🌕🚀 ৫৩ বছর পর, যুক্তরাষ্ট্র আবার চাঁদে ফিরে যাচ্ছে।
১৯৭২ সালের পর এই প্রথম, নাসা আবার মানুষকে নিম্ন পৃথিবী কক্ষপথের বাইরে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। রোবট নয়। প্রোব নয়। মহাকাশচারী।
এই মিশনের নাম আর্টেমিস II, যা বর্তমানে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ উৎক্ষেপণের জন্য নির্ধারিত, এবং সময়সীমা ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত বিস্তৃত। 📅
এটা নস্টালজিয়া নয়।
এটা নতুন করে শুরু।
🚀 কেন আর্টেমিস II গুরুত্বপূর্ণ
• ৫৩ বছরে প্রথম মানবসহ চাঁদ মিশন
• চাঁদের চারপাশে ঘুরে আসার ১০ দিনের যাত্রা
• ক্রু:
– রিড ওয়াইজম্যান
– ভিক্টর গ্লোভার
– ক্রিস্টিনা কচ
– কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির জেরেমি হ্যানসেন
এখানে কোনো অবতরণ হবে না। আর্টেমিস II একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষামূলক ফ্লাইট, যা স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেট এবং ওরায়ন মহাকাশযানের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এই মিশনে মানবসহ জীবনরক্ষা ব্যবস্থা, নেভিগেশন, যোগাযোগ এবং গভীর মহাকাশে কার্যক্রম পরীক্ষা করা হবে—যার ওপর ভবিষ্যতের সব মিশন নির্ভর করবে।
🌍 আর্টেমিস II হলো আর্টেমিস III-এর আগে শেষ ধাপ—যে মিশনের লক্ষ্য চাঁদের পৃষ্ঠে আবার মহাকাশচারী পাঠানো এবং সেখানে মানুষের স্থায়ী উপস্থিতির সূচনা করা।
এটা ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি নয়।
এটা ইতিহাস যেখানে থেমেছিল, সেখান থেকেই আবার শুরু।