There are many activities to do in the picturesque city of Grand Haven, Michigan. Grand Haven offers something for everyone, from outdoor pursuits like kayaking and hiking to cultural attractions like museums and galleries. There are many things to do in Grand Haven MI, whether you're searching for a romantic break or an action-packed family holiday.
Source :- https://travelraval.com/blog/t....hings-to-do-in-grand
Psyonix issued a aggressive warning to Guild Esports and Kyle “Scrub Killa” Robertson nowadays for violating Rocket League Esports conversation recommendations.
https://www.lolga.com/
আমার এক বন্ধু আছেন–পশু-প্রেমিক। রাস্তায় কুকুর কাঁদছে কুঁ-কুঁ করে, তিনি হয়ত যাচ্ছেন রিকশায়; রিকশা থামিয়ে ছুটে যাবেন। চোখ কপালে তুলে বলবেন, হল কি তোর? এই আয়, তু তু তু। তাঁর পাশের ফ্ল্যাটের ভদ্রমহিলা বিড়ালের গায়ে গরম মাড় ফেলে দিয়েছিলেন। তিনি সেই বিড়াল নিয়ে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ছুটে গেলেন। ইন্টার্নী ডাক্তার বললেন, এখানে কেন এনেছেন? পশু হাসপাতালে নিয়ে যান।
তিনি বললেন, পশু হাসপাতাল কোথায় আমি চিনি না। প্লীজ ফার্স্ট এইড দিন, আমি পরে পশু হাসপাতাল খুঁজে বের করব।
https://www.golperasor.com/202....2/12/poshu-premik.ht
স্টার সিনেপ্লেক্স এখন রাজশাহীতেও
***********************************************************************
ঢাকার বসুন্ধরা সিটি শপিং মলে ২০০৪ সালে যাত্রা শুরু করে স্টার সিনেপ্লেক্স। ভালো পরিবেশ, উন্নত সাউন্ড সিস্টেম ও আধুনিক প্রযুক্তি যোগ করে সিনেমাপ্রেমীদের আকৃষ্ট করে প্রেক্ষাগৃহটি। এরপর ঢাকায় পাঁচটি ও চট্টগ্রামে স্টার সিনেপ্লেক্সের একটি শাখা চালু হয়েছে। এবার স্টার সিনেপ্লেক্স পেল রাজশাহী। আজ শুক্রবার এর যাত্রা শুরু হলো।
রাজশাহী শহরেই একসময় ছয়টি সিনেমা হল ছিল। একে একে বন্ধ হয়ে গেছে সবই। চার বছর ধরে একটি সিনেমা হলের জন্য আক্ষেপ করছিলেন রাজশাহীর সিনেমাপ্রেমীরা। সেই আক্ষেপ মিটিয়ে দিল স্টার সিনেপ্লেক্স। রাজশাহী নগরের বুলনপুর এলাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই–টেক পার্কের জয় সিলিকন টাওয়ারে সিনেপ্লেক্সের একটি শাখা চালু করা হলো।
আজ বিকেলে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ প্রধান অতিথি হিসেবে সিনেপ্লেক্সের উদ্বোধন করেন। পরে কেক কাটা হয়। অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কোথাও সিনেমা হল চালু হলে ভালো লাগে। আমাদের চলচ্চিত্রশিল্প আবারও ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে।’
অনুষ্ঠানে স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমান জানান, সারা দেশে মোট ১০০টি সিনেপ্লেক্স করার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যে ১৭টি চূড়ান্ত হয়েছে। তিনি মনে করেন, যত বেশি জায়গায় সিনেমা প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা যাবে, তত দ্রুত সিনেমায় লগ্নি করা অর্থ উঠে আসবে। তখন দ্রুতই দেশের চলচ্চিত্রশিল্প এগিয়ে যাবে। তিনি এ লক্ষ্যে কাজ করবেন।
অনুষ্ঠানে কথা বলেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ এবং বাংলাদেশ হাই–টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ। ছিলেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনও। বাঁধন বলেন, ‘রাজশাহীতে সিনেমা হলই ছিল না, সেই জায়গায় সিনেপ্লেক্স হলো। এটা সিনেমার জন্য অত্যন্ত ভালো ব্যাপার। আমাদের চলচ্চিত্রশিল্পীদের জন্যও ভালো খবর।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই–টেক পার্কের প্রকল্প পরিচালক এ কে এম ফজলুল হক, পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক আবদুল বাতেনসহ স্টার সিনেপ্লেক্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
পরে স্টার সিনেপ্লেক্সের পর্দায় হলিউডের সিনেমা ‘অ্যাভাটার টু’ প্রদর্শন করা হয়। অতিথিরা কিছুক্ষণ তা উপভোগ করেন। সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিদিন দুপুর ও বিকেল—দুই শিফটে টু–ডি ও থ্রি–ডি সিস্টেমে সিনেমা দেখার সুযোগ থাকছে এখানে। সকালের শিফটে টু–ডি টিকিটের দাম ২৫০ টাকা। বিকেলে থ্রি–ডি টিকিটের দাম ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
Source: প্রথম আলো
আবার ঠিকানা ফাঁস
***********************************************************************
নিউইয়র্ক, শিকাগো, ফিলাডেলফিয়াসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের মানুষ ‘সিটিজেন’ নামের একটি অ্যাপ ব্যবহার করেন। অ্যাপটি থেকে সুরক্ষাসংক্রান্ত নানা ধরনের বার্তা পান নাগরিকেরা। ভুলক্রমে অ্যাপটি থেকে ফাঁস হয়েছে গ্র্যামিজয়ী গায়িকা বিলি আইলিশের ছোটবেলার বাড়ির ঠিকানা।
মার্কিন গণমাধ্যমগুলো জানায়, গত সপ্তাহে ভুলক্রমে অ্যাপটি থেকে বিলির পারিবারিক বাড়ির ঠিকানা ফাঁস হয়ে যায়। এরপর ১ লাখ ৭৮ লাখের বেশি মানুষের কাছে চলে যায় সে বার্তা। ভুল বুঝতে পেরে অ্যাপটি যতক্ষণে বার্তাটি মুছে দেয়, ততক্ষণে সেটি দেখে ফেলেন ৭৮ হাজারের বেশি মানুষ। এই ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েক দিন ধরেই তোলপাড় চলছে। তবে যাঁর বাড়ির ঠিকানা নিয়ে এত ঘটনা, সেই বিলি অবশ্য এখনো চুপ।
গায়িকার বাড়ির ঠিকানা ফাঁস হওয়ার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন খবর, লস অ্যাঞ্জেলেসে বিলির পারিবারিক বাড়িতে অনুপ্রবেশের দায়ে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাড়িটিতে বর্তমানে বিলির মা-বাবা থাকেন। পুলিশকে উদ্ধৃত করে বিভিন্ন মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, কালো পোশাকে আবৃত মাস্ক পরা এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বেড়া টপকে বাড়ির আঙিনায় প্রবেশ করেছিলেন তিনি। কেউ একজন জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করার পর ঘটনাস্থল থেকেই ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এখন ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। বাড়িটি থেকে কিছু চুরি গেছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
২০১৯ সালেও একবার ঠিকানা ফাঁসের বিড়ম্বনায় পড়েছিলেন বিলি আইলিশ। সেবার ঠিকানা ফাঁস হওয়ার পর বিলির বাড়ির সামনে জড়ো হয়েছিলেন তাঁর অনেক ভক্ত। সুরক্ষার জন্য তাঁকে পরে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করতে হয়েছিল।
এক সাক্ষাৎকারে ওই ঘটনা সম্পর্কে বিলি আইলিশ বলেছিলেন, ‘সেটি ছিল ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতা, একধরনের ট্রমার মধ্য দিয়ে গিয়েছিলাম। মনে হচ্ছিল, নিজের বাড়িতেই আর নিরাপদ নই। বাড়িও ছাড়তে চাইছিলাম না; কারণ, সেটা ছিল আমার খুবই পছন্দের।’
Source: প্রথম আলো
‘কী বলব! লজ্জায় লাল হয়ে যাচ্ছি’
***********************************************************************
## প্রথম আলোয় আপনাকে নিয়ে জয় গোস্বামীর লেখা একটি কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। নিশ্চয় পড়েছেন? কেমন লেগেছে?
আমি কী বলব! লজ্জায় লাল হয়ে যাচ্ছি। মাথা নুয়ে যাচ্ছে। আমার কাছে যদি জানতে চাওয়া হয়, জীবনে যতবার বিস্মিত হয়েছি, তার মধ্যে এটি শ্রেষ্ঠতম। আজকে যখন প্রথম আলোয় আমাকে নিয়ে কবিতাটা ছাপা হয়েছে, দেখলাম। ভালোই লাগছে। অনেক ভালো লাগছে। এই ভালো লাগার সত্যিকারের অনুভূতি আসলে প্রকাশ করব কীভাবে, জানি না। জয় গোস্বামীর কবিতা যেকোনো পত্রিকা প্রকাশ করতে উন্মুখ হয়ে থাকবে। আমার জন্য ভালো লাগা হচ্ছে, আমাকে নিয়ে লেখা একটা কবিতা, সেটা প্রথম আলো যত্ন নিয়ে ছেপেছে। এটার জন্য ধন্যবাদ, অনেক ধন্যবাদ। এই কবিতা কিন্তু তিনি আমাকে দিয়ে গেছেন।
## তাই নাকি?
হ্যাঁ। কবিতাটা তিনি লিখিত আকারে উপহার দিয়ে গেছেন। তাঁর হাতে লেখা এই কবিতা এখন আমার কাছে। এই উপহারের কোনো মূল্য হয়! অমূল্য।
## তার মানে আপনাদের দেখা হয়েছিল?
দেখা হয়েছিল। ১১ জানুয়ারি আমাদের দেখা হয়। উত্তরায় একটি কফি শপে। আমরা একসঙ্গে আধা ঘণ্টা সময় কাটিয়েছি। আমার জীবনে যতবার বিস্মিত হয়েছি, তার মধ্যে এই ঘটনা অন্যতম। আমি ভীষণ অবাক হয়েছি, আমার নাটকের, সিনেমার সংলাপ ওনার মুখস্থ। সেটা তিনি আবার অ্যাক্টিং করে দেখাচ্ছেন। আমি বিমুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে আছি তাঁর দিকে। হতবিহ্বল হয়ে গেছি। ‘মহানগর’–এর সংলাপ, ‘দাগ’–এর সংলাপ, সঞ্জয় সমদ্দারের ‘অমানুষ’–এর সংলাপ এবং একটা মুহূর্তের কথাও বললেন। আমি তো অবাক। তিনি অনেক ডিটেইল দেখেন। ‘দানব’ নামে একটা নাটক করেছিলাম, সেটাতে মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় লুকটা কেমন ছিল, তা–ও বললেন এবং সেগুলো ব্যাখার পর্যায় দিয়ে তিনি বলছিলেন। শুধু ভালো লেগেছে তা নয়, কেন ভালো লেগেছে, কেন তাঁর কাছে আলাদা মনে হয়েছে, সেই বিষয়গুলো নিয়েও কথা বলেছেন। আধা ঘণ্টা অসাধারণ সময় কেটেছে। অসাধারণ!
## আপনাদের আড্ডায় আর কে কে ছিলেন?
আমি একাই ছিলাম। এমনিতে আমি কয়েক দিন ধরে রাত জেগে শুটিং করছিলাম। শুটিং শেষ হতে ভোর। কয়েক দিনই ভাবছিলাম, জয় গোস্বামীর সঙ্গে দেখা করব। দেখা করব। ভোরে বাসায় গিয়ে তখন তো ঘুমাতেই হয়। ঘুম থেকে উঠে আবার দেখি যে শুটিংয়ের সময় হয়ে গেছে। এভাবেই চলছিল। ১১ জানুয়ারি ভাবলাম, দেখা করবই। কবি শামীম রেজাকে ফোন দিলাম, বন্ধু মানুষ। তার ওখানেই তো ছিলেন জয় গোস্বামী। শামীম বলল, ‘দোস্ত, উনি তো রওনা দিয়ে দিয়েছেন।’ বললাম, কোথা থেকে? আমি ভাবছি, ফ্লাইটে উঠে গেছেন। তখন বলল, ‘না, আমার এখান থেকে বের হয়ে গেছেন।’ আমিও ভাবলাম, বিমানবন্দর গেলে তো উত্তরার জসীমউদ্দীন হয়ে যাবেন। এরপর আমিও বাসা থেকে রওনা দিচ্ছি। এরপর আমাদের দেখা হলো, উত্তরার বিনস অ্যান্ড অ্যারোমা সেন্টারে। এই দেখাটুকু না হলে মিস করতাম। আফসোসই লাগত।
## কী নিয়ে আপনাদের কথা হলো?
মেইনলি আমার অভিনয় নিয়ে উনি কথা বলেছেন। অন্যদিকে প্রসঙ্গ সরাতে চেয়েছি, কিন্তু পারিনি। আমার প্রতি তাঁর ভীষণ আবেগ আমাকে মুগ্ধ করেছে। ইট আ গ্রেট গিফট, কবিতাটা। আমি তাঁকে বলেছিও। কবিতাটা বাসায় বাঁধিয়ে রাখব।
## তিনি আপনার অভিনয়ের যেভাবে ব্যাখ্যা করেছেন, তা আপনাকে অবাক করেছে। তাঁর লেখা আপনি পড়েছেন। অন্য অনেক লেখকের লেখাও পড়েছেন। তিনি আপনার দৃষ্টিতে কেন অনন্য?
আমি শুধু ওইটুকুই বলতে পারব, তাঁর লেখার ব্যাখা–বিচারের কথা বলতে চাইছি না, বলার ক্ষমতাও আমার নেই আসলে—এটা পরিষ্কার কথা। লয় হওয়া, মিশে যাওয়া, হারিয়ে যাওয়া মানুষকে টের পাওয়া—সেটা তো তাঁর কবিতার মধ্যে পাওয়া যায় এবং এবার দেখা হওয়ার পর কেন তিনি এমন লিখতে পারেন, সেটাও ফিল করতে পারলাম। আমরা পরস্পর আলিঙ্গন করেছিলাম, গভীর আলিঙ্গনই। নিখাদ আলিঙ্গন। একদমই ভালোবাসার, প্রেমের আলিঙ্গন।
Source: প্রথম আলো
পাঁচ বছর পরও সমাধান হয়নি সেই অভিনেত্রীর মৃত্যুরহস্য
***********************************************************************
মৃত্যুর পাঁচ বছর পরও উদ্ঘাটিত হয়নি অলিভিয়া নোভার মৃত্যুরহস্য। মাত্র ২০ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর লাস ভেগাসের বাসা থেকে। অলিভিয়ার মৃত্যুর এক বছর আগেই আত্মহত্যা করেছিলেন তাঁর প্রেমিক। এরপরই অলিভিয়া নোভার জীবন হয়ে যায় এলোমেলো। বেপরোয়া জীবন নিয়ে নাম লেখান পর্নো ছবির দুনিয়ায়।
পুলিশ যখন তাঁর লাশ উদ্ধার করে, তখন অলিভিয়ার শরীরের নিচের অংশ ছিল অনাবৃত। লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ জানায়, যে অবস্থায় তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, তাতে অভিনেত্রীর মৃত্যু তাদের কাছে স্বাভাবিক মনে হয়নি। পুলিশ আসার ১২ ঘণ্টা আগেই অভিনেত্রী মারা গিয়েছিলেন। অলিভিয়ার বন্ধুবান্ধব বলেছিলেন, এক বছর আগে প্রেমিকের আত্মহত্যা, আরও এক বছর আগে এক বন্ধুর আত্মহত্যায় নোভা অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন।
প্রেমিকের মৃত্যুর পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন অলিভিয়া। একাকিত্ব থেকে নাম লেখান পর্নোগ্রাফিতে। যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে বাসা নিয়ে থাকতেন। মাদক নিতেও শুরু করেন। এর পর থেকে তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি হতে থাকে। কিডনিতে সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি মূত্রনালিতেও সংক্রমণ দেখা দেয়। চিকিৎসকেরা তাঁকে জীবনযাপনে পরিবর্তন আনার পরামর্শও দেন। তখন অলিভিয়া বুঝতে পারেন তাঁকে বেঁচে থাকতে হলে পরিবর্তন হতে হবে।
ভালোবাসার মানুষ ও কাছের মানুষের জন্য তিনি বাঁচতে চেয়েছিলেন। এ জন্য নিজেকে পরিবর্তন করতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু ২০১৮ সালের ৭ জানুয়ারি তিনি মারা যান। প্রথমে অস্বাভাবিক মৃত্যু বললেও ময়নাতদন্তের পর পুলিশ জানায়, তার মৃত্যু স্বাভাবিক। মূত্রনালিতে সংক্রমণের কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু তাঁর পরিবার আর বন্ধুবান্ধব বলছেন তাঁর মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। পর্নো ছবির দুনিয়া থেকে ফিরে আসতে চাওয়াই কি তাঁর মৃত্যুর কারণ হলো? এখনো এটি রহস্য হয়ে রয়েছে।
Source: প্রথম আলো
‘শুভ ভাই অমানুষিক কষ্ট করেছেন’
***********************************************************************
চরিত্রের প্রয়োজনে হলিউড, বলিউডের তারকাদের শারীরিক পরিবর্তন প্রায়ই দেখা যায়। সিক্স প্যাক লুকে আবির্ভূত হন ড্যানিয়েল ক্রেগ, ব্রাডলি কুপার, শাহরুখ খান, হৃতিক রোশন। কিন্তু ঢালিউড তারকাদের এমন লুক তেমন একটা দেখা যায় না। চিত্রনায়ক আরিফিন শুভর মধ্যেও সেই আফসোস ছিল। তাঁর ভক্তদেরও চাওয়া ছিল। আগেই মিশন এক্সট্রিম ছবিতে নিজ উদ্যোগে ভক্তদের সেই ইচ্ছা পূরণ করেছিলেন শুভ। এবার সেই ছবিরই ্দ্বিতীয় কিস্তি ‘ব্ল্যাক ওয়ার’–এ আরও পূর্ণাঙ্গ লুকে এসেছেন শুভ।
সিনেমার জন্য সিক্স প্যাক বানাতে হবে, এমন কোনো শর্ত তখন ছিল না। পরিচালক শুধু বলেছিলেন, ‘শুভ ভাই, শারীরিক ফিটনেসটা থাকলে ভালো হতো।’ তখন শুভর মাথায় আসে চরিত্রটি নিয়ে দর্শকদের সামনে নতুনভাবে আসতে হবে। শুরু হয় নতুন চেহারা গড়ার লড়াই। এ জন্য দীর্ঘ ছয় মাসের বেশি সময় ধরে নিজেকে ভেঙেছেন। শারীরিক এই পরিবর্তন নিয়ে শুভ বলেন, ‘আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা। বাজেট কম, টেকনিক্যাল বিষয়গুলো সেভাবে আসে না। যখন পরিচালক ফিটনেসের কথা বললেন, তখন মনে হলো আমার জায়গা থেকে সুযোগটা কাজে লাগিয়ে নতুন কিছু করব। দর্শক আমাকে দেখার জন্য কষ্ট করে সিনেমা হলে এলে আমি কেন তাঁদের জন্য আমার সেরাটা দেব না?’
সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের কাছে প্রত্যাশা কী, এমন প্রশ্নে শুভ বলেন, ‘সিনেমার জন্য দেড়টা বছর কষ্ট করেছি। আশা তো থাকতেই পারে। কিন্তু কষ্ট করলেই তো আর কেষ্ট মেলে না। দর্শকদের বলব, বাংলা সিনেমায় নতুন এই চেষ্টায় আপনারা পাশে থাকলেই ঢালিউডে আন্তর্জাতিক মানের সিনেমার বানানো সম্ভব হবে।’ মিশন এক্সট্রিম–এই তো আপনাকে সিক্স প্যাকের লুকে দেখা গেছে। এবার নতুন কী? এমন প্রশ্নে শুভ বলেন, ‘আগে ছবিটিতে আমার সিক্স প্যাক সেভাবে আসেনি। এবারের গল্পে দর্শক সম্পূর্ণ লুকটা দেখতে পারবেন।’
দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আবার পর্দায় ফিরেছেন জান্নাতুল ঐশী। সিনেমায় ঐশীকে প্রথম কিস্তির চরিত্রেই দেখা গেছে। তবে এবারের মিশন একদমই আলাদা বললেন এই চিত্রনায়িকা। শারীরিক অসুস্থতার কারণে সিনেমার প্রচারণা থেকে দূরে রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিবার সিনেমা মুক্তির আগে চিন্তা হয়। কিন্তু চিন্তা করে তো লাভ হয় না। কিছু একটা হবেই। আমি বলব, সিনেমার জন্য শুভ ভাই অমানুষিক কষ্ট করেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁকে শারীরিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। দেশের সিনেমায় প্রথমবার এমন লুকে আসছেন শুভ ভাই।’
‘মিশন এক্সট্রিম’ সিনেমার প্রথম যুদ্ধ ছিল আন্ডারওয়ার্ল্ডের গডফাদারদের বিরুদ্ধে। সেই গল্পের শেষে আঁচ দেওয়া হয়েছিল, আবারও যুদ্ধে ফিরবেন শুভ। ‘ব্ল্যাক ওয়ার’ সিনেমার ট্রেলারে ফুটে উঠেছে সেই মিশনের খণ্ড খণ্ড চিত্র। সিকুয়েলটি নিয়ে পরিচালকদের একজন সানি সানোয়ার বলেন, ‘এবারের গল্পটি আগেরটির চেয়ে একদমই আলাদা। আগের সিনেমায় দর্শক বড় একটা অংশজুড়ে সূচনা পর্ব দেখেছেন। সেখানে পরিসর ছিল কম, এবার শুরু থেকেই সাসপেন্স, থ্রিল আর চমক। বিনোদনের সব উপকরণ দিয়ে গল্প সাজানো।’
বাংলাদেশের সিনেমায় সব সময়ই একটা বাজেটের স্বল্পতা থাকে। সেখানে বড় বাজেটে সিনেমাটি নির্মাণ প্রসঙ্গে পরিচালক আরও বলেন, ‘প্রথমে ভেবেছিলাম, কম বাজেটেই কাজ শেষ করব। কিন্তু আমাদের দর্শক এখন আন্তর্জাতিক সিনেমা দেখতে চান। সে কারণেই আমরা বড় বাজেটে সিনেমাটি বানানোর ঝুঁকি নিয়েছি।’
নতুন বছরের প্রথম চলচ্চিত্র ব্ল্যাক ওয়ার। যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন সানি সানোয়ার ও ফয়সাল আহমেদ। পরিচালক সানোয়ার জানান, ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ৪৪টি হলে সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে। ছবিটি প্রযোজনা করছে কপ ক্রিয়েশন। সিনেমায় শুভ, ঐশী ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, ফজলুর রহমান বাবু, মিশা সওদাগর, শতাব্দী ওয়াদুদ, সুমিত সেন, সাদিয়া নাবিলা, মাজনুন মিজান, তাসকিন রহমান।
Source: প্রথম আলো