Linkeei Linkeei
    #tructiepbongda #bongdatructuyen #xembongda #ai #seo
    Advanced Search
  • Login
  • Create a new account or Register

  • Night mode
  • © 2026 Linkeei
    About • Directory • Contact Us • Developers • Privacy Policy • Terms of Use • Refund • Linkeei App install

    Select Language

  • Arabic
  • Bengali
  • Chinese
  • Croatian
  • Danish
  • Dutch
  • English
  • Filipino
  • French
  • German
  • Hebrew
  • Hindi
  • Indonesian
  • Italian
  • Japanese
  • Korean
  • Persian
  • Portuguese
  • Russian
  • Spanish
  • Swedish
  • Turkish
  • Urdu
  • Vietnamese

Watch

Watch Reels Movies

Events

Browse Events My events

Blog

Browse articles

Market

Latest Products

Pages

My Pages Liked Pages

More

Forum Explore Popular Posts Games Jobs Offers
Reels Watch Events Market Blog My Pages See all

Discover posts

Posts

Users

Pages

Group

Blog

Market

Events

Games

Forum

Movies

Jobs

Ariyan Ahmed
Ariyan Ahmed
3 yrs

image
Like
Comment
Share
Ariyan Ahmed
Ariyan Ahmed
3 yrs

image
Like
Comment
Share
Ariyan Ahmed
Ariyan Ahmed
3 yrs

image
Like
Comment
Share
Ariyan Ahmed
Ariyan Ahmed
3 yrs

image
Like
Comment
Share
Ariyan Ahmed
Ariyan Ahmed
3 yrs

বৈয়ম পাখি

image
Like
Comment
Share
Ariyan Ahmed
Ariyan Ahmed
3 yrs

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

বয়স ৬৮, বাক্‌প্রতিবন্ধী, তবু ফ্রিল্যান্সিং করে সংসার চালান আবেদ সিরাজ
***********************************************************************
বয়োবৃদ্ধ আবেদ সিরাজ। বয়স ৬৮ বছর। ২২ মে রাজধানীর একটি তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দেখা হয় আবেদ সিরাজের সঙ্গে। কথা বলতে গিয়ে দেখা গেল তাঁর কথা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে না। জানা গেল তিনি বাক্‌প্রতিবন্ধী। সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে দেওয়া প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পরিচয়পত্রে লেখা আছে ‘বাক্‌প্রতিবন্ধী (মাঝারি)’।

তবে পক্ব কেশের আবেদ সিরাজের হাসিমাখা মুখে আত্মবিশ্বাসের ছোঁয়া। আর তা থাকবেই–বা না কেন? ৬৮ বছর বয়সেও তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। গ্রাফিক ডিজাইন ও ডিজিটাল বিপণনে কাজ করেন একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে। মাসে আয় হচ্ছে কমবেশি ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিংয়ের এই ক্ষেত্র, যেখানে তরুণদের অংশগ্রহণই বেশি, সেখানে আবেদ সিরাজ নিঃসন্দেহে এক ব্যতিক্রম।

বাক্‌প্রতিবন্ধী হিসেবে বেড়ে ওঠা
ছোটবেলা থেকে আবেদ সিরাজ বাক্‌প্রতিবন্ধী। পটুয়াখালীর বাউফলে বাড়ি। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পরিবারের সঙ্গে পালিয়ে আসেন ঢাকায়। ধানমন্ডিতে আশ্রয় নেন নানার বাসায়। পড়াশোনা ও বেড়ে ওঠা ঢাকাতেই। পড়াশোনায় বেশ কয়েক বছর বিরতি পড়ে যায় নানা কারণে। ১৯৯০ সালে মিরপুরের সরকারি বাংলা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজকল্যাণে স্নাতক (সম্মান) হন ১৯৯৪ সালে।

তখন দেশে কম্পিউটারের প্রসার শুরু হয়েছে। এক আত্মীয়ের বাসায় টুকটাক কম্পিউটারের কাজ শিখতে থাকেন। বিভিন্ন প্রকল্পে ডেটা এন্ট্রির কাজ করতে থাকেন আবেদ সিরাজ। ২০০৪ সালে এক শিক্ষকের কাছে খোঁজ পেয়ে যোগ দেন আন্তর্জাতিক সংস্থা কেয়ার বাংলাদেশে। কাজ সেই ডেটা এন্ট্রি। কেয়ারে চার বছর কাজ করেন। এরপর বেসরকারি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে স্বল্প সময়ের জন্য চাকরি করেন। কথা বলায় সমস্যা, তাই কোনো প্রতিষ্ঠানেই বেশি দিন চাকরি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি আবেদ সিরাজের।

ষাট পেরিয়ে নতুন উদ্যমে
ষাট বছর পেরোনোর পর জীবনে যেন বাঁকবদল ঘটে তাঁর। ২০১৬ সাল থেকে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিংয়ের বিভিন্ন বিষয় শেখার কথা ভাবেন। একাধিক প্রশিক্ষণকেন্দ্রে যান। কিন্তু তাঁর বয়স বেশি এবং কথা বলায় সমস্যার কারণে তিনি কোথাও কোনো কোর্সে ভর্তি হতে পারেননি। আবেদ সিরাজ বলেন, ‘২০১৮ আমি ও আমার এক অগ্রজ বন্ধু ঢাকার ক্রিয়েটিভ আইটি ইনস্টিটিউটে যাই। বাইরে থেকে দেখে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে ঢোকার আর সাহস পাইনি। একজন এসে জিজ্ঞেস করলেন কেন এসেছি। আমরা বললাম গ্রাফিক ডিজাইন শিখতে চাই। ধরেই নিয়েছিলাম, বয়সের কারণে তারাও ফিরিয়ে দেবে। কিন্তু ক্রিয়েটিভ আইটি আমাদের দুজনকেই কোর্সে ভর্তি করে নিল।’

গ্রাফিক ডিজাইন শিখতে লাগলেন আবেদ সিরাজ। একসময় তিনি আর তাঁর বন্ধু কাজ করতে লাগলেন। আবেদ সিরাজ বলেন, ‘টুকটাক যা কাজ পাই, সেটার পারিশ্রমিক ভাগ করে নিতাম আমরা। খুব বেশি আয় হতো না, তবে ভালো লাগত, শুরুটা তো হলো।’

২০২০ সালে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের ‘লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের (এলইডিপি)’ ডিজিটাল বিপণনের একটি কোর্স করেন আবেদ সিরাজ। লেগে ছিলেন ভালোভাবেই। তাঁদের ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সিরাজ পুরস্কারও পান।

আবেদ সিরাজ বলেন, ‘বয়স যা–ই হোক, ইচ্ছাশক্তি ও কাজের প্রতি আগ্রহ থাকলে কাউকে ফিরিয়ে দেব না। শেখার কোনো বয়স নেই। আমার মতো অনেকেই আছেন। অনেক জায়গা থেকে এমনভাবে ফিরিয়ে দিয়েছে, কষ্ট পেয়েছি, কিন্তু ভেঙে পড়িনি। হতাশ হইনি, দিনরাত কষ্ট করে যতটুকু পেরেছি, দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছি। যতটুকু আয় হচ্ছে, তা দিয়ে পরিবার চলছে।’

source : প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

স্মার্টফোনের পর্দার দাগ দূর করবেন যেভাবে
***********************************************************************
চাবি বা অন্য কোনো বস্তুর সঙ্গে ঘষা লাগলে স্মার্টফোনের পর্দায় দাগ বা আঁচড় পড়তে পারে, যা সহজে দূর করা যায় না। এই দাগের কারণে ফোনের সৌন্দর্যহানি হওয়ার পাশাপাশি কাজেও ঝামেলা হয়। সমস্যার সমাধানে ফোনের পর্দা বদলে ফেলেন অনেকে। তবে বেশ কিছু পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে ফোনের পর্দায় থাকা দাগ বা আঁচড় দূর করা সম্ভব। ফোনের পর্দায় থাকা দাগ দূর করার পদ্ধতিগুলো দেখে নেওয়া যাক।

টুথপেস্ট ব্যবহার
পর্দায় থাকা দাগ দূর করার জন্য প্রথমেই ফোন বন্ধ করতে হবে। এরপর কটনবাড বা নরম কাপড়ে অল্প পরিমাণে টুথপেস্ট লাগিয়ে ফোনের পর্দার যে জায়গায় দাগ বা আঁচড় পড়েছে, সেখানে বৃত্তাকারভাবে ধীরে ধীরে ঘষতে হবে। দাগ উঠে গেলে সামান্য ভেজা কাপড় দিয়ে পর্দায় থাকা পেস্ট মুছে ফেলতে হবে। ফোনের দাগ তোলার জন্য জেলজাতীয় টুথপেস্ট ব্যবহার করা যাবে না।

ম্যাজিক ইরেজার
ম্যাজিক ইরেজার দিয়ে ফোনের ছোট ছোট দাগ দূর করা যায়। ম্যাজিক ইরেজারও দেখতে অনেকটা সিরিশ কাগজের মতো। তাই এটি ব্যবহারেও সতর্ক থাকতে হবে।

বেকিং সোডা
বেকিং সোডা ব্যবহার করে ফোনের দাগ দূর করা গেলেও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ, এতে করে ফোন পানিতে ভিজে যেতে পারে। এ জন্য প্রথমে একটি পাত্রে বেকিং সোডার অর্ধেক পরিমাণ পানি নিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। এরপর টুথপেস্টের মতোই কটনবাড বা নরম কাপড়ে মিশ্রণটি মিশিয়ে আলতো করে দাগ বা আঁচড় পড়া স্থানে বৃত্তাকার ভাবে ধীরে ধীরে ঘষতে হবে।

ছোটদের পাউডার
বেকিং সোডার মতো বেবি পাউডার দিয়ে পানিসহ একটি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। এরপর কটনবাড বা নরম কাপড় দিয়ে দাগযুক্ত স্থানে আলতো করে বৃত্তাকারভাবে ধীরে ধীরে ঘষতে হবে।

ভেজিটেবল অয়েল
ছোট দাগ দূর করতে ভেজিটেবল অয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে। দাগের ওপর এক ফোঁটা তেল ঢেলে দ্রুত কটনবাড বা নরম কাপড় দিয়ে মুছে ফেলতে হবে।

গাড়ির দাগ তোলার ক্রিম
গাড়ির দাগ তোলার ক্রিম টার্টল ওয়াক্স, থ্রিএম স্ক্র্যাচ ও সোয়ার্ল রিমুভার ফোনের পর্দার দাগ দূর করতে পারে। এ জন্য পরিষ্কার ও নরম কাপড়ে ক্রিম মাখিয়ে বৃত্তাকারভাবে ধীরে ধীরে দাগ বা আঁচড় পো স্থানে ঘোষতে হবে।

ব্রাসো, সিলভো ও অন্যান্য পলিশ ব্যবহার
বড় দাগ দূর করতে ব্রাসো, সিলভো ও অন্যান্য পলিশ ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রথমে একটি পাত্রে পলিশ ঢেলে নিতে হবে। একটি কাপড় পলিশে ভিজিয়ে দাগের ওপর বৃত্তাকারভাবে ধীরে ধীরে ঘষতে হবে। দাগ মুছে গেলে শুকনা কাপড় দিয়ে পর্দায় থাকা পলিশ মুছে ফেলতে হবে।

source : প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

দেশে অ্যাপল পণ্যের বিশেষ দোকান চালু
***********************************************************************
রাজধানীর গুলশানে বিটিআই ল্যান্ডমার্ক ভবনে অ্যাপল পণ্যের বিশেষ দোকান (এক্সপেরিয়েন্স এবং রিসেলার স্টোর) ‘গ্যাজেট স্টুডিও বাই জি অ্যান্ড জি’ চালু করেছে অ্যাপলের অনুমোদিত পুনর্বিক্রেতা গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ার। গত রোববার দোকানটির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। এ সময় সংগঠনটির ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী, গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুরে আলমসহ প্রতিষ্ঠানটির অংশীদারেরা উপস্থিত ছিলেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ার।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘গ্যাজেট স্টুডিও বাই জি অ্যান্ড জি’ দোকানটিতে আইফোন, আইপ্যাড, ম্যাকবুক, অ্যাপল ওয়াচ, এয়ারপডস, আইম্যাকসহ অ্যাপলের অনুমোদিত সব যন্ত্রাংশ পাওয়া যাবে। ফলে অ্যাপল পণ্য ব্যবহারকারীরা একই ছাদের নিচে নিজেদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রযুক্তিপণ্য পরখ করার পাশাপাশি কিনতে পারবেন। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের গ্রাহকেরা স্টোরটিতে ১০ শতাংশ ছাড়ে পণ্য কেনার পাশাপাশি কিস্তি সুবিধাও পাবেন।

অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশে এই বিশেষ এক্সপেরিয়েন্স স্টোরের যাত্রা একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ার স্টোরটি চালু করায় এবং বিশ্বমানের সেবা প্রদানের মাধ্যমে দেশের প্রযুক্তিবাজারকে বিকশিত করায় আমি আনন্দিত।’

এফবিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি দেশের মানুষকে অ্যাপলের মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের পণ্যগুলোর অভিজ্ঞতা নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।

source : প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

অ্যাপের ত্রুটি ধরিয়ে দিলে ৩১ লাখ টাকারও বেশি পুরস্কার দেবে গুগল
***********************************************************************
অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের নিরাপত্তাত্রুটি কাজে লাগিয়ে নিয়মিত সাইবার হামলা চালিয়ে থাকে হ্যাকাররা। আর তাই নিজেদের তৈরি বিভিন্ন অ্যাপে থাকা ত্রুটির সন্ধান পেতে নতুন ‘বাগ বাউন্টি’ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে গুগল। এ কর্মসূচির আওতায় গুগলের তৈরি বিভিন্ন অ্যাপে থাকা নিরাপত্তাত্রুটি ধরে দিলেই ৫০০ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার বা প্রায় ৩১ লাখ ৫০ হাজার টাকা (প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য ১০৫ টাকা ধরে) পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

গুগলের তথ্যমতে, জিমেইল, গুগল প্লে, গুগল ক্রোম, ক্রোম রিমোট ডেস্কটপ অ্যাপে থাকা বড় ধরনের নিরাপত্তাত্রুটির সন্ধান দিলে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার এবং গুগল ড্রাইভ বা গুগল ফটোজের ত্রুটির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে। এ ছাড়া গুগলের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন অ্যাপের সাধারণ ত্রুটি শনাক্ত করলে সর্বনিম্ন ৫০০ ডলার পুরস্কার পাওয়া যাবে।

বাগ বাউন্টি কার্যক্রম চালুর বিষয়ে খুদে ব্লগ লেখার সাইট টুইটারে এক টুইটে (টুইটারে দেওয়া বার্তা) গুগল জানিয়েছে, ‘আমরা নতুন মোবাইল ভিআরপি নামের বাগ বাউন্টি কর্মসূচি চালু করতে পেরে আনন্দিত। আমাদের অ্যাপগুলোর দুর্বলতাগুলো খুঁজে পাওয়ার পাশাপাশি সেগুলোর সমাধান করতেই এ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।’

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

source : প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Showing 14019 out of 22524
  • 14015
  • 14016
  • 14017
  • 14018
  • 14019
  • 14020
  • 14021
  • 14022
  • 14023
  • 14024
  • 14025
  • 14026
  • 14027
  • 14028
  • 14029
  • 14030
  • 14031
  • 14032
  • 14033
  • 14034

Edit Offer

Add tier








Select an image
Delete your tier
Are you sure you want to delete this tier?

Reviews

In order to sell your content and posts, start by creating a few packages. Monetization

Pay By Wallet

Payment Alert

You are about to purchase the items, do you want to proceed?

Request a Refund