আসছে প্রাচ্যনাটের নতুন নাটক
***********************************************************************
ঢাকার মঞ্চে আসছে আরেকটি নতুন নাটক। শনিবার প্রাচ্যনাট ইন-হাউস আনবে নতুন নাটক ‘আ মাদার ইন ম্যানভিল’। সন্ধ্যা ৬টা ও সাড়ে ৭টায় শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে নাটকটির দুটি প্রদর্শনী হবে। মার্কিন লেখিকা মার্জোরি কিনান রলিংসের ছোটগল্প থেকে ইংরেজিতে নাট্যরূপ দিয়েছেন শওকত হোসেন। রূপান্তর ও নির্দেশনায় আছেন ফরহাদ হামিদ। প্রাচ্যনাট ইন-হাউস একটি মহড়াকক্ষভিত্তিক নাট্যশীলনপ্রক্রিয়া, যেখানে দলের সদস্যরা নিরীক্ষাধর্মী কাজ করেন।
মার্জোরি কিনান রলিংসের লেখা ‘আ মাদার ইন ম্যানভিল’ একটি হৃদয়স্পর্শী ছোটগল্প, যা প্রেম, ত্যাগ ও সামাজিক সম্পর্কের গুরুত্ব অনুসন্ধান করে। একজন লেখিকা ও ১২ বছর বয়সী এতিম ছেলে জেরিকে ঘিরে গল্পটি আবর্তিত হয়েছে।
লেখালেখি করতে কয়েক দিনের জন্য ক্যারোলিনা পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এতিমখানার গেস্টহাউসে যান লেখিকা। লেখিকার ঘর গরম রাখার চুল্লির কাঠ কেটে দেওয়ার দায়িত্ব পায় জেরি। এভাবেই জেরি ও লেখিকার পরিচয়। গল্প যত এগোতে থাকে, চরিত্র দুটি তত কাছাকাছি আসে। পাশাপাশি জেরির সঙ্গে লেখিকার পোষ্য কুকুরেরও বন্ধুত্ব হয়ে যায়। এতিম জেরির একাকিত্ববোধ এবং মায়ের ভালোবাসা পাওয়ার আকুলতা তার কল্পনায় বিভিন্ন গল্প তৈরি করে। অন্যদিকে বেদনাবিধুর অতীত ভুলে নতুন করে জীবন শুরু করতে চান লেখিকা।
৫৫ মিনিটের নাটকটিতে অভিনয় করেছেন ডায়না ম্যারেলিন চৌধুরী, শ্রেয়ান ওয়াদি, আহমাদ সাকি, ফয়সাল ইবনে মিজান, অদ্রীজা আমিন, নাহিদা আক্তার, চন্দ্রবিন্দু তোতা, স্বাতী ভদ্র, তানজি কুন ও সুপ্তি দাস। নাটকটির সেট ডিজাইন করেছেন ফয়সাল ইবনে মিজান, লাইট ডিজাইন করেছেন নাহিদা আক্তার, মিউজিক করেছেন এবি সিদ্দিকি, প্রপস তৈরি করেছেন তানজি কুন ও স্বাতী ভদ্র, পোশাক ডিজাইন করেছেন জেসমিন জাহান, কোরিওগ্রাফি করেছেন ডায়না ম্যারেলিন চৌধুরী ও পাপেট নির্মাণ করেছেন চন্দ্রবিন্দু তোতা।
source : প্রথম আলো
এবার এলিট শ্রেণির দর্শকও আমার টার্গেট: হিরো আলম
***********************************************************************
‘টোকাই’ বানাতে গিয়ে পদে পদে হয়রানির মুখে পড়তে হয়েছে, নিজেই এই কথা জানালেন হিরো আলম। ‘অভিনয়শিল্পীরা অনেকে রাজি হন না। অনেক অনুরোধ করে রাজি করালেও অন্যরা তাদের আমার সিনেমায় কাজ করা নিয়ে বাজে কথা বলেছে। অনেকেই ভয় দেখায় আমার সিনেমা করলে তাদের কাজ কমে যাবে। আমি সিনেমা বানাতে পারব না। সিনেমা মুক্তি দিতে পারব না। সবাইকে বলেছি আপনারা মুখ ফিরিয়ে নিলে আমি চলচ্চিত্রে কাজ করব কীভাবে? তখন তাঁরা রাজি হয়েছেন,’ মনে কষ্ট নিয়েই কথাগুলো বলে গেলেন হিরো আলম। তবে শেষ পর্যন্ত ঠিকই শেষ করেছেন ছবির কাজ। আজ মুক্তি পাচ্ছে তাঁর নতুন সিনেমা টোকাই।
প্রথম সিনেমা ‘সাহসী হিরো’ আলম মুক্তির সময়ে হিরো আলমকে অনেক বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। অনেকেই চাচ্ছিলেন না সিনেমাটা মুক্তি পাক। এবার তাঁর সামনে কোনো বাধা নেই। বরং এবার সাধুবাদ পাচ্ছেন বলে জানালেন হিরো আলম। সিনেমাটি নিয়ে প্রত্যাশা কী, কেন মনে হলো আপনার সিনেমা দর্শক দেখবে?
হিরো আলম বলেন, ‘ভক্তদের মাঝে জনপ্রিয়তা আমার আগের চেয়ে বেড়েছে। আমার ছবি নিয়ে তাদের অনেক উচ্ছ্বাস। ভালো রেসপন্স পাচ্ছি। সব সময় আমাকে যাঁরা বাধা দেন, তাঁদের আমি দেখিয়ে দিব।
আমার সিনেমা দেখতে মানুষ এবার হলে আসবেন। আমি যে শুধু নামেই হিরো না; চলচ্চিত্রজগতেও যে আমি হিরো, সেই সফলতা নিয়ে আসব। আমার প্রথম বাধা ছিল হল। সেখানে এই দুঃসময়ে ৩০টি সিনেমা হল পেয়েছি। এসবই আমার জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল।’
করোনার মধ্যে সিনেমার শুটিং শুরু করেছিলেন। ৩০ দিন টানা শুটিং করে ছবি শেষ করার কথা থাকলেও সেই কাজ শেষ করতে লেগে যায় ৩ মাস। হিরো আলম জানালেন, অর্থের জন্য সিনেমার শুটিং মাঝেমধ্যেই বন্ধ করে দিতে হয়েছে। কারণ, তিনি নিজেই প্রযোজক। পরে মিউজিক ভিডিওসহ অন্যান্য উৎস থেকে অর্থ আয় করে সিনেমার শুটিং করেছেন। আপনার সিনেমার দর্শক কারা? এমন প্রশ্নের জবাবে হিরো আলম বলেন, ‘আমি খেটে খাওয়া মানুষের দলে। আমি যা করি, সেগুলো বেশির ভাগ নিম্নবিত্ত, টোকাই শ্রেণির মানুষ দেখেন। অন্যরাও দেখেন। দেখে হিরো আলমকে টেনে নিচে নামাতে চান। যাঁরা আমাকে পছন্দ করেন, তাঁদের জন্যই এ কাজ। তাঁরা বুঝবেন একটা টোকাই কত কষ্ট করে তার পরিবার চালায়। এবার এলিট শ্রেণির দর্শকও আমার টার্গেটে আছে।’
‘টোকাই’ সিনেমায় হিরো আলমের জুটি হয়েছেন রিয়া চৌধুরী। তাঁর এটি চতুর্থ সিনেমা। এই নায়িকাও হিরো আলমের সঙ্গে প্রথমে অভিনয় করতে চাননি। পরে রাজি হয়েছেন। মজা করে তিনি হিরো আলমের নাম রেখেছেন ‘নেভার গিভআপ ম্যান’। রিয়ার কাছে মনে হয়েছে, কোনো কাজে জড়িয়ে গেলে তিনি হাল ছাড়েন না।
তিনি একটি ভিডিওবার্তায় বলেন, ‘আমি বড় প্রতিষ্ঠানেও কাজ করেছি। তারা ফরমালি সম্মান করে। কিন্তু হিরো আলম মন থেকে সম্মান করে। তার সঙ্গে অভিনয় করে আমি খুশি। দর্শক সিনেমাটি দেখলে আমাদের পরিশ্রম সার্থক হবে।’ সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন কাজী হায়াৎ, মেহেদী, রিনা খান, দুলালী প্রমুখ। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন বাবুল রেজা।
সবশেষে দর্শকের উদ্দেশে হিরো আলম বলেন, ‘আপনারা সিনেমা দেখে ভুল থাকলে আমাকে বলেন। আমি সামনে ভালো করব।’
source : প্রথম আলো
৫২ কোটি টাকা পারিশ্রমিক!
***********************************************************************
‘ওয়ার’ থেকে ‘পাঠান’—পরপর দুই সুপারহিট সিনেমার পর সিদ্ধার্থ আনন্দ এখন চাহিদার তুঙ্গে। হিন্দি সিনেমার প্রযোজকদের অ্যাকশন সিনেমার কথা মাথায় এলেই ‘পাঠান’ নির্মাতার কথা মনে পড়ে। সেটা এতটাই যে নিজের পরের ছবি নির্মাণের জন্য রেকর্ড পারিশ্রমিক পাচ্ছেন এই পরিচালক।
প্রযোজনা সংস্থা যশরাজ ফিল্মস আগেই জানিয়েছিল, তাঁরা স্পাই ইউনিভার্স তৈরি করছে। শাহরুখ অভিনীত ‘পাঠান’-এ হাজির হয়েছিলেন টাইগার চরিত্রে অভিনয় করা সালমান খান। আবার সালমান খান অভিনীত ‘টাইগার ৩’-তে দেখা যাবে পাঠানকে।
সালমান ও শাহরুখকে একসঙ্গে পর্দায় দেখে দারুণ পছন্দ করেছে দর্শকেরা।
তাই আগামী জানুয়ারিতে দুই তারকাকে নিয়ে আলাদা সিনেমা নির্মাণ করবে যশরাজ ফিল্মস।
‘টাইগার ভার্সেস পাঠান’ নামে সেই সিনেমা নির্মাণের দায়িত্ব পড়েছে সিদ্ধার্থ আনন্দের ঘাড়ে। জানা গেছে, ছবিটির জন্য ৪০ কোটি রুপি বা প্রায় ৫২ কোটি টাকা পারিশ্রমিক পাচ্ছেন নির্মাতা। যা হিন্দি সিনেমার কোনো পরিচালকের জন্য রেকর্ড।
তবে এই প্রথম নয়, আগে আরেকটি ছবির জন্য ৬৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক পাওয়ার কথা ছিল সিদ্ধার্থ আনন্দের। তবে প্রভাসকে নিয়ে সে ছবি আপাতত হচ্ছে না। মূলত ‘টাইগার ভার্সেস পাঠান’ পরিচালনা করবেন বলেই প্রভাসকে নিয়ে ছবিটি ছেড়েছেন সিদ্ধার্থ।
‘টাইগার ভার্সেস পাঠান’-এর দুই নায়িকার ভূমিকা দেখা যেতে পারে দীপিকা পাড়ুকোন ও ক্যাটরিনা কাইফকে। ছবিটি মুক্তি পাবে ২০২৫ সালে।
source : প্রথম আলো
ঢাকায় গাইলেন অনুব জৈন
***********************************************************************
ঢাকায় গাইলেন ‘বারিষে’, ‘মাজাক’-খ্যাত ভারতের তরুণ গায়ক, গীতিকার ও সুরকার অনুব জৈন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) ‘লেটস ভাইব উইথ অনুব জৈন’ শীর্ষক কনসার্টে গান পরিবেশন করেন তিনি।
টিকিটের দাম চড়া হলেও মিলনায়তনজুড়ে দর্শকের ঠাসা ভিড় ছিল। এবারই প্রথমবার ঢাকায় গাইতে এসেছেন অনুব, ডিজিটাল মাধ্যমের কল্যাণে ঢাকার তরুণদের কাছে কয়েক বছর ধরেই পরিচিত অনুব।
প্রায় ৪০ মিনিটের মতো মঞ্চে ছিলেন অনুব জৈন। তিনি একে একে পরিবেশন করেছেন তাঁর আলোচিত গান ‘গুল’, ‘আলাগ আসমান’, ‘বারিষে’, ‘মাজাক’, ‘মেরি বাতো মে তু’। পরিবেশনার শেষ ভাগে আবার পরিবেশন করেন ‘বারিষে’।
এর আগে মঞ্চে আসেন তাহসান, তিনি ‘আলো’সহ একাধিক গান পরিবেশন করেছেন। কোক স্টুডিও বাংলার আলোচিত গান ‘দেওরা’সহ ‘লোকাল বাস’ পরিবেশন করেন গায়ক প্রীতম। আরেক গায়িকা জেফারও গান পরিবেশন করেছেন।
অনুব জৈনসহ তাহসান, প্রীতম ও জেফারের গান উপভোগ করেছেন শ্রোতারা। তবে কনসার্টের আয়োজনে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলেছেন দর্শকদের কেউ কেউ। অনেকে ফেসবুক লিখছেন, মিলনায়তনে ধারণক্ষমতার তুলনায় অধিক দর্শক প্রবেশ করেছিলেন। ঠাসা ভিড়ের মধ্যে দুইবার এসি বন্ধ ছিল। ফলে গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা হয়েছিল।
যৌথভাবে কনসার্টের আয়োজন করেছে এডভেন্টর কমিউনিকেশনস ও ট্রিপল টাইম কমিউনিকেশনস। শ্রোতাদের অভিযোগের বিষয়ে নাম না প্রকাশের শর্তে ট্রিপল টাইম কমিউনিকেশনসের এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে জানান, তাঁরাও এমন অভিযোগ পেয়েছেন।
তাঁর দাবি, শেষ মুহূর্তে বেশ কিছু দর্শক মিলনায়তনে এসেছেন, তাঁদের নিবৃত্ত করা যায়নি। আর বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় জেনারেটর চালুর মাঝখানে দুইবার এসি বন্ধ ছিল। পরবর্তী কনসার্ট আয়োজনে এসব বিষয়ে আরও সতর্ক থাকা হবে বলে জানান আয়োজকেরা।
কনসার্ট শেষ করে আজ শুক্রবার সকালের ফ্লাইটে ভারতে ফিরে গেছেন অনুব জৈন।
source : প্রথম আলো
নীলফামারীতে ধারণ করা ‘ইত্যাদি’র পুনঃপ্রচার হবে
***********************************************************************
উত্তরের প্রাচীন জনপদ নীলফামারীতে ধারণ করা ‘ইত্যাদি’র পুনঃপ্রচার করা হবে শুক্রবার রাত আটটার বাংলা সংবাদের পর। ফাগুন অডিও ভিশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একসময়ের মঙ্গাকবলিত, পিছিয়ে পড়া উত্তরের এই জনপদ এখন সব সীমাবদ্ধতাকে পেছনে ফেলে হয়ে উঠছে আলোকিত জনপদ। ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর উত্তরা ইপিজেডের অভ্যন্তরে নীলফামারীর বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী জিনিস দিয়ে সাজানো মঞ্চে ধারণ করা হয়েছিল পর্বটি। ইপিজেডের অভ্যন্তরে বর্ণিল আলোয় আলোকিত মঞ্চের সামনে দর্শক ছিলেন ইপিজেডের কয়েক হাজার শ্রমজীবী ও নীলফামারীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বিষয় বৈচিত্র্যে ভরপুর ইত্যাদির এই পর্বে রয়েছে বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন। নীলফামারীর ইতিহাস– ঐতিহ্যের ওপর একটি তথ্যসমৃদ্ধ প্রতিবেদন। রয়েছে নেদারল্যান্ডসপ্রবাসী আনোয়ারার পরিবারকে খুঁজে পাওয়ার ঘটনা, রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার গ্রাম, বাড়ি ও তার বন্দিশালা রোবেন আইল্যান্ডের ওপর একটি প্রতিবেদনসহ এই অঞ্চলের শ্রমজীবী মানুষদের হাতে তৈরি বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের পণ্যসামগ্রী নির্মাণের বিস্ময়কর কাহিনি। এ ছাড়া নীলগাছ, নীল চাষ আর নীলকরদের অত্যাচার, ভাওয়াইয়া সংগীতের সম্রাট আব্বাসউদ্দিন, নীলসাগর, চিনি মসজিদ, রেলওয়ে কারখানার ওপর তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন।
এই ইত্যাদিতে দেখা যাবে আমাদের দেশের বিশেষ করে শহরাঞ্চলের নানান সমস্যা নিয়ে পাঁচজন বিখ্যাত ও আলোচিত চরিত্রের সংলাপ। চরিত্রগুলো কাল্পনিক না হলেও অবস্থাটা কাল্পনিক। আর এই আলোচিত মানুষদের কাল্পনিক চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন দর্শকপ্রিয় পাঁচজন অভিনয় তারকা—শহীদুজ্জামান সেলিম, চঞ্চল চৌধুরী, মীর সাব্বির, অপূর্ব ও জাহিদ হাসান। পর্বটি যেমন মজার, তেমনি এর মধ্য দিয়ে উঠে এসেছে সামাজিক অসংগতির চিত্র।
ইত্যাদিতে নীলফামারীর সন্তান ইবরার টিপু ও স্থানীয় শিল্পীদের মাধ্যমে পরিবেশিত হয় এ অঞ্চলেরই প্রায় ১৫০ বছরের পুরোনো একটি চট্কা গান। এ ছাড়া নীলফামারীকে নিয়ে রচিত একটি গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেছেন উত্তরা ইপিজেডের একদল শ্রমজীবী মানুষ।
দর্শক পর্বের দ্বিতীয় পর্বে নির্বাচিত দর্শকেরা আঞ্চলিক ভাষায় একটি নাট্যাংশে অভিনয় করেন। দর্শকদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন নীলফামারীর কৃতী সন্তান অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর। এই পর্বে হানিফ সংকেতের সঙ্গে রয়েছে তাঁর একটি ভিন্নরকম সাক্ষাৎকার।
অনুষ্ঠানে মামা-ভাগনে, নানি-নাতি, চিঠিপত্রসহ বিভিন্ন সামাজিক অসংগতি ও সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে রয়েছে বেশ কয়েকটি বিদ্রূপাত্মক নাট্যাংশ। ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। একযোগে পুনঃপ্রচার হবে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে।
source : প্রথম আলো
Install app for better experience