Thank for sharing this information:-
Safuu is an acronym for “Sustainable Asset Fund for Universal Users.” SaFuu offers users a decentralized financial asset.Safuu has an automatic liquidity provider built into its tokenomics.
#safuu
https://sites.google.com/sfxtoken.com/safuu/home
বছরের শুরুতে পরীমনি বলেছেন বিয়ে করেছি, শেষ দিনে ভাঙনের ইঙ্গিত
***********************************************************************
চলচ্চিত্রের চেয়ে চলচ্চিত্রের বাইরের নানা কর্মকাণ্ডে বরাবরই আলোচিত পরীমনি। চলচ্চিত্রের শুটিং ও মামলার কারণে আদালতে হাজিরা দেওয়া পরীমনি যখন একের পর এক খবরের শিরোনাম, তখনই তাঁর মা হওয়ার খবরটি প্রকাশ্যে আসে। ১০ জানুয়ারি দুপুরে প্রথম আলোকে পরীমনি জানান, মাস চারেক আগে শরীফুল রাজের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের তিন মাস পর তিনি জানতে পারেন, মা হতে যাচ্ছেন। এদিকে বছরের শেষ দিনের শুরুতেই পরীমনি সবাইকে অবাক করে দেন ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে। পরীমনি ফেসবুকে জানান, ‘আমি আজ রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম এবং নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে। জীবনে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার থেকে জরুরি আর কিছুই নাই।’
পরীমনির ফেসবুকে দেওয়া এমন পোস্টে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষী ও বিনোদন অঙ্গনের সবাই নড়েচড়ে বসেন। সবার মনে প্রশ্ন, তাহলে কি ভেঙে যাচ্ছে পরীমনি ও রাজের সংসার! পোস্টের পর প্রথম আলোর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে পরীমনি বললেন, ‘এখনো বিচ্ছেদ হয়নি। তবে আমি সম্পর্ক ছিন্ন করে রাজের বাসা থেকে বেরিয়ে এসেছি। আজ থেকে আমরা আলাদা হয়ে গেলাম। শিগগির বিচ্ছেদের চিঠি পাঠিয়ে দেব। বেশ কিছুদিন ধরেই সমস্যা হচ্ছিল। সমস্যা কাটিয়ে সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করেছি, পারলাম না। তাঁর আচার-আচরণ একসঙ্গে থাকার পরিস্থিতি নাই। তাই বাধ্য হয়ে বাসা ছেড়ে আলাদা হয়ে গেলাম।’
পরীমনির কথায় স্পষ্ট, তাঁদের বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ার আনুষ্ঠানিকতা সময়ের ব্যাপারমাত্র। যেকোনো মুহূর্তে কাগজে-কলমে তাঁরা আলাদা হয়ে যাবেন। পেছন ফিরে তাকালেই দেখা যায়, পরীমনির বিয়ের ঘোষণার পরই একটা অংশ খুব খুশি হলেও আরেকটা অংশ তাঁদের সম্পর্ক টিকে থাকার ব্যাপারে সংশয়ে ছিল। তাঁদেরও ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের সূত্রে জানা গেছে, দুজনের সংসারজীবন ভালো যে কাটছিল না, এটা শুধু এত দিন তাঁদের কাছের মানুষেরা জানতেন। তাঁরা নানাভাবে দুজনকে বুঝিয়েছেনও। নিজেরাও নিজেদের মতো করে চেষ্টা করেছেন সম্পর্কটাকে এগিয়ে নিতে। কিন্তু কিছুতেই যেন তা রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। দুজনের সম্পর্কের অবণতির কারণে তাঁদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা পর্যন্তও ঘটে। এমনও শোনা গেছে, কয়দিন আগে পরীমনির হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কারণটাও সম্পর্কের অবণতিতে হয়েছে।
পরীমনি ও রাজের বিয়ের ঘোষণার কয়েক মাসের মধ্যেই ছেলে রাজ্যের জন্ম হয়। ফেসবুকে দেওয়া বিভিন্ন পোস্ট এবং দুজনের কথাবার্তায় বোঝা যাচ্ছিল, বিয়ের ঘোষণার পর থেকেই তাঁরা দুজন বেশ ফুরফুরে মেজাজে ছিলেন। সময়টাকে তাঁরা দারুণভাবে উপভোগ করছিলেন। ভেতরে–ভেতরে যে সম্পর্কটা বিচ্ছেদের দিকে গড়াচ্ছিল, তা তাদের খুব ঘনিষ্ঠজনেরা আভাস দিয়েছিলেন। সেই আভাস বাস্তবে রূপ দেন পরীমনি নিজে। বছরের শেষ দিনে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে তিনি যা বললেন, তাতে এটাই স্পষ্ট, ঘনিষ্ঠজনেরা মোটেও ভুল কিছু বলেননি।
বেশ কিছুদিন ধরে অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিমের সঙ্গে স্বামী শরীফুল রাজের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে আপত্তি জানাতে শোনা গিয়েছিল পরীমনিকে। তাই কি এত বড় সিদ্ধান্ত নিলেন অভিনেত্রী, সে ব্যাপারেও পরিষ্কার কিছু করেননি পরীমনি।
Source: প্রথম আলো
কাজী হায়াৎ কেঁদে ফেললেন
***********************************************************************
এফডিসিতে পরিচালক সমিতির নির্বাচন ঘিরে অনেক জল্পনার অবসান হলো।
চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির নির্বাচনে ৪ ভোটের ব্যবধানে জিতে সভাপতি হয়েছে কাজী হায়াৎ। অন্যদিকে ২০ ভোটের ব্যবধানের মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন শাহীন সুমন। গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন এফডিসিতে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। রাতেই জানা যায় ফলাফল। এ সময় ফলাফল পেয়ে আবেগ ও কান্নায় ভেঙে পড়েন বিজয়ীরা। তবে সবাইকে নিয়েই বিজয়ীরা এগিয়ে যেতে চান।
নির্বাচিত সভাপতি কাজী হায়াৎ তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘সবার ভালোবাসায় আমি নির্বাচিত হয়েছি। আমার জন্য অনেকে অনেক পরিশ্রম করেছেন। সবাই আমার কাছে প্রিয়। যাঁরা ভোট দেননি, যাঁরা দিয়েছেন—সবার কাছে আমার কৃতজ্ঞতা। অনেকেই আমার বয়সে ছোট। তাঁরা আমার সন্তানের মতো। আমি সবাইকে নিয়েই আমাদের চলচ্চিত্রকে ভালো করতে এগিয়ে যেতে চাই।’ এ সময় পাশ থেকে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে একজন পরিচালক বলেন, কাজী হায়াৎ সাহেব যখন আইসিইউ, সিসিইউতে ছিলেন, তখন আমরা বলেছিলাম, কাজী হায়াৎ সাহেব যদি বেঁচে ফেরেন, তাহলে আমাদের সঙ্গে আবার দেখা হবে। অন্তত একবার যেন তিনি পরিচালক সমিতির নির্বাচনে জয়ী হন। সেটাই হয়েছে। আমরা খুশি।’ এ সময় পাশে থাকা কাজী হায়াৎ আবেগে কেঁদে ফেললেন।
চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির তথ্যমতে জানা যায়, সভাপতি পদে ১৪২ ভোট পেয়ে কাজী হায়াৎ নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন মুশফিকুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ১৩৮ ভোট। অন্যদিকে ১৬০ ভোট পেয়ে মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন শাহীন সুমন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জাকির হোসেন পেয়েছেন ১২০ ভোট। শাহীন সুমন তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘যাঁরা ভোটার ছিলেন, তাঁদের প্রত্যকের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। গতবার বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছিলেন। এবারও আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। আমি একটা কথাই বলব, আমাদের গুরুজন কাজী হায়াৎ নির্বাচিত হয়েছেন। আমি তাঁর জন্যই ভোট চেয়েছি। আমি সবার কাছে বলেছি, আমাকে একটি ভোট দেবেন না, কিন্তু কাজী হায়াৎকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন। এই একটি লোক পারবেন চলচ্চিত্রের সব দুরাবস্থা দূর করতে। কাজী হায়াৎ একটি সাহসের নাম।’
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির ২০২৩-২৪ মেয়াদের নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হয়েছে। সংগঠনটিতে আগামী দুই বছরের জন্য কাজী হায়াৎ সভাপতি ও শাহীন সুমন মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। শুক্রবার দিনভর সংগঠনটির ভোটগ্রহণ চলে। সকাল ১০টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে। বিকেল ৫টায় তা শেষ হয়। মধ্যরাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবদুল লতিফ ফলাফল ঘোষণা করে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন। এবারের নির্বাচনে ৩৬৮ জন মোট ভোটারের মধ্যে ৩০২ জন ভোট দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া ভোট বাতিল হয়েছে ৯টি। সংগঠনের ১৯টি পদের বিপরীতে মোট ৩৯ পরিচালক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আবদুল লতিফ এবং কমিশনার হিসেবে ছিলেন পরিচালক বিএইচ নিশান ও শামসুল আলম।
Source: প্রথম আলো
রাজের বিরুদ্ধে গায়ে হাত তোলার অভিযোগ পরীমনির
***********************************************************************
দুদিন ধরে আলোচনায় আবার পরীমনি। বিদায়ী বছরের শেষ দিন হঠাৎ ঘোষণা দেন, চিত্রনায়ক স্বামী শরীফুল রাজের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করছেন পরীমনি। খুব শিগগির ডিভোর্স লেটারও পাঠিয়ে দেবেন। কী কারণে হঠাৎ সম্পর্কের অবনতি, তা জানতে বিস্তারিত কিছু না বললেও রাজের সঙ্গে সম্পর্কটাকে অসুস্থ সম্পর্ক হিসেবে বলতে চাইছেন। রাজ তাঁর সন্তান রাজ্যের বাবা, তাই জনসমক্ষে কিছু বলতে চাইছেন না বলেও জানালেন পরীমনি।
আজ রোববার বিকেলে ফেসবুকে পরীমনি একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘রাজ এখন শুধু আমার প্রাক্তনই না, আমার ছেলের বাবাও। তাই রাজ্যের বাবার সম্মান রাখতে পাবলিকলি আর বাকি কিছু বলছি না আমি। তবে আমার ওপর তার আর তার পরিবারের কোনো অসুস্থ আচরণ বা হার্মফুল কিছু করার চেষ্টা করলে আমি কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হব।’
ফেসবুকে পরীমনি লিখেছেন, ‘একটা সম্পর্কে পুরোপুরি সিরিয়াস বা খুব করে না চাইলে একটা মেয়ে বাচ্চা নেওয়ার মতো এত বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে না কখনোই। আমার জীবনের সবটুকু চেষ্টা যখন এই সম্পর্কটাকে ঠিকঠাক টিকিয়ে রাখা, তখনই আমাকে পেয়ে বসা হলো। যেন শতকোটিবার যা ইচ্ছে তাই করলেও সব শেষে ওই যে আমি মানিয়ে নিই, এটা রীতিমতো দারুণ এক সাংসারিক সূত্র হয়ে দাঁড়াল। আমি জোর দিয়ে বলতে পারি, আমাদের এই সম্পর্ক এত দিন আমার অ্যাফোর্টে টিকে ছিল শুধু।’ এ সময় তিনি রাজের বিরুদ্ধে গায়ে হাত তোলারও অভিযোগ করেন।
রাজের বিরুদ্ধে এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করা হয় তাঁর মন্তব্য নেওয়ার জন্য, কিন্তু তাঁর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এর আগে রোববার দুপুরে প্রথম আলোর সঙ্গে একবার কথা হয় রাজের। তখন শরীফুল রাজ বলেন, ‘আমি আসলে এসব ইস্যুতে কিছুই বলতে চাই না। কী হচ্ছে, এসবের কিছুই আমি জানিও না। জানতেও চাই না। আমি বাসায় আছি। সারা রাত ঘুমাইনি। এখন ঘুমাচ্ছি, ঘুমানোর চেষ্টা করছি।’
পরীমনি বললেন, ‘রাজ্যের (পরীমনি ও রাজের সন্তান) দিকে তাকিয়ে বারবার সব ভুলে যাই। সব ঠিক করার জন্য পড়ে থাকি। কিন্তু তাতে কি আসলেই আমার বাচ্চা ভালো থাকবে! না। একটা অসুস্থ সম্পর্ক এত কাছ থেকে দেখে দেখে ও (রাজ্য) বড় হতে পারে না। তাই আমি, রাজ্য এবং রাজের মঙ্গলের জন্যই আলাদা হয়ে গেলাম।’
আজ রোববার ভোরে পরীমনি ফেসবুকে রক্তমাখা দুটি স্থিরচিত্র পোস্ট করেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে, বিছানা, বালিশে ছোপ ছোপ রক্তের দাগ। লিখলেন, ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার। সংবাদ সম্মেলন, লোডিং...।’ সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটি ছড়িয়ে যায়। সবার প্রশ্ন, কী হয়েছে পরীমনির? কেন সংবাদ সম্মেলন করতে চাচ্ছেন তিনি। ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
তবে বিকেলে নিজের ফেসবুকে সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে তিনি বলেছেন, ‘সম্মানিত গণমাধ্যমকর্মী যাঁরা রয়েছেন, আশা করছি আপনারা নিশ্চয়ই আমার মানসিক অবস্থা বুঝতে পারবেন। আমাকে একটু সময় দিন। শারীরিকভাবেও আমি বিধ্বস্ত। রাজ্য তার বাবা-মাকে একসাথে নিয়ে বড় হতে পারল না, এর থেকে কষ্টের আর কি হতে পারে আমার কাছে...!’
Source: প্রথম আলো