https://wikiing.com/the-ultima....te-guide-to-facebook
#facebookmarketing
https://wikiing.com/the-ultima....te-guide-to-facebook
#facebookmarketing
ব্যাগের মতো দেখতে তারহীন পার্টি স্পিকার
***********************************************************************
বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বেড়ানোর সময় তারহীন স্পিকার নিয়ে যান অনেকেই। উদ্দেশ্য একটাই, আশপাশে বিদ্যুৎ–সংযোগ না থাকলেও তারহীন স্পিকারের সাহায্যে ঠিকই গান শোনা যাবে। কিন্তু ভালোমানের তারহীন স্পিকারগুলোর আকার সাধারণত বড় হয়ে থাকে। ফলে স্পিকার নিয়ে যাওয়ার ঝক্কিও কম নয়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে ট্রাইবিটের তৈরি স্টর্মবক্স ব্লাস্ট। ব্লুটুথ–প্রযুক্তি সমর্থন করায় যেকোনো মুঠোফোন থেকে তারের সংযোগ ছাড়াই গান বাজানো যায় স্পিকারটিতে।
ট্রাইবিট স্টর্মবক্স ব্লাস্ট মডেলের ৯০ ওয়াটের স্পিকারটির ওজন মাত্র ৫ কেজি। ব্যাগের আকৃতি হওয়ায় হাতলও রয়েছে স্পিকারটিতে। ফলে কারও সাহায্য ছাড়াই বহন করা যায়। পানিরোধক স্পিকারটিতে এলইডি থাকায় রাতের বেলায় গানের তালে তালে আলোও জ্বলে। টানা ৩০ ঘণ্টা ব্যাটারিতে চলতে সক্ষম স্পিকারটির দাম ২০০ ডলার।
সূত্র: হাওটুগিক ডটকম
Source: প্রথম আলো
২০২২ সালে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছিল যে ৫ স্মার্টফোন
***********************************************************************
করোনা মহামারি ও অর্থনৈতিক মন্দার কারণে বিশ্বজুড়ে মুঠোফোন বিক্রির পরিমাণ কম হবে—২০২২ সালের শুরুতেই পূর্বাভাস দিয়েছিলেন বাজার–বিশ্লেষকেরা। তাঁদের ধারণাকে সত্যি করে ২০১৩ সালের পর গত বছর বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে কম মুঠোফোন বিক্রি হয়েছে। বাজার গবেষণাপ্রতিষ্ঠান কাউন্টার পয়েন্ট রিসার্চ ২০২২ সালে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ফোনগুলোর একটি তালিকা তৈরি করেছে। তালিকায় দেখা গেছে, বছরজুড়ে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া মুঠোফোনের আটটিই অ্যাপলের তৈরি আইফোন। বাকি দুটি স্যামসাংয়ের। ফলে গত বছর স্যামসাংকে হটিয়ে শীর্ষ স্থান পুনরুদ্ধার করেছে অ্যাপল। দেখে নেওয়া যাক ২০২২ সালে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া পাঁচটি মুঠোফোনের তথ্য।
আইফোন ১৩
বছরজুড়ে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া মুঠোফোনের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে আইফোন ১৩। ৬.১ ইঞ্চি সুপার রেটিনা এক্সডিআর পর্দার এ ফোনের ধারণক্ষমতা ১২৮ গিগাবাইট। এ১৫ বায়োনিক প্রসেসরে চলা মুঠোফোনটিতে ১২ মেগাপিক্সেলের দুটি ক্যামেরা রয়েছে।
আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স মডেলের মুঠোফোনটিতে ৬.৭ ইঞ্চির এক্সডিআর ওএলইডি পর্দা রয়েছে। ১২ মেগাপিক্সেলের তিনটি ক্যামেরা সুবিধার ফোনটির রিফ্রেশ রেট ১২০ গিগাহার্টজ।
আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স
বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী, সবচেয়ে দামি আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স মডেলের মুঠোফোনটি তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে। ৬.৭ ইঞ্চির সুপার রেটিনা এক্সডিআর ওএলইডি পর্দার ফোনটিতে রয়েছে ৪৮ মেগাপিক্সেলের তিনটি ক্যামেরা। এ১৬ বায়োনিক চিপসেট সুবিধার ফোনটিতে ১ টেরাবাইট ধারণক্ষমতাও রয়েছে।
স্যামসাং গ্যালাক্সি এ১৩
তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে স্যামসাং গ্যালাক্সি এ১৩। অক্টাকোর প্রসেসরে চলা ৪ গিগাবাইট র্যামের মুঠোফোনটিতে ৫০ মেগাপিক্সেলের কোয়াড ক্যামেরা এবং ৮ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা রয়েছে।
আইফোন ১৩ প্রো
তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে আইফোন ১৩ সিরিজের আরও একটি মুঠোফোন। এ১৫ বায়োনিক প্রসেসরে চলা আইফোন ১৩ প্রো ফোনটিতে রয়েছে ৬.১ ইঞ্চির সুপার রেটিনা এক্সডিআর ওএলইডি পর্দা।
সূত্র: গ্যাজেটস নাউ
Source: প্রথম আলো
‘মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ’ বদিউজ্জামান এখন ফ্রিল্যান্সার, মাসে আয় ২ লাখ টাকা
***********************************************************************
বদিউজ্জামান একটি ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানির মেডিকেল ইনফরমেশন অফিসার (মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ নামেও পরিচিত) পদে চাকরি করতেন। সেখানে প্রায় ৪০ হাজার টাকা আয় করতেন। সেই চাকরি ছেড়ে দেন বদিউজ্জামান, কাছের মানুষদের কাছে তিনি সুমন নামেই পরিচিত।
চাকরি ছেড়ে বেছে নিলেন তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং। বর্তমানে বদিউজ্জামান একজন ডিজিটাল বিপণনকর্মী (মার্কেটার) এবং শীর্ষস্থানীয় এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন) বিশেষজ্ঞ। তাঁর মাসিক আয় প্রায় দুই লাখ টাকা। জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলায় বসেই ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিংয়ের কাজ করেন বদিউজ্জামান। গতকাল শনিবার মুঠোফোনে কথা হয় তাঁর সঙ্গে।
বদিউজ্জামানের জন্ম টাঙ্গাইলের একটি গ্রামে। যেখানে এখনো ইন্টারনেট সংযোগ যায়নি। ভাদুরীর চর নামের গোপালপুর উপজেলার সেই প্রত্যন্ত গ্রামে বেড়ে উঠেছেন তিনি। বাবা-মায়ের স্বপ্ন ছিল ছেলে চিকিৎসক বা প্রকৌশলী হবে। তবে সেটা হয়নি। ২০০৯ সালে ময়মনসিংহের সরকারি আনন্দমোহন কলেজ থেকে হিসাবরক্ষণে স্নাতক হয়ে একই কলেজে স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে ভর্তি হন বদিউজ্জামান। স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০১২ সালে বদিউজ্জামান একটি ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানিতে বিক্রয় প্রতিনিধি (মেডিকেল ইনফরমেশন অফিসার) হিসেবে যোগ দেন। ছয় বছর এই চাকরি করার পর ২০১৮ সালের শেষ দিকে ফেসবুক থেকে অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং অর্থাৎ আউটসোর্সিং সম্পর্কে জানতে পারেন। শুরু হয় নতুন কিছু করার স্বপ্ন দেখা।
ময়মনসিংহে কোথায় ফ্রিল্যান্সিংয়ের বিভিন্ন বিষয় শেখা যায়, তা খুঁজতে থাকেন বদিউজ্জামান। খুঁজে পেলেন নকরেক আইটি ইনস্টিটিউট। সেখানে ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিকস ডিজাইন এবং সেই সঙ্গে অন্যান্য কোর্স শেখানো হয়।
এরপর বদিউজ্জামান নকরেক আইটি ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠতা সুবীর নকরেকের সঙ্গে কথা বলেন। এক সহকর্মীসহ বদিউজ্জামান এখানে ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্সে ভতি হন। সেই থেকে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ শেখা শুরু হয় বদিউজ্জামানের।
একদিকে চাকরি আর একদিকে ফ্রিল্যান্সিং—চাপে পড়তে হয় বদিউজ্জামানকে। তিনি বলেন, ‘যদি অফিস জানতে পারে যে আমি লুকিয়ে লুকিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করি, তাহলে চাকরিটাই যাবে। তাই অফিসের কাজ সারা দিন ঠিকঠাক করে রাতে এসে ফ্রিল্যান্সিং করতাম।’
বদিউজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি নিজেকেই বিশ্বাস করাতে শুরু করলাম যে তথ্যপ্রযুক্তির আউটসোর্সিং খাতে ভালো কিছু করতে হবে আমাকে। যদিও প্রথম দিকে কাজ শেখা এবং কাজ বুঝে করাটা আমার জন্য অনেক কষ্টেরই ছিল। আমি বরাবরই পেছনের সারির ছাত্র ছিলাম। যে ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করতাম সেখানে আসলে ভবিষ্যৎ কি—তা বুঝতেই পারতাম না। হতাশার মধ্যেই চাকরিটা চালিয়ে যাচ্ছিলাম।’ কারণ, সকাল নয়টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কাজ করতে হতো বদিউজ্জামানকে। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিয়তায় ভুগতেন। চাকরির পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ শিখতে থাকেন।
বদিউজ্জামান বলেন, ‘২০১৯ সালের পুরোটাই দিনরাত পরিশ্রম করার পর অনলাইন মার্কেটপ্লেস (আউটসোর্সিংয়ের কাজ দেওয়া–নেওয়ার অনলাইন বাজার) থেকে প্রথমে ১০ ডলারের একটি অর্ডার পাই। এরপর থেকেই একের পর এক কাজ পেতে থাকি। ২০২০ সালে অফিস জানতে পারে, আমি ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করছি। তখন বিষয়টি একটু সামাল দিলেও ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে বদিউজ্জামান চাকরি ছেড়ে দেন।
জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ীতে বদিউজ্জামানের শ্বশুরবাড়ি। এখানে জমিও কিনেছেন তিনি। সরিষাবাড়ির স্টেশন রোডে নিজের বাড়িতে বসে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, পর্তুগাল, সুইজারল্যান্ডসহ নানা দেশের গ্রাহকদের সঙ্গে কাজ করেন বদিউজ্জামান। তিনি এখন কানাডার একটি নেটওয়ার্কিং সাইটের সহকারী ব্যবস্থাপক হিসেবে নিয়মিত কাজ করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের একটি ডিজিটাল বিপণন এজেন্সির দলনেতাও তিনি। মার্কেটপ্লেস এবং মার্কেটপ্লেসের বাইরে কাজের চাপ বেড়ে যাওয়ায় পাঁচজনকে তাঁর দলে নিয়েছেন। তাঁরা ভার্চ্যুয়ালি, মানে অন্য জায়গা থেকে অনলাইনে কাজ করেন। বর্তমানে ফাইভআর ও আপওয়ার্ক মার্কেটপ্লেসে সফলতার সঙ্গেই কাজ করছেন বদিউজ্জামান ও তাঁর দল। এই দল নিয়ে ডিজিটাল বিপণনের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছেন তিনি। নাম দিয়েছেন বঙ্গ আইটি ইনস্টিটিউট।
বদিউজ্জামান বলেন, এ সবকিছুই সম্ভব হয়েছে আমার বিশ্বাস ও পরিশ্রমের কারণে। সফল হতে আমি হাজারো নির্ঘুম রাত কাটিয়েছি। আমি সব সময় আমার পরিবারকে পাশে পেয়েছি। তাঁরা আমাকে উৎসাহ দিতেন। স্বাধীনভাবে নিজের মতো করে কাজ করতে পারছি, এটাই বড় কথা। আর নিজেকে নিজের মতো করে গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগও পেয়েছি। কাজে কিছুটা চাপ থাকলেও যখন পারিশ্রমিক (পেমেন্ট) পাই এবং গ্রাহকের ভালো ভালো পর্যালোচনা পাই, তখন সব কষ্ট ভুলে যাই।
এখন সব মিলিয়ে বদিউজ্জামান মাসে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ডলার আয় করছেন। বদিউজ্জামান প্রতিনিয়ত তাঁর দক্ষতা বাড়াতে নতুন নতুন ও হালনাগাদ বিভিন্ন বিষয়ের কোর্স করেছেন। তিনি মনে করেন, এই খাতে ভালো কিছু করতে হলে অবশ্যই নিজের দক্ষতা বাড়াতে হবে, নিজেকেও হালনাগাদ থাকতে হবে।
২০১৩ সালে বিয়ে করেন বদিউজ্জামান। স্ত্রী ইসরাত জাহান এবং সাত বছর বয়সী আবদুল্লাহ আল–আয়ানকে নিয়ে তাঁর সংসার।
ভবিষ্যতে বদিউজ্জামান ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছেন। সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। দলের ভার্চ্যুয়াল সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে বিদেশের গ্রাহকদের কাজ করছেন। এই কাজের পরিসর আরও বাড়াতে চান।
Source: প্রথম আলো
সাইট বন্ধ থাকলেও টুইট করা যাবে যেভাবে
***********************************************************************
হঠাৎ দেখলেন খুদে ব্লগ লেখার ওয়েবসাইট টুইটারে টুইট করতে পারছেন না। মানে বার্তা প্রকাশ করতে পারছেন না। স্মার্টফোন থেকে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ডেস্কটপ কম্পিউটারের ওয়েবে গিয়েও চেষ্টা করেছেন। কিন্তু আপনাকে পুনরায় চেষ্টা (ট্রাই অ্যাগেইন) করতে বলছে বা টুইটটি ড্রাফটে সংরক্ষণ করতে বলা হচ্ছে কিংবা দেখা গেল আপনাকে বলা হয়েছে আপনি দৈনিক টুইট সীমা অতিক্রম করেছেন। যদিও দৈনিক ২ হাজার ৪০০ টুইট সীমা অতিক্রম করা প্রায় অসম্ভব।
কেন টুইট করা যাচ্ছে না তা কেউ হয়তো বলতে পারছেন না আবার টুইটারের যেহেতু গণযোগাযোগ বা জনসংযোগ শাখাও আর নেই, তাই তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করে এই বিষয়ে কথা বলা যাচ্ছে না। এমনকি টুইটারের মালিকও রহস্যজনকভাবে এই ইস্যুতে কোনো টুইট করেননি।
আপনি যখন টুইট করতে পারছেন না, তখন কিন্তু টুইটার প্রধান ইলন মাস্ক ঠিকই টুইট করেছেন। কিন্তু কীভাবে? হ্যাঁ, সাময়িকভাবে সাইট বন্ধ বা ডাউন থাকার পরও টুইট করতে পারার একটা পথের খোঁজ পাওয়া গেছে। প্রযুক্তিবিষয়ক সাময়িকী পিসিম্যাগের সাংবাদিক চন্দ্র স্টিল সেই পথের সন্ধান দিয়েছেন।
সাইট ডাউন অবস্থায় টুইট করতে হলে আপনার টুইটকে শিডিউল পোস্ট আকারে রেখে দিতে হবে। এ জন্য আপনাকে টুইটার ডটকম ওয়েবসাইটে যেতে হবে। এরপর আপনার টুইটটি লিখতে হবে। এবার ক্যালেন্ডার আইকনে ক্লিক করতে হবে। এখানে আপনি এক বা মিনিট আগের টুইট হিসেবে শিডিউল পোস্ট করতে পারবেন।
সূত্র: ম্যাশেবল
Source: প্রথম আলো
তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবীদের সম্মেলনে ‘স্মার্ট সমাজ’ গড়ে তোলার তাগিদ
***********************************************************************
তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবীদের সংগঠন বাংলাদেশ আইটি প্রফেশনাল ফ্রেন্ডস ক্লাবের তৃতীয় তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) সম্মেলন শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন খাতে কর্মরত তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ বলেন, বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে তথ্যপ্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই। তথ্যপ্রযুক্তি রপ্তানি খাতে বাংলাদেশ এখন ১৪০ কোটি মার্কিন ডলার আয় করে। প্রায় ছয় লাখ তরুণ–তরুণী ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করেন। সরকার এরই মধ্যে সারা দেশের বিদ্যালয়গুলোয় ১৩ হাজার ‘শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব’ তৈরি করে দিয়েছে। ২০২৫ সালের মধ্যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি করে ডিজিটাল ল্যাব তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সম্মেলনে ইন্টারনেট সংযোগদাতাদের সংগঠন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, দেশের উন্নয়নে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমানে ১২ কোটি মানুষ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবার আওতায় রয়েছেন। স্কাইলার্ক সফট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বি এম শরীফ বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে প্রযুক্তিতে দক্ষ জনবলের বিকল্প নেই।
সম্মেলনে বাংলাদেশ আইটি প্রফেশনালস ফ্রেন্ডস ক্লাবের সভাপতি প্রেসিডেন্ট সালেহ মোবিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার যে ঘোষণা দিয়েছেন, তা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। আমাদেরও সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে। স্মার্ট সরকার, স্মার্ট জনগণ, স্মার্ট অর্থনীতি, সর্বোপরি স্মার্ট সমাজ তৈরি করতে হবে।’
সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কনা সফটওয়্যার ল্যাব লিমিটেডের পরিচালক জুলফিকার রহমান, কোডম্যান বিডির প্রতিষ্ঠাতা মিনহাজুল আসিফ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের হেড অব আইসিটি মুশফিকুর রহমান, এ অ্যান্ড এ কনসাল্টিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহজেব ইবনে হোসেন এবং ব্রাক ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও অ্যাপ্লিকেশন প্রধান মনতোষ রায়।
সম্মেলনের পৃষ্ঠপোষক ছিল স্কাইলার্ক সফট লিমিটেড, ফিউশান ইনফোটেক লিমিটেড, এক্সেস টেলিকম বিডি লিমিটেড, স্মার্ট গ্রুপ, এনজি আইটি লিমিটেড ও পিপলস এইচআর। ডিজিটাল অংশীদার ছিল ব্যাকস্পেস ইন্টারন্যাশনাল।
বাংলাদেশ আইটি প্রফেশনালস ফ্রেন্ডস ক্লাব একটি অলাভজনক সংগঠন। বর্তমানে এই ক্লাবের সদস্য ১০ হাজারের বেশি। ক্লাবটির লক্ষ্য, পেশাগত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে দক্ষ জনবল তৈরি করা, নতুন নতুন প্রযুক্তি নিয়ে কর্মশালা, সেমিনারের আয়োজন করা। ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণদের তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলাই এই সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য।
Source: প্রথম আলো