Broke During Tax Season? Try This Tax Preparation Fix
Most refunds arrive in less than 21 days when e-filed with direct deposit, according to the IRS. So, panic can pause. Yet money still feels tight.
TaxLiance Group LLC : https://www.google.com/maps?ci....d=375848052646938783
Learn more :
https://connect.usama.dev/blog....s/66608/Broke-During
পৃথিবীতে আপনার বয়স কত মিনিট ??
সূরা আল-হাজ্জ (২২:৪৭) আয়াতে বলা হয়েছে,
অবিশ্বাসীরা শাস্তি ত্বরান্বিত করতে চায়, কিন্তু আল্লাহ তাঁর ওয়াদা ভঙ্গ করেন না।
আল্লাহর কাছে ০১ দিন মানুষের গণনার ১০০০ বছরের সমতুল্য।
এখন চলুন হিসাবে করি , আল্লাহর হিসাবে আমরা কতক্ষণ পৃথিবীতে আছি ??
মানুষের বয়স আল্লাহর কাছে সেই সময়ের পরিমাণ
১০ বছর প্রায় ১৪ মিনিট
১৪ বছর প্রায় ২০ মিনিট
১৮ বছর প্রায় ২৬ মিনিট
২০ বছর প্রায় ২৯ মিনিট
৩০ বছর প্রায় ৪৩ মিনিট
৪০ বছর প্রায় ৫৮ মিনিট
৫০ বছর প্রায় ১ ঘণ্টা ১২ মিনিট
৬০ বছর প্রায় ১ ঘণ্টা ২৬ মিনিট
৭০ বছর প্রায় ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট
৮০ বছর প্রায় ১ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট
৯০ বছর প্রায় ২ ঘণ্টা ৯ মিনিট
১০০ বছর প্রায় ২ ঘণ্টা ২৪ মিনিট
ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের এক প্রতিদিনকার বিষয় এখন মানুষের নজর কাড়ছে। কালার এলাকায় বসবাস করেন ৬৯ বছর বয়সী ইহসান মুহসিন। প্রচণ্ড গরমের প্রতিটি দিনে তার রুটিন প্রায় একই থাকে।
ভোরে তিনি ঘর থেকে বের হন। হাতে থাকে পানিভরা প্লাস্টিকের বোতল। সন্ধ্যায় আবার বের হন একইভাবে। ধীরে ধীরে হেঁটে তিনি পাড়ি দেন শুষ্ক, ফাঁকা প্রান্তর। পথে পথে থামেন প্রায় ১৭টি পানি রাখার জায়গায়, যেগুলো তিনি নিজেই তৈরি করেছেন পাখি ও বন্য প্রাণীদের জন্য।
প্রায় দুই বছর ধরে, গ্রীষ্ম এলেই তিনি এই কাজ করেন। এই সময় বৃষ্টি প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। নদী ও কূপের পানি নেমে যায়। মরুভূমির জীবন আরও কঠিন হয়ে ওঠে।
তার এই নিয়মিত চেষ্টার কারণে ঘুঘু, চড়ুই, খরগোশসহ নানা প্রাণী এখন এসব পানির জায়গা চিনে ফেলেছে। অনেক সময় তারা কাছেই বসে থাকে। যেন জানে, ইহসান আসবেন। সঙ্গে আনবেন ঠান্ডা পানি।
এই কাজের পেছনে কোনো দাতব্য সংস্থা নেই। নেই কোনো দল। নেই ক্যামেরা বা প্রচার। তিনি শুধু ঘরে বোতল ভরেন, রোদে হাঁটেন, আর দূরে দাঁড়িয়ে থাকেন। প্রাণীরা এসে পানি পান করে।
ইহসান বলেন, তিনি প্রতিদিনই বের হন। গরম যতই হোক। শরীর যতই ক্লান্ত থাকুক।
হানাহানি আর অমানুষে ভরপুর এই পৃথিবীতে ইহসানের মতো মানুষদের এমন কাজগুলোই যেন মনুষ্যত্বের প্রতি, মানবজাতির প্রতি বিশ্বাস টিকিয়ে রাখে।
২০১৩ সালে, “ফ্লেশ-ইটিং ব্যাকটেরিয়া” নামে পরিচিত এক বিরল ও প্রাণঘাতী সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে অ্যালেক্স লুইসের জীবন চিরতরে বদলে যায়। শুরুতে সাধারণ ফ্লু-এর মতো হালকা উপসর্গ দেখা দিলেও খুব দ্রুত তা সেপটিক শকে রূপ নেয়, যা তাকে মৃত্যুর একেবারে কিনারায় নিয়ে যায়।
চিকিৎসকেরা তাকে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ৩%-এরও কম বলে জানিয়েছিলেন।
তার প্রাণ বাঁচাতে সার্জনদের বাধ্য হয়ে তার চারটি হাত-পা কেটে ফেলতে হয় এবং ঠোঁটও অপসারণ করতে হয়। সব প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়ে অ্যালেক্স বেঁচে যান — একের পর এক পুনর্গঠনমূলক অস্ত্রোপচার এবং অত্যন্ত কঠিন ও যন্ত্রণাদায়ক পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় তাকে।
আজ, অ্যালেক্স লুইস নতুন করে নিজের জীবন গড়ে তুলেছেন। তিনি একজন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার ও মোটিভেশনাল স্পিকার হিসেবে কাজ করছেন, আর নিজের জীবনের গল্প ব্যবহার করে দৃঢ়তা, কৃতজ্ঞতা এবং মানসিক শক্তি নিয়ে শক্তিশালী বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন।
তার এই যাত্রা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—
জীবন যখন সবকিছু কেড়ে নেয়,
তখনও মানুষের আত্মা আবার জেগে উঠতে পারে—আগের চেয়েও আরও শক্তিশালী হয়ে। 💙🫡
ভাঙা গাড়ির উপর যে এক জোড়া জুতা দেখতেছেন এটা ২০ বছরের নাজমিন আক্তারের। স্বামী এবং শশুড় বাড়ি থেকে মুক্তি পেতে নিজেকে বিসর্জন দিলেন৷
সব কিছুর শুরু জোর করে গর্ভপাত থেকে। সাত মাসের গর্ভে সন্তান থাকা অবস্থায় স্বামী রায়হান ও, স্বামীর পরিবার মিলে জো%রপূর্বক গ%র্ভপা%ত করায় নাজমিনকে৷
সাত মাসের সন্তান কিন্তু অনেকটাই বড়৷ এরপর শরীর দুর্বল হওয়া শুরু হয় নাজমিনের। কিডনি, হার্টসহ নানা সমস্যা দেখা দেয় তার শরীরে। এসবের চিকিৎসার খরচ দিতে হইছে দিনমজুর বাবারে। কিন্তু স্বামী রায়হান এক টাকাও দেয়নাই। উলটা মারধর, অবহেলা, মানসিক যন্ত্রণা দিয়ে মেয়েটাকে হতাশার দিকে ঠেলে দিছে।
আজকে বাপ-মারে পানির জন্য নিচে পাঠায়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অষ্টম তলা থেকে *** দিয়ে নিজেকে বিদায় করলেন৷
নাজমিনের চার বছরের ও একটা ছেলে আছে নাম জুবায়ের৷ এখন মা ছাড়াই বড় হবে অসহায় ছেলেটা।
একজন নারীর বিয়ের পর তার সব আয়োজন থাকে স্বামী সন্তানকে নিয়ে৷ সেখানেই যদি শান্তি না পায় তাহলে তারা যাবে কোথায়! 🙂
এই নারী একজন স্কুলের শিক্ষিকা হয়েও স্বামীর অজান্তে একাধিক পুরুষের সাথে প*রকী^য়ায় জড়িয়েছিল। স্বামী বাইরে কাজে গেলে সে একাধিক রাত অন্য পুরুষদের সাথে কাটিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি সে সময় নিজের কোলের বাচ্চাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বাইরে যেত বলেও ভিডিওতে বলা হচ্ছে।
ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্বামী তাকে এসব বিষয়ে প্রশ্ন করছে আর নারী নিজেই সবকিছু স্বীকার করছে। সে বিয়ের আগেও অনেক পুরুষের সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়েছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। বিয়ের পরেও নাকি থামেনি। নিজের স্কুলের আরেকজন শিক্ষকের সাথেও একান্ত সময় কাটানোর কথা সে স্বামীর কাছে স্বীকার করেছে।
ভিডিওতে এক পর্যায়ে সে বাচ্চাকে নিয়ে কসম খেতে চাইছিল যে মাত্র ৬ জন পুরুষের সাথেই এমন সম্পর্ক ছিল, আর কারো সাথে না। তখন স্বামী তাকে স্পষ্টভাবে বলে দেয়, সে যেন বাচ্চাকে নিয়ে কসম না খায়।
এই ভিডিওটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। প্রশ্ন থেকেই যায় এমন দায়িত্বশীল পেশায় থেকেও কীভাবে কেউ এতটা দায়িত্বহীন হতে পারে, আর আমরা আসলে কোন সমাজে বাস করছি। আহা কি অপকটে সব স্বীকার করছে! আবার বলে কেউ চাইলে না করতে পারিনা।