Day had broken cold and grey, exceedingly cold and grey, when the man turned aside from the main Yukon trail and climbed the high earth- bank, where a dim and little-travelled trail led eastward through the fat spruce timberland. It was a steep bank, and he paused for breath at the top, excusing the act to himself by looking at his watch. It was nine o’clock.
read more ...
https://www.anuperona.com/to-b....uild-a-fire-by-jack-
‘১০০ কোটি ডলারে বিক্রি হচ্ছে অ্যাংরি বার্ডস
***********************************************************************
ফিনিশ মোবাইল গেম অ্যাংরি বার্ডসের মূল প্রতিষ্ঠান রোভিও এন্টারটেইনমেন্টকে ১০০ কোটি (১ বিলিয়ন) ডলারে কিনতে যাচ্ছে সেগা। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী মাসের মধ্যেই অ্যাংরি বার্ডসের মূল প্রতিষ্ঠানকে কেনার এ চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে।
অ্যাংরি বার্ডস মোবাইল গেম ২০০৯ সালে প্রথম নিয়ে আসা হয়। বিশ্বজুড়েই তখন তুমুল জনপ্রিয়তা পায় এ গেম। কিন্তু ২০১৪ সালের দিকে জনপ্রিয়তা কমতে থাকে গেমটির। এমনকি সে সময় কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনাও ঘটে। জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার পরেও গেমটি ১০০ কোটি ডলারে কিনতে যাচ্ছে সেগা স্যামি হোল্ডিংস। তাই এ নিয়ে অনেকে বিস্ময়ও প্রকাশ করেছেন।
২০১৬ সালে অ্যাংরি বার্ডস জনপ্রিয়তা ফিরে পেতে নতুন পদক্ষেপও নয়। সে বছর ভিডিও গেমভিত্তিক সিনেমা দ্য অ্যাংরি বার্ডস নিয়ে আসে প্রতিষ্ঠানটি। অ্যানিমেটেড এ সিনেমা সফলও হয়। এখন পর্যন্ত ভিডিও গেম সিনেমা ক্যাটাগরিতে বক্স অফিসে সর্বোচ্চ আয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে সিনেমাটি। ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটির সিক্যুয়েল দ্য অ্যাংরি বার্ডস মুভি ২ অবশ্য তেমন সফল হয়নি। সে সময় অ্যাংরি বার্ডসের প্রতিদ্বন্দ্বী গেম ক্যান্ডি ক্রাশের জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে।
এদিকে সম্প্রতি গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাংরি বার্ডস মোবাইল গেমটি সরিয়ে নিয়েছে রোভিও। তবে আইফোনে গেমটির নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে রেড’স ফার্স্ট ফ্লাইট। এর আগে ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান প্লেটিকা রোভিও এন্টারটেইনমেন্টকে ৮০ কোটি ডলারে কিনবে বলে একটি চুক্তি করেছিল বলে শোনা গেলেও তা আর সফল হয়নি।
অ্যাংরি বার্ডস মোবাইল গেমটি প্রথম কোনো গেম, যা ১০০ কোটি বার নামানো (ডাউনলোড) হয়েছে। এ ছাড়া রোভিওর দাবি, গত বছর প্রতিষ্ঠানটির সব গেম মিলে ডাউনলোডের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০০ কোটি।
সূত্র: দি ভার্জ
Source: প্রথম আলো
‘সাড়ে ৫২ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ পেয়েছে দেশি স্টার্টআপ ‘যাত্রী’
***********************************************************************
গণপরিবহন খাতের মানোন্নয়নে কাজ করার জন্য প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনী উদ্যোগ (স্টার্টআপ) ‘যাত্রী’ এ পর্যন্ত সাড়ে ৫২ লাখ মার্কিন ডলার বিদেশি বিনিয়োগ পেয়েছে। সম্প্রতি সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এসবিকে টেকের নেতৃত্বে আলসা, জেনটিং ভেঞ্চারস, ডিভিসি, দোহা টেক অ্যাঞ্জেলস যাত্রীতে বিনিয়োগ করেছে। এ ছাড়াও বর্তমান বিনিয়োগকারীদের মধ্যে রিফ্লেক্ট ভেঞ্চারস, ব্রেন টু ফ্রি ভেঞ্চারস, টকামসেফ ক্যাপিটাল ও সবর ক্যাপিটাল এই রাউন্ডে বিনিয়োগ করেছে। গতকাল শনিবার যাত্রীর প্রধান নির্বাহী আজিজ আরমান মুঠোফোনে প্রথম আলোকে এসব তথ্য জানান।
আজিজ আরমান প্রথম আলোকে বলেন, বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে যাত্রী সাড়ে ৫২ লাখ ডলারের বেশি বিনিয়োগ পেয়েছে, যার ধারাবাহিকতায় যাত্রী দেশের সব জেলা শহর ও শহরতলীতে কার্যক্রম বাড়াবে। পাশাপাশি পরিবহন প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহক পর্যায়ে কার্যক্রম বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের গণপরিবহন খাত খুব একটা সুশৃঙ্খল, প্রযুক্তিবান্ধব ও উন্নত নয়। বেশির ভাগ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের বাহন হলো বাস। বাসে অতিরিক্তি ভিড় ও অনিয়ন্ত্রিত ভাড়া নিয়ে যাতায়াতকারীদের যেমন ভোগান্তি রয়েছে, অন্যদিকে বাস মালিক ও অপারেটররা ভাড়া গ্রহণ ও বাস পরিচালনায় তার কর্মীদের অসহযোগিতা ও অসদাচরণের কারণে ভোগান্তিতে পড়ছে। এসব ভোগান্তি নিরসন ও এই খাতকে প্রযুক্তিবান্ধব করে তোলার লক্ষ্যেই কাজ করছে যাত্রী।
যাত্রীর কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে বাস মালিক ও অপারেটরদের একটি নেটওয়ার্কের আওতায় এনে প্রতিটি বাসকে এর সঙ্গে যুক্ত করে প্রতিদিনের যাবতীয় কাজের তথ্য আদান-প্রদান করা হয়। পাশাপাশি নিশ্চিত করা হচ্ছে নিরবচ্ছিন্ন বাস পরিচালনা করা, যার ফলে যাত্রীরাও সঠিক ভাড়ায় ঝামেলা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারছেন। যাত্রী এখন গণপরিবহনে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে, যার মাধ্যমে প্রচলিত নগদ লেনদেন ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে সম্পূর্ণ ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা নিয়ে আসা সম্ভব হবে।
যাত্রীতে প্রধান বিনিয়োগকারী এসবিকে টেকের ব্যবস্থাপনা অংশীদার সোনিয়া বশির কবির প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা যাত্রী’র মতো স্টার্টআপে বিনিয়োগ করতে সব সময়ই আগ্রহী, যারা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে কাজ করে। গণপরিবহন একটি বিশাল অর্থনৈতিক সম্ভাবনার খাত, যার বাজারমূল্য কয়েক হাজার কোটি টাকার বেশি। এই খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে এলে, তা সমগ্র বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। যাত্রীর এ ধরনের কার্যক্রম সাধারণ মানুষের গণপরিবহন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যা অনায়াসেই সমাধান করতে পারবে বলে বিশ্বাস করি।’
সম্প্রতি ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ঢাকা শহরে ৫ হাজার ৬৫০টি বাসে ই-টিকেটিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যাত্রীকে অংশীদার করেছে। ফলে যেসব বাস অপারেটর এই পরিষেবার আওতায় নেই, তারাও এটি নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে যাত্রী সূত্রে জানা যায়। বাস পরিচালনার প্রতিদিনের কার্যক্রমের হিসাব রাখার যে প্রচলিত ব্যবস্থা তার বদলে যাত্রীর দেওয়া নতুন ব্যবস্থাপনায় এ বাসপ্রতি দৈনিক ১৫ থেকে ২০ শতাংশ টিকিট বিক্রি বেড়েছে। পাশাপাশি বাস পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের কাজের তদারকি বেড়েছে। যাত্রীর মাধ্যমে পুরো দেশে এরই মধ্যে ১০ কোটির বেশি টিকিট বিক্রি হয়েছে।
যাত্রীর এই লক্ষ্য ও কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে আজিজ আরমানের সঙ্গে সহপ্রতিষ্ঠাতা হিসেবে রয়েছেন জিয়া উদ্দিন ও খন্দকার তাসওয়ার জাহিন।
Source: প্রথম আলো
‘চলতি পথে গাড়ির চাকা ফেঁসে গেলে যা করবেন
***********************************************************************
চলতি পথে গাড়ি থেমে যাওয়ার কারণগুলোর মধ্যে চাকা ফেঁসে যাওয়া বা পাংচার হওয়া অন্যতম। পাংচার হলে গাড়ি বা মোটরসাইকেলের হাওয়া বের হয়ে যায়। তখন চাকা আর স্বাভাবিকভাবে ঘুরতে পারে না। মহাসড়কে উচ্চগতিতে গাড়ি চালানোর সময় হঠাৎ পাংচার বা চাকা ফেটে যাওয়া যেকোনো বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই জেনে নিই চাকা পাংচার হলে করণীয় কী?
গতি নিয়ন্ত্রণ করা
চলন্ত গাড়ি বা মোটরসাইকেলের যেকোনো চাকা পাংচার হলে চালককে প্রথমেই গাড়ির গতি কমাতে হবে। পাংচার হয়েছে বোঝার সঙ্গে সঙ্গে ইমার্জেন্সি লাইট জ্বালিয়ে দিন। এবার থ্রটল ছেড়ে দিয়ে স্টিয়ারিং শক্ত করে ধরে ব্রেকে আস্তে আস্তে চাপ দিয়ে গতি কমানোর চেষ্টা করুন। গতি নিয়ন্ত্রণে এলে গাড়ি বা মোটরসাইকেলটিকে রাস্তার পাশে দাঁড় করাতে হবে।
পাংচার কিট ব্যবহার করা
নতুন মডেলের গাড়িগুলোতে অতিরিক্ত চাকার বদলে পাংচার কিট বা ইনস্ট্যান্ট জেল থাকে। যদি আপনার গাড়িতে এই ধরনের সুবিধা থাকে, তবে খুব সহজেই আপনি চাকার পাংচার বা লিক হওয়া আটকে দিয়ে ১০০ থেকে ২০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারবেন। কিট বক্সে জেলের পাশাপাশি চাকায় হাওয়া দেওয়ার বৈদ্যুতিক যন্ত্রও থাকে। প্রথমে চাকার নজেলের ক্যাপটি খুলে জেলটি ঢেলে দিতে হবে। তারপর হাওয়া দেওয়ার যন্ত্রের সাহায্যে চাকায় হাওয়া দিয়ে হাওয়ার পরিমাপ জেনে নিতে হবে। এই যন্ত্রে চাকার বাতাসের পরিমাণ কত, তার নির্দেশক থাকে। পরে নিরাপদ স্থানে পৌঁছানোর পর গাড়ির চাকার পাংচার স্থায়ীভাবে সারিয়ে নিতে হবে।
যদি পাংচার কিট না থাকে, তবে জাগের সাহায্যে যে পাশের চাকা পাংচার হয়েছে, সে পাশ উঁচু করতে হবে। জাগটি চালকের পাশে প্রথম যাত্রীর আসনের নিচে অথবা পেছনে বুট স্পেসের মেঝের নিচে থাকে। এ ছাড়া গাড়ির মেঝের নিচের খোপে টুলবক্স থাকে। টুলবক্সে চাকা খোলার সহায়ক যন্ত্র পাওয়া যাবে। এ পদ্ধতিতে চাকা খোলা কষ্টসাধ্য। তা ছাড়া গাড়িতে অতিরিক্ত চাকাও থাকতে হবে। চাকার স্ক্রুগুলো খুলে চাকাটি বের করে নিয়ে নতুন চাকা যুক্ত করে স্ক্রুগুলো শক্ত করে এঁটে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে ইউটিউব থেকে ভিডিও দেখেও ঝটপট শিখে নিতে পারেন ঝটপট চাকা বদলানোর কৌশল।
রাস্তার পাশে থাকে ‘হাওয়া’ দোকান
মহাসড়কগুলোতে চলাচলের সময় রাস্তার পাশে হলুদ বা লাল রঙের ট্যাংক দেখা যায়। ছোটখাটো এসব দোকানে চাকায় হাওয়া দিতে অথবা পাংচার সারানোর কাজ করানো যায়। পাশাপাশি এয়ার ফিল্টার বা এসি ফিল্টারেও হাওয়া দিয়ে পরিষ্কার করার সুযোগ রয়েছে।
জেনে নিন চাকার পুরুত্ব
চাকা যত পুরোনো হয় আর বেশি দূরত্বে পাড়ি দেয়, তত চাকার ক্ষয় বেশি হয়। তাই যাত্রা শুরু করার আগে একটি দেশলাইয়ের কাঠি দিয়ে টায়ারের মাঝখানের খাঁজকাটা অংশে ধরুন। যদি দেশলাইয়ের কাঠির ওপরের অংশ পুরোপুরি টায়ারের খাঁজকাটা অংশে ঢুকে যায়, তাহলে টায়ারের অবস্থা ভালো আছে। যদি কাঠির ওপরের অংশ টায়ারের সমান থাকে, তাহলে নিরাপদ চালানোর জন্য আপনার টায়ারটি বদলানো জরুরি। সাধারণত একটি টায়ারের মেয়াদ চার থেকে ছয় বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে যা টায়ারের গায়ে উল্লেখ থাকে। তাই চাকার তথ্যগুলো জেনে নেওয়া জরুরি। চাকার গায়ে উৎপাদনের তারিখ স্পষ্ট অক্ষরে লেখা থাকে। সাধারণত ২০২০ বা ২২২১ এভাবে করে উল্লেখ করা থাকে। এখানে প্রথম দুটি সংখ্যা উৎপাদনের বছরের সপ্তাহ এবং পরের দুটি সংখ্যা উৎপাদনের বছরকে নির্দেশ করে।
ব্যবহার করুন টায়ার সিলেন্ট
ছোটখাটো পাংচারেও যাত্রাপথকে নিরাপদ রাখতে টায়ারে সিলেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। সিলেন্ট ব্যবহারের ফলে তৎক্ষণাৎ কোনো ছিদ্র হলেও হাওয়া অল্প বের হয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছিদ্রটি বন্ধ হয়ে যায়। চাকা প্রতি ভালো মানের সিলেন্ট ৪০০ থেকে ৮০০ টাকায় পাওয়া যায়। একবার চাকায় সিলেন্ট ভরে দুই বছর পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়।
টিপিএমএসে জানা যাবে চাকায় হাওয়ার পরিমাণ
টায়ার প্রেশার মনিটর সিস্টেম বা সংক্ষেপে টিপিএমএস হালনাগাদ মডেলের গাড়িগুলোতে থাকে। তবে যেকোনো গাড়িতেই এই সিস্টেম যুক্ত করা যায়। অতিরিক্ত এই যন্ত্রের চারটি ক্যাপ চারটি টায়ারের সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং একটি ডিসপ্লে গাড়ির ড্যাশবোর্ডে যুক্ত করা যায়। এতে প্রতিটি চাকায় কী পরিমাণ হাওয়া আছে সে সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা মেলে। এর দাম এক থেকে দুই হাজার টাকা।
রাখুন জরুরি ইনফ্লেটর
দুরের যাত্রাপথে গাড়িতে একটি ইনফ্লেটর বা ডিফ্লেটর যন্ত্র রাখা যেতে পারে। এতে যেকোনো প্রয়োজনে গাড়ির চাকায় হাওয়া দেওয়া যাবে। পাওয়ার ব্যাংকের মতো দেখতে এই ডিভাইস একটি কেব্লের সাহায্যে অল্প সময়ে টায়ারকে পূর্ণ হাওয়া দিতে বা হাওয়া বের করে দিতে পারে। ছোট এবং হালকা হওয়াতে সহজেই এটি বহন করা যায়। চাকায় কতটুকু হাওয়া প্রবেশ করল তা যন্ত্রের ডিসপ্লেতে প্রদর্শিত হয়। মডেল এবং এসি/ডিসি সুবিধা অনুসারে যন্ত্রটির মূল্য দুই থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।
রয়েছে অ্যাপভিত্তিক জরুরি সেবা
যদি সব উপায় ব্যর্থ হয়, সে ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক সেবা পাওয়ার জন্য রয়েছে অনলাইন অ্যাপ। ‘যান্ত্রিক’ অ্যাপে গাড়ির অবস্থান জানিয়ে দিয়ে পেতে পারেন শর্ত সাপেক্ষে ‘রোড সাইড অ্যাসিস্ট্যান্ট’ সেবা।
চাকার ওপরেই যেহেতু মোটরবাইক বা গাড়ি ভর করে এগিয়ে যায়, তা–ই স্বল্প বা দীর্ঘ যেকোনো দূরত্ব পাড়ি দিতে অবশ্যই চাকার বিষয়গুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। নিরাপদ যাত্রায় ঈদ হোক আনন্দের।
Source: প্রথম আলো
‘ইনস্টাগ্রামে সরাসরি অর্থ আয়ের সুযোগ চালু হচ্ছে আরও ৬ দেশে
***********************************************************************
গত ফেব্রুয়ারি মাসে কনটেন্ট নির্মাতাদের আয়ের সুযোগ দিতে গিফটস নামের মনেটাইজেশন সুবিধা চালু করেছে ইনস্টাগ্রাম। এ সুবিধা কাজে লাগিয়ে কনটেন্ট নির্মাতারা চাইলেই নিজেদের তৈরি বিশেষায়িত ভিডিও প্রদর্শনের বিনিময়ে অনুসরণকারীদের কাছ থেকে সরাসরি অর্থ সংগ্রহ করতে পারেন।
প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারীরা এ সুযোগ পেলেও শিগগিরই যুক্তরাজ্য,অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স, মেক্সিকো এবং নিউজিল্যান্ডে গিফটস–সুবিধা ব্যবহার করা যাবে বলে জানিয়েছে মেটার মালিকানাধীন ছবি ও ভিডিও বিনিময়ের সামাজিক মাধ্যমটি।
ইনস্টাগ্রামের ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করে নির্বাচিত কনটেন্ট নির্মাতারা গিফটস টুলটি ব্যবহার করতে পারেন। এরপর নিজেদের তৈরি বিশেষায়িত কনটেন্ট অর্থের বিনিময়ে দেখার সুযোগ চালু করতে হয়। ফলে অনুসরণকারীরা অর্থের বিনিময়ে পছন্দের কনটেন্ট নির্মাতাদের বিশেষায়িত কনটেন্ট দেখার সুযোগ পেয়ে থাকেন। অনুসরণকারীদের কাছ থেকে পাওয়া তারকাগুলো ভার্চ্যুয়াল মুদ্রায় রূপান্তরের সুযোগ থাকায় সরাসরি আয় করতে পারেন নির্মাতারা।
পছন্দের কনটেন্ট নির্মাতাদের অর্থ পাঠানোর জন্য ইনস্টাগ্রাম অ্যাপ থেকে ভার্চ্যুয়াল মুদ্রায় বিভিন্ন মূল্যমানের তারকা (স্টার) কিনতে হয়। শূন্য দশমিক ৯৯ ডলার থেকে ৫ দশমিক ৯৯ ডলারে কিনতে পাওয়া যায় তারকাগুলা। ফলে ব্যবহারকারীরা প্রয়োজনমতো তারকা উপহার দিয়ে পছন্দের নির্মাতাদের বিশেষায়িত কনটেন্ট দেখতে পারেন।
Source: প্রথম আলো
‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বিজ্ঞাপনের হিসাব দিতে বিটিআরসির নির্দেশ
***********************************************************************
টেলিকম খাতের বিভিন্ন অপারেটররা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব বিজ্ঞাপন দিয়েছে, তার বিস্তারিত হিসাব দিতে হবে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এসব হিসাব চেয়ে সংশ্লিষ্ট অপারেটদের চিঠি দিয়েছে।
গতকাল শনিবার ১৫ এপ্রিল বিটিআরসির উপপরিচালক মো. নাহিদুল হাসানের স্বাক্ষরে এ চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠি দেওয়া হয়েছে মুঠোফোন অপারেটর, আইএসপি অপারেটর, আইএসপিএবি, টিভ্যাস, অ্যামটব, এপিটু এসএমএস এগ্রিগেটর, ভেহিকল ট্র্যাকিংস সার্ভিস অপারেটর, ভিটিএসপিএবির মতো সংগঠন এবং প্রতিষ্ঠানকে।
বিটিআরসি তাদের নির্দেশনায় বলেছে, বাংলাদেশে প্রচলিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো—হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউব, ফেসবুক, ইমো ইত্যাদি প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল বিজ্ঞাপন প্রচারিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট অপারেটর প্রতিষ্ঠান থেকে এসব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ ইন্টারনেটভিত্তিক অন্য কোনো ডিজিটাল মাধ্যমে ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিজ্ঞাপনের হিসাব দিতে হবে। গত এক বছরের মাস ভিত্তিতে এ হিসাব আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে কমিশন বরাবর পাঠাতে বলা হয়েছে।
যেসব বিষয়ে তথ্য দিতে বলা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে মাসিক ভিত্তিতে ডিজিটাল বিজ্ঞাপন প্রচারের মাধ্যম, বিজ্ঞাপন প্রচারের বিবরণ/ধরন, বিজ্ঞাপনের অর্থের হার, অর্থ পরিশোধের মাধ্যমের বিবরণ, কোন মুদ্রায় পরিশোধ করা হয়েছে তার তথ্য, মোট প্রদানকৃত অর্থ এবং মন্তব্য।
অপারেটরদের থেকে বিজ্ঞাপনের হিসাব চাওয়ার বিষয়ে বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার প্রথম আলোকে বলেন, প্রশাসনিক কিছু কাজের জন্য এ তথ্য চাওয়া হচ্ছে। প্রযুক্তির সঙ্গে বিজ্ঞাপনের বিষয়গুলোও বিটিআরসি দেখতে চায়। কী পরিমাণ বিজ্ঞাপন দেওয়া হচ্ছে, সেটাও দেখা হবে। এর আগেও তারা অপারেটরদের কাছ থেকে এ ধরনের তথ্য চেয়েছেন বলে তিনি জানান।
Source: প্রথম আলো
‘বদলে গেছেন প্যারিস
***********************************************************************
মা হিসেবে সবকিছু দেখার দৃষ্টিভঙ্গিই এখন আমার আলাদা। আমি সন্তানের সুরক্ষার ব্যাপারে এতটাই চিন্তিত যে ও পৃথিবীতে আসার এক সপ্তাহ পরও খবরটি প্রকাশ করিনি’, মা হওয়ার পর জীবনের বদল নিয়ে এভাবেই বলছিলেন প্যারিস হিলটন। দারুণ শুরুর পর বারবার হোঁচট খেয়েছে তাঁর ক্যারিয়ার, ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রেও থিতু হতে পারেননি। তবে ২০২১-এ কার্টার রিউমকে বিয়ে আর চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রথমবার মা হওয়ার পর জীবনটা যে তিনি গুছিয়ে নিয়েছেন, তা বোঝা যায় ‘ই! নিউজ’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে। যেখানে মাতৃত্ব, অন্তঃসত্ত্বাকালীন অবস্থাসহ নানা বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি।
সাক্ষাৎকারে মা হওয়ার পর নিজের জীবনের বদল নিয়ে প্যারিস আরও বলেন, ‘ছোট্ট দেবদূত যেন আমার জীবনকে পরিপূর্ণতা দিয়েছে। এখন তাকে হাসতে দেখলে আমার হৃদয়টা ভরে ওঠে।’
অন্তঃসত্ত্বা থাকার সময়ই সন্তানের নাম ঠিক করে ফেলেছিলেন প্যারিস। তবে তিনি না বললেও এলেন ডিজেনারাস ঠিকই আন্দাজ করেছিলেন নাম। এ নিয়ে মজার এক ঘটনাও আছে। প্যারিস মা হওয়ার পর তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎকারের একটি ক্লিপ পোস্ট করেন এলেন।
যেখানে প্যারিসকে বলতে শোনা যায়, ‘সন্তানের নাম এখনই বলব না, যদি কেউ চুরি করে।’ এলেন বলেন, ‘আমার মনে হয় নামটা ফিনিক্স।’ তাঁর অনুমান সঠিক হওয়ায় মজা করে তিনি প্যারিসের উদ্দেশে বলেন, ‘আমিই প্যারিস হিলটনের সন্তানের নাম ঠিক করেছি। আমি কি জিতেছি? কোনো একটি হোটেল?’ কে না জানে প্যারিসদের হোটেল ব্যবসার কথা। এ প্রসঙ্গে ই! নিউজকে প্যারিস বলেন, ‘জানি না কীভাবে সে সঠিক নামটা বলতে পেরেছিল।’
প্যারিস ফ্রান্সের রাজধানী। ছেলের নাম রাখতে গিয়ে প্যারিস হিলটন বেছে নিয়েছেন অ্যারিজোনার ফিনিক্স শহরকে। এ প্রসঙ্গে নিজের পডকাস্ট ‘দিস ইজ প্যারিস’-এ তিনি জানান, বছরখানেক আগে তিনি ও তাঁর স্বামী মিলে ম্যাপ ধরে বিভিন্ন শহর, দেশ আর রাজ্যের নাম নিয়ে একরকম গবেষণা শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত পছন্দ হয় ফিনিক্স নামটি।
অনেক তারকা সন্তানের চেহারা প্রকাশ না করলেও প্যারিস হিলটন তা করেননি, বেশ কয়েকবার ফিনিক্সের ছবি পোস্ট করেছেন ইনস্টাগ্রামে।
Source: প্রথম আলো