Day had broken cold and grey, exceedingly cold and grey, when the man turned aside from the main Yukon trail and climbed the high earth- bank, where a dim and little-travelled trail led eastward through the fat spruce timberland. It was a steep bank, and he paused for breath at the top, excusing the act to himself by looking at his watch. It was nine o’clock.
read more ...
https://www.anuperona.com/to-b....uild-a-fire-by-jack-
‘১০০ কোটি ডলারে বিক্রি হচ্ছে অ্যাংরি বার্ডস
***********************************************************************
ফিনিশ মোবাইল গেম অ্যাংরি বার্ডসের মূল প্রতিষ্ঠান রোভিও এন্টারটেইনমেন্টকে ১০০ কোটি (১ বিলিয়ন) ডলারে কিনতে যাচ্ছে সেগা। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী মাসের মধ্যেই অ্যাংরি বার্ডসের মূল প্রতিষ্ঠানকে কেনার এ চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে।
অ্যাংরি বার্ডস মোবাইল গেম ২০০৯ সালে প্রথম নিয়ে আসা হয়। বিশ্বজুড়েই তখন তুমুল জনপ্রিয়তা পায় এ গেম। কিন্তু ২০১৪ সালের দিকে জনপ্রিয়তা কমতে থাকে গেমটির। এমনকি সে সময় কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনাও ঘটে। জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার পরেও গেমটি ১০০ কোটি ডলারে কিনতে যাচ্ছে সেগা স্যামি হোল্ডিংস। তাই এ নিয়ে অনেকে বিস্ময়ও প্রকাশ করেছেন।
২০১৬ সালে অ্যাংরি বার্ডস জনপ্রিয়তা ফিরে পেতে নতুন পদক্ষেপও নয়। সে বছর ভিডিও গেমভিত্তিক সিনেমা দ্য অ্যাংরি বার্ডস নিয়ে আসে প্রতিষ্ঠানটি। অ্যানিমেটেড এ সিনেমা সফলও হয়। এখন পর্যন্ত ভিডিও গেম সিনেমা ক্যাটাগরিতে বক্স অফিসে সর্বোচ্চ আয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে সিনেমাটি। ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটির সিক্যুয়েল দ্য অ্যাংরি বার্ডস মুভি ২ অবশ্য তেমন সফল হয়নি। সে সময় অ্যাংরি বার্ডসের প্রতিদ্বন্দ্বী গেম ক্যান্ডি ক্রাশের জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে।
এদিকে সম্প্রতি গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাংরি বার্ডস মোবাইল গেমটি সরিয়ে নিয়েছে রোভিও। তবে আইফোনে গেমটির নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে রেড’স ফার্স্ট ফ্লাইট। এর আগে ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান প্লেটিকা রোভিও এন্টারটেইনমেন্টকে ৮০ কোটি ডলারে কিনবে বলে একটি চুক্তি করেছিল বলে শোনা গেলেও তা আর সফল হয়নি।
অ্যাংরি বার্ডস মোবাইল গেমটি প্রথম কোনো গেম, যা ১০০ কোটি বার নামানো (ডাউনলোড) হয়েছে। এ ছাড়া রোভিওর দাবি, গত বছর প্রতিষ্ঠানটির সব গেম মিলে ডাউনলোডের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০০ কোটি।
সূত্র: দি ভার্জ
Source: প্রথম আলো
‘সাড়ে ৫২ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ পেয়েছে দেশি স্টার্টআপ ‘যাত্রী’
***********************************************************************
গণপরিবহন খাতের মানোন্নয়নে কাজ করার জন্য প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনী উদ্যোগ (স্টার্টআপ) ‘যাত্রী’ এ পর্যন্ত সাড়ে ৫২ লাখ মার্কিন ডলার বিদেশি বিনিয়োগ পেয়েছে। সম্প্রতি সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এসবিকে টেকের নেতৃত্বে আলসা, জেনটিং ভেঞ্চারস, ডিভিসি, দোহা টেক অ্যাঞ্জেলস যাত্রীতে বিনিয়োগ করেছে। এ ছাড়াও বর্তমান বিনিয়োগকারীদের মধ্যে রিফ্লেক্ট ভেঞ্চারস, ব্রেন টু ফ্রি ভেঞ্চারস, টকামসেফ ক্যাপিটাল ও সবর ক্যাপিটাল এই রাউন্ডে বিনিয়োগ করেছে। গতকাল শনিবার যাত্রীর প্রধান নির্বাহী আজিজ আরমান মুঠোফোনে প্রথম আলোকে এসব তথ্য জানান।
আজিজ আরমান প্রথম আলোকে বলেন, বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে যাত্রী সাড়ে ৫২ লাখ ডলারের বেশি বিনিয়োগ পেয়েছে, যার ধারাবাহিকতায় যাত্রী দেশের সব জেলা শহর ও শহরতলীতে কার্যক্রম বাড়াবে। পাশাপাশি পরিবহন প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহক পর্যায়ে কার্যক্রম বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের গণপরিবহন খাত খুব একটা সুশৃঙ্খল, প্রযুক্তিবান্ধব ও উন্নত নয়। বেশির ভাগ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের বাহন হলো বাস। বাসে অতিরিক্তি ভিড় ও অনিয়ন্ত্রিত ভাড়া নিয়ে যাতায়াতকারীদের যেমন ভোগান্তি রয়েছে, অন্যদিকে বাস মালিক ও অপারেটররা ভাড়া গ্রহণ ও বাস পরিচালনায় তার কর্মীদের অসহযোগিতা ও অসদাচরণের কারণে ভোগান্তিতে পড়ছে। এসব ভোগান্তি নিরসন ও এই খাতকে প্রযুক্তিবান্ধব করে তোলার লক্ষ্যেই কাজ করছে যাত্রী।
যাত্রীর কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে বাস মালিক ও অপারেটরদের একটি নেটওয়ার্কের আওতায় এনে প্রতিটি বাসকে এর সঙ্গে যুক্ত করে প্রতিদিনের যাবতীয় কাজের তথ্য আদান-প্রদান করা হয়। পাশাপাশি নিশ্চিত করা হচ্ছে নিরবচ্ছিন্ন বাস পরিচালনা করা, যার ফলে যাত্রীরাও সঠিক ভাড়ায় ঝামেলা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারছেন। যাত্রী এখন গণপরিবহনে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে, যার মাধ্যমে প্রচলিত নগদ লেনদেন ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে সম্পূর্ণ ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা নিয়ে আসা সম্ভব হবে।
যাত্রীতে প্রধান বিনিয়োগকারী এসবিকে টেকের ব্যবস্থাপনা অংশীদার সোনিয়া বশির কবির প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা যাত্রী’র মতো স্টার্টআপে বিনিয়োগ করতে সব সময়ই আগ্রহী, যারা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে কাজ করে। গণপরিবহন একটি বিশাল অর্থনৈতিক সম্ভাবনার খাত, যার বাজারমূল্য কয়েক হাজার কোটি টাকার বেশি। এই খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে এলে, তা সমগ্র বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। যাত্রীর এ ধরনের কার্যক্রম সাধারণ মানুষের গণপরিবহন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যা অনায়াসেই সমাধান করতে পারবে বলে বিশ্বাস করি।’
সম্প্রতি ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ঢাকা শহরে ৫ হাজার ৬৫০টি বাসে ই-টিকেটিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যাত্রীকে অংশীদার করেছে। ফলে যেসব বাস অপারেটর এই পরিষেবার আওতায় নেই, তারাও এটি নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে যাত্রী সূত্রে জানা যায়। বাস পরিচালনার প্রতিদিনের কার্যক্রমের হিসাব রাখার যে প্রচলিত ব্যবস্থা তার বদলে যাত্রীর দেওয়া নতুন ব্যবস্থাপনায় এ বাসপ্রতি দৈনিক ১৫ থেকে ২০ শতাংশ টিকিট বিক্রি বেড়েছে। পাশাপাশি বাস পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের কাজের তদারকি বেড়েছে। যাত্রীর মাধ্যমে পুরো দেশে এরই মধ্যে ১০ কোটির বেশি টিকিট বিক্রি হয়েছে।
যাত্রীর এই লক্ষ্য ও কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে আজিজ আরমানের সঙ্গে সহপ্রতিষ্ঠাতা হিসেবে রয়েছেন জিয়া উদ্দিন ও খন্দকার তাসওয়ার জাহিন।
Source: প্রথম আলো