৪ লাখ ৪২ হাজার ডলারে বিক্রি হলো অ্যাপল-১ কম্পিউটার৪ লাখ ৪২ হাজার ডলারে বিক্রি হলো অ্যাপল-১ কম্পিউটার
***********************************************************************
অ্যাপল কম্পিউটারের দুই প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস ও স্টিভ ওজনিয়াকের হাতে তৈরি প্রথম অ্যাপল কম্পিউটারের নিলাম হয়েছে বহুবার। প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপলের শুরুর দিকের কম্পিউটার ‘অ্যাপল ১’ স্মারক হিসেবে রাখার ব্যাপারে আগ্রহী ব্যক্তির সংখ্যাও কম নয়। আর তাই এবার স্টিভ জবসের হাতে লেখা নম্বরযুক্ত সচল ‘অ্যাপল-১’ কম্পিউটারের দাম নিলামে পৌনে ৪ লাখ ডলার উঠতে পারে বলে ধারণা করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনভিত্তিক নিলাম প্রতিষ্ঠান আরআর অকশন। কিন্তু তাদের ধারণা ভুল প্রমাণিত করে ৪ লাখ ৪২ হাজার ১১৮ ডলারে বিক্রি হয়েছে কম্পিউটারটি।
আরআর অকশনের তথ্যমতে, প্রায় ৪৫ বছর আগের কম্পিউটারটি এখনো সচল রয়েছে। ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলা এই নিলামে প্রথমেই এ কম্পিউটারের দাম পৌনে ৪ লাখ ডলার হাঁকা হয়।
চার দশক আগে বাড়ির গ্যারেজে স্টিভ জবস ও ওজনিয়াক মিলে অ্যাপল গড়ে তোলেন। সেখানে তাঁরা তৈরি করেন ‘অ্যাপল-১’ কম্পিউটার। কম্পিউটারটি মূলত একটি মাদারবোর্ড। কেসিং, মনিটর ও কি-বোর্ড আলাদা করে যুক্ত করে ব্যবহার করতে হয় কম্পিউটারটি।
Source: প্রথম আলো
ল্যাপটপের পর্দা পরিষ্কার করবেন যেভাবে
***********************************************************************
শীতকালে ঘরে-বাইরে ধুলার পরিমাণ বেশি থাকায় কিছুদিন পরপরই ল্যাপটপের পর্দায় ময়লা জমে যায়। দীর্ঘদিন ধুলা জমলে ল্যাপটপের পর্দার বিভিন্ন স্থানে ছোপ ছোপ দাগ পড়ে। ফলে পর্দায় ভালোভাবে ছবি দেখা যায় না। ল্যাপটপের পর্দা নিয়মিত পরিষ্কার করে সহজেই এ সমস্যা দূর করা সম্ভব। তবে পরিষ্কারের সময় সতর্ক না থাকলে ল্যাপটপের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। দেখে নেওয়া যাক ল্যাপটপের পর্দা পরিষ্কারের নিয়মাবলি—
ল্যাপটপের পর্দা পরিষ্কারের আগে অবশ্যই ল্যাপটপের পাওয়ার সুইচ বন্ধ করতে হবে। দীর্ঘসময় চালু থাকলে ল্যাপটপ ঠান্ডা না হওয়া পর্যন্ত পরিষ্কার করা যাবে না। ল্যাপটপের পর্দা পরিষ্কারের জন্য টিস্যু বা পুরোনো কাপড়ের বদলে অবশ্যই মাইক্রোফাইবার বা পরিষ্কার নরম শুকনা সুতির কাপড় ব্যবহার করতে হবে।
মাইক্রোফাইবার কাপড় ব্যবহার করলেও ইচ্ছেমতো ঘষে পরিষ্কার করা যাবে না ল্যাপটপের পর্দা। সংবেদনশীল হওয়ায় ল্যাপটপের পর্দা পরিষ্কারের জন্য বেশ সতর্ক থাকতে হবে। এ জন্য ল্যাপটপের পর্দার মাঝখান থেকে হালকা চাপ দিয়ে বৃত্তাকারভাবে পরিষ্কার করতে হবে। কাপড়ের ময়লা অংশ দিয়ে পর্দার অন্য অংশ পরিষ্কার করা ঠিক নয়। কখনোই আড়াআড়ি বা ওপর–নিচ ঘষে ল্যাপটপের পর্দা পরিষ্কার করা যাবে না।
মনে রাখতে হবে, ল্যাপটপের পর্দায় তরল কোনো পদার্থ সরাসরি স্প্রে করা যাবে না। এতে পর্দার ক্ষতি হতে পারে। তবে শুকনা মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে ময়লা দূর না হলে ল্যাপটপের পর্দা পরিষ্কারের জন্য তৈরি বিশেষ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করতে হবে। এ ক্ষেত্রে পুরো পর্দার বদলে শুধু ময়লাযুক্ত স্থানে রাসায়নিক পদার্থযুক্ত কাপড় ব্যবহার করতে হবে।
Source: প্রথম আলো
উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে ব্যাটারির আয়ু বাড়ানোর উদ্যোগ
***********************************************************************
কারখানাটি এত বড়, যে সেটিকে বড়াই করে গিগাফ্যাক্টরি বলা হয়। টেসভোল্ট কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ডেনিয়েল হানেমান সেই বিশালত্ব স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে চান। বিশাল আকারের ব্যাটারি স্টোরেজ তার ধ্যানজ্ঞান। গোটা বিশ্বেরই সেটা প্রয়োজন। কারণ সেটি ছাড়া টেকসই জ্বালানি সরবরাহ সম্ভব হবে না।
সূর্যের আলোর অভাবে বিদ্যুৎ না পেলে কী হবে? উত্তরটা সহজ-আগেই সেই বিদ্যুৎ ধারণ করে রাখতে হবে। টেসভোল্ট কোম্পানি এর জন্য ব্যাটারি সরবরাহ করছে। জার্মানির পূর্বাংশের ছোট এক জনপদ এভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের ওপর নির্ভরতা দূর করছে। সেই সোলার পার্কের উদ্যোক্তা লুকাস মগ বলেন, ‘দুপুরে আবহাওয়া ভালো থাকলে জার্মানির অনেক সোলার প্ল্যান্ট চালু থাকে। তখন আমরা স্টোরেজে বিদ্যুৎ জমা করি। কিন্তু সন্ধ্যার মতো আবহাওয়া থাকলে স্টোরেজে জমা বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারি।’
জার্মানিতে এমন কাজ খুব কম করা হয়। তবে বর্তমানে ব্যাটারি স্টোরেজের চাহিদা হু হু করে বেড়ে চলেছে। একটি মডিউল দশ কিলোওয়াট আওয়ার শক্তি ধারণ করে, যা চারজনের পরিবারের দৈনিক চাহিদার সমান। শিল্পক্ষেত্রের জন্য আরও বড় ইউনিট তৈরি করে টেসভোল্ট।
টেসভোল্ট কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা হানেমান বলেন, ‘ইউক্রেন সংকটের জের ধরে কোম্পানিগুলি টেকসই, নির্ভরযোগ্য ও ন্যায্য মূল্যের জ্বালানি সরবরাহ চাইছে। সে কারণে গ্রাহকেরা আমাদের ফোন করে বলছেন, আমি বিদ্যুতের মাশুল সমান রাখতে স্টোরেজ চাইছি। বেড়ে চলা বিদ্যুতের মাশুল থেকে মুক্তি পাওয়ার এটাই একমাত্র পথ।’
সৌর বিদ্যুৎ ও স্টোরেজ ২০ বছর ব্যবহার করলে লাভ হয় বৈকি। সৌর বিদ্যুৎ থেকে পাওয়া কিলোওয়াট আওয়ারের মূল্য ছয় সেন্ট। সেই সঙ্গে স্টোরেজের জন্য আরও দশ সেন্ট। অর্থাৎ সব মিলিয়ে ১৬ সেন্ট, যা বর্তমানে প্রচলিত মাশুলের তুলনায় প্রায় অর্ধেক।
কিন্তু সমস্যা হলো সাধারণত ব্যাটারি স্টোরেজের আয়ু বেশি দিন হয় না। প্রতি বছর শক্তি কমতে থাকে। প্রচলিত স্টোরেজের ক্ষেত্রে সবচেয়ে দুর্বল ব্যাটারি গোটা ব্যাটারি প্যাকের ক্ষমতা নির্ধারণ করে। পদার্থবিদ্যার এই নিয়মই এই ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা।
টেসভোল্ট কোম্পানির মডেলে শক্তিশালী ব্যাটারিগুলি দুর্বল ব্যাপারগুলোকে সাহায্য করতে এগিয়ে এসে গোটা ব্যাটারি প্যাকের ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। এই বৈশিষ্ট্যের দৌলতে টেসভোল্ট প্রতিযোগীদের তুলনায় বেশি মূল্য চাইতে পারে। হানেমান বলেন, ‘এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা ব্যাটারির আয়ু প্রায় দ্বিগুণ করে তুলতে পারি। সেটা বড় এক সুবিধা। কারণ যেসব গ্রাহক সৌর অথবা বায়ুশক্তিতে বিনিয়োগ করছেন, তারা মাত্র পাঁচ বছরের জন্য নয় বরং ২০ বছরের জন্য সুফল পেতে চান। ব্যাটারির আয়ুও তত দিন হওয়া উচিত।’
তবে এই প্রযুক্তির জন্য অনেক চিপের প্রয়োজন হয়। চিপের আকালের এই সময়ে এই স্টার্ট আপ কোম্পানিও সমস্যায় পড়ছে। উৎপাদন আরও বাড়াতে কোম্পানিটি নতুন স্টোরেজের মডেল সৃষ্টি করেছে। ডানিয়েল হানেমান বলেন, ‘আমাদের অত্যন্ত দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাতে হয়েছিল। নতুন এক মডিউলের মাধ্যমে আমরা উৎপাদন প্রক্রিয়া ও পণ্যের মধ্যে চিপের মোট চাহিদা ৮০ শতাংশ কমাতে পেরেছিলাম। ফলে আমরা বর্তমান অভাব সত্ত্বেও বৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে পেরেছি। গত বছরের তুলনায় চলতি বছর বৃদ্ধির হার ১০০ শতাংশ।’
গোটা বিশ্বে পরিবেশবান্ধব ‘গ্রিন ইলেকট্রিসিটি’ এর চাহিদা দ্রুত বেড়ে চলেছে। কিন্তু স্টোরেজের ক্ষমতা সে তুলনায় পিছিয়ে পড়ছে। মূলত প্রয়োজনীয় কাঁচামালের অভাবেই সেটা সম্ভব হচ্ছে না। হানেমান মনে করেন, ‘কাঁচামালের অভাবই সেই পথে প্রধান অন্তরায়। ব্যাটারির মধ্যে প্রায়ই রেয়ার আর্থ প্রয়োজন হয়। নতুন প্রজন্মের ব্যাটারি সেলের মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও সস্তার এবং আরও সহজলভ্য কাঁচামাল ব্যবহার সম্ভব করে তুলতে হবে। তখনই বিশাল আকারে এর প্রসার সম্ভব হবে, যাতে গোটা ইউরোপ, অন্তত ইউরোপের কিছু অংশে সত্যি স্বয়ংসম্পূর্ণ, পরিবেশবান্ধব, ন্যায্য মূল্যে এবং নির্ভরযোগ্যভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যায়।’
ন্যাট্রিয়াম ব্যাটারির এমন কাঁচামাল হতে পারে। কয়েক বছরের মধ্যেই এই উপাদান ব্যবহার করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
টেসভোল্ট কোম্পানির কাছে ১০ কোটি ইউরো মূল্যের বেশি অর্ডার রয়েছে। সম্প্রতি বিনিয়োগকারীরা আরও মূলধন জোগাড় করেছেন। ফলে দ্রুত আরও একটি গিগাফ্যাক্টরি নির্মাণের তোড়জোড় শুরু হয়েছে।
Source: প্রথম আলো
গুগলে সার্চ করার ২৫ বছরের রেকর্ড ভাঙল আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স ফাইনাল
***********************************************************************
গতকাল রোববার কাতারে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফুটবলের চূড়ান্ত আসরে ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আর্জেন্টিনা। টান টান উত্তেজনার এ ম্যাচ দেখতে টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রেখেছিলেন সারা বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীরা। টেলিভিশনে খেলা দেখার পাশাপাশি ফুটবল বিশ্বকাপের রেকর্ড বা বিভিন্ন বিশ্লেষণ জানতে গুগলে তথ্য খুঁজেছেন অসংখ্য ব্যক্তি। তথ্য খোঁজার এ সংখ্যা গত ২৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বলে জানিয়েছে গুগল।
গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুন্দর পিচাই এক টুইটে জানিয়েছেন, গত ২৫ বছরে গুগল কখনো এত বেশি ট্রাফিক দেখেনি। ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপের ফাইনাল চলাকালে গত ২৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ট্রাফিক রেকর্ড করা হয়েছে গুগলে। মনে হয়, সারা বিশ্ব একটি বিষয়েই অনুসন্ধান করছে।
বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলা দেখে মুগ্ধ হওয়ার অনুভূতিও প্রকাশ করেছেন সুন্দর পিচাই। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সর্বকালের সেরা গেমগুলোর মধ্যে এটি একটি। ভালো খেলেছে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্স। মেসির চেয়ে আর কেউ এর যোগ্য নন।’
গুগলের পাশাপাশি টুইটারেও সর্বোচ্চ টুইটের সংখ্যার রেকর্ড ভেঙেছে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের খেলা। টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ ফুটবল শুরুর পর প্রতি সেকেন্ডে সর্বোচ্চ প্রায় ২০ হাজার টুইট বিনিময় হয়েছে টুইটারে। গতকাল আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের খেলায় এমবাপ্পের দ্বিতীয় গোল দেওয়ার পর সেকেন্ডে প্রায় সাড়ে ২৪ হাজার টুইট বিনিময় হয়েছে, যা বিশ্বকাপ চলাকালে সর্বোচ্চ।
Source: প্রথম আলো
ভিডিও কলে এক ভাষার কথা অন্য ভাষায় অনুবাদ করে শোনাবে স্কাইপ
***********************************************************************
ইংরেজিতে দক্ষ হলেও ফরাসি, চীনা, জার্মান, স্প্যানিশ, পর্তুগিজ ইত্যাদি ভাষা বুঝতে সমস্যা হয় অনেকের। ফলে ভিন্ন ভাষায় কথা বলা ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনার সময় ভাষা জটিলতায় পড়েন অনেকেই। ভিডিও কলে কথা বলার সময় এ সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় সবচেয়ে বেশি। বিষয়টি মাথায় রেখে নিজেদের ভিডিও কলিং সফটওয়্যার স্কাইপে ভাষা অনুবাদ সুবিধা চালু করছে মাইক্রোসফট।
নতুন এ সুবিধা চালু হলে ভিডিও কলে এক ভাষার কথা সরাসরি নির্দিষ্ট ভাষায় অনুবাদ করে শোনা যাবে। শুধু তা–ই নয়, নিজের কথাও অন্য ভাষায় অনুবাদ করে শোনানো যাবে। ফলে ভিন্ন ভাষাভাষীরা স্বচ্ছন্দে একে অপরের সঙ্গে অনলাইন বৈঠক করতে পারবেন।
মাইক্রোসফট জানিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে সঙ্গে সঙ্গেই মুখের কথা সরাসরি অনুবাদ করে শোনাবে স্কাইপ। অনুবাদ করা বাক্য বক্তার কণ্ঠস্বরের আদলে তাৎক্ষণিক শোনা যাওয়ায় স্বচ্ছন্দে আলোচনা করা যাবে। প্রাথমিকভাবে গ্রুপ ভিডিও কলে এ সুবিধা চালু করা হবে।
Source: প্রথম আলো