আইওএস হালনাগাদের পর কি আইফোনের ব্যাটারি গরম হচ্ছে
***********************************************************************
নিরাপত্তার ত্রুটি দূর করার পাশাপাশি নতুন সুবিধা যুক্ত করতে নিয়মিত অপারেটিং সিস্টেমের হালনাগাদ সংস্করণ উন্মুক্ত করে থাকে অ্যাপল। এরই ধারাবাহিকতায় গত এপ্রিল মাসে আইফোনের জন্য আইওএস ১৬.৪.১ সংস্করণ উন্মুক্ত করে প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু নতুন সংস্করণ ব্যবহারের পর আইফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক ব্যবহারকারী।
বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, আইওএস ১৬.৪.১ সংস্করণ ব্যবহারের পর থেকে আইফোনের ব্যাটারি দ্রুত কমে যাচ্ছে। ফলে পুরো চার্জ করার পরও মাত্র কয়েক ঘণ্টা আইফোন ব্যবহার করা যাচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, ব্যাটারি বেশি খরচ হওয়ায় গরম হয়ে যাচ্ছে আইফোন।
একজন ভুক্তভোগী দাবি করেছেন, মাত্র ৪৬ মিনিট ব্যবহার করায় আইফোনের ব্যাটারির চার্জ ২২ শতাংশ কমে গেছে। প্রায় একই ধরনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে অপর এক ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, মাত্র আধা ঘণ্টা আইফোন ব্যবহার করতে প্রায় ৩০ শতাংশ ব্যাটারির চার্জ খরচ হয়। তবে ব্যবহারকারীদের অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি অ্যাপল। অনেকের ধারণা, আইওএস ১৬.৪.১ সংস্করণের ত্রুটির কারণে এ সমস্যা হচ্ছে।
অ্যাপলের তথ্যমতে, আইওএসের হালনাগাদ সংস্করণটিতে ভার্চ্যুয়াল সহকারী ‘সিরি’র ত্রুটি দূর করার পাশাপাশি নিরাপত্তাব্যবস্থা আগের তুলনায় শক্তিশালী করা হয়েছে। ফলে ব্যবহারকারীরা আগের তুলনায় নিরাপদে এবং স্বচ্ছন্দে আইফোন ব্যবহার করতে পারবেন।
সূত্র: ডেইলি মেইল
Source: প্রথম আলো
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে সাইবার বুলিং বন্ধে কাজ করছে মেটা
***********************************************************************
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে তরুণদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বিশেষ করে ফেসুবক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে সবচেয়ে বেশি। তরুণেরা যাতে নিরাপদ পরিবেশে আরও সুন্দরভাবে ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতে পারেন, সে জন্য ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে কিশোর বয়সীরা যাতে সাইবার বুলিংয়ের শিকার না হয়, সে বিষয়েও কাজ করছে মেটা। এ বিষয়গুলো জানাতে আজ মঙ্গলবার সকালে ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে মেটা।
ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়ায় ফেসবুকের সেফটি সিকিউরিটি ম্যানেজার প্রিয়াঙ্কা বালা বলেন, ‘মানসিক স্বাস্থ্য, শিশু মনস্তত্ত্ব, ডিজিটাল লিটারেসিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কাজ করে আমরা বিভিন্ন ফিচার ও টুল তৈরি করেছি। ফলে সবার জন্য নিরাপদে ও দায়িত্বশীলভাবে অনলাইনে যুক্ত হওয়া সহজ হয়।’
প্রিয়াঙ্কা জানান, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে অ্যাকাউন্ট খোলার আগে ব্যবহারকারীর বয়স অবশ্যই ১৩ হতে হবে। সর্বনিম্ন বয়সসীমার নিচে কোনো ব্যক্তির অ্যাকাউন্টের খোঁজ পেলে সঙ্গে সঙ্গে মুছে দেবে (ডিলিট) দেবে কর্তৃপক্ষ। তবে বয়সসীমা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে স্পষ্ট কোনো ধারণা দেয়নি প্রতিষ্ঠানটি।
প্রিয়াঙ্কা বালা তাঁর আলোচনায় তুলে ধরেন, যদি ১৮ বছরের কম বয়সী কেউ তার বয়স ১৮ বছরের বেশিতে পরিবর্তন করতে চায়, তাকে নিজের পরিচয়পত্র আপলোড করে অথবা ভিডিও সেলফি রেকর্ড করে নিজের বয়স যাচাই করিয়ে নিতে হবে। একই সঙ্গে মা-বাবারা ‘ফ্যামিলি সেন্টার অ্যাকসেস’ করে নিজের কিশোর-কিশোরী সন্তানের সঙ্গে টুল সেটআপ করে নিতে পারেন। ফলে তাঁরা ইনস্টাগ্রামে সন্তানের কার্যক্রম তদারক করতে পারেন।
২০২১ সাল থেকে ১৬ বছরের নিচে যে কেউ ইনস্টাগ্রামে যোগ দিলে তার অ্যাকাউন্ট ‘প্রাইভেট অ্যাকাউন্ট’–এ পরিণত হয়। অপ্রাপ্তবয়স্করা ফেসবুকে নতুন অ্যাকাউন্ট খুললে তাদের অ্যাকাউন্টে ‘ফ্রেন্ডস’ অপশন দেওয়া থাকে। তাদের অ্যাকাউন্টে ‘পাবলিক’ অপশনটি থাকে না। ফলে তারা কোনো ছবি বা পোস্ট দিলে, সেগুলো সবাই দেখতে পাবে না। শুধু তাদের প্রোফাইলে যুক্ত থাকা বন্ধুরা দেখতে পাবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক কেউ ‘পাবলিক’ অপশন দিয়ে কিছু শেয়ার করতে চায়, তাকে সেটিংসে গিয়ে অপশনটি চালু করতে হবে। একই সঙ্গে তাদের ‘পাবলিক’ হিসেবে শেয়ার করার অর্থও জানিয়ে দেয় ফেসবুক।
সংবাদ সম্মেলনে প্রিয়াঙ্কা বালা বলেন, ‘গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কিশোর-কিশোরীদের কাছে পৌঁছানোর জন্য বিজ্ঞাপনদাতারা শুধু বয়স ও স্থান (লোকেশন) ব্যবহার করতে পারছেন। টার্গেটিং অপশনের তালিকা থেকে আমরা জেন্ডার (লিঙ্গ) সরিয়ে দিয়েছি। গত বছর ইন্টারেস্ট ও অন্যান্য অপশনও সরিয়ে দিয়েছি। বয়স ও স্থানের মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত হতে পারি যে কিশোর-কিশোরীরা তাদের বয়সের উপযুক্ত বিজ্ঞাপন দেখতে পাচ্ছে। এর মাধ্যমে তাদের অবস্থানস্থলের আশপাশে প্রাপ্ত পণ্য ও সেবার বিজ্ঞাপন তাদের কাছে পৌঁছানোও নিশ্চিত করা যায়। এ ছাড়া কিশোর-কিশোরীদের আগের এনগেজমেন্ট, লাইক দেওয়া ইনস্টাগ্রাম পোস্ট বা ফেসবুক পেজ, তাদের দেখা বিজ্ঞাপনের ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না।’
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে সাইবার বুলিং বা হয়রানি বন্ধেও মেটা কাজ করছে। কিশোর–কিশোরীদের জনপ্রিয় মাসিক ম্যাগাজিন ‘কিশোর আলো’র সঙ্গে মিলে মেটা সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করছে বলে জানান প্রিয়াঙ্কা বাল্লা। সম্মেলনে সিঙ্গাপুর ও শ্রীলঙ্কা থেকে মেটার বেশ কয়েকজন কর্মী যুক্ত ছিলেন।
Source: প্রথম আলো
খাপে থাকা অবস্থায় ফোন চার্জ করবেন না
***********************************************************************
মুঠোফোনের বাইরের অংশকে সুরক্ষিত রাখতে খাপ বা কেস ব্যবহার করা হয়। তবে বাইরের অংশকে রক্ষাকারী কেস আবার ফোনের অভ্যন্তরীণ ক্ষতির কারণ হতে পারে।
প্লাস্টিক, রাবার এবং সিলিকন দিয়ে তৈরি কেস ফোনকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে এবং তরল পদার্থ থেকে যাতে কোনো ক্ষতি না হয়, তা নিশ্চিত করে। এ ধরনের উপকরণ দিয়ে কেস ফোনের চারপাশে তাপ ধরে রাখে। চামড়া এবং প্রক্রিয়াজাত নকল চামড়া দিয়ে তৈরি কেসও ফোনের চারপাশে তাপ ধরে রাখে।
শীতল আবহাওয়ায় ফোনের চারপাশে তাপ ধরে রাখায় তেমন কোনো ক্ষতি হয় না। তবে এটি ব্যাটারির কার্যক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। অ্যাপলের ফোন ব্যবহার নির্দেশিকা অনুসারে, ফোন চার্জ করার সময় যদি অন্য কোনো বস্তুর কারণে অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন হয়, তবে ব্যাটারির ক্ষতি হতে পারে।
অ্যাপলের তথ্য অনুসারে, আইফোন, অ্যাপল ওয়াচ, আইপ্যাডসহ আইওএস অপারেটিং সিস্টেমে চালিত যন্ত্রগুলো ০ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সবচেয়ে ভালো কাজ করে। ফোনে চার্জ সঞ্চালনের সময় এ আদর্শ তাপমাত্রা কমে বা বাড়ে। তাই এর বাইরে অন্য বস্তুর কারণে বাড়তি উৎপন্ন তাপ ব্যাটারির ক্ষতি করে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যাপলের যন্ত্র এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে এগুলো ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা, অর্থাৎ ১৬ থেকে ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উৎকৃষ্ট কাজ করে। ‘দ্য পিসি ডক্টরস—ফিক্স ইট ইওরসেলফ’ বইয়ের লেখক অ্যাড্রিয়ান কিংসলে তার আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স দিয়ে ফোন চার্জ দেওয়ার একটি পরীক্ষা চালান। ৬২ ডিগ্রি ফারেনহাইট (প্রায় ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস) পরিবেষ্টিত তাপমাত্রাসহ একটি ঘরের ভেতরে থাকাকালে বিভিন্ন ফোন কেস দিয়ে ফোন চার্জ করে তিনি এ পরীক্ষা চালান।
পরীক্ষায় দেখা যায়, যেকোনো কেস ব্যবহার করলেও ৫ ওয়াট চার্জার দিয়ে ফোন চার্জ দিলে আদর্শ তাপমাত্রা বজায় থাকে। ইউএসবি সি পোর্ট দিয়ে ফোন চার্জ করার সময় কাজ করলে ফোনের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে গরম হয়ে যায়। সাধারণত রাবারের কেসের চেয়ে সিলিকন কেস ব্যবহারে ফোন অপেক্ষাকৃত কম গরম হয়।
Source: প্রথম আলো
টুইটারে চালু হচ্ছে অডিও-ভিডিও কল করার সুবিধা
***********************************************************************
টুইটারে টুইট (টুইটারে দেওয়া বার্তা) করার পাশাপাশি বন্ধু বা পরিচিতদের সঙ্গে কথাও বলা যাবে। নতুন এ সুবিধা দিতে শিগগিরই খুদে ব্লগ লেখার সাইটটিতে অডিও-ভিডিও কল–সুবিধা চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্ক। শুধু তা–ই নয়, টুইটারের ডিরেক্ট মেসেজ (ডিএম) সুবিধা কাজে লাগিয়ে পাঠানো বার্তাগুলো এনক্রিপ্টেড (বিশেষ ধরনের কোড) আকারে আদান-প্রদানের সুযোগ চালু করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এক টুইটে ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, টুইটারে শিগগিরই অডিও-ভিডিও কল–সুবিধা চালু হবে। ফলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থাকা টুইটার ব্যবহারকারীর সঙ্গে নিজেদের ফোন নম্বর গোপন রেখে কথা বলা যাবে। প্রাথমিকভাবে টুইটারের ডিরেক্ট মেসেজে এনক্রিপ্টেড সুবিধা পাওয়া যাবে। আজ বুধবার থেকে পর্যায়ক্রমে এ সুবিধা উন্মুক্ত করা হবে।
ডিরেক্ট মেসেজের মতো অডিও-ভিডিও কলে এনক্রিপ্টেড সুবিধা যুক্ত করা হবে কি না, তা জানাননি ইলন মাস্ক। ফলে অডিও-ভিডিও কলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। শুধু তা–ই নয়, অর্থের বিনিময়ে নিবন্ধিত অ্যাকাউন্ট নাকি সব ধরনের অ্যাকাউন্টে অডিও-ভিডিও কল–সুবিধা ব্যবহার করা যাবে, তা–ও জানাননি তিনি।
টুইটারে অডিও-ভিডিও কল–সুবিধা চালু হলে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপগুলোর মতোই বন্ধু বা পরিচিতদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা যাবে। ফলে টুইটারের ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: গ্যাজেটস নাউ
Source: প্রথম আলো
গুগল আইও সম্মেলন শুরু হচ্ছে আজ, অনলাইনে দেখবেন যেভাবে
***********************************************************************
গুগলের ডেভেলপার বা প্রোগ্রামারদের নিয়ে বার্ষিক সম্মেলন ‘গুগল আইও ২০২৩’ শুরু হচ্ছে আজ। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্টেন ভিউয়ে শোরলাইন অ্যাম্ফিথিয়েটারে বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় শুরু হবে এ সম্মেলন। নিজেদের সবচেয়ে বড় এ সম্মেলনে নানা পণ্য ও সেবার ঘোষণা দিয়ে থাকে গুগল। এবারের আইও সম্মেলনেও বড় ধরনের ঘোষণা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এক দিনের এ সম্মেলনে বরাবরের মতোই ভবিষ্যতের প্রযুক্তি ও পণ্যের ধারণা তুলে ধরবে গুগল। ফলে সম্মেলনের খুঁটিনাটি তথ্য জানতে সারা বিশ্বের অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার ও ব্যবহারকারীরা অপেক্ষা করছেন। সম্মেলনের শুরুতেই বক্তব্য দেবেন গুগলের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাই। এরপর ডেভেলপারদের জন্য বিভিন্ন অনুষ্ঠান শুরু হবে।
সম্মেলনে নির্বাচিত ডেভেলপারদের পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীরাও অংশ নেবেন। তবে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার ও ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে বরাবরের মতো এবারও অনলাইনে সম্মেলন সরাসরি সম্প্রচার করবে গুগল। ফলে সরাসরি উপস্থিত না হয়েও ভার্চ্যুয়ালি গুগল আইও সম্মেলনের খুঁটিনাটি সব তথ্য জানা যাবে।
যেভাবে অনলাইনে দেখা যাবে
ঠিকানার ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করে সম্মেলন সরাসরি দেখার সুযোগ মিলবে। ওয়েবসাইটের পাশাপাশি গুগলের ইউটিউব চ্যানেলেও ( সম্মেলন সরাসরি দেখা যাবে। সম্মেলনের ধারণ করা ভিডিও পরবর্তী সময়েও দেখার সুযোগ মিলবে।
সূত্র: গ্যাজেটস নাউ
Source: প্রথম আলো