তিনি ৩৮২ দিন কোনো কঠিন খাবার ছাড়াই কাটিয়েছিলেন… আর ডাক্তাররা প্রতিটি ধাপ নজরদারিতে রেখেছিলেন। ⏳🩺
১৯৬৫ সালে, স্কটল্যান্ডের ২৭ বছর বয়সী অ্যাঙ্গাস বারবিয়েরির ওজন ছিল ৪৫৬ পাউন্ড ⚖️। ডান্ডির মেরিফিল্ড হাসপাতালে কঠোর চিকিৎসা তত্ত্বাবধানে তিনি এমন একটি উপবাস শুরু করেন, যা পরবর্তীতে আধুনিক ইতিহাসে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নথিভুক্ত সবচেয়ে দীর্ঘ উপবাসে পরিণত হয়।
৩৮২ দিন ধরে তিনি কোনো কঠিন খাবার গ্রহণ করেননি। 🚫🍽️
তার খাদ্যতালিকায় ছিল শুধুমাত্র পানি, চা, চিনি ছাড়া কফি, ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট, পটাশিয়াম ও সোডিয়ামের মতো ইলেকট্রোলাইট, এবং পুষ্টির জন্য অল্প পরিমাণ ইস্ট 💧☕💊। পুরো সময় জুড়ে ডাক্তাররা তার স্বাস্থ্যের উপর নিবিড় নজর রাখেন।
শরীরের শক্তির জন্য তিনি মূলত জমে থাকা চর্বির উপর নির্ভর করেছিলেন 🔥। মাসের পর মাস কেটে যাওয়ার সাথে সাথে এবং খাদ্য গ্রহণ খুবই সীমিত থাকায় তার বিপাকক্রিয়া (মেটাবলিজম) মানিয়ে নেয়। স্বাভাবিক শারীরিক কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে ধীর হয়ে যায়। ১৯৬৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে তার ওজন নেমে আসে ১৮০ পাউন্ডে—মোট ২৭৬ পাউন্ড ওজন কমে যায় 📉।
এই ঘটনাটি পরে ১৯৭৩ সালের একটি মেডিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত হয় এবং গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে সবচেয়ে দীর্ঘ উপবাস হিসেবে স্বীকৃতি পায় 🏆।
গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট এখানে খুবই জরুরি ⚠️। এটি সম্পূর্ণ সময় হাসপাতালের নিয়মিত তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়েছিল এবং আজকের দিনে এটিকে কোনো মানক বা সুপারিশকৃত চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করা হয় না।
তার গল্প এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করে 🤔: চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে উপবাস আর বিপজ্জনক অনাহারের মাঝের সীমারেখা কোথায়?