Tackle All Your Debt with A Debt Relief Attorney
As an attorney licensed & practicing in Florida, New York and New Jersey, with a focus on Total Consumer Debt Relief, I am receiving more and more clients, who were once signed into an alleged debt settlement program, hired a non-attorney to address their debt or had already paid exorbitant amounts of money to such companies, and yet, their debt was NOT settled
https://grantphillipslaw.com/t....ackle-all-your-debt-
হারিয়ে যাওয়া হিমবাহের সন্ধান দিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
***********************************************************************
১৪ এপ্রিল, ১৯১২ সাল। একটি বিশাল হিমবাহ ঘুরে বেড়াচ্ছিল আটলান্টিক মহাসাগরে। সেই হিমবাহের সঙ্গেই ধাক্কা লেগে ডুবে গিয়েছিল সে সময়ের সবচেয়ে আলোচিত জাহাজ টাইটানিক। জলবায়ুবিজ্ঞানীদের ধারণা, এই হিমবাহ ১৯১০ বা ১৯১১ সালে গ্রিনল্যান্ডের পশ্চিম তীরের জ্যাকবশান গ্লেসিয়ারে তৈরি হয়েছিল। এমন অসংখ্য হিমবাহ ঘুরে বেড়াচ্ছে সাগর-মহাসাগরে। এসব হিমবাহের ওপর নজর রাখা বিজ্ঞানীদের জন্য বেশ কঠিন কাজ বটে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা কারণে হিমবাহ দ্রুত গলে যাচ্ছে। হিমবাহ গলে যাওয়ার বিষয়টিও খালি চোখে বোঝা বেশ কঠিন। এ সমস্যা সমাধানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করছেন বিজ্ঞানীরা।
যুক্তরাজ্যের লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী অ্যান ব্রাকম্যান-ফোলগম্যান বলেন, হিমবাহ শনাক্ত করে গলে যাওয়ার ধরন পর্যালোচনা করা বেশ সময়ের ব্যাপার। সমুদ্রে হিমবাহ গলে কী পরিমাণ পানি নতুন করে যুক্ত হচ্ছে, তা পরিমাপ করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খালি চোখে এই পর্যবেক্ষণে অনেক সময় লাগে। অনেক তথ্য পর্যবেক্ষণের অভাবে হারিয়ে যায়। হিমবাহের সংকোচন নিরীক্ষণের লক্ষ্যে কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইটে ধারণ করা ছবি ব্যবহার করা হয়। এসব ছবি থেকে দৈত্যাকার হিমবাহ গলে যাওয়ার বিষয়টি দ্রুত শনাক্ত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রচলিত হিমবাহ শনাক্তকরণ পদ্ধতি কিছুটা ধীরগতির। অপর দিকে স্যাটেলাইটের ছবি থেকে তথ্য পেতে কয়েক মিনিট সময় লাগে। এর ফলে এআই ০.০১ সেকেন্ডের কম সময়ে তথ্য বিশ্লেষণ করে দিচ্ছে, যা মানুষের তুলনায় ১০ হাজার গুণ দ্রুত।
এ বছর ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভে অ্যান্টার্কটিকায় আচ্ছাদিত বিশাল বরফের আস্তর কমে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। আগামী কয়েক দশকে বিশ্বজুড়ে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে এই গলে যাওয়া বরফ খলনায়ক হিসেবে কাজ করবে। গত বছর সবচেয়ে বড় হিমবাহের একটি ‘এ৬৯এ’ গলে যায়। ১০০ মাইলের বেশি লম্বা ও ৩০ মাইল চওড়া ছিল এই হিমবাহ। অ্যান্টার্কটিক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পাঁচ বছর ধরে সমুদ্রে ভাসার পর দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে গলে যায় হিমবাহটি। আগামী কয়েক বছর ধরে স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রে এই হিমবাহের ভূমিকা দেখা যাবে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন। এই পরিবর্তন সামুদ্রিক খাদ্যশৃঙ্খলে ইতিবাচক বা নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বিজ্ঞানীরা উপগ্রহের ছবি ব্যবহার করে বিচ্ছিন্ন হিমবাহের নড়াচড়া ও সংকোচন পর্যবেক্ষণ করেছেন।
অ্যান্টার্কটিক উপকূলরেখার উপগ্রহ ছবিগুলোর বেশির ভাগই হিমবাহের মতো দেখতে। আর তাই প্রকৃত হিমবাহ শনাক্ত করা বেশ সময়সাপেক্ষ বিষয়। এ সমস্যা সমাধানে প্রথমবারের মতো গবেষকেরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সুবিধার নিউরাল নেটওয়ার্ক তৈরি করেছেন। ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির সেন্টিনেল-ওয়ান স্যাটেলাইটের ছবিযুক্ত এই নেটওয়ার্কের বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে দ্রুত হিমবাহের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। দ্য ক্রায়োস্ফিয়ার জার্নালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, হারিয়ে যাওয়া বেশ কয়েকটি হিমবাহের সন্ধান দিয়েছে এআই। বিজ্ঞানীরা এআইয়ের মাধ্যমে ৯৯ শতাংশ নির্ভুলভাবে স্যাটেলাইট ছবি থেকে হিমবাহ শনাক্ত করতে পেরেছেন। এরই মধ্যে এআইয়ের মাধ্যমে ৫৪ থেকে ১ হাজার ৫২ বর্গকিলোমিটার আকারের সাতটি হিমবাহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
ইংল্যান্ডের নর্থামব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অ্যান্ড্রু শেফার্ড বলেন, হিমবাহ আসলে খুব ধীরগতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই গবেষণা মেশিন লার্নিংয়ের মাধ্যমে বাস্তব সময়ে বিশ্বের দূরবর্তী ও দুর্গম অংশ পর্যবেক্ষণে ভূমিকা রাখবে। এআই টুলটি অন্যান্য প্রচলিত স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির মতো ভুল করছে না। বর্তমানে প্রচলিত পদ্ধতি অনেক সময় বরফের বিশাল খণ্ডকে হিমবাহ মনে করে ভুল করে।
সূত্র: স্পেস ডটকম
source : প্রথম আলো।
Tackle All Your Debt with A Debt Relief Attorney
As an attorney licensed & practicing in Florida, New York and New Jersey, with a focus on Total Consumer Debt Relief, I am receiving more and more clients, who were once signed into an alleged debt settlement program, hired a non-attorney to address their debt or had already paid exorbitant amounts of money to such companies, and yet, their debt was NOT settled
https://grantphillipslaw.com/t....ackle-all-your-debt-
রাফসানের সঙ্গে প্রেমের প্রসঙ্গে যা বললেন কণ্ঠশিল্পী জেফার
***********************************************************************
উপস্থাপক রাফসান সাবাব সম্প্রতি তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে তিন বছরের সংসার ভাঙার খবর নিজেই জানিয়েছেন। ভাঙনের খবর দেওয়ার পরই মুখ খোলেন স্ত্রী সানিয়া সুলতানা এশা। জানান, তিনি বিচ্ছেদ চাননি। এই যখন চলছিল, ঠিক তখনই গায়িকা জেফারের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে কথা শুরু হয়। কেউ কেউ মন্তব্য করছেন, গায়িকা জেফারের সঙ্গে সম্পর্কের কারণেই বিচ্ছেদের পথে বেছে নিয়েছেন রাফসান। বিষয়টি নিয়ে প্রায় ১৫ মিনিটের একটি ভিডিও বার্তাও দিয়েছেন তিনি।
তরুণ এই সঞ্চালকের মতে, হুট করে নয়; বরং বছর দেড়েক আগে থেকেই তিনি বিচ্ছেদ চাইছিলেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যেও আলোচনা হয়েছে। এমনকি বিচ্ছেদের ঘোষণা দেওয়ার কয়েক দিন আগেও এশার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন বলে জানান রাফসান। তাঁর ভাষ্য, ‘বিচ্ছেদের বিষয় এলেই মেয়েরা সংসার টিকিয়ে রাখতে চায় আর ছেলেরা হয়ে যায় খারাপ। আমার সাবেক স্ত্রী এক স্ট্যাটাসে জানিয়েছে, আমি হঠাৎ করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু না, এই সিদ্ধান্ত দেড় বছর আগের।’
জেফারের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে যে কথা প্রকাশ্যে, সে বিষয়ে রাফসানের ভাষ্য, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিষয়ে প্রচুর কমেন্ট দেখতে পাচ্ছি, জেফারকে জড়িয়ে; আপনারাই বলছেন, এ রকম চেহারা নিয়েও চিট করা যায়! আবার আপনারাই বলছেন, জেফারের কারণে আমার ঘর ভেঙে গেছে। যেহেতু আমার চেহারা একটা বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, মনে হচ্ছে, এই চেহারা নিয়ে জেফার কেন, হলিউডের কোনো নায়িকাকেও চেজ করে ফেলতে পারব।’
রাফসানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে কথা হয় জেফারের সঙ্গে। তিনি প্রথম আলোকে বললেন, ‘যে কথা যেগুলো আসছে, মানুষের দেখা উচিত এসবের সোর্স কী। পাবলিক কমেন্ট থেকে সবাই এমন ধারণা পোষণ করছেন। পাবলিক তো যে কারও ছবিতে যা-তা লিখতে পারে, সেটার ওপর ভিত্তি করে এমন কথা বলা তো উচিত নয়। শুরুতে আমি কিন্তু এটা পাত্তাই দিইনি। পরে দেখলাম, এটা নিয়ে অনেক বেশি টানাহেঁচড়া হচ্ছে। একজন পাবলিক ফিগারের যখন ডিভোর্স হয়, তখন এটা নিয়ে যা হয়, তা–ও ঠিক নয়। পরে দেখলাম, আমার নাম এখানে ঢুকে গেছে! আমাদের কত কলিগ। কত কাজ করি একসঙ্গে। রাফসানকে তো আজ থেকে চিনি না। ক্যারিয়ারের সেই একদম শুরু থেকেই চিনি। “ন ডরাই” নিয়েও আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। রিসেন্টলি আমরা “হোয়াট আ শো”তেও গেলাম। অবশ্যই তাকে আমি ভালো করেই চিনি। বাইরে ফ্রেন্ডদের আড্ডায় দেখা হয়। সিসিএলে আমরা একসঙ্গে খেললাম। এর বাইরে মানুষ আমাদের এখানে–সেখানে দেখতেও পারেন। তাই বলে প্রেমের সম্পর্ক বলে বেড়াবে!’
কথাটা যেহেতু উঠেছে, তাহলে প্রশ্ন থাকল, আপনাদের দুজনের সম্পর্কটা আসলে কী? ‘সবাই প্রেম বলছে বিভিন্ন মন্তব্যের ওপর ভিত্তি করে, তাহলে এখানে আমার তো কিছুই বলার নেই আসলে। তবে এটা অনেক হাস্যকরও মনে হয়। ওর ডিভোর্সের ব্যাপারটা তো ওর ব্যক্তিগত বিষয়,’ বললেন জেফার।
কথা হচ্ছে, রাফসানের সঙ্গে বিনোদন অঙ্গনের অনেকেরই বন্ধুত্ব আছে, আপনার সঙ্গেও তা–ই। প্রশ্নটা হচ্ছে, কারও সঙ্গেই তো প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে কথা হচ্ছে না, শুধু আপনাদের দুজনকে নিয়ে কেন হচ্ছে—এমন প্রশ্নে, ‘সেটা হতে পারে আমাদের রিসেন্ট কাজ দেখে। আমরা একসঙ্গে সিসিএল খেললাম। “হোয়াট আ শো”তে গিয়েছি। এর বাইরে শো করেছি। সেসব ছবি নিয়ে দেখলাম সবাই ফাজলামি করছে! এভাবে এসব বিষয় ঘিরে ইস্যু বানানোর তো কোনো মানে হয় না। মানুষ অন্য তারকাদের সঙ্গে রাফসানকে জড়িয়ে কেন কথা বলছে না, আমাকে নিয়ে বলছে—এটা মানুষই ভালো বলতে পারবে। আমি এটা বলতে পারব না। রাফসান শুধুই আমার বন্ধু ও সহকর্মী। প্রেমের সম্পর্কের যে কথা উঠছে, এটা তখনো ছিল না, এখনো নেই,’ বললেন জেফার।
কথায়–কথায় জেফার বললেন, রাফসানের সঙ্গে যে তিনি প্রেম করছেন, এসবের কোনো প্রমাণ আছে? কেউ কেউ বলছেন, দুজনকে একসঙ্গে কক্সবাজারের মারমেইডে ঘুরতে দেখেছেন। এসব প্রসঙ্গ উঠতেই জেফার বললেন, ‘আমাকে নিয়ে এমন কথা তো যে কেউ বলতে পারে। এসব ভিত্তিহীন। মানুষ যখন একটা রসাল খবর বানাতে পারে, কেউ সেটার সুযোগ মিস করে না। আমার সঙ্গে রাফসানের সম্পর্ক হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমাকে যে এখানে টানা হয়েছে, বলব যে এটা অনেক খারাপ একটা কাজ হয়েছে।’
source : প্রথম আলো।
ভারত-নিউজিল্যান্ড সেমিফাইনাল ম্যাচে রণবীর কাপুর কী করছেন
***********************************************************************
আজ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের প্রথম সেমিফাইনালে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে প্রথম সেমিফাইনালে স্বাগতিক ও টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত অপরাজিত ভারতের মুখোমুখি হয়েছে নিউজিল্যান্ড।
কিন্তু খেলার শুরুর আগে মাঠে দেখা গেল বলিউড অভিনেতা রণবীর কাপুরকে। কিন্তু কেন? টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে সেটাই জেনে নেওয়া যাক।
আজ খেলার শুরু আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে একটি ছবি। যেখানে সাবেক দুই ভারতীয় ক্রিকেটার হরভজন সিং ও ইরফান পাঠানের সঙ্গে দেখা যায় রণবীরকে।
কালো শার্ট, কালো প্যান্ট, সাদা স্নিকার আর কালো সানগ্লাস পরে মাইক্রোফোনে কী যেন একটা বলছেন অভিনেতা।
জানা গেছে, নতুন সিনেমা ‘অ্যানিমেল’-এর প্রচার উপলক্ষেই সেমিফাইনালে হাজির হয়েছেন রণবীর কাপুর। তিনি সঞ্চালক জতিন সাপরু, হরভজন সিং, মোহাম্মদ কাইফ ও ইরফান খানের সঙ্গে একটি সেশনে অংশ নিয়েছেন। পরে তাঁকে ভারতের জার্সি পরে খেলা দেখতেও দেখা যায়। গ্যালারিতে তাঁর সঙ্গে দেখা যায় আরেক তারকা জন আব্রাহামকে।
আগামী ১ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা পরিচালিত সিনেমাটি। অ্যাকশন থ্রিলার ঘরানার ছবিতে রণবীর ছাড়াও আছেন অনিল কাপুর, ববি দেওল, রাশমিকা মান্দানা, তৃপ্তি দিমরি প্রমুখ।
সিনেমার টিজার মুক্তির পর এর মধ্যেই রণবীর কাপুরের ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। রণবীর আগেই জানিয়েছেন, এ ছবির প্রয়োজনে তিনি নিজের মাথা কামিয়েছিলেন। এর আগে মুক্তি পাওয়া ছবির টিজারে রণবীরকে দেখা গেছে ‘নিষ্ঠুর’ লুকে।
source : প্রথম আলো।
New York Enacts APR Disclosure Laws
The intent of S.B 5470 is to provide corporate and small business borrowers with more transparency surrounding their taking of credit, in order to allow for better, more informed decisions, a clearer understanding of how much is being borrowed and under what terms and to provide a corporate borrower with the ability to compare different offers of credit.
https://grantphillipslaw.com/n....ew-york-enacts-apr-d
বাংলাদেশের সিনেমায় প্রথমবার গাইলেন পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী
***********************************************************************
’শ্যামা কাব্য’ নামের নতুন একটি ছবি বানিয়েছেন বদরুল আনাম সৌদ। এ মাসেই ছবিটির মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত হয়েছে। এরই মধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে ছবিটির ট্রেলার প্রকাশ করা হয়েছে। এদিকে মুক্তির আগে জানা গেল চমকে যাওয়ার মতো খবর। ছবিতে ‘পাখি যাও যাও যাও’ শিরোনামের একটি গানে ইমন সাহার সুর ও সংগীতে কণ্ঠ দিয়েছেন ভারতীয় সংগীতশিল্পী পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী।
’শ্যামা কাব্য’ সিনেমার ‘পাখি যাও যাও যাও’ শিরোনামের গানটি কলকাতার একটি স্টুডিওতে রেকর্ড করা হয়। পরিচালক বদরুল আনাম সৌদ গিয়েছিলেন কলকাতায়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত ছিলেন ইমন সাহা। পিতৃপুরুষের দেশের কোনো একটি ছবিতে প্রথমবার গাইতে পেরে আনন্দিত বরেণ্য এই সংগীতগুরু। গানটি প্রসঙ্গে গত সোমবার দুপুরে প্রথম আলো কথা বলে অজয় চক্রবর্তীর সঙ্গে। শুরুতেই প্রতিবেদকের কাছে জানতে চাইলেন, ছবিটা কি মুক্তি পেয়েছে? এখনো হয়নি বলেই জানতে চাইলাম, এই গান গাওয়ার পেছনে আপনার কোন ভাবনা কাজ করেছে? ‘ইমন সাহা আমাকে খুব শ্রদ্ধার সঙ্গে অনুরোধ করেছিল, তাই আমি না করিনি। আর গানটা আমার ভালো লেগেছে। তবে ছবিতে কী রকমভাবে গানটা ব্যবহার করেছে, তা আমার জানা হয়নি। কিন্তু গানটার সঠিক ব্যবহার করতে পারলে ভালো লাগবে।’
কথা হয় সুরকার ও সংগীত পরিচালক ইমন সাহার সঙ্গে। জানালেন, ২০২২ সালের অক্টোবর মাস। কয়েক দিন ধরে চেষ্টা করেও পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর কাছ থেকে কোনো সাড়া পাচ্ছিলেন না। এরপর গান গাওয়ানোর আশাই ছেড়ে দিয়েছিলেন। পরিচালক সৌদকে বলেছিলেন, তিনি আসলে গাইবেন না। শুধু শুধু সময় নষ্ট না করে গানটির জন্য অন্য কাউকে ভাবাটাই ভালো। ইমন বললেন, ‘২০২২ সালের অক্টোবরের একদিন সুবর্ণা আপা-সৌদ ভাইয়ের বাসায় আড্ডা দিচ্ছিলাম। তখনই মোবাইল স্ক্রিনে ভেসে উঠল পণ্ডিতজির নাম। তাঁর ফোন পেয়ে অবাক হই। তিনি ফোনে বলছিলেন, “গানটা আমার ভালো লেগেছে। কথাও ভালো লেগেছে।” আমি তখন পণ্ডিতজিকে বলেছি, “গানটা আপনার পছন্দ হয়েছে, এটা আমার সংগীতজীবনের সবচেয়ে বড় কমপ্লিমেন্ট।”’
‘পাখি যাও যাও যাও’ গানে অজয় চক্রবর্তীকে কেন ভাবলেন, এমন প্রশ্নে ইমন সাহা বললেন, ‘গানটি তৈরির পর সৌদ ভাই চাচ্ছিলেন, শাস্ত্রীয় ঘরানার কেউ এই গানের শিল্পী হোক। তবে গানটা কিন্তু আধুনিক। ওজনদার একটা কণ্ঠ খুঁজছিলাম, বয়সের হালকা ছাপ আছে কণ্ঠের মধ্যে। যেহেতু ব্যাকগ্রাউন্ড সং, আমরা দু-একজনকে ট্রাইও করেছি। কিন্তু আমাদের মনঃপূত হয়নি। তখন সুবর্ণা আপাই বলছিলেন, “তোমরা কেন পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীকে চেষ্টা করছ না।” আমরাও ভাবলাম, তিনি হলে তো অসাধারণ হয়। কিন্তু এটা তো স্বপ্নের অতীত। কোনো দিন স্বপ্নেও ভাবিনি পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী আমার সুর ও সংগীতে গাইতে রাজি হবেন। হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীতে এত বড় একজন পণ্ডিত আমার সুর ও সংগীতে গাইলেন, এটা সংগীতজীবনের অনেক বড় প্রাপ্তি।’
এদিকে গানটি গাওয়ার পরের অনুভূতি কী, জানতে চাইলে কথায় কথায় পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী বললেন, ‘আমি খুব ভালো গাইতে পারি না। তারপরও চেষ্টা করেছি গাওয়ার। জানি না কতটা গাইতে পেরেছি। সর্বশেষ গেয়েছি এবারের দুর্গাপূজায়, ‘দশম অবতার’ ছবিতে। ছবির পরিচালক সৃজিত আমার কাছে এসে বলেছিল, অনুপম রায়ও ছিল। ও তো আমার ছাত্রের মতো। ছোট ভাইয়ের মতো। সৃজিত আর অনুপম বলাতে গেয়েছিলাম। ‘শ্যামা কাব্য’ ছবির গানটি গাওয়ার সময় ছবির গল্পটা শেয়ার করেছিল পরিচালক বদরুল আনাম সৌদ, শুনে ভালোও লেগেছিল।’
source : প্রথম আলো।
শুধু একটি সিনেমায় অভিনয় করাই ছিল তাঁর স্বপ্ন
***********************************************************************
এখন বলিউডের প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন হুমা কুরেশী। কখনো ‘মণিকা’, কখনো ‘মহারানি’, আবার কখনো ‘তরলা’ হয়ে দর্শক–হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। তবে মোটে একটি সিনেমা করবেন বলেই ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছিলেন হুমা। এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
সাক্ষাৎকারে হুমা নিজের এই দীর্ঘ ক্যারিয়ার নিয়ে নানা কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি দিল্লির এক সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসেছি। আমার বাবা পেট চালানোর জন্য কাবাব বিক্রি করতেন। আর মা ছিলেন সাধারণ গৃহবধূ। তাই ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ভাবতাম যে আমি কে ছিলাম, এখন কী হতে চলেছি। তাই তখন প্রতিনিয়ত অভিনেত্রীদের মতো হাঁটাচলা, হাবভাব, কথা বলার চেষ্টা করতাম।’
চলচ্চিত্রে আসার গল্প শুনিয়েছেন হুমা। বলেছেন, ‘জানেন, আমি মুম্বাইয়ে এসেছিলাম মাত্র একটি সিনেমায় অভিনয় করব বলে। এটাই ছিল আমার স্বপ্ন। এর পরের কোনো পরিকল্পনা ছিল না আমার। ভাবতেও পারিনি, এতটা পথ অতিক্রম করব। আমার প্রথম ছবির পর যা কিছু পেয়েছি, তা বোনাস বলে মনে হয়। আমি অভিনয়জীবনের সব ভুলত্রুটি খুঁজে বের করেছি। আর সেসব সংশোধন করার চেষ্টা করেছি।’
ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোর প্রসঙ্গে হুমা বলেছেন, ‘যখন ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছি, আমার তখন ম্যানেজার বা এজেন্ট কেউ ছিলেন না। আর তারকাদের আশপাশে তো পুরো ব্যাটালিয়ন থাকে! আমি একটা অডিশন থেকে তখন আরেকটা অডিশনে ছুটতাম। আমার ব্যাগে তখন থাকত একটি সালোয়ার-কামিজ, একটি সাদা টি-শার্ট, একটি কালো পোশাক আর একটি টিফিন বক্স। আমি সব সময় অডিশনে বাদ পড়তাম। কী কারণে বাদ পড়েছি, তা জানতেও পারতাম না। কারণ, কাস্টিং ডিরেক্টর আমার সঙ্গে কোনো কথাই বলতেন না। দিল্লির রক্ষণশীল পরিবার থেকে আমি এসেছি। তাই এ সবকিছু আমার খুব অভদ্রতা বলে মনে হতো।’
সাক্ষাৎকারে হুমা উঠতি অভিনয়শিল্পীদের জন্য কিছু পরামর্শও দেন। তিনি বলেন, ‘উঠতি অভিনয়শিল্পীদের বলতে চাই, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে। অযথা চাপ নেবেন না। আমি তখন অযথা চাপ নিয়ে ফেলতাম। পাগলের মতো ছুটতে থাকতাম। কী হবে, এই ভেবে সারাক্ষণ উদ্বিগ্ন থাকতাম।’
source : প্রথম আলো।
Install app for better experience