস্তি দেওয়া হত, সেখানে নির্যাতনের একটি স্বল্প পরিচিত কিন্তু ভয়ঙ্কর হাতিয়ার ছিল: ধর্মদ্রোহিতার কাঁটা। এই যন্ত্রটি তাৎক্ষণিকভাবে চরম যন্ত্রণা দেওয়ার জন্য তৈরি কোনও শিল্পকর্ম ছিল না, বরং দীর্ঘস্থায়ী মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণার একটি হাতিয়ার ছিল।
কাঁটাটিতে একটি ধাতব দণ্ড ছিল যার উভয় প্রান্তে দুটি ধারালো বিন্দু ছিল। এটি শিকারের ঘাড় এবং থুতনির মাঝখানে স্থাপন করা হত, অন্য বিন্দুটি শিকারের বুক বা স্টার্নামের সাথে চাপা থাকত। চামড়া বা ধাতব কলার দিয়ে বেঁধে, এটি মাথার কোনও নড়াচড়া রোধ করত। এটি সামনে বা পিছনে কাত করা যেত না, এবং কথা বলা কার্যত অসম্ভব ছিল।
এই নিষ্ঠুর যন্ত্রটি সাধারণত সরাসরি মৃত্যু ঘটাত না, তবে এটি অসহনীয় যন্ত্রণা দিত। দণ্ডিত ব্যক্তিকে ঘন্টার পর ঘন্টা এমনকি দিন ধরে মাথা না রেখে বা ঘুমাতে না পেরে দাঁড়িয়ে থাকতে হত। ঘুমের অভাব, ক্রমাগত ব্যথার সাথে মিলিত হয়ে চরম ক্লান্তি, হতাশা এবং এমনকি পাগলামির দিকে পরিচালিত করে।
ধর্মদ্রোহিতার কাঁটাটি প্রাথমিকভাবে চার্চের শত্রু হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিদের শাস্তি দেওয়ার জন্য ইনকুইজিশন দ্বারা ব্যবহৃত হত। এর উদ্দেশ্য ছিল কেবল শাস্তি দেওয়া নয়, বরং ভুক্তভোগীকে অপমান করা, তাদেরকে সম্পূর্ণ দুর্বল অবস্থায় ফেলে রাখা।
মধ্যযুগের অন্ধকার যুগে, যেখানে ধর্মদ্রোহিতাকে নির্দয় নিষ্ঠুরতার সাথে শাস্তি দেওয়া হত, সেখানে নির্যাতনের একটি স্বল্প পরিচিত কিন্তু ভয়ঙ্কর হাতিয়ার ছিল: ধর্মদ্রোহিতার কাঁটা। এই যন্ত্রটি তাৎক্ষণিকভাবে চরম যন্ত্রণা দেওয়ার জন্য তৈরি কোনও শিল্পকর্ম ছিল না, বরং দীর্ঘস্থায়ী মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণার একটি হাতিয়ার ছিল।
কাঁটাটিতে একটি ধাতব দণ্ড ছিল যার উভয় প্রান্তে দুটি ধারালো বিন্দু ছিল। এটি শিকারের ঘাড় এবং থুতনির মাঝখানে স্থাপন করা হত, অন্য বিন্দুটি শিকারের বুক বা স্টার্নামের সাথে চাপা থাকত। চামড়া বা ধাতব কলার দিয়ে বেঁধে, এটি মাথার কোনও নড়াচড়া রোধ করত। এটি সামনে বা পিছনে কাত করা যেত না, এবং কথা বলা কার্যত অসম্ভব ছিল।
এই নিষ্ঠুর যন্ত্রটি সাধারণত সরাসরি মৃত্যু ঘটাত না, তবে এটি অসহনীয় যন্ত্রণা দিত। দণ্ডিত ব্যক্তিকে ঘন্টার পর ঘন্টা এমনকি দিন ধরে মাথা না রেখে বা ঘুমাতে না পেরে দাঁড়িয়ে থাকতে হত। ঘুমের অভাব, ক্রমাগত ব্যথার সাথে মিলিত হয়ে চরম ক্লান্তি, হতাশা এবং এমনকি পাগলামির দিকে পরিচালিত করে।
ধর্মদ্রোহিতার কাঁটাটি প্রাথমিকভাবে চার্চের শত্রু হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিদের শাস্তি দেওয়ার জন্য ইনকুইজিশন দ্বারা ব্যবহৃত হত। এর উদ্দেশ্য ছিল কেবল শাস্তি দেওয়া নয়, বরং ভুক্তভোগীকে অপমান করা, তাদেরকে সম্পূর্ণ দুর্বল অবস্থায় ফেলে রাখা।
জাপানের আইসক্রিম কোম্পানি আকাগি নিউগিও (Akagi Nyugyo) তাদের বিখ্যাত “গারিগারি-কুন” (Garigari-kun) পপসিকেলের দাম ২৫ বছর পর প্রথমবারের মতো বাড়িয়েছে।
বৃদ্ধিটা কত জানেন ? মাত্র ১০ ইয়েন, মানে প্রায় ৯ সেন্ট।
কিন্তু চুপচাপ লেবেল বদলে দেওয়ার বদলে তারা জাতীয় টেলিভিশনে গিয়ে একটা পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্ষমা চাইল। বিজ্ঞাপনে দেখা যায়, কোম্পানির কর্মকর্তারা গভীরভাবে মাথা নত করে বলছেন— “আমরা ২৫ বছর ধরে একই দাম রেখেছিলাম, কিন্তু… আর পারছিনা ।”
শুধু জাপানেই হয়তো এমনটা সম্ভব—কোনো কোম্পানি কয়েক সেন্ট দাম বাড়িয়েও টেলিভিশনে মাথা নত করে ক্ষমা চাইছে।
সত্যি বলতে কী, এটা আমার দেখা সবচেয়ে আন্তরিক আর হৃদয়ছোঁয়া “সরি”।
দর্শক এমন কোনো ঘটনা আপনারা দেখেছেন?
জাপানের আইসক্রিম কোম্পানি আকাগি নিউগিও (Akagi Nyugyo) তাদের বিখ্যাত “গারিগারি-কুন” (Garigari-kun) পপসিকেলের দাম ২৫ বছর পর প্রথমবারের মতো বাড়িয়েছে।
বৃদ্ধিটা কত জানেন ? মাত্র ১০ ইয়েন, মানে প্রায় ৯ সেন্ট।
কিন্তু চুপচাপ লেবেল বদলে দেওয়ার বদলে তারা জাতীয় টেলিভিশনে গিয়ে একটা পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্ষমা চাইল। বিজ্ঞাপনে দেখা যায়, কোম্পানির কর্মকর্তারা গভীরভাবে মাথা নত করে বলছেন— “আমরা ২৫ বছর ধরে একই দাম রেখেছিলাম, কিন্তু… আর পারছিনা ।”
শুধু জাপানেই হয়তো এমনটা সম্ভব—কোনো কোম্পানি কয়েক সেন্ট দাম বাড়িয়েও টেলিভিশনে মাথা নত করে ক্ষমা চাইছে।
সত্যি বলতে কী, এটা আমার দেখা সবচেয়ে আন্তরিক আর হৃদয়ছোঁয়া “সরি”।
দর্শক এমন কোনো ঘটনা আপনারা দেখেছেন?
রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়েছে এ্যানথ্রাক্স। গত দুই মাসে এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। ইতোমধ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন দুইজন। পাশাপাশি মারা গেছে প্রায় ১ হাজার গবাদি পশু।
গত আগস্ট মাসে অসুস্থ গরুর মাংস কাটতে গিয়ে সংক্রমিত হন উপজেলার পারুল ইউনিয়নের মাইটাল এলাকার কৃষক আব্দুর রাজ্জাক। কয়েক দিনের মধ্যেই তার শরীরে জ্বর, ফোড়া ও ঘা ছড়িয়ে পড়ে। পরে তাকে রংপুর কমিউনিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।
Install app for better experience