ব্রাজিলে এক দম্পতি ১৮ বছরে ২০ লাখ গাছ লাগিয়ে একটি পুরো বন ফিরিয়ে এনেছেন। তাদের এই প্রচেষ্টায় ফিরে এসেছে ১৭২টি পাখির প্রজাতি, ৩৩টি স্তন্যপায়ী প্রাণী, ১৫টি উভচর, ১৫টি সরীসৃপ এবং ২৯৩টি উদ্ভিদের প্রজাতি।
এই দম্পতির নাম Lélia Wanick এবং Sebastião Salgado। তারা শুরু করেন Instituto Terra নামের একটি ছোট সংগঠন, যেখানে শুধু স্থানীয় প্রজাতির গাছ লাগিয়ে পুরো বনকে আবার জীবন্ত করে তোলেন।
Sebastião Salgado বলেন –
“শুধুমাত্র একটি জীবই কার্বন ডাই-অক্সাইড থেকে অক্সিজেন তৈরি করতে পারে, আর সেটা হলো গাছ। আমাদের আবার বন লাগানো দরকার।”
তাদের গাছ লাগানোর ফলে এলাকার প্রকৃতি ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়, পরিবেশ ফিরিয়ে আসে জীববৈচিত্র্য—অনেক বিপন্ন প্রাণী আবার ফিরে আসে।
Sebastião আরও বলেন –
“পৃথিবীটা তখন আমার মতোই দুঃখী হয়ে পড়েছিল, সবকিছু ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। তখন আমার স্ত্রী অসাধারণ একটি ধারণা দিল—বন আবার গড়ে তোলার। তারপর ধীরে ধীরে গাছ বড় হতে লাগল, ফিরে এলো পোকামাকড়, মাছ, পাখি। আর এই গাছপালার নতুন জীবনের সঙ্গে সঙ্গে আমিও যেন নতুন করে বাঁচতে শিখলাম।”
তাদের এই কাজ পুরো পৃথিবীর জানার দরকার—এটা এক সত্যিকারের অনুপ্রেরণার গল্প। 🌳💚
ব্রাজিলে এক দম্পতি ১৮ বছরে ২০ লাখ গাছ লাগিয়ে একটি পুরো বন ফিরিয়ে এনেছেন। তাদের এই প্রচেষ্টায় ফিরে এসেছে ১৭২টি পাখির প্রজাতি, ৩৩টি স্তন্যপায়ী প্রাণী, ১৫টি উভচর, ১৫টি সরীসৃপ এবং ২৯৩টি উদ্ভিদের প্রজাতি।
এই দম্পতির নাম Lélia Wanick এবং Sebastião Salgado। তারা শুরু করেন Instituto Terra নামের একটি ছোট সংগঠন, যেখানে শুধু স্থানীয় প্রজাতির গাছ লাগিয়ে পুরো বনকে আবার জীবন্ত করে তোলেন।
Sebastião Salgado বলেন –
“শুধুমাত্র একটি জীবই কার্বন ডাই-অক্সাইড থেকে অক্সিজেন তৈরি করতে পারে, আর সেটা হলো গাছ। আমাদের আবার বন লাগানো দরকার।”
তাদের গাছ লাগানোর ফলে এলাকার প্রকৃতি ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়, পরিবেশ ফিরিয়ে আসে জীববৈচিত্র্য—অনেক বিপন্ন প্রাণী আবার ফিরে আসে।
Sebastião আরও বলেন –
“পৃথিবীটা তখন আমার মতোই দুঃখী হয়ে পড়েছিল, সবকিছু ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। তখন আমার স্ত্রী অসাধারণ একটি ধারণা দিল—বন আবার গড়ে তোলার। তারপর ধীরে ধীরে গাছ বড় হতে লাগল, ফিরে এলো পোকামাকড়, মাছ, পাখি। আর এই গাছপালার নতুন জীবনের সঙ্গে সঙ্গে আমিও যেন নতুন করে বাঁচতে শিখলাম।”
তাদের এই কাজ পুরো পৃথিবীর জানার দরকার—এটা এক সত্যিকারের অনুপ্রেরণার গল্প। 🌳💚
নিচের ছবিটি একাধারে আমার মনকে ভালো ও একইসাথে খারাপ করেছেঃ
অ্যাসিড অ্যাটাক ভুক্তভোগীদের জন্য একটি এনজিও চালাচ্ছেন অলোক দীক্ষিত। তিনি এসিড অ্যাটাকের শিকার লক্ষ্মীর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং এই দম্পতির একটি বাচ্চা মেয়েও রয়েছে।
উনারা সামাজিকভাবে ধুমধাম করে বিয়ে করেননি। কারণ দীক্ষিত চান না যে কনের মুখ দেখে আমন্ত্রিত অতিথিরা আড়ালে/ সামনাসামনি খারাপ মন্তব্য করুক।
কেউ লক্ষ্মীকে জিজ্ঞাসা করেছিল, ''আক্রমণকারী কি এখনও আমাকে বিবাহ করার প্রস্তাব দেয়?" লক্ষ্মী বলেছিল, "সে আমার চেহারা বদলেছে তবে সে আমার মন পরিবর্তন করতে ব্যর্থ হয়েছে"।
উল্লেখ্য, মাত্র ১৫ বছর বয়সে ৩২ বছর বয়স্ক ব্যক্তির কুনজরে পড়েন লক্ষ্মী। ভালোবাসার প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় এসিড নিক্ষেপ করেন ঐ ব্যক্তি।
নিচের ছবিটি একাধারে আমার মনকে ভালো ও একইসাথে খারাপ করেছেঃ
অ্যাসিড অ্যাটাক ভুক্তভোগীদের জন্য একটি এনজিও চালাচ্ছেন অলোক দীক্ষিত। তিনি এসিড অ্যাটাকের শিকার লক্ষ্মীর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং এই দম্পতির একটি বাচ্চা মেয়েও রয়েছে।
উনারা সামাজিকভাবে ধুমধাম করে বিয়ে করেননি। কারণ দীক্ষিত চান না যে কনের মুখ দেখে আমন্ত্রিত অতিথিরা আড়ালে/ সামনাসামনি খারাপ মন্তব্য করুক।
কেউ লক্ষ্মীকে জিজ্ঞাসা করেছিল, ''আক্রমণকারী কি এখনও আমাকে বিবাহ করার প্রস্তাব দেয়?" লক্ষ্মী বলেছিল, "সে আমার চেহারা বদলেছে তবে সে আমার মন পরিবর্তন করতে ব্যর্থ হয়েছে"।
উল্লেখ্য, মাত্র ১৫ বছর বয়সে ৩২ বছর বয়স্ক ব্যক্তির কুনজরে পড়েন লক্ষ্মী। ভালোবাসার প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় এসিড নিক্ষেপ করেন ঐ ব্যক্তি।
Install app for better experience