এচ্যে এক্কোদিন খাগাড়াছড়ি কমলছড়ি পাইলট হাই ইক্কুলত আমা নুঅ পিড়িউনর সমারে কধা কনা জু অয়। যারা একদিন জাদর দুঘ’ দিনত জাত্তো কায় থেবাক, জাদত্যাই কিঝু গরিবাক, আহ্’ত্যার ধুরিবাক তারা সমারে কধা কনা বজান গম লাগে। সে গম লাগানা দেঘে ন’ পাচ্যে, কোই ন’ পাচ্যা।
যা ওক এ কামানত এজাল দেনা কমলছড়ি পাইলট হাই ইক্কুল হেডমাচতর সুনানু অরুণ জ্যোতি দা ইধোত তুলি ঝু ঝু গজাঙ। সে সমারে গুরবোন তোষীক্কোরে আ তটিনীক্কোকে চিদত্তুন ছাগি তুল্যা অতালিয়ে কোচপানা আ পাত্তুরুতুরু জানাঙর।
31/05/23
ফেসবুকে নতুন প্রতারণা, নিরাপদ থাকবেন যেভাবে
***********************************************************************
মেসেঞ্জারে আসা সব লিংক (কোনো কিছুর ওয়েব ঠিকানা) নিয়ে কৌতূহল দেখানো ঠিক নয়। মানুষের কৌতূহলকে কাজে লাগিয়ে সর্বনাশ করে ফেলতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা। সম্প্রতি ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মেসেঞ্জারে আসা ও এই প্ল্যাটফর্মে ছড়ানো একটি স্ক্যাম বা প্রতারণার লিংক সম্পর্কে সচেতন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। তারা বলেছে, ফেসবুকে ব্যাংক লেনদেন-সংক্রান্ত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার একটি ফাঁদ পেতেছে দুর্বৃত্তরা। যাঁরা মেসেঞ্জারে আসা লিংক নিয়ে বেশি কৌতূহলী, তাঁরা এর শিকার হতে পারেন। ফেসবুকে ছড়ানো সর্বশেষ স্ক্যাম এটি।
নতুন এই স্ক্যামকে বলা হচ্ছে ‘লুক হু জাস্ট ডাইড’। কে মারা গেছে, তাকে চেনেন কি না, এমন বার্তা দিয়ে একটি লিংক পাঠানো মেসেঞ্জারে। পরিচিত কারও অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে সাইবার দুর্বৃত্তরা এ ধরনের বার্তা পাঠায়। কেউ তাতে ক্লিক করে দেখতে গেলে ফেসবুকে লগইন করতে বলে। কেউ লগইন করলেই ফেসবুকের অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় সাইবার দুর্বৃত্তদের হাতে। তারা তখন ওই অ্যাকাউন্ট থেকে পরিচিতজনের কাছে নানা প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নিতে পারে।
মেসঞ্জার ছাড়াও এই স্ক্যাম ফেসবুক, ই-মেইল বা অন্য কোনো মাধ্যমেও ছড়াতে পারে। এ লিংককে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে সাইবার দুর্বৃত্তদের পক্ষ থেকে বার্তাও দেওয়া হতে পারে। তাই মেসেঞ্জারে কোনো লিংকে মৃত্যুর খবর দেখতে বললে তা ক্লিক করার আগে ভাবতে হবে।
অনেক সময় এ ধরনের লিংকে ক্লিক করা হলে তা থেকে কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকর প্রোগ্রাম ডাউনলোড হতে পারে। এতে ছবি, পাসওয়ার্ডসহ ব্যক্তিগত নথি ও তথ্য বেহাত হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, মেসেঞ্জারে স্ক্যামটি ছড়ালেও এটি টেক্সট বা ই-মেইল আকারেও আসতে পারে। এ ক্ষেত্রে কোনো লিংককে সন্দেহ হলে তা ক্লিক করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনো বন্ধুর কাছ থেকে এ ধরনের বার্তা এলে তাঁর সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি জেনে নেওয়া ভালো। এতে এর পেছনে কোনো হ্যাকার আছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এফবিআইয়ের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ম্যালওয়্যার ছড়ানোর কাজে জড়িত দুর্বৃত্তরা এখন আরও বেশি কৌশলী হয়েছে। তাই ক্লিক করে কোনো কিছু ডাউনলোড করার আগে সতর্ক থাকতে হবে। এ ছাড়া সফটওয়্যার হালনাগাদ রাখতে হবে, অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করতে হবে। যাঁরা গুগল ক্রোম ব্যবহার করেন, এতে থাকা ম্যালওয়্যার শনাক্তকারী সেবাটি সেটিংস মেনু থেকে ঠিক করে দিতে পারেন। কারও অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে বলে সন্দেহ হলে দ্রুত পাসওয়ার্ড বদলে ফেলুন।
নিউজ ডটকম
source : প্রথম আলো
এক হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর একাধিক ফোনে যেভাবে ব্যবহার করবেন
***********************************************************************
বার্তা আদান-প্রদান, আইপি ফোনকলের জনপ্রিয় অ্যাপ হোয়াইটস অ্যাপ কিছুদিন আগে এক নতুন সুবিধা এনেছে। নতুন এই সুবিধা কাজে লাগিয়ে একই হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরকে চারটি আলাদা ফোনে লগইন করে রাখা যাবে৷ এর আগে আলাদা করে হোয়াটসঅ্যাপ ডেস্কটপ অ্যাপ বা ওয়েবে ব্যবহার করা গেলেও নতুন এই সুবিধার ফলে একই ফোন নম্বর দিয়ে খোলা হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট একসঙ্গে চারটি আলাদা স্মার্টফোন বা যন্ত্রে সচল রাখা যাবে।
কীভাবে?
এবার যে ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর অন্য ডিভাইসে লগইন করতে চান, সেই ফোনের অ্যাপ প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর থেকে আপডেট করে নিন। অন্য যে ফোনে এই হোয়াটসঅ্যাপ লগইন করতে চান, সেই ফোনে আপডেটেড হোয়াটসঅ্যাপ ডাউনলোড করে নিয়ে চালু করুন।
সাইন-আপ চালু হবে। এখানে ভুলেও আপনার প্রাইমারি ফোন নম্বর (যে নম্বরকে লগইন করতে চাচ্ছেন) লিখবেন না, তাহলে এখানে প্রাইমারি নম্বরটি লগইন হয়ে যাবে এবং মূল ফোন থেকেও আপনাকে লগআউট করে দেবে। অ্যাকাউন্টটি লিংক করতে চাইলে, সাইন-আপ স্ক্রিনের ওপরের ডান দিকের কোনার আনুভূমিক তিন লাইন ডট আইকনে ক্লিক করুন।
এবার Link অপশনে ক্লিক করুন। লিংকে ক্লিক করলেই কিউআর কোড পাওয়া যাবে। এই কিউআর কোড পুরোনো বা আগে থেকেই লগইন করা অ্যাকাউন্টের হোয়াটসঅ্যাপ থেকে স্ক্যান করতে হবে। এ জন্য প্রাইমারি ফোনের হোয়াটসঅ্যাপে গিয়ে Chats ট্যাব সক্রিয় রেখে ওপরে ডান দিকের কোনার তিন লাইন আনুভূমিক লাইনে ক্লিক করুন। তালিকা থেকে Linked devices-এ ক্লিক করুন।
Link a device চাপলে কিউআর কোড স্ক্যান করার জন্য ক্যামেরা খুলবে। স্ক্যান করলেই নতুন যন্ত্রে হোয়াটসঅ্যাপটি আসতে একটু সময় নিতে পারে, এই সময়ের মধ্যে ফোনের কন্টাক্টস, চ্যাটস সিঙ্ক হতে সময় নেবে, সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে গেলে একাধিক ফোনে একটি হোয়াইটসঅ্যাপ নম্বর লগইন করে রাখা যাবে।
এভাবে অন্য আরও ফোনে (সর্বোচ্চ চারটি) চাইলে একই হোয়াটসঅ্যাপ চালু রাখা যাবে।
source : প্রথম আলো
ট্রিলিয়ন ডলার কোম্পানির তালিকায় নাম উঠল এনভিডিয়ার
***********************************************************************
ট্রিলিয়ন (এক লাখ কোটি) ডলার কোম্পানির তালিকায় নাম লেখাল চিপ, বিশেষত গ্রাফিকস চিপ নির্মাতা মার্কিন প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া। ধারণা করা হচ্ছে, ছোট ও বড় সব ধরনের প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির পণ্য তৈরি ও চালু করায় এনভিডিয়ার বাজারমূল্য বেড়েছে। সম্প্রতি গুগলের আই/ও সম্মেলন ও মাইক্রোসফট বিল্ডের উপস্থাপনায় অনেক এআই পণ্য বা সেবা চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়। এআই নিয়ে কাজ করা এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান চিপ সরবরাহকারক হিসেবে রয়েছে এনভিডিয়া।
২০২৩ সালের এনভিডিয়ার কম্পিউটেক্স ফোরামের আয়োজনজুড়েই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বিভিন্ন ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে রয়েছে গেমিংয়ের জন্য অ্যাভাটার ক্লাউড ইঞ্জিন ব্যবহার ও এআইয়ের জন্য নতুন সুপার কম্পিউটার নির্মাণ ইত্যাদি।
গতকাল মঙ্গলবার (৩০ মে) প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ৪০০ মার্কিন ডলারের বেশি হয়ে বেচাকেনা শুরু হওয়ায় বাজারমূল্য ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে এনভিডিয়ার। এর আগে ২০১৮–১৯ সালে অ্যাপল ও মাইক্রোসফটের মতো বড় প্রতিষ্ঠান এ তালিকায় আসে। এ তালিকায় রয়েছে প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান অ্যামাজন ও গুগল। তবে মেটা এ তালিকায় থাকলেও এখন ছিটকে পড়েছে।
এনভিডিয়ার শেষ ত্রৈমাসিক আয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি ৩ মাসে ২০০ কোটি মার্কিন ডলার মুনাফা করেছে। এর আগে করোনা মহামারি শুরুর দিকে কম্পিউটার গেমিং ও ক্রিপটোকারেন্সি মাইনিংয়ের জন্য জিপিইউ (গ্রাফিকস প্রসেসিং ইউনিট)-এর ঘাটতি থাকার সময় এনভিডিয়ার ব্যবসায় প্রবৃদ্ধি হয়।
তবে ২০২২ সালে এ খাতের বাজারের প্রবৃদ্ধি মন্থর ছিল। সে সময় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেনসেন হুয়াং বলেছিলেন, তাঁরা অনেক গেমিং জিপিইউ তৈরি করেছেন এবং সেগুলো কম মূল্যে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন।
এরপর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত প্রতিবেদন ছিল আশাব্যঞ্জক। জেনসেন হুয়াং তখন এনভিডিয়ার ডেটা সেন্টারের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনে ডেটা সেন্টার থেকে প্রাপ্ত রাজস্বে নতুন রেকর্ড দেখা গেছে।
সূত্র: দি ভার্জ
source : প্রথম আলো
গাড়িতে কেন আগুন লাগে, করণীয় কী
***********************************************************************
সম্প্রতি রাজধানীতে কয়েকটি গাড়িতে আগুন লাগার খবর পাওয়া গেছে। চলন্ত অবস্থায় এই গাড়িগুলোতে হঠাৎ করে আগুন ধরে যায়। গাড়িতে আগুন লাগা চালক, যাত্রী, গাড়ির মালিক সবার জন্যই ভয়ংকর। এমন দুর্ঘটনা প্রাণঘাতীও হয়ে উঠতে পারে। হঠাৎ আগুন দেখে যে কেউ শঙ্কিত হতে পারেন। এতে দুর্ঘটনার মাত্রা আরও বেড়ে যায়। কী কী কারণে গাড়িতে আগুন লাগতে পারে এবং কীভাবে আগুন লাগা থেকে গাড়িকে রক্ষা করা যায়, তা নিয়ে এই প্রতিবেদন।
বৈদ্যুতিক গোলযোগ
একটি গাড়িতে প্রচুর পরিমাণ বৈদ্যুতিক তার ব্যবহার করা হয়। গাড়ির সিস্টেম ও সেন্সর পরিচালনার জন্য এই তারগুলো বিদ্যুৎ পরিবাহী হিসেবে কাজ করে। গাড়ির চালিকা শক্তি জ্বালানি থেকে সংগৃহীত হলেও বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশগুলো ব্যাটারি থেকে শক্তি নিয়ে থাকে। একটি ব্যাটারির ধনাত্মক (পজিটিভ) ও ঋণাত্মক (নেগেটিভ) দুটি টার্মিনাল থাকে। নেগেটিভ টার্মিনাল গাড়ির কাঠামো বা শরীরের সঙ্গে যুক্ত করে গ্রাউন্ড বা আর্থিং করা হয়। কোনো কারণে যদি ব্যাটারির পজিটিভ টার্মিনাল গাড়ির কাঠামোর সঙ্গে লেগে যায়, তবে বৈদ্যুতিক গোলযোগ বা শর্টসার্কিটের আশঙ্কা দেখা দেয়। এই শর্টসার্কিটের কারণে গাড়িতে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। এ থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটতে পারে। এ ছাড়া গাড়ির দরজার বৈদ্যুতিক নিয়ন্ত্রকগুলোতেও পজিটিভ এবং নেগেটিভ প্রান্ত থাকে। অদক্ষ টেকনিশিয়ান যদি এই বৈদ্যুতিক তারগুলো নিয়ে কাজ করেন এবং কাজ শেষে যদি ঠিকঠাক সংযোগ না দেন, তাতেও বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুন লাগতে পারে গাড়িতে।
ব্যাটারির আকার
প্রতিটি গাড়িতে কোন আকার–আকৃতির ব্যাটারি ব্যবহার করতে হবে, সেই নির্দেশনা দেওয়া থাকে। ব্যাটারি রাখার জন্য যে জায়গা থাকে, সেখানে ব্যাটারি সঠিকভাবে বসে যায়। অনেকেই গাড়ির বৈদ্যুতিক শক্তি বাড়াতে উচ্চ ক্ষমতার বড় আকারের ব্যাটারি ব্যবহার করেন। এতে পজিটিভ টার্মিনাল যদি কোনো কারণে গাড়ির বনেটের (গাড়ির সামনের অংশে ইঞ্জিনের ঢাকনা) সঙ্গে লেগে যায়, সে ক্ষেত্রে ব্যাটারিতে আগুন ধরে যেতে পারে।
ইঞ্জিন মাত্রাতিরিক্ত গরম
অনেকক্ষণ ধরে টানা গাড়ি চালানো হলে অথবা অতিরিক্ত গতি তুলতে থ্রটল বা অ্যাকসিলারেটরে বেশি চাপ প্রয়োগ করা হলে ইঞ্জিন মাত্রাতিরিক্ত গরম (ওভারহিট) হয়। গাড়ি যদি ঠিকমতো তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, সে ক্ষেত্রেও গাড়িতে আগুন লাগার আশঙ্কা ব্যাপক। অতিরিক্ত গরম, নিম্ন তাপমাত্রায় শীতাতপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের ব্যবহার অথবা গাড়ির চার্জিং প্যানেলগুলোতে নির্গত ভোল্টেজেরে চেয়ে বেশি বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবহার করা হলেও ইঞ্জিন ওভারহিট হতে পারে। অতিরিক্ত গরমের কারণে সরাসরি ইঞ্জিনে আগুন লেগে যাবে, ব্যাপারটা এমন নয়। তবে ইঞ্জিন ওভারহিট হলে ইঞ্জিন অয়েল, ট্রান্সমিশন ফ্লুইড লিক করে ইঞ্জিনের আশপাশে থাকা কোনো প্লাস্টিকের সংস্পর্শে এলে আগুন ধরার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া ইঞ্জিনের ‘হেড গ্যাসকেট’ ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ ওভারহিটের কারণে নষ্ট হতে পারে।
কুলিং ফ্যান অপরিষ্কার রাখা
ইঞ্জিনকে ঠান্ডা রাখার জন্য গাড়ির রেডিয়েটরে কুলিং ফ্যান ব্যবহৃত হয়। রাস্তায় ধুলাবালুর সংস্পর্শে সেই ফ্যানে ধুলার আস্তর পড়ে যায়। ধুলাবালুর কারণে ফ্যান যদি ঠিকমতো কাজ না করে, তাহলেও ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হতে পারে। এই ফ্যান নষ্ট হলে বাজার থেকে সস্তা নিম্নমানের কুলিং ফ্যান গাড়িতে ব্যবহার করা হলেও বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
সিএনজি বা এলপিজির লিকেজ
বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক গাড়িগুলোতেও জ্বালানি হিসেবে সিএনজি বা এলপিজি ব্যবহৃত হয়। শুধু তেলে চলা গাড়িগুলোতে দুর্ঘটনা ছাড়া জ্বালানি থেকে আগুন ধরার আশঙ্কা নেই বললেই চলে। তবে বিকল্প জ্বালানিতে গাড়ি রূপান্তর করা হলে পেছনের বুট স্পেসে (ডিকি) সিএনজি বা এলপিজির সিলিন্ডার থাকে। সিলিন্ডার থেকে গাড়ির তলা দিয়ে পাইপের মাধ্যমে সিএনজি/এলপিজি ইঞ্জিনে প্রবেশ করে। কোনো কারণে এই লাইনে লিকেজ বা ফুটো হলে রাস্তায় চলাচলের সময় কোনো পাথরের টুকরা বা ঘর্ষণে সক্ষম এমন কোনো বস্তুর সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটলে আগুনের সূত্রপাত ঘটতে পারে। এ ছাড়া সিলিন্ডারে লিকেজ থাকলেও আগুন লাগার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
প্রতিকার
মূল্যবান গাড়ি আগুনের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের উল্লিখিত নিয়ম পরিপূর্ণভাবে মেনে চলার চেষ্টা করতে হবে। আসল যন্ত্রাংশ, ইঞ্জিন অয়েল, ইঞ্জিন ও এসি ফিল্টার ব্যবহারের পাশাপাশি হেডলাইট পরিবর্তনেও নির্দিষ্ট ওয়াটের বেশি ক্ষমতার বাতি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। ইঞ্জিন ওভারহিট হলে গাড়ির ড্যাশবোর্ডে সংকেত দেখায়। তাই এমন সংকেত চোখে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে গাড়িকে নিরাপদ স্থানে রেখে শীতল হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
গাড়িতে ক্যামেরা, মিডিয়া প্লেয়ার থেকে শুরু করে বৈদ্যুতিক যন্ত্র যুক্ত করার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ানের শরণাপন্ন হতে হবে। কাজ শেষে বৈদ্যুতিক তারগুলো ঠিকমতো যুক্ত করা হয়েছে কি না, তা–ও জেনে নেওয়া উচিত। সাধারণ পানির বদলে ইঞ্জিনকে শীতল রাখার জন্য গাড়ির প্রস্তুতকারক নির্দেশিত ‘কুলেন্ট’ ব্যবহার করলে গাড়ির ওভারহিট সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে। গাড়িতে সিএনজি অথবা এলপিজির গন্ধ পাওয়া গেলে দ্রুত সার্ভিস সেন্টারে যোগাযোগ করা উচিত। এ ছাড়া নির্দিষ্ট সময় পরপর সিএনজির সিলিন্ডার এবং পুরো সিস্টেম পুনর্নিরীক্ষণ করাতে হবে।
সর্বোপরি নিরাপত্তার স্বার্থে গাড়িতে অগ্নিনির্বাপণযন্ত্র বা ফায়ার এক্সটিংগুইশার রাখা যেতে পারে। এতে হঠাৎ আগুন লাগার মতো সমস্যা হলে তৎক্ষণাৎ নেভানোর প্রচেষ্টা সহজ হবে।
source : প্রথম আলো
ক্লাউড প্রযুক্তি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের ধারায় আমূল পরিবর্তন এনেছে
***********************************************************************
‘ক্লাউড কম্পিউটিং’ সম্ভাবনাকে এগিয়ে নিতে অনুষ্ঠিত হলো হুয়াওয়ে ক্লাউড এসএপি সম্মেলেন। গতকাল মঙ্গলবার হুয়াওয়ে ঢাকার বাংলাদেশ একাডেমিতে ‘হুয়াওয়ে ক্লাউড এসএপি ২০২৩ সামিট’ ফিউশন ইনফোটেকের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজন করে হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়া। ক্লাউড প্রযুক্তির সক্ষমতা ও এর সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বাংলাদেশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর করণীয় সম্পর্কে বলা হয় এই সম্মেলনে।
প্রায় ১০০ ব্যবসায়ী, বিশেষজ্ঞ, ক্লাউড পেশাজীবী ও গ্রাহক প্রতিনিধি এ সম্মেলনে অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীরা ক্লাউড প্রযুক্তির শক্তি এবং এ–সংক্রান্ত উদ্ভাবন দেখার সুযোগ পান।
সম্মেলন সঞ্চালনা করেন হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার ক্লাউড বিভাগের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার মো. শাজাহান আহমেদ। সম্মেলনটি তিনটি অংশে ভাগ ছিল। মূল অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার ক্লাউড বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যালেক্স লি ও ফিউশন ইনফোটেক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিশান আহমেদ মূল বক্তব্য দেন। তাঁরা প্রযুক্তিগত রূপান্তর, বর্তমান পরিস্থিতি ও ক্লাউড ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবসা সম্প্রসারণে করণীয় সম্পর্কে আলোকপাত করেন। ফিউশন ইনফোটেকের এসএপি ডেলিভারি–প্রধান রাজীব ইমরান হুয়াওয়ে ক্লাউড এসএপির ব্যবহারিক দিক বর্ণনা করেন এবং কীভাবে এসএপি ব্যবহারকারী গ্রাহকেরা এই ক্লাউড পরিষেবার মাধ্যমে তাঁদের সক্ষমতা বাড়াতে এবং সর্বোচ্চ অপ্টিমাইজেশন নিশ্চিত করতে পারবেন, তা ব্যাখ্যা করেন।
হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যালেক্স লি বলেন, ‘হুয়াওয়ে ক্লাউড প্রযুক্তির সম্ভাবনা উন্মোচনে এবং ক্লাউডের মাধ্যমে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে। ক্লাউড প্রযুক্তি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ করার ধরনে আমূল পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্লাউড দিয়ে আরও শক্তিশালী ডেটা সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং বিনিয়োগের ওপর লাভ বাড়াতে সাহায্য করা, আমরা আমাদের দায়িত্ব মনে করি।’
source : প্রথম আলো