২০৩১ সালে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ২০০০ কোটি ডলার রপ্তানি আয় সম্ভব
***********************************************************************
২০২৫ সাল নাগাদ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ৫০০ কোটি (৫ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। বাংলাদেশে অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি রাসেল টি আহমেদ বিশ্বাস করেন, ৫০০ কোটি নয়, ২০৩১ সাল নাগাদ এই খাত থেকে ২ হাজার কোটি (২০ বিলিয়ন) ডলার রপ্তানি আয় করা সম্ভব। সরকার, শিল্প (ইন্ডাস্ট্রি) ও শিক্ষা (একাডেমিয়া)—এই তিন খাতের অংশীজনেরা সমন্বিতভাবে তিনটি কাজ করলেই সেটি সম্ভব হবে।
কাজগুলো হলো তথ্যপ্রযুক্তি খাতের গবেষণা ও উন্নয়ন, দেশ–বিদেশে ইন্ডাস্ট্রি ব্র্যান্ডিং ও দক্ষ জনবল তৈরি। শনিবার রাজধানীর পূর্বাচলে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে চলমান বেসিস সফটএক্সপোতে প্রথম আলোকে এসব কথা বলেছেন বেসিসের সভাপতি রাসেল টি আহমেদ।
রাসেল টি আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘২০২৫ সাল কিন্তু খুব দূরে নয়, কাল বাদে পরশুর মতো। ২০৩১ কিংবা ২০৪১ সালও খুব বেশি দূরে নয়। আমাদের সামনে অনেক সম্ভাবনা। উন্নত দেশগুলোর নৌকা চলছে কিন্তু আমাদের নৌকাটি ঘাটে ভিড়ে আছে। দুই হাজার কোটি ডলার রপ্তানি আয়ের কথা যে বলছি, এটা আমাদের কেউ দান করবে না। আমাদের এটা ব্যবসা করে আনতে হবে। অন্যান্য দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করেই আমাদের এই অর্থ আনতে হবে। এই সুযোগ আমাদের রয়েছে। এই জন্য তিন ক্ষেত্রের অংশীজনেরা (স্টেকহোল্ডার) সমন্বিতভাবে তিনটি কাজ করলেই সেটি সম্ভব।’
বাংলাদেশকে আইসিটির (তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি) দেশ হিসেবে কেউ চেনে না বলে মন্তব্য করেন রাসেল টি আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশকে প্রধানমন্ত্রীর জন্য চেনে। তাই আমাদের দেশকে বিশ্বের দুয়ারে তুলে ধরতে সঠিক ব্র্যান্ডিং করতে হবে। আমরা পাবলিক–প্রাইভেট পার্টনারশিপের কথা বলছি, কিন্তু আমরা বাস্তবে সেই কাজ করছি না। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের যাঁরাই যাচ্ছেন, তাঁরাই বলছেন “ভালো আছি”, তাহলে তিনি আমাদের কীভাবে সাহায্য করবেন? আমরা তথ্যপ্রযুক্তি খাত আসলে ভালো নেই। আমাদের অনেক কিছু করার আছে। সে কাজগুলো করতে হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশে কী করতে পারিনি, আমাদের তা দেখতে হবে। সে কাজগুলো স্মার্ট বাংলাদেশে করতে হবে।’
বেসিস সফটএক্সপো ২০২৩ দেশের এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনী। সম্পূর্ণ বেসরকারি খাতের উদ্যোগে এমন বৃহৎ পরিসরে কোনো তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনী এর আগে অনুষ্ঠিত হয়নি বলে জানালেন রাসেল টি আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আমাদের এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে স্থানীয় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতার পাশাপাশি সম্ভাবনাকে তুলে ধরা। আমাদের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্রণী ভূমিকাতেই ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে “স্মার্ট বাংলাদেশ”-এ রূপান্তর করার ক্ষেত্রে একমাত্র শক্তিশালী অংশীদার হিসেবে বেসিসই পারবে স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করতে।’
একনজরে বেসিস সফটএক্সপো ২০২৩
রাজধানীর পূর্বাচলে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে চলে বেসিস সফটএক্সপো। মেলা শুরু হয়েছে ২৩ ফেব্রুয়ারি। মেলা চলবে আগামীকাল ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা।
* ২০৪টি দেশি-বিদেশি তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের স্টল বা প্যাভিলিয়ন।
* ২০০ জনের বেশি দেশি-বিদেশি তথ্যপ্রযুক্তি–বিশেষজ্ঞের অংশগ্রহণ।
* আইসিটি-বিষয়ক ১৮টি সেমিনার।
* ২ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে আইসিটি ক্যারিয়ার ক্যাম্প।
* ৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শনী।
* ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রোবট প্রদর্শনী।
* আউটসোর্সিং সম্মেলন।
* অ্যাম্বাসেডর নাইট, মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্স, উইমেন ইন আইটি প্রোগ্রাম
* স্টার্টআপ সম্মেলন।
* ডেভেলপারস সম্মেলন ও জাপান ডে।
* গেমিং জোন, বিজনেস লাউঞ্জ, ফুড কোর্ট ও মিডিয়া কর্নার।
* দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের বিটুবি ম্যাচমেকিং।
* বিজনেস লিডারস মিট।
* প্রতিদিন সন্ধ্যায় কনসার্ট।
Source: প্রথম আলো
বিট–বাইট
***********************************************************************
স্ন্যাপচ্যাটে নতুন সুবিধা
পোস্ট করা ছবি ও ভিডিও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাওয়ায় ব্যবহারকারীদের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে স্ন্যাপচ্যাট। ব্যবহারকারীদের কাছে এ জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে এবার নিজেদের অগমেনটেড রিয়েলিটির (এআর) লেন্স ফিল্টারে অডিও রিকমেন্ডেশন টুল চালু করেছে তরুণ প্রজন্মের কাছে বাত৴া আদান–প্রদানের জনপ্রিয় অ্যাপটি। নতুন টুলটি নির্মাতাদের ছবি ও ভিডিওর বিষয় পর্যালোচনা করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন অডিও ক্লিপ ব্যবহারের পরামর্শ দেবে। ফলে নির্মাতারা সহজেই ভিডিওতে বিভিন্ন গান বা সুর যুক্ত করতে পারবেন। প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারীরা এ সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন। উল্লেখ্য, লেন্স ফিল্টার কাজে লাগিয়ে ছবিতে থাকা চেহারা পরিবর্তনসহ বিভিন্ন ধরনের কৃত্রিম আবহ তৈরি করা যায়। নতুন এ সুবিধা চালু হলে স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহারকারীর সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: দ্য ভার্জ
গাড়ির ড্যাশবার্ডে দেখা যাবে টিকটক
ছোট আকারের ভিডিও সহজে তৈরি ও প্রকাশের সুযোগ থাকায় তরুণ-তরুণীদের কাছে খুবই জনপ্রিয় টিকটক। আর তাই এবার নিজেদের গাড়ির ড্যাশবোর্ডে িটকটক ভিডিও দেখার সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে মার্সিডিজ বেঞ্জ। তবে সব গাড়িতে নয়, এ বছর বাজারে আসতে যাওয়া জাম৴ান গাড়ি নিম৴াতা মার্সিডিজ বেঞ্জ ই ক্লাস মডেলের গাড়ির ড্যাশবোর্ডে টিকটক ভিডিও দেখা যাবে। মার্সিডিজ বেঞ্জের তথ্যমতে, এমবিইউএক্স ইনফরমেশন সিস্টেমে চলা ই ক্লাস মডেলের গাড়ির পুরো ড্যাশবোর্ডেই পর্দা থাকবে।
সূত্র: টেক ক্র্যাঞ্চ
রং বদলাবে অ্যাপল ওয়াচ ব্যান্ড
পোশাকের ধরন বুঝে রং বদলানো যাবে অ্যাপল ওয়াচের সঙ্গে যুক্ত ব্যান্ডের। ইলেকট্রোক্রোমিক ফিলামেন্ট ফেব্রিকে তৈরি ব্যান্ডটিতে সুইচ চাপলেই তিনটি ভিন্ন রং দেখা যাবে। এরই মধ্যে রং পরিবর্তন করতে সক্ষম ব্যান্ডের মেধাস্বত্ব নিজের করে নিয়েছে অ্যাপল।
সূত্র: মেইল অনলাইন
Source: প্রথম আলো
চার্জে দিয়ে ল্যাপটপ ব্যবহার করলে কোনো সমস্যা হবে কি?
***********************************************************************
আমি চার্জ করা অবস্থায় ল্যাপটপ ব্যবহার করি। এতে কোনো সমস্যা হবে কি?তাসনিম মজুমদার, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর
উত্তর: চার্জ করা অবস্থায় ব্যবহারের পাশাপাশি মাঝেমধ্যে ব্যাটারির মাধ্যমেও ল্যাপটপ ব্যবহার করতে হবে। কারণ, দীর্ঘদিন ব্যবহার না করলে ল্যাপটপের ব্যাটারির কার্যক্ষমতা কমে যায়। আর তাই এক বা দুই দিন পরপর ব্যাটারির মাধ্যমে ল্যাপটপ ব্যবহার করতে হবে। পরামর্শ দিয়েছেন
—মেহেদী হাসান, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার প্রকৌশলী
Source: প্রথম আলো
আপওয়ার্কে সফল হতে যে পরামর্শ কাজে লাগবে
***********************************************************************
অনলাইনে ফ্রিল্যান্স কাজ পাওয়ার ওয়েবসাইটগুলোর (অনলাইন মার্কেটপ্লেস) মধ্যে আপওয়ার্ক সবচেয়ে জনপ্রিয়। আপওয়ার্কে নিয়মিত প্রচুর ফ্রিল্যান্সার যুক্ত হন। তবে এর নিয়মাবলি বেশ কঠিন। ফলে আপওয়ার্কে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ পাওয়া দিন দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তবে কাজদাতা বা ক্লায়েন্টদের কাছে সঠিকভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারলে আপওয়ার্কে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব। আপওয়ার্কে সফল হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কনটেন্ট মার্কেটার জোভানা জোরিক। আপওয়ার্কে সফল হওয়ার কৌশলগুলো থাকছে এই প্রতিবেদনে।
প্রোফাইলে সঠিকভাবে তথ্য লিখতে হবে
ক্লায়েন্টরা কাজ দেওয়ার আগে ফ্রিল্যান্সারদের প্রোফাইলে থাকা তথ্য দেখেন। আর তাই প্রোফাইলের শুরুতে প্রাসঙ্গিক এবং কার্যকর তথ্যগুলো লিখতে হবে। প্রোফাইলের বর্ণনা পড়ে ক্লায়েন্টদের আকৃষ্ট করার জন্য নিজের দক্ষতার বিষয়গুলো অল্প কথায় তুলে ধরতে হবে। প্রোফাইলের বর্ণনায় গতানুগতিক তথ্য লেখা যাবে না।
ক্লায়েন্ট নির্বাচনে সতর্কতা
অনলাইনে সব ক্লায়েন্টের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা সুখকর হয় না। তাই কাজ শুরুর আগে ক্লায়েন্ট সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রথমে আপওয়ার্কে ক্লায়েন্টের রেটিং, অর্থ পরিশোধের পদ্ধতি, আপওয়ার্কে আগে কোনো কাজ করিয়েছেন কি না, কাজ দেওয়ার ইতিহাসসহ ক্লায়েন্ট সম্পর্কে অন্য ফ্রিল্যান্সারদের মতামত জানতে হবে।
কভার লেটার লেখা
আপওয়ার্কে কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে কভার লেটারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই একই কভার লেটার সব ক্লায়েন্টের কাছে পাঠানো যাবে না। এ জন্য কাজের ধরন এবং ক্লায়েন্টভেদে কভার লেটার লেখার চর্চা করতে হবে। সব সময় ক্লায়েন্টের নাম উল্লেখ করে কভার লেটার লিখতে হবে। কাজ পাওয়ার জন্য নিজের যোগ্যতা বা উল্লেখযোগ্য দিকগুলো কভার লেটারে ভালোভাবে লিখতে হবে।
আপওয়ার্কের নিয়মাবলি মেনে চলা
আপওয়ার্কে কাজের নিয়মগুলো খুবই কঠিন এবং এগুলো বেশ গুরুত্বের সঙ্গে মেনে চলা হয়। নিয়ম অনুসরণ না করলে আপওয়ার্কে কাজ করার সুযোগ হারাতে পারেন। তাই কখনো আপওয়ার্কের বাইরে অন্য কোনো মাধ্যমে ক্লায়েন্টের সঙ্গে যোগাযোগ বা অর্থ লেনদেন করবেন না। ক্লায়েন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতেও প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করুন।
নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস
ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করার জন্য নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস রাখা জরুরি। যাঁরা আপওয়ার্কে নতুন কাজ শুরু করেন, তাঁদের কম পারিশ্রমিকে কাজ করার প্রবণতা থাকে। অনেকে মনে করেন, কম পারিশ্রমিকে কাজ করলে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কিন্তু কাজের মানের সঙ্গে কম পারিশ্রমিক বা স্থান সম্পর্কিত নয়। ভালো কাজের জন্য পারিশ্রমিকও বেশি হয়। ফলে নিজের কাজের ওপর আত্মবিশ্বাস রাখুন।
Source: প্রথম আলো
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুরক্ষা
***********************************************************************
নতুন চাকরি পাওয়া হোক কিংবা কোনো জায়গায় ঘুরতে যাওয়া—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান দেওয়াটা এখন যেন উদ্যাপনেরই অংশ। পরিবার ও বন্ধুদের বড় অংশের কাছে মুহূর্তেই নিজের খবর পৌঁছে দিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিকল্প নেই। তাই অনেকের কাছেই ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম বা লিংকডইনের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো দৈনন্দিন জীবনের নানান ঘটনা ভাগ করে নেওয়ার এক অপরিহার্য অংশ।
কিন্তু এই নির্দোষ পোস্ট বা খবরগুলো কখনো কখনো হয়ে ওঠে ক্ষতির কারণ। কারণ, সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো ব্যবহার করেন। দেশেও তো ব্যবহারকারী কম নয়। তাই হ্যাকার ও সাইবার অপরাধীরাও মুখিয়ে থাকেন এখানে আক্রমণ করতে। কারণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী অধিকাংশ মানুষ জানেন না কীভাবে তথ্য সুরক্ষিত রাখতে হয়।
আর কেমন তথ্য নিয়ে হ্যাকাররা তাঁর ক্ষতি করতে পারেন। অধিকাংশ মানুষের তথ্যই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরে বেড়ায় কোনো সুরক্ষা ছাড়াই। আবার কখনো কখনো তাঁদের প্রোফাইল বা অ্যাকাউন্টটিও যথেষ্ট সুরক্ষিত থাকে না। ফলে এই সবই হয়ে ওঠে হ্যাকারদের সহজ টার্গেট।
কেন প্রয়োজন অ্যাকাউন্টের সুরক্ষা
তথ্য চুরি: প্রায় সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনার নাম, ছবি, ঠিকানা, ফোন নম্বর, ই–মেইল, পছন্দ, মতাদর্শ, শিক্ষাগত তথ্য ইত্যাদি প্রকাশের সুযোগ থাকে। এসব তথ্য ব্যবহার করে সাইবার অপরাধীরা পরিচয় চুরি করতে পারেন। এমনকি আপনার নামে কোনো অপরাধও সংঘটিত করতে পারেন। তা ছাড়া আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে তাঁরা আপনার সব তথ্য হাতিয়ে নেন। ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশিত হলে পরবর্তী সময়ে আপনি হতে পারেন হয়রানির শিকার। কখনো গোপনীয় তথ্য বা ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে অর্থ আদায়ও করে নেন অপরাধীরা।
গোপনীয়তার উদ্বেগ: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা অসাবধানতাবশত নিজের, পরিবারের, বন্ধুদের বা সহকর্মীদের ব্যাপারে সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ করে ফেলেন। এতে তাঁরা অজান্তেই অন্যের ক্ষতির কারণ হয়ে ওঠেন।
ফিশিং: প্রায়ই প্রতারণামূলক ওয়েবসাইট, ম্যালওয়্যার (ভাইরাস) সংক্রমিত লিংক (ওয়েব ঠিকানা) ঘুরে বেড়ায় ফেসবুক, মেসেঞ্জার বা হোয়াটসঅ্যাপে। অনেক সময় অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে এসব লিংকে ক্লিক করার জন্য ব্যবহারকারীদের আহ্বান জানান হ্যাকাররা। এসব লিংকে ক্লিক করামাত্রই ব্যবহারকারীদের সব তথ্য চলে যায় হ্যাকারদের কাছে।
সৃজনশীল কাজের স্বত্ব, কপিরাইট না মানা: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তাঁদের সৃজনশীল কাজ যেমন গান, ভিডিও, লেখা, আলোকচিত্র, আঁকা ছবি প্রকাশ করেন। এসব কাজ অনেক ক্ষেত্রে অন্যান্য ব্যবহারকারী নিজের কাজ বলে চালিয়ে দেন। এতে নিজের মেধাস্বত্ব সুরক্ষিত থাকে না।
যেভাবে সুরক্ষিত রাখবেন আপনার অ্যাকাউন্ট
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও গোপনীয়তা রক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, আপনার অ্যাকাউন্টে শুধু আপনার তথ্যই থাকে না, আপনার বন্ধু বা অনুসারীদের তথ্যও থাকে। তাই আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হলে হ্যাকার শুধু আপনার তথ্যই নয়, অন্যদের তথ্যও পেয়ে যান। নিজের বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট সুরক্ষার জন্য যা করা যেতে পারে।
শক্তিশালী পাসওয়ার্ডের ব্যবহার
ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার, লিংকডইন—প্রতিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিন। যে পাসওয়ার্ডে একটি বড় হাতের ও ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা ও চিহ্ন থাকে, সেটিকে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড হিসেবে ধরা হয়। এ ধরনের পাসওয়ার্ড হ্যাকাররা সহজে হ্যাক করতে পারেন না। এ ছাড়া ভিন্ন ভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে আলাদা পাসওয়ার্ড দিন। একই পাসওয়ার্ড সব অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করা যাবে না।
দ্বিস্তর বা টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন
টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (বা অথেনটিফিকেশন) হচ্ছে পাসওয়ার্ড ছাড়াও ই–মেইল বা ফোন নম্বর অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত করা। আপনার অ্যাকাউন্টে যখনই কেউ ঢুকতে চাইবেন (লগইন) তখন আপনার ই–মেইল বা ফোন নম্বরে একটি নোটিফিকেশন বা সংকেত চলে যায়। ওই সংকেত বা লিংক ছাড়া কেউ আপনার অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারবেন না, এমনকি আপনি নিজেও না।
সফটওয়্যারের নিয়মিত হালনাগাদ
আপনার ব্রাউজার (ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যার), স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—এগুলো নিয়মিত হালনাগাদ (আপডেট) করতে হবে। এতে সফটওয়্যার ও অ্যাপগুলোর ত্রুটি ঠিক হয়ে যায়। একই সঙ্গে সর্বশেষ নিরাপত্তার হালনাগাদ পাওয়া যায়।
পোস্ট করার আগে গোপনীয়তা সেটিংস
নিজের ব্যক্তিগত ছবি বা তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়ার আগে দেখে নিতে হবে সেটি পাবলিক, ফ্রেন্ডস, নাকি কোনো বিশেষ গ্রুপের জন্য শেয়ার করছেন। ব্যক্তিগত ছবি বা তথ্য ‘পাবলিক’ না করা ভালো। পাবলিক মানে হলো আপনার বন্ধুতালিকায় না থাকা মানুষেরাও সেই পোস্ট দেখতে পাবেন।
ভাবতে হবে শেয়ারের আগেই
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কী তথ্য প্রকাশ করছেন বা শেয়ার করছেন, সে ব্যাপারে সতর্কতা ও মনোযোগ দরকার। কখনোই নিজের ঠিকানা, ফোন নম্বর বা আর্থিক বিবরণীর পোস্ট দেওয়া যাবে না। শুধু তা–ই নয়, আপনার কারণে যেন অন্য কারও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বিঘ্নিত না হয়, সেটিও মাথায় রাখুন।
অপরিচিত লিংকে ক্লিক নয়
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো ওয়েব ঠিকানা বা লিংকে ক্লিক করার আগে এবং কোনো কিছু নামানোর (ডাউনলোড) আগে উৎস দেখে নিতে হবে। উৎস বিশ্বস্ত মনে না হলে কোনো কিছুতেই ক্লিক করবেন না। টাকাপয়সার প্রলোভন দেখানো কোনো কিছুতে ক্লিক করার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এগুলো ম্যালওয়্যার (ভাইরাস)।
#mywork
#documentary
#cox'sbazar
#seabeach
#premdevota
#cinematography
#drone
#gopro10
#sonyalpha6400
#djironinsc
#djimini3pro
#adobepremierepro2023
‘দ্য লর্ড অব দ্য রিংস’-এর আরও সিনেমা আসছে
***********************************************************************
জে আর আর টলকিনের উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে ‘দ্য লর্ড অব দ্য রিংস’-এর একাধিক নতুন সিনেমা আসছে। ওয়ার্নার ব্রুস ডিসকভারির প্রধান নির্বাহী ডেভিড জাসলাভ এ ঘোষণা দেন। ব্লকবাস্টার সিনেমা ট্রিলজি ‘দ্য লর্ড অব দ্য রিংস’ ও ‘দ্য হবিট’–এর কাহিনিও টলকিনের অনবদ্য দুই সৃষ্টি।
নতুন সিনেমার ঘোষণা দিলেও কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো নির্মাতাকে প্রকল্পগুলোর সঙ্গে যুক্ত করা হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ‘লর্ড অব দ্য রিংস’-এর নির্মাতারা সিনেমাগুলো বানাবেন।
২০০১ সালে শুরু হওয়া ‘দ্য লর্ড অব দ্য রিংস’ সিনেমা ট্রিলজি ১৭টি অস্কার জিতেছে। এর মধ্যে এই ট্রিলজির সর্বশেষ সিনেমা ‘দ্য রিটার্ন অব দ্য কিং’ই জিতেছে ১১টি অস্কার। ২০১২ সালে মুক্তি পায় ‘দ্য হবিট’-এর প্রথম কিস্তি।
পিটার জ্যাকসন পরিচালিত প্রথম ‘লর্ড অব দ্য রিংস’ ট্রিলজি বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার আয় করেছিল।
জ্যাকসনের প্রথম ‘দ্য লর্ড অব দ্য রিংস’ ট্রিলজিতে অভিনয় করেছিলেন এলিজাহ উড, ইয়ান ম্যাককেলেন, লিভ টাইলার, শন অ্যাস্টিন, কেট ব্ল্যানচেট।
‘দ্য লর্ড অব দ্য রিংস’, ‘দ্য হবিট’-এর সেই কাহিনি নিয়ে প্রায় এক দশক পর গত সেপ্টেম্বরে অ্যামাজন স্টুডিওতে এসেছে ‘দ্য লর্ড অব দ্য রিংস’-এর প্রিক্যুয়েল ওয়েব সিরিজ ‘দ্য লর্ড অব দ্য রিংস: দ্য রিংস অব পাওয়ার’। এই প্রিক্যুয়েলে ‘লর্ড অব দ্য রিংস’-এর ঘটনাপ্রবাহের আরও কয়েক হাজার বছর আগের গল্প দেখানো হয়েছে।
Source: প্রথম আলো
মঞ্চে এসেছে সেলিম আল দীনের ‘স্বর্ণবোয়াল’
***********************************************************************
লন্ডনের গোল্ডস্মিথস্ ইউনিভার্সিটি থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স বিভাগের মাস্টার্স পাঠ্যসূচিতে ২০২১ সালে অন্তর্ভুক্ত হয় বাংলাদেশের নাট্যকার সেলিম আল দীনের লেখা নাটক ‘স্বর্ণবোয়াল’। নাটকটির প্রধান চরিত্র এক বিশাল মাছ, যার নাম ‘স্বর্ণবোয়াল’। বলা হয়, ‘মাছ’ নিয়ে বাংলায় এটিই প্রথম নাটক। বহু বছর পর গতকাল ঢাকার মঞ্চে দেখা গেল নাটকটি। ব্রিটিশ কাউন্সিল ও মঙ্গলদীপ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় নাটকটি প্রযোজনা করেছে থিয়েট্রেক্স বাংলাদেশ। নির্দেশনা দিয়েছেন সুদীপ চক্রবর্তী।
শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বেশ জমজমাট ছিল সংস্কৃতি–অঙ্গন। গান, নাচ, নাটকসহ বিচিত্র আয়োজন ছিল নানা মঞ্চে। এর মধ্যে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে পরীক্ষণ থিয়েটারের ‘স্বর্ণবোয়াল’। ঠিক এক দশক আগে ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নাট্য-স্নাতকদের নিয়ে গড়ে উঠেছিল ‘থিয়েট্রেক্স বাংলাদেশ’। এক দশক উদ্যাপনের মুহূর্তে তাদের এবারের নিবেদন সেলিম আল দীনের এই নাটক। ১১৭ জন নেপথ্য ও মঞ্চ কুশীলব অংশ নিয়েছেন এই প্রযোজনায়। নাটকের শুরুতে ছিলেন বরেণ্য অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর, শেষে ওয়াহীদা মল্লিকের উপস্থিতি। তাঁরা ছিলেন কথকের ভূমিকায়।
‘স্বর্ণবোয়াল’-এর প্রধান চরিত্র মাছ; চকচকে সোনার রং তার। সবাই তাকে দেখতেও পায় না। মাছটি শিকারের নেশায় জীবন দেয় জনম মাঝি ও খলিশা মাঝি। ৬০ বছর বয়সে কোশা নৌকায় বসে জনম মাঝি এক ভোরে ছিপ ফেলে বড়শিতে গেঁথেছিল মাছটিকে। কিন্তু ছোট্ট কোশাসহ মাছটি তাকে টেনে নেয় গভীর জলে। জনম মাঝির স্বর্ণবোয়াল শিকারের নেশা সংক্রমিত হয় ছেলে খলিশার শরীরে, কিন্তু সেও পারে না মাছটি শিকার করতে। তার ছেলে তিরমন অজেয় মাছটিকে জয় করতে পারবে, এমন স্বপ্ন দেখে। বাবার কাছে মাছটির গল্প শুনতে শুনতে তিরমনের ভেতরও শিকারের নেশা জাগে।
মৃতপ্রায় বাবাকে রেখে মায়ের নিষেধ উপেক্ষা করে ভাদ্র মাসের এক ঝড়ের রাতে বড়শি নিয়ে সে যাত্রা করে স্বর্ণবোয়াল শিকারে। প্রচণ্ড লড়াইয়ের পর বোয়ালটিকে ধরেও ফেলে। তবে নদীতীরে টেনে আনতে পারলেও শেষ পর্যন্ত মাছটি লাফ দিয়ে গভীর জলে চলে যায়। অজেয় মাছ অজেয়ই থেকে যায়। নাটক শেষে দেখানো হয়, স্বর্ণবোয়ালও হারেনি, তিরমনও হারেনি অথবা দুজনের কেউ-ই জেতেনি। হারজিতহীন এই দর্শন নিয়েই ‘স্বর্ণবোয়াল’।
‘স্বর্ণবোয়াল’ নিয়ে নিয়মিত মহড়া করেছেন আসাদুজ্জামান নূর। প্রদর্শনীর আগে মহড়ায় অংশ নেন গতকালও। শরীর কিঞ্চিৎ অসুস্থ, তারপরও মঞ্চের প্রতি ভালোবাসার টানে হাজির হন। এটি তাঁর কাছে অন্য রকম এক অভিজ্ঞতা। তিনি বলেন, লোককাহিনি থেকে উপাদান সংগ্রহ করে, লোকজ বিষয়বস্তু নিয়ে কাব্যিক ভাষায় লেখা এ নাটক। যেখানে ঘুরেফিরে খাদ্য বা স্বপ্নের জন্য মানুষের জীবনের সংগ্রাম কাব্যিক রূপে এসেছে। রূপকের আড়ালে মানুষের জীবনভর সাধনা-সংগ্রামের গল্প বলেছেন নাট্যকার। যে গল্পে জন্ম হওয়ার পরই মানুষ জীবনভর এমন এক স্বর্ণবোয়ালের পেছনে ছুটেই জীবন সায়াহ্নে পৌঁছায়।
২০০৬ সালে সেলিম আল দীনের একান্ত সচিব হিসেবে পাশে ছিলেন লেখক স্বকৃত নোমান। স্মৃতিচারণা করে তিনি জানান, সেলিম আল দীন যখন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক, অধ্যাপক শামসুল হক প্রায়ই সেলিম আল দীনকে তাঁর মাছ শিকারের বিচিত্র সব কাহিনি শোনাতেন। তখন থেকেই মূলত মাছ নিয়ে কিছু একটা লেখার কথা ভাবতে শুরু করলেন সেলিম আল দীন। এমনিতে তিনি মাছ খেতে খুব ভালোবাসতেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরেই নয়ারহাট বাজার থেকে একটি মাছ কিনলেন তিনি, যেটির গায়ের রং সোনার মতো চকচকে, হলদে। সেই সূত্রে তাঁর কল্পনার চোখে বাজার থেকে কেনা সেই স্বর্ণবরন বোয়াল মাছটি দ্যুতির সজীবতায় জীবন্ত হয়ে উঠেছিল একদিন। এ ঘটনার কয়েক দিন পরই তিনি ‘স্বর্ণবোয়াল’ নাটকটি লিখতে শুরু করেন।
১৯৫৬ সালে কার্জন হলে প্রথম প্রকাশ্য প্রদর্শনী হয়েছিল মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ নাটকটির। তার দীর্ঘ ছয় দশক পর ২০১৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি কার্জন হলে কবর-এর দর্শক প্রদর্শনী করে থিয়েট্রেক্স। আর ১০ বছর আগে ‘কবর’ নাটক নিয়ে যাত্রা শুরু করে থিয়েট্রেক্স। দলটির দ্বিতীয় প্রযোজনা শাহমান মৈশানের ‘দক্ষিণা সুন্দরী’। নাটকটি ২০১৪ সালে কমনওয়েলথ গেমস নাট্যোৎসবে বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো মঞ্চস্থ হয়।
তৃতীয় নাটক আতিকুল ইসলাম রচিত ও নির্দেশিত ‘মা, মাটি ও দেশ’। ‘স্বর্ণবোয়াল’ তাদের চতুর্থ প্রযোজনা। নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন মাহজাবীন ইসলাম, সৈয়দ মেহেদী হাসান, রুদ্র সাঁওজাল, সায়েমা আক্তার, মোর্শেদ মিয়া, রাব্বী মিয়া, রাউফুর রহিম, তিথী চক্রবর্তী। নির্দেশক সুদীপ চক্রবর্তী প্রথম আলোকে জানালেন, দীর্ঘ ১০ বছর নাটকটি নিয়ে কাজ করেছেন তিনি। ১০ বছরের ভাবনা ও গবেষণার পর নাটকটি দর্শকের সামনে মঞ্চায়ন করতে পারার পেছনে শতাধিক মানুষের অবদান রয়েছে। তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি জানান, এখন থেকে নাটকটির নিয়মিত প্রদর্শনী করার ইচ্ছা আছে তাঁদের।
Source: প্রথম আলো
এবার ব্র্যাড পিট–টম ক্রজের সঙ্গে টক্কর দেবেন রাম চরণ ও জুনিয়র এনটিআর
***********************************************************************
এস এস রাজামৌলির ‘আরআরআর’ ছবিটি একের পর এক সাফল্যের কাহিনি লিখে চলেছে। এবার ছবিটির দুই নায়ক রাম চরণ ও জুনিয়র এনটিআর আরও এক নজির সৃষ্টি করলেন। ক্রিটিকস চয়েস সুপার অ্যাওয়ার্ডসে এই দুই দক্ষিণি তারকা সেরা অভিনেতার বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছেন। এবার তাঁদের জোর লড়াই হবে ব্র্যাড পিট, টম ক্রুজের মতো হলিউড তারকাদের সঙ্গে।
গতকাল ক্রিটিকস চয়েস অ্যাওয়ার্ডসের ওয়েবসাইটে মনোনয়ন তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। এই তালিকায় সেরা অভিনেতার বিভাগে রাম চরণ ও জুনিয়র এনটিআরের নাম আছে। ‘টপ গন: ম্যাভেরিক’ ছবির জন্য টম ক্রুজ ও ‘বুলেট ট্রেন’–এর জন্য ব্র্যাড পিটও মনোনয় পেয়েছেন। আগামী ১৬ মার্চ এই বিভাগসহ ক্রিটকস চয়েজের অন্য বিভাগে জয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। এখন দেখার অপেক্ষা রাম চরণ ও জুনিয়র এনটিআর দুই হলিউড তারকাকে হারিয়ে সেরার মুকুট মাথায় পরতে পারেন কি না।
এদিকে আগামী ১৩ মার্চ সময় ভোরে ৯৫তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠান শুরু হবে। অস্কার অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের জন্য রাম চরণ আগেই যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছে গেছেন। সম্প্রতি রাম চরণকে ‘গুড মর্নিং আমেরিকা’ শো-তে অতিথির আসনে দেখা গেছে। এই জনপ্রিয় অনুষ্ঠানে ‘আরআরআর’ ছবির দূরন্ত সাফল্য প্রসঙ্গে কথা তিনি বলেছেন।
রাম চরণ বলেছেন, ‘আমি মনে করি পরিচালক এসএস রাজামৌলির এটা সবচেয়ে সেরা ছবির চিত্রনাট্যের মধ্যে একটি। তাঁকে ভারতের স্টিভেন স্পিলবার্গও মনে করা হয়।’ রাজামৌলি খুব শিগগির একটি আন্তর্জাতিক প্রকল্প পরিচালনা করতে চলেছেন এমন ইঙ্গিত তিনি এই অনুষ্ঠানে দিয়েছেন। রাম চরণ রাজামৌলি সম্পর্কে আরও বলেছেন, ‘আশা করি তিনি খুব শিগগির আগামী ছবির মাধ্যমে বিশ্ব সিনেমার দুনিয়ায় নিজের জায়গা করে ফেলবেন।’
‘আরআরআর’ ছবির ‘নাটু নাটু’ গানটি গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড জয় করেছে। রাজামৌলির এ ছবিটি অস্কার ২০২৩-এর ‘বেস্ট অরিজিনাল স্কোর’ বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছে। ‘আরআরআর’ ছবির নির্মাতারা সিনেমাপ্রেমীদের জন্য অস্কারের আগে আরও একটি খুশির খবর ঘোষণা করেছেন। আগামী ৩ মার্চ এ ছবিটি ভারতের ২০০টি হলে আবার মুক্তি পাবে। এখন থেকেই এই ছবির টিকিট বুকিং শুরু হয়ে গেছে। ‘আরআরআর’ ছবির নতুন ট্রেলারও মুক্তি পেয়েছে।
Source: প্রথম আলো