৳6500 每月
৳8000 每月
全职
Call : 01748806103
Employer:
মুহাম্মদ মিজবাহ
Role:
Field Sales Executive
Job type:
Full Time
Salary per month:
Tk 6,500 - 8,000
Required education:
High School
Required work experience (years):
2
Application deadline:
2023-08-23
About the role
শো-রুমে একজন অভিজ্ঞ বিক্রয়কর্মী প্রয়োজন৷
স্মার্টফোনের কোন কোন অ্যাপ আপনার তথ্য সংগ্রহ করতে পারে, জানেন কি
***********************************************************************
স্মার্টফোনে বিভিন্ন কাজের প্রয়োজনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অ্যাপ ব্যবহার করেন অনেকেই। অ্যাপগুলো নামানোর সময়ই কাজের প্রয়োজনে ব্যবহারকারীদের কাছে থেকে স্মার্টফোনের মাইক্রোফোন, কল লগ, ক্যামেরাসহ বিভিন্ন তথ্য ব্যবহারের অনুমতি নিয়ে নেয়। তাই ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য কোন অ্যাপ ব্যবহারকারীর কোন তথ্য জানতে পারে, তা জানা প্রয়োজন। স্মার্টফোনে ইনস্টল করা কোন কোন অ্যাপ তথ্য সংগ্রহ করতে পারে, তা দেখে নেওয়া যাক—
স্মার্টফোনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ব্যবহারের অনুমতি নেওয়া অ্যাপগুলোর তথ্য জানার জন্য প্রথমে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের সেটিংসে প্রবেশ করে প্রাইভেসি অপশন নির্বাচন করতে হবে। এরপর পারমিশন ম্যানেজারে ট্যাপ করে পরবর্তী পেজে প্রবেশ করলেই ফোনের ক্যালেন্ডার, কল লগস, ক্যামেরা, কন্টাক্টস, ফাইলস অ্যান্ড মিডিয়া, লোকেশন, মাইক্রোফোন ইত্যাদি অপশন ব্যবহারের অনুমতি পাওয়া অ্যাপের সংখ্যা দেখা যাবে। এবার মাইক্রোফোন অপশনে ট্যাপ করলেই কোন কোন অ্যাপের মাইক্রোফোন ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে, তা জানা যাবে। একইভাবে ক্যামেরা বা কন্টাক্ট অপশনে ক্লিক করে সেগুলো ব্যবহারের অনুমতি পাওয়া অ্যাপগুলোর নাম জানা যাবে। শুধু তাই নয়, পারমিশন থেকে অল পারমিশনস অপশন নির্বাচন করলে কোন অ্যাপ তথ্য সংগ্রহ করছে, তা–ও জানা যাবে।
source : প্রথম আলো
ইলন মাস্ক জানালেন এক্স–এ ভিডিও লাইভ করা যাবে
***********************************************************************
সম্প্রতি খুদে ব্লগ লেখার ওয়েবসাইট টুইটারের নাম পরিবর্তন করে ‘এক্স’ করেছেন ইলন মাস্ক। এ নিয়ে উত্তেজনার রেশ কাটতে না কাটতেই এক্সে লাইভ ভিডিও সুবিধা চালুর ঘোষণা দিয়েছেন ইলন মাস্ক। শুধু তা–ই নয়, নিজে লাইভ ভিডিও করে জানিয়েছেন, এক্সে লাইভ ভিডিও এখন বেশ ভালোভাবেই কাজ করছে। পোস্ট করার সময় ক্যামেরার আইকনে ট্যাপ করলেই লাইভ করা যাবে।
এক্সে ইলন মাস্কের ৫৩ সেকেন্ডের লাইভ ভিডিও সরাসরি দেখেছেন ১ কোটি ২১ লাখেরও বেশি মানুষ। এক্সের তথ্যমতে, পোস্ট অপশনের নিচে থাকা নীল রঙের ক্যামেরা আইকনে ট্যাপ করে দ্রুত লাইভ ভিডিও প্রচার করা যাবে। তবে লাইভ ভিডিও কতক্ষণ প্রচার করা যাবে বা কোন ধরনের ব্যবহারকারী এ সুবিধা পাবেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি।
লাইভ ভিডিও চালুর আগে ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারীদের জন্য ভিডিও ডাউনলোডের সুবিধা চালু করেছে এক্স। নতুন এ সুবিধা চালুর ফলে এক্স ব্যবহারকারীরা সহজেই অন্যদের পোস্ট করা ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন। তবে ভিডিও পোস্ট করা ব্যক্তি ডাউনলোড অপশন বন্ধ রাখলে অথবা কোনো অ্যাকাউন্ট প্রাইভেট করা থাকলে ভিডিও ডাউনলোড করা যাবে না।
উল্লেখ্য, টুইটারের নাম পরিবর্তনের আগে বহুল প্রচলিত নীল রঙের পাখির ছবিযুক্ত লোগো পরিবর্তন করে এক্স অক্ষরের নতুন লোগো চালু করেন ইলন মাস্ক। নতুন লোগো চালুর পাশাপাশি এক্সের জন্য কালো রঙের নতুন থিমও প্রকাশ করেন তিনি।
সূত্র: গ্যাজেটস৩৬০
source : প্রথম আলো
ইসলামী ব্যাংকে কম্পিউটার সরবরাহ করবে লেনোভো
***********************************************************************
ইসলামী ব্যাংককে ১ হাজার ৫০০টি ‘থিঙ্ক সেন্টার নিও ৫০এস’ মডেলের কম্পিউটার সরবরাহ করবে চীনের কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লেনোভো। গত রোববার রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজিত কম্পিউটার হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে লেনোভোর ওভারসিস বিজনেস, কনজুমার, কমার্শিয়াল ও ট্যাবলেট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক জেনারেল ম্যানেজার নবীন কেজরিওয়াল বলেন, বাংলাদেশে লেনোভোর স্টুডেন্ট ও গেমিং ল্যাপটপ বেশি বিক্রি হলেও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে লেনোভোর প্রযুক্তি পণ্যের বিক্রি বাড়ছে। এটা সরকারের ডিজিটাল ও স্মার্ট বাংলাদেশ উদ্যোগের সুফল। মেয়াদোত্তীর্ণ ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বাই–ব্যাক ও গেট–ব্যাক নীতিমালা রয়েছে লেনোভোর।
বাংলাদেশে লেনোভো পণ্যের বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান এক্সেল টেকনোলজিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গৌতম সাহা বলেন, ‘দেশের তরুণ প্রজন্ম স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার মূল শক্তি হিসেবে কাজ করবে। আর তাই আমাদেরকে প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জে কিউ এম হাবিবুল্লাহ, এক্সেল টেকনোলজিসের পরিচালক মাসুদ হোসেন, লেনোভো বাংলাদেশের আঞ্চলিক চ্যানেল ব্যবস্থাপক হাসান রিয়াজ, ব্র্যাক নেটের অপারেশনস বিভাগের প্রধান মোকাররম হোসাইন, কম্পিউটার ভিলেজের ম্যানেজিং পার্টনার মোহাম্মাদ জসিম উদ্দিন প্রমুখ।
source : প্রথম আলো
সবকিছুর জন্য প্রস্তুত তানিয়া
***********************************************************************
‘আ স্যুটেবল বয়’ ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে বিনোদন দুনিয়ায় পা রেখেছিলেন তানিয়া মানিকতলা। অভিষেকেই সবার নজরে পড়েছিলেন তিনি। এই সিরিজে হাজার তারার মাঝে হারিয়ে যাননি এই নবীন অভিনেত্রী। এরপর ‘টুথ পরি’, ‘মুম্বাইকার’-এর মতো প্রশংসিত প্রকল্পে তাঁকে দেখা গেছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনয়জীবন নিয়ে কিছু কথা বলেছেন তানিয়া।
ফিল্মফেয়ার সাময়িকীকে ‘আ স্যুটেবল বয়’ প্রসঙ্গে তানিয়া বলেছেন, ‘সিরিজটির প্রস্তাব পাওয়ার পর ভেবেছিলাম, এই প্রকল্প নিয়ে বেশি ভাবনাচিন্তা করব না, স্রেফ মজার ছলে কাজ করব। এই সিরিজের কাস্ট দুর্দান্ত। ভাবিনি যে সবার মাঝে নজর কাড়তে পারব।
সত্যি বলতে, আমার নিজের থেকে প্রত্যাশা খুব কমই ছিল। শুধু এই সিরিজের অংশ হতে পেরেই খুশি ছিলাম। কিন্তু এরপর সবকিছু ভালোভাবে হয়েছে। আশপাশের মানুষ যদি মনে করেন আমি ভালো কাজ করেছি, তাহলে নিজের প্রতিভা নিয়ে মন্তব্য করার আমি কে?’
আ স্যুটেবল বয়’ সিরিজে তানিয়াকে শান্ত, মিষ্টি মেয়ে লতার ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল। ‘টুথ পরি’তে সেই ইমেজ ভেঙে রাগী চরিত্র রুমি।
তানিয়ার কথায়, ‘আমার মনে হয়, “আ স্যুটেবল বয়”-এর পর এর থেকে ভালো আমার জন্য কিছু হতে পারত না। টুথ পরির হাত ধরে আমি অন্য এক দুনিয়ায় পা রেখেছিলাম। এই প্রকল্পের জন্য আমি অদ্ভুত একটা প্রস্তাব পেয়েছিলাম। আমার ম্যানেজার ফোন করে বলেন, “টুথ পরি” টিম আমার দাঁতকপাটির ছবি চাইছে!’
সাক্ষাৎকারে তানিয়া জানিয়েছেন, তাঁকে কোন ছবিটি দারুণভাবে প্রভাবিত করেছে, ‘“দিল সে”...ছবিটি আমাকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছে। এই ছবিতে শাহরুখ খান ও মনীষা কৈরালার রসায়ন আমাকে এক অন্য দুনিয়ায় নিয়ে যায়।’ এই তরুণ অভিনেত্রী নিজেকে উচ্চাকাঙ্ক্ষী মনে করেন না। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন কোনো ইচ্ছার তালিকা বানাই, সেটাই মেনে চলি। কিন্তু আমি শুধু ভালো কাজ করতে চাই। জানি না, আমার কাছে কোন প্রকল্প আসতে চলেছে। আমি এ-ও জানি না যে কার সঙ্গে কাজ করতে হবে। আমি এখন সবকিছুর জন্য প্রস্তুত। স্রোতের সঙ্গে যা আসবে, তা-ই আমি গ্রহণ করব।’
দিল্লি থেকে মুম্বাইতে এসে ধীরে ধীরে সফলতার পথে হাঁটছেন তানিয়া। বাইরে থেকে এসে মুম্বাইতে কাজ করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকে আবেগ ও উদ্যম নিয়ে এখানে আসেন। আমিও তাঁদের মধ্যে একজন। সফলতার সিঁড়ি চড়তে হলে আমার মনে হয়, সঠিক সময়ে সঠিক স্থানে থাকা প্রয়োজন।’
source : প্রথম আলো
শুধু ছোটদের নয়, বড়দেরও ছবি ‘আম–কাঁঠালের ছুটি’
***********************************************************************
জোলাভাতি, গুলতি, রস কষ শিঙাড়া বুলবুলি, লাটিম–নাটাই, নারকেলপাতার চশমা—ফেলে আসা শৈশবকে ‘আম–কাঁঠালের ছুটি’ সিনেমায় প্রাণ দিয়েছেন মোহাম্মদ নূরুজ্জামান। এই সিনেমার গল্প জীবন থেকে নেওয়া, চিরচেনা। কেউ কেউ বলবেন, ‘গল্পটা আমার।’ সত্তর থেকে আশির দশকে কিংবা মধ্যনব্বইয়ে যাঁরা শৈশবকে ফেলে এসেছেন, তাঁরা চোখ বুজলেই শৈশবের স্মৃতির অলিন্দ থেকে ঘুরে আসতে পারেন। সেই স্মৃতি থেকেই উঠে এসেছে সিনেমার চরিত্র—মুইন্না, আনাইরা, মুইন্না–আনাইরার মা, শুভ।
সত্তর–আশির দশকেও স্কুলের গ্রীষ্মকালীন ছুটিকে বলা হতো ‘আম–কাঁঠালের ছুটি’। এই সময়ে আম–কাঁঠাল পাকে বলে মুখে মুখে এই নাম ছড়িয়েছে। মুইন্না খুব ডানপিটে, বনবাদাড়ে ঘুরে বেড়ায়, গুলতি দিয়ে আম পেড়ে খায়। মুইন্নার আসল নাম মনোয়ার, গ্রামের আর দশজন শিশুর মতো সে আসল নাম হারিয়ে ফেলেছে।
বয়সে ছোট কেউ ‘মুইন্না’ ডাকলে গোস্বা করে। বাড়ির দরজায় নিজের আসল নাম লিখে রেখেও সে ‘মনোয়ার’ হতে পারেনি। মুইন্নার ‘ক্রাইম পার্টনার’ ছোট ভাই আনাইরা; সঙ্গে আরও তিন-চারজন সাঙ্গপাঙ্গ রয়েছে।
সিনেমার বাজেট সীমিত; ফলে দৃশ্যধারণে কৃত্রিমতার বিলাসিতা ছিল না। চিত্রনাট্য ধরে ছবির মতো একটি গ্রামে সিনেমাটির দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। গাজীপুরের হারবাইদসংলগ্ন এই গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে নদী, তীরে ভেড়ানো নৌকা; গ্রীষ্মের কড়া দুপুরে গাছে গাছে ঘুঘু ডাকে, চাকভর্তি মৌমাছি ভন ভন করে।
২০১৫ সালের গ্রীষ্মে সিনেমার দৃশ্যধারণের পরিকল্পনা করেছিলেন নির্মাতা। প্রথম দফায় দিন দশেক দৃশ্যধারণের পর ভারী বর্ষা নামে। বাধ্য হয়ে দৃশ্যধারণ বাতিল করা হয়, গ্রীষ্মের জন্য আরও এক বছর অপেক্ষা করেন পরিচালক। পরের বছর নির্ধারিত সময়ের আগেই দৃশ্যধারণে নেমে পড়েন নির্মাতা। সেবার বর্ষা আরও এগিয়ে এসেছিল। সেবারও তাই ইউনিট গুটিয়ে ঢাকায় ফিরতে হয়েছিল।
চিত্রনাট্য অনুযায়ী চরিত্রের বয়স আট বছরের বেশি হওয়া যাবে না। দুই বছরে শিল্পীদের অনেকে চরিত্রের চেয়ে বেড়ে ওঠে, ফলে কয়েকজনকে বাদ দিতে হয়, ফেলে দিতে হয় ফুটেজ। তৃতীয় বছরের চেষ্টায় দৃশ্যধারণে সফল হন নির্মাতা; নানা চড়াই–উতরাই পেরিয়ে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে শেষ হয় দৃশ্যধারণ।
শরীফ উদ্দিনের ছোটগল্প অবলম্বনে নির্মিত সিনেমার দৃশ্যগুলো জীবন্ত। দৃশ্যগুলোয় প্রাণ দিয়েছেন অভিনয়শিল্পীরা; শিল্পীদের মধ্যে মুইন্না চরিত্রে ময়মনসিংহের লিয়ন, আনাইরা চরিত্র টঙ্গীর আরিফ, শুভ চরিত্রে জুবায়ের, মুইন্না-আনাইরার মায়ের চরিত্রে ফাতেমা সাবলীল অভিনয় করেছেন, চরিত্রের সঙ্গে নিবিড়ভাবে মিশে গেছেন। অথচ তাঁরা কেউই পেশাদার শিল্পী নন, এটিই তাঁদের প্রথম সিনেমা।
গত রোববার শিল্পকলা একাডেমিতে সিনেমার উদ্বোধনী প্রদর্শনী শেষে আনাইরার সঙ্গে দেখা। পর্দার ছোট্ট আনাইরা আর ছোট্টটি নেই, সিনেমার মতো হুট করেই বড় হয়ে গেছে! সিনেমার দৃশ্যধারণের পর ছয় বছর কেটে গেছে, এর মধ্যে শুধু আনাইরা নয়, পর্দার শুভকেও আর সামনাসামনি দেখে চেনার জো নেই; বাকিরাও বেড়ে উঠেছে। কেউ কেউ এখন দশম শ্রেণিতে পড়ছে। তবে পর্দায় তাদের শৈশবটা আটকে আছে, বড় পর্দায় নিজেকে প্রথমবার দেখে তারা আপ্লুত।
সিনেমার সাউন্ড ডিজাইনের নিপুণ ব্যবহারও দর্শকের কানে শ্রুতিমধুর লেগেছে; পাশাপাশি সংলাপও মনোযোগ কেড়েছে। কিছু কিছু সংলাপে হো হো করে হেসে উঠেছে মিলনায়তন। বলা হচ্ছে, এটি পূর্ণদৈর্ঘ্য শিশুতোষ সিনেমা; তবে সিনেমাটি শিশুদের ছাপিয়ে বুড়োদেরও সমানভাবে আনন্দ দেবে।
বাংলাদেশের টঙ্গী কিংবা রাশিয়ার সিমবার্স্ক—দুনিয়ার সব শৈশবই এক সুতায় বাঁধা; সুতার রং, বুনন হয়তো আলাদা। আপাতদৃষ্টে নির্মাতা সিনেমায় বাংলাদেশের শৈশবকে তুলে ধরেছেন, তবে সেটি বৈশ্বিক শৈশবে পরিণত হয়েছে। রাশিয়ায় এক উৎসবে সিনেমাটি উপভোগ করেছেন দেশটির দর্শকেরা।
সিনেমাটি বেশ উপভোগ্য হলেও দু–একটি দৃশ্যকে আরও ছোট করা যেত, তাহলে ছবিটি আরও আঁটসাঁট হতো।
source : প্রথম আলো
দীর্ঘদিনের সঙ্গীকে হারালেন সান্ড্রা
***********************************************************************
হলিউড তারকা সান্ড্রা বুলকের দীর্ঘদিনের সঙ্গী ব্রায়ান র্যান্ডেল মারা গেছেন। তিন বছর ধরে স্নায়ুর রোগ অ্যামিওট্রফিক ল্যাটেরাল স্করোসিসের (এএলএস) সঙ্গে লড়াই শেষে গত শনিবার মারা গেছেন র্যান্ডেল। তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। খবর মার্কিন সাময়িকী পিপলের।
গতকাল সোমবার এক বিবৃতিতে তাঁর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে ব্রায়ান র্যান্ডেলের পরিবার। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এএলএসের সঙ্গে লড়াইটাকে ব্যক্তিগত পরিসরে রাখতে চেয়েছেন ব্রায়ান, তাঁর প্রতি সম্মান জানিয়ে তাঁর অনুরোধ রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি আমরা।’
ব্রায়ান র্যান্ডেলের চিকিৎসা ও শুশ্রূষায় যুক্ত থাকা চিকিৎসক ও সেবিকাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ব্রায়ানের পরিবার।
প্রায় আট বছর ধরে একে অপরের ছায়াসঙ্গী হয়ে ছিলেন সান্ড্রা বুলক ও ব্রায়ান র্যান্ডেল। ব্রায়ানের মৃত্যুতে দুজনের পথচলার ইতি ঘটল। ব্রায়ান র্যান্ডেল পেশায় একজন পেশাদার আলোকচিত্রী ছিলেন। টুকটাক মডেলিংও করেছেন।
২০১৫ সালের জানুয়ারিতে সান্ড্রা বুলকের ছেলে লুইসের জন্মদিনের পার্টির ছবি তুলতে যান ব্রায়ান র্যান্ডেল, সেখানেই দুজনের প্রথম সাক্ষাৎ। কয়েক মাসের মধ্যেই একে অপরের প্রেমে পড়েন। ২০১৫ সালে ‘আওয়ার ব্র্যান্ড ইজ ক্রাইসিস’ সিনেমায় একসঙ্গে লালগালিচায় হাঁটেন তাঁরা।
২০২১ সালের ডিসেম্বরে এক সাক্ষাৎকারে সান্ড্রা বুলক বলেন, ‘আমি আমার জীবনের প্রেম খুঁজে পেয়েছি।’
সান্ড্রা বুলক ও ব্রায়ান র্যান্ডেল—দুজনেরই আগের সংসারে সন্তান রয়েছে। দুজনের সন্তান নিয়েই একসঙ্গে দেখা গেছে তাঁদের।
২০১০ সালের জুনে স্বামী জেসি জেমসের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটে সান্ড্রা বুলকের, তার পাঁচ বছর পর তাঁর জীবনে এসেছিলেন ব্রায়ান র্যান্ডেল। তবে তাঁরা বিয়ে করেননি।
source : প্রথম আলো
অস্কারজয়ী পরিচালক উইলিয়াম ফ্রিডকিন মারা গেছেন
***********************************************************************
‘দ্য ফ্রেঞ্চ কানেকশন, ‘দ্য এক্সরসিস্ট’–খ্যাত অস্কারজয়ী মার্কিন পরিচালক উইলিয়াম ফ্রিডকিন মারা গেছেন। গতকাল সোমবার ৮৭ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় এই পরিচালকের মৃত্যু হয়। ফ্রিডকিনের এজেন্সি রয়টার্সকে জানিয়েছে, নিউমোনিয়ায় ভোগা পরিচালক হৃদ্যন্ত্র বিকল হয়ে মারা গেছেন।
পরিচালকের স্ত্রী শেরি ল্যান্সিং বিবিসিকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বিস্ময়কর স্বামী। তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বিস্ময়কর বাবা। তাঁর একটি বড় বিস্ময়কর জীবন ছিল। কোনো স্বপ্ন অপূর্ণ ছিল না।’
২০১১ সালে মুক্তি পায় ফ্রিডকিনের সিনেমা ‘কিলার জো’। তাঁর পরিচালিত নতুন সিনেমা ‘দ্য কেইন মিউটিনি কোর্ট-মার্শাল’ চলতি বছর ভেনিস উৎসবে প্রিমিয়ার হবে। তার আগেই চলে গেলেন ফ্রিডকিন।
গত শতকের ষাটের দশকে কর্মজীবন শুরু করেন উইলিয়াম ফ্রিডকিন। তবে ক্যারিয়ারে সাফল্যের দেখা পান সত্তর দশকের প্রথম ভাগে। ১৯৭১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য ফ্রেঞ্চ কানেকশন’ রীতিমতো চলচ্চিত্র–দুনিয়ায় ঝড় তোলে।
সেরা ছবি, সেরা নির্মাতা, সেরা অভিনেতাসহ পাঁচটি অস্কার জেতে। এরপর ১৯৭৩ সালে মুক্ত পায় ‘দ্য এক্সরসিস্ট’। শয়তান দ্বারা আবিষ্ট ১২ বছর বয়সী এক কিশোরীর গল্প নিয়ে নির্মিত হরর ছবিটি ফ্রিডকিনকে নির্মাতা হিসেবে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। যদিও ছবিটি দেখা সহজ ছিল না। সে সময় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, হলে ছবিটি দেখার সময় অনেক দর্শকই অজ্ঞান হয়ে বমি করছেন! কেউ কেউ তো প্রেক্ষাগৃহ থেকে বের হয়েছেন কাঁপতে কাঁপতে আর চিৎকার করতে করতে।
ছবিটি বিশ্বব্যাপী ৫ শ মিলিয়ন ডলার আয় করে, অস্কারে ১০টি মনোনয়ন পায়; ২টি জিতেছিল। পরে ছবিটির একাধিক সিকুয়েল তৈরি হয়। তবে ফ্রিডকিন রিমেকের ভক্ত ছিলেন না। এক সাক্ষাৎকারে রিমেকগুলো নিয়ে বলেন, ‘ওগুলো হাস্যকর, তারা (নির্মাতা) আমাকে বমি করাতে চেয়েছে।’
তবে ‘দ্য এক্সরসিস্ট’-এর বিস্ময়কর সাফল্যের মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই ফ্রিডকিনের খারাপ সময় শুরু হয়। ছবি ফ্লপ হতে শুরু করে। তাঁর অন্য উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে আছে ‘টু লিভ অ্যান্ড ডাই ইন এল.এ.’, ‘সোর্সারার’ ইত্যাদি। চলচ্চিত্র ছাড়াও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যচিত্র ও টিভি সিরিজের জন্য ভক্তদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন ফ্রিডকিন।
ফ্রিডকিনের কাজে জঁ-লুক গদার, ফ্রাঁসোয়া ট্রুফো, ফেদেরিকো ফেল্লিনি, আকিরা কুরোসাওয়ার প্রভাব লক্ষ করা যায়। এ ছাড়া উডি অ্যালেনের কাজ খুব পছন্দ করতেন ফ্রিডকিন। তাঁর মতে অ্যালেন, জীবিতদের মধ্যে সেরা নির্মাতা।
উইলিয়াম ফ্রিডকিনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বিনোদন–দুনিয়ার তারকারা। টুইটারে ফ্রিডকিনের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে পরিচালক গিয়ের্মো দেল তোরো লিখেছেন, ‘পৃথিবী এক সিনেমা–ঈশ্বরকে হারাল, সিনেমা হারাল এক প্রতিভাকে, আমি হারালাম এক বন্ধু ও প্রিয়জনকে। উইলিয়াম ফ্রিডকিন মারা গেছেন। তাঁকে পাওয়া ছিল আমাদের জন্য আশীর্বাদ।’
১৯৩৫ সালের ২৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে জন্ম উইলিয়াম ফ্রিডকিনের। ৮৮তম জন্মদিনের মাত্র তিন সপ্তাহ আগে চলে গেলেন তিনি।
source : প্রথম আলো
অনার্সের পর মাস্টার্সেও প্রথম শ্রেণি পেয়ে পাস করেছিলেন চিত্রনায়িকা শিরিন শিলা
***********************************************************************
বাণিজ্যিক ছবির সুপরিচিত নায়িকা শিরিন শিলা। অভিনয়, গ্ল্যামার দিয়ে বড় পর্দায় পরিচিতি পেয়েছেন। আপনি কি জানেন, ঢাকাই সিনেমার এ প্রজন্মের চিত্রনায়িকা শিরিন শিলা অভিনয়ের পাশাপাশি নিয়মিত পড়াশোনাটাও চালিয়ে গেছেন। শুধু তা–ই নয়, তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলও বেশ ভালো। ২০২১ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তরে প্রথম শ্রেণিতে পাস করেন। এর আগে স্নাতক পরীক্ষায়ও প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন এই অভিনেত্রী।
নিয়মিত একাডেমির পরীক্ষার ফলাফলে দারুণ খুশি তিনি। উচ্ছ্বসিত শিরিন শিলা বলেন, ‘এটি আমার জন্য বড় অর্জন। আমি মনে করি, তারকাদের মিডিয়ার ক্যারিয়ার সারা জীবন থাকে না। একটা সময় অন্যরা এসে দখল করেন। কিন্তু আমার এই ডিগ্রি, এই ফল সারা জীবন আমারই থাকবে। আজকে আমার যে অর্জন, সেটা অন্য কেউ ভাগ নিতে পারবেন না।’
শিলার কথা, মিডিয়াতে কাজ করতে এসে অনেকে ঠিকমতো পড়ালেখা শেষ করতে পারেন না। ব্যস্ততার কারণে লেখাপড়ায় অনিয়মিত হয়ে পড়েন।
বলেন, ‘আমি মিডিয়ার কাজের পাশাপাশি লেখাপড়াটা নিয়মিতই চালিয়ে গেছি এবং শেষ পর্যন্ত ভালো একটা ফলও করতে পেরেছি। এটি আমার জন্য অনেক বড় ব্যাপার।’
সর্বশেষে স্নাতকোত্তরে প্রথম শ্রেণি পাওয়ার ব্যাপারে শিলা জানান, প্রস্তুতির কারণেই এই ফল সম্ভব হয়েছে। বলেন, ‘আমি যে বছর পরীক্ষা দিই, তখন ছিল করোনার প্রভাব। করোনাকালে এক বছরের বেশি সময় কাজের ব্যস্ততা ছিল না। বিধিনিষেধের কারণে মিডিয়ার কাজ প্রায় বন্ধ ছিল। এই সময়ে ভালোভাবেই পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পেরেছিলাম। এর ফলে ভালো ফল করতে পেরেছি।’
পরিবার থেকে পড়ালেখার প্রতি তেমন চাপ ছিল না শিলার। নিজের ইচ্ছাতেই লেখাপড়া চালিয়ে গেছেন তিনি। চাকরি করার জন্য উচ্চতর ডিগ্রি নেননি শিলা। বলেন, ‘ডিগ্রি নিলেই যে চাকরি করতে হবে, এমন কথা নয়। নিজের অর্জনের জন্যই এই ডিগ্রি। চাকরি করার ইচ্ছা নেই। তবে সুযোগ হলে ব্যবসা করার ইচ্ছা আছে আমার। সফল ব্যবসায়ী হতে চাই আমি।’
ওয়াজেদ আলী সুমনের ‘হিটম্যান’ দিয়ে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করেন শিরিন শিলা। এ ছবিতে শাকিব খানের নায়িকা হিসেবে অপু বিশ্বাস থাকলেও শিরিন শিলা নিজের যোগ্যতায় সবার দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হন। এর পরই তিনি সুযোগ পান শাহীন সুমন পরিচালিত ‘মিয়া বিবি রাজি’ ছবিতে। বর্তমানে শুটিংয়ে ব্যস্ত শিলা। তিন ছবির কাজ শেষ করেছেন এই নায়িকা। ছবি তিনটি হলো—‘দ্য রাইটার, ‘শেষবাজি’ ও ‘ভালোবাসি তোমায়’।
ছবিগুলোর ডাবিং চলছে। এ ছাড়া ‘নদীর জলে শাপলা ভাসে, ‘ঘর ভাঙা সংসার, ‘জিম্মি’ ও ‘ডাইরেক্ট অ্যাটাক’ ছবিগুলো সেন্সরে পাস হয়েছে। যেকোনো সময় মুক্তি পাবে ছবিগুলো।
কিছুদিন আগে শিরিন শিলা আলোচনায় আসেন একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে। শিলা ও এক ছিন্নমূল কিশোরের ভাইরাল ভিডিও নিয়ে নেটপাড়া সরগরম। ভিডিওতে দেখা যায়, শুটিং করছিলেন অভিনেত্রী শিরিন শিলা। পুলিশের পোশাক পরে শুটিং করছিলেন। এ সময় এক ছিন্নমূল কিশোর এগিয়ে আসে, শিরিন শিলাকে জড়িয়ে ধরে। শিরিন শিলার এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
source : প্রথম আলো