সবকিছুর জন্য প্রস্তুত তানিয়া
***********************************************************************
‘আ স্যুটেবল বয়’ ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে বিনোদন দুনিয়ায় পা রেখেছিলেন তানিয়া মানিকতলা। অভিষেকেই সবার নজরে পড়েছিলেন তিনি। এই সিরিজে হাজার তারার মাঝে হারিয়ে যাননি এই নবীন অভিনেত্রী। এরপর ‘টুথ পরি’, ‘মুম্বাইকার’-এর মতো প্রশংসিত প্রকল্পে তাঁকে দেখা গেছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনয়জীবন নিয়ে কিছু কথা বলেছেন তানিয়া।
ফিল্মফেয়ার সাময়িকীকে ‘আ স্যুটেবল বয়’ প্রসঙ্গে তানিয়া বলেছেন, ‘সিরিজটির প্রস্তাব পাওয়ার পর ভেবেছিলাম, এই প্রকল্প নিয়ে বেশি ভাবনাচিন্তা করব না, স্রেফ মজার ছলে কাজ করব। এই সিরিজের কাস্ট দুর্দান্ত। ভাবিনি যে সবার মাঝে নজর কাড়তে পারব।
সত্যি বলতে, আমার নিজের থেকে প্রত্যাশা খুব কমই ছিল। শুধু এই সিরিজের অংশ হতে পেরেই খুশি ছিলাম। কিন্তু এরপর সবকিছু ভালোভাবে হয়েছে। আশপাশের মানুষ যদি মনে করেন আমি ভালো কাজ করেছি, তাহলে নিজের প্রতিভা নিয়ে মন্তব্য করার আমি কে?’
আ স্যুটেবল বয়’ সিরিজে তানিয়াকে শান্ত, মিষ্টি মেয়ে লতার ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল। ‘টুথ পরি’তে সেই ইমেজ ভেঙে রাগী চরিত্র রুমি।
তানিয়ার কথায়, ‘আমার মনে হয়, “আ স্যুটেবল বয়”-এর পর এর থেকে ভালো আমার জন্য কিছু হতে পারত না। টুথ পরির হাত ধরে আমি অন্য এক দুনিয়ায় পা রেখেছিলাম। এই প্রকল্পের জন্য আমি অদ্ভুত একটা প্রস্তাব পেয়েছিলাম। আমার ম্যানেজার ফোন করে বলেন, “টুথ পরি” টিম আমার দাঁতকপাটির ছবি চাইছে!’
সাক্ষাৎকারে তানিয়া জানিয়েছেন, তাঁকে কোন ছবিটি দারুণভাবে প্রভাবিত করেছে, ‘“দিল সে”...ছবিটি আমাকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছে। এই ছবিতে শাহরুখ খান ও মনীষা কৈরালার রসায়ন আমাকে এক অন্য দুনিয়ায় নিয়ে যায়।’ এই তরুণ অভিনেত্রী নিজেকে উচ্চাকাঙ্ক্ষী মনে করেন না। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন কোনো ইচ্ছার তালিকা বানাই, সেটাই মেনে চলি। কিন্তু আমি শুধু ভালো কাজ করতে চাই। জানি না, আমার কাছে কোন প্রকল্প আসতে চলেছে। আমি এ-ও জানি না যে কার সঙ্গে কাজ করতে হবে। আমি এখন সবকিছুর জন্য প্রস্তুত। স্রোতের সঙ্গে যা আসবে, তা-ই আমি গ্রহণ করব।’
দিল্লি থেকে মুম্বাইতে এসে ধীরে ধীরে সফলতার পথে হাঁটছেন তানিয়া। বাইরে থেকে এসে মুম্বাইতে কাজ করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকে আবেগ ও উদ্যম নিয়ে এখানে আসেন। আমিও তাঁদের মধ্যে একজন। সফলতার সিঁড়ি চড়তে হলে আমার মনে হয়, সঠিক সময়ে সঠিক স্থানে থাকা প্রয়োজন।’
source : প্রথম আলো