সাহিত্য খবর:
এচ্যে খাগাড়াছড়ি জেলা সাহিত্য মেলা - ২০২২ থুম অই যেল।
২৮ আ ২৯ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রি. দ্বিদিন সং জেলা সাহিত্য মেলা - ২০২২ খাগাড়াছড়ি জেলা টাউন হলত ফাংফগদাঙ অলে এচ্যে থুম অল।
ফাংফগদাঙ দেঘা যিয়ে কন আদিবাসী গান ন’ এল’। যে তিন্নান নাচ দিয়্যা অয়ে বেক্কানি এল বাঙাল গীত্তোই।
প্রবন্ধ লেঘিয়্যাউন যদবদে কাবিল থানা সত্ত্বেও বহুত চাঙমা ভাঝে ফগদাঙ অয়ে বইও নাঙ ন’ এযে। অন্য কিথ্যাদি যে বই ফগদাঙ ন’ অন তারা নাঙানি উদি এল।
যা ওক, জুগল গরিয়্যাউনরে পাত্তুরুতুরু।
চাঙমা ভাঝে আ চাঙমা ওক্কোরলোই ফগদাঙি কিঝু বই, পত্রিকা আ চিঝির বই নাঙ:
ম্যাগাজিন:
১.“মা ভাচ (মাতৃভাষা)” ফগদাঙি: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, খগাড়াছড়ি।
২.চাঙমা সাহিত্য পত্রিকা “চাদি”: ফগদাঙি- নোয়ারাম চাঙমা সাহিত্য সংসদ;
৩.“তারুম” কাবিদ্যাঙ: উদয় শংকর চাঙমা।
৪.“জুম চাব” কবিদে কাবিদ্যাঙ ইনজেব চাঙমা।
কবিদে:
১.“ফুল বারেঙ” লেঘিয়্যা- সুনানু আলোময় চাঙমা।
২.“ধেবা কুল্যা নাগরি” লেঘিয়্যা: সুনানু সোহেল তালুদার ।
৩.“আহ্’ভিল্যাচ” লেঘিয়্যা” বিনয় বিকাশ তালুতদার।
৪.“আহ্’লি গাদিয়্যা মালি ফুল” প্রিয়দর্শী চাঙমা
৫. মেঘ সেওে মোন’ চুক” সুনানু মৃত্তিকা চাঙমা।
ছড়া:
১.“জুনিপুক” লেঘিয়্যা: সুনানু শ্যামল তালুকদার, ফগদাঙি: কধা ফগদাঙি।
২.“ওলি ওলি” কাবিদ্যাঙ: ব্যারিষ্টার সুনানু দেবাশীষ রায় আ সুনানু দেবপ্রিয় চাঙমা
৩.মিল কধা নকবাচ” মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন আ জাবারাং
পত্রিকা
১.“করোদি” কাবিদ্যাং সুভাশীষ চাঙমা।
চিজি বই
১. (১) শব্দ কোই,
২. (২) তারুম আ রানজুনি- ইনজেব চাঙমা, সোনামণি চাঙমা, তুহিন চাঙমা।
৩. (১) চিজি অংক তারা,
৪. (২) অঝাপাদর ছড়া,
৫. (৩) এয’ অংক শিঘি- শান্তি চাঙমা, শ্রেয়সী চাঙমা, কে.ভি. দেবাশীষ।
৬. (১) ছড়া বই-
৭. (২) এক সমারে ভালক্কানি- প্রসন্ন কুমার চাঙমা, প্রিয়সী চাঙমা, মণি চাঙমা।
৮. (১) চাঙমা শব্দ বই-
৯. (২) চিজির তালমিলতি কধা- সম্ভুমিত্র চাঙমা, পরেশ চাঙমা, এলিয়েন্স চাঙমা।
১০. (১) হ্’েমান আ পেইক
১১. (২) মনর সবন- জ্ঞানদর্শী চাঙমা, এজেন্সী চাঙমা, পুর্ণাঙ্গ চাঙমা।
১২. (১)আমা ফল পাগোর আ গুলগুলি-
১৩. (২) চিজির অহ্’রক বই- আর্য্যমিত্র চাঙমা, কুশলী চাঙমা, লক্ষীপতি চাঙমা।
১৪. ইক্কুল’ অক্ত- ভবেশ মিত্র চাঙমা, লুসী চাঙমা, নীল চন্দ্র চাঙমা।
বি:দ্র: এ তথ্য তজিমপুর নয়।
বাজারে সুজুকির নতুন গাড়ি
***********************************************************************
শুরু হলো আরেকটি নতুন বছর। নতুন বছর মানেই নতুন পরিকল্পনা, নতুনভাবে শুরু করা। অনেকেই আছেন যাঁরা নতুন বছর নতুন গাড়ি কেনার চিন্তা করেন। দেশের বাজারে গাড়িপ্রেমীদের জন্য নতুন, শক্তিশালী ও স্টাইলিশ সুজুকি এক্সএল৬ গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে। নতুন এ গাড়ি দেশের বাজারের নিয়ে এসেছে উত্তরা মোটর্স। উত্তরা মোটর্স লিমিটেড ও সুজুকি কার বাংলাদেশ যৌথভাবে সম্পূর্ন নতুন এ গাড়ি বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে এসেছে।
নতুন এই গাড়ি সম্পর্কে উত্তরা মোটর্স লিমিটেডের হেড অব বিজনেস প্ল্যানিং নাঈমুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রশস্ত ও প্রিমিয়াম গাড়ির যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গাড়ির গ্রাহকদের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে আমরা প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ও প্রিমিয়াম সুবিধার সুজুকি এক্সএল৬ বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে এসেছি। ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ ক্যামেরা, প্যাডেল শিফটারসহ ৬ স্পিড অটোমেটিক ট্রান্সমিশন, যা এই সেগমেন্টে প্রথম।’
সুজুকি এক্সএল৬ স্মার্ট হাইব্রিড প্রযুক্তির ১ হাজার ৫০০ সিসি ডুয়েল জেট ডুয়েল ভিভিটি পেট্রল ইঞ্জিনচালিত, যা অসাধারণ গতি ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করে। সুজুকি এক্সএল৬ গাড়িটি প্যাডেল শিফটারসহ ৬ স্পিড অটোমেটিক ট্রান্সমিশন, ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ ক্যামেরা, ৭ ইঞ্চি স্মার্ট প্লে টাচ স্ক্রিন ও নেভিগেশন সিস্টেম, কুয়েড এয়ার ব্যাগস, ভেনটিলেটেড আসন, ক্রুজ কন্ট্রোল সিস্টেম, স্টিয়ারিং মাউন্টেড অডিও এবং কলিং দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, ইবিডিসহ এবিএস ও আরও অনেক কিছু দিয়ে সজ্জিত।
সুজুকি এক্সএল৬ গাড়ি ছয়টি ভিন্ন রঙে পাওয়া যাচ্ছে। গাড়িটির মূল্য ৩৪ লাখ টাকা থেকে শুরু। দেশের যেকোনো জায়গা থেকে গাড়িটির বিক্রয়ত্তোর সেবা গ্রহণ করা সুযোগ রয়েছে। গ্রাহকদের সেবা দেওয়ার জন্য সারা দেশে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব ১১টি শাখা অফিস ও ৮টি সার্ভিস সেন্টার রয়েছে।
Source: প্রথম আলো
বৈদ্যুতিক বাইক বাজারে, খরচ প্রতি কিলোমিটারে ১০-১৫ পয়সা
***********************************************************************
ওয়ালটনের বৈদ্যুতিক (ইলেকট্রিক) বাইক তাকিওনের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। ফলে প্রচলিত জ্বালানিচালিত মোটরসাইকেলের মতো বিআরটিএর নিবন্ধন নিয়ে বাংলাদেশের সড়কে চলতে পারবে ই-বাইকটি। এই বাইকে প্রতি কিলোমিটার দূরত্ব পাড়ি দিতে খরচ পড়বে মাত্র ১০–১৫ পয়সা।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওয়ালটন তাকিওন নামের ই-বাইক বাজারজাত করছে। প্রচলিত পেট্রল-অকটেনচালিত বাইকের মতো ওয়ালটনের ই-বাইক ২ কিংবা ১০ বছরের জন্য বিআরটিএর নিবন্ধন করা যাবে।
ওয়ালটনের কম্পিউটার পণ্য ও তাকিওন ইলেকট্রিক বাইকের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান জানান, তাকিওন ১.০০ মডেলের ইলেকট্রিক বাইকে রয়েছে শক্তিশালী ব্রাশলেস ডিসি মোটর, যার সর্বোচ্চ ক্ষমতা ১.৫ কিলোওয়াট। এতে ব্যবহৃত হয়েছে নতুন প্রযুক্তির গ্রাফিন বেজড ব্যাটারি, যার ধারণক্ষমতা ১.৬ কিলোওয়াট-ঘণ্টা। একবার চার্জে বাইকটি ৭০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেবে। বাইকটির সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার।
নতুন প্রযুক্তির পরিবেশবান্ধব গ্রাফিন বেজড ব্যাটারিটি ৬০০-৮০০ সাইকেলের, যা নিশ্চিন্তে ৩ বছর ব্যবহার করা যাবে। বাইকটিতে রয়েছে বহনযোগ্য চার্জার। বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত ২২০ ভোল্টের বৈদ্যুতিক লাইন থেকেই এই ই-বাইকে চার্জ দেওয়া যায়। বাইকটির দুটি চাকায় ব্যবহৃত হয়েছে হাইড্রোলিক ডিস্ক ব্রেক ও টিউবলেস টায়ার। রয়েছে এলসিডি স্পিডোমিটার ও এলইডি লাইটিং। জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার রোধের মাধ্যমে পরিবেশের সুরক্ষা এবং কম খরচে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ই-বাইক তৈরি ও বাজারজাত করছে ওয়ালটন। প্রতিষ্ঠানটির নির্ধারিত সার্ভিস পয়েন্ট থেকে তাকিওন ইলেকট্রিক বাইকে দুই বছর পর্যন্ত বিনা মূল্যে বিক্রয়োত্তর সেবা পাওয়া যাবে।
একটি ১০০ সিসির জ্বালানিচালিত বাইক ১ লিটার তেলে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে পারে। ফলে প্রতি কিলোমিটারে খরচ পড়ে দুই টাকা বা তার বেশি। অন্যদিকে তাকিওন ই-বাইক একবার চার্জে চলে ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত। এতে প্রতি কিলোমিটারে খরচ হয় মাত্র ১০-১৫ পয়সা। ইলেকট্রিক বাইক শব্দ ও পরিবেশদূষণমুক্ত। এর গিয়ার–ব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয় এবং চালানো সহজ।
লাল, নীল ও ধূসর রঙে বাইকটি পাওয়া যাবে। দাম ১ লাখ ২৭ হাজার ৭৫০ টাকা। ওয়ালটনের সব শোরুমের পাশাপাশি অনলাইনের ওয়ালটন ডিজিটেক ওয়েবসাইট থেকে তাকিওন ই-বাইক কেনা যাবে।
Source: প্রথম আলো