Ai Buddy Review
All Benefits And Cons-OTO-Bonuses & More
Ai Buddy is the world’s first ChatGPT-powered Google-killer app. Which is able to generate good quality content for you. At the same time stunning Ai designs graphics, art, images & creates human-like reactions that no other ai can do.
For optimum profit, quickly produce and sell in-demand content, marketing materials, AI images, code, and more. Refuse to work with pricy graphic designers, copywriters, and content creators. Voice commands similar to Siri in under two minutes.
With the help of our AI Buddy, you can ask complicated inquiries and receive concise, human-like responses in real-time. can produce marketing materials with high conversion rates, such as sales scripts, ad text, email swipes, product descriptions, etc.
Produce and market high-demand material, such as eBooks and articles. Create breathtaking AI art and photos with just a few keystrokes to bring your concept to life.
Click Here: https://www.digital-product-re....view.com/ai-buddy-re
#aibuddyalternatives,
#aibuddyaps,
#aibuddybonuses,
#aibuddybundle,
#aibuddyby,
#aibuddycouponcode,
#aibuddydemovideo,
#aibuddydiscount,
#aibuddylogin,
#aibuddyotos,
#aibuddyreview,
#aibuddyreviews,
#aibuddysoftware,
#aibuddyupsell,
#isaibuddylegit,
#isaibuddyscam,
#isaibuddyworthit,
#uddhabpramanik,
সেই একই অস্তিত্বের হাসি কন্ঠ,
আর খুব যতনে ওষ্ঠে আবেগী চুমু।
আর
আঁকড়ে আছো মাথার চুল।
ব্যস,
এইটুকুর পরের স্বপ্নরূপ আর নেই।
ঘুমটা ভেংগে যায়
মন খারাপ হয়ে।
ইলেক্ট্রিকের যুগে মুঠোফোন হাতে,
অদৃশ্য বাধা কিংবা বিবেকবোধ
আমায় চুপ করে দেয় নিষ্ঠুরভাবে।
একটা পাতলা বালিশ
একটা পাতলা কম্বল
আর চোখের সামনে সাদা পাখা।
পাশের দেয়ালে ক্লান্তিহীন ভাবে
একই সময় দিয়ে যাচ্ছে ঘড়ি।
চারিদিকে অপেক্ষা ছাড়া আর
কিচ্ছুই যেন করার নেই।
আমিও আজকাল সময়ের মত,
যান্ত্রিক হয়ে গেছি।
#সৃষ্টি
#premdevota
আপনার তথ্য চুরিতে আরও সক্রিয় হ্যাকাররা, কীভাবে সতর্ক থাকবেন
***********************************************************************
হ্যাকাররা দীর্ঘদিন ধরে তথ্য হাতাতে মানুষের পরিচয় নকল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া প্রোফাইল তৈরি করছে। এরপর সেই প্রোফাইল থেকে ক্ষতিকর লিঙ্ক পাঠিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে মানুষের ই-মেইলের ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নিচ্ছে। ব্যক্তিগত তথ্য হাতাতে এখন আরও বেশি দক্ষ, পরিশীলিত হচ্ছে হ্যাকাররা।
যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা পরিষেবা জিসিএইচকির সাইবার সিকিউরিটি শাখা ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টার (এনসিএসসি) থেকে সম্প্রতি এমন সতর্কতাই জারি করা হয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, তথ্য হাতাতে বিভিন্ন খাতের নানা সংস্থা ও ব্যক্তিকে এই প্রতারণার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
সংস্থাটি জানায়, এই ধরনের প্রতারণার শেষ লক্ষ্য হলো ভুক্তভোগীকে ক্ষতিকর লিঙ্কে ক্লিক করানো। ওই সব লিঙ্ক দেখতে অনেকটা স্বাভাবিকই মনে হয় এবং এর লগ-ইন পেজও আছে, আসলে সেগুলো ভুয়া। ওই সব লিঙ্কে লগ-ইন পাসওয়ার্ড দেওয়া মানে হ্যাকারদের নিজের অ্যাকাউন্টে ডেকে আনা। এরপর হ্যাকাররা ওই অ্যাকাউন্ট অপব্যবহার করে বা অন্য কারও অ্যাকাউন্ট কবজায় নিতে ব্যবহার করে। এসব ক্ষতিকর লিঙ্কের অনেকগুলো দেখতে সাধারণত ক্লাউড সফটওয়্যার গুগল ড্রাইভ, ওয়ান ড্রাইভ ও অন্য ফাইল আদান-প্রদানের ওয়েবসাইটের মতো নকশা করা থাকে।
একটি প্রতারণার ঘটনায় দেখা গেছে, আক্রমণকারীরা ভুক্তভোগীকে জুম কল করে এবং কল চলার সময় চ্যাট বারে একটি ক্ষতিকর ওয়েব ঠিকানা বা ইউআরএল পাঠায়।
এ ছাড়া হ্যাকাররা নিজেদের উপস্থিতিকে বিশ্বাসযোগ্য করতে প্রতারণার ফাঁদগুলোয় একাধিক চরিত্র তৈরি করে (সবগুলোই তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে)।
এই ধরনের প্রতারণামূলক সাইবার আক্রমণ করতে হ্যাকাররা ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে থাকা প্রোফাইল ব্যবহার করে। এর মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু (টার্গেট) সম্পর্কে যতটুকু পারে জানার চেষ্টা করে। হ্যাকাররা জানার চেষ্টা করে বাস্তবজীবনে তাদের (টার্গেট) পেশা কী এবং ব্যক্তিগত যোগাযোগের ঠিকানাও জোগাড় করে।
এনসিএসসির মতে, এই ধরনের কার্যক্রমগুলো রাশিয়া ও ইরানভিত্তিক সাইবার আক্রমণকারীদের কাজ। তবে তাদের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই। আক্রমণকারীরা কার ছদ্মবেশ ধারণ করল সেটা বিষয় নয়, বা কোন টোপ ব্যবহার করল তা–ও নয়।
হ্যাকারদের বড় কৌশল হলো তাদের ধৈর্য। তারা ভুক্তভোগীর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির জন্য অনেক সময় নেয়। তারা হুট করেই ভুক্তভোগীকে ক্ষতিকর লিঙ্কে ক্লিক করতে বলে না। ধীরে ধীরে বিশ্বাস অর্জন করে। এ প্রক্রিয়া শুরু হয় একটি ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে। যেখানে তাদের খুব বিনয়ী মনে হয়। এর মাধ্যমে ভুক্তভোগীর নজর কাড়ে।
এরপর ওই ব্যক্তিকে বারবার ই-মেইল পাঠায়। কখনো কখনো লম্বা সময় ধরে পাঠায়। ব্যবহারকারীর আস্থা অর্জনের আগপর্যন্ত লিঙ্ক পাঠাতেই থাকে।
লিঙ্কটি এমন একটি নথি বা ওয়েবসাইটের আড়ালে পাঠায়, যা ব্যবহারকারীর কাছে আকর্ষণীয় ও প্রাসঙ্গিক মনে হয়। এর মাধ্যমে তারা ব্যবহারকারীর সার্ভারের নিয়ন্ত্রণ নেয়। ভুক্তভোগী যখন ওই লিঙ্কে প্রবেশের জন্য ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দেয়, তখন তা আক্রমণকারীদের কাছে চলে যায়।
এনসিএসসির মতে, হ্যাকাররা অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সেখান থেকে তথ্য ও ফাইল চুরি করে এবং ই–মেইল আদান-প্রদান নজরদারিতে রাখে। এ ছাড়া ভুক্তভোগীর যোগাযোগ তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রণে নিতে সেগুলো ব্যবহার করে।
সতর্কতায় যা করতে হবে
প্রতারণার বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে জানিয়ে এনসিএসসি ব্যবহারকারীদের সতর্ক থাকতে বলেছে। বিশেষ করে পেশাগত কাজে ব্যবহৃত হয় এমন ই-মেইলের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলেছে।
সংস্থাটি ই-মেইল অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত করতে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার, প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহারের সুপারিশ করেছে। এতে কোনো কারণে এক অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড চুরি হলেও অন্যগুলো সুরক্ষিত থাকবে।
এ ছাড়া বহুমাত্রিক যাচাইকরণ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশও করা হয়েছে। এতে পাসওয়ার্ড চুরি হলেও সেগুলো যে চুরি হয়েছে, তা টের পাওয়া যাবে। এ ছাড়া ডিভাইসের নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট ব্যবস্থা হালনাগাদ করতে হবে।
সূত্র: জেডডিনেট
Source:. প্রথম আলো
প্রিয় বাইকের যত্ন নেবেন যেভাবে
***********************************************************************
দিন দিন মোটরবাইক জনপ্রিয় বাহন হয়ে উঠছে। যাঁরা নিয়মিত বাইক চালান, তাঁদের কাছে বাইকের যত্ন নেওয়াটাও জরুরি। ঢাকার জেনুইন স্পেয়ার পার্টস অ্যান্ড সার্ভিসেসের মেকানিক নাঈম ইসলাম জানান, মোটরবাইকের কিছু যন্ত্রাংশ খুবই সংবেদনশীল। বিশেষ যত্ন না পেলে সেগুলো দ্রুত অকেজো হয়ে যায়। এ ছাড়া মোটরবাইক নিয়মিত পরিষ্কার করলে অনেক দিন চালানো যায়। পাশাপাশি বাইক রক্ষণাবেক্ষণের খরচও কমে যায়। নাঈম ইসলামের দেওয়া কিছু পরামর্শ দেখা যাক।
নিয়মিত সার্ভিসিং
মোটরবাইক ভালো রাখার জন্য নিয়মিত সার্ভিসিং করানো উচিত। কারণ, বাইক চালাতে চালাতে অনেক সময় বাইকের কিছু যন্ত্রাংশ খারাপ হয়ে যায়। দক্ষ মেকানিককে দেখালে বাইকের সমস্যাগুলো খুব সহজেই ধরা পড়বে। যন্ত্রাংশের ত্রুটি নিয়ে বাইক চালালে বেশি দিন ভালো থাকবে না। ধীরে ধীরে প্রিয় মোটরবাইকটিতে বেশি বেশি সমস্যা দেখা দেবে। তাই বাইক ভালো রাখার জন্য নিয়মিত সার্ভিসিং করানো উচিত। সম্ভব হলে প্রতিদিন সকালে যন্ত্রাংশগুলো পরীক্ষা করুন।
ইঞ্জিন অয়েল বদলানো
নিয়মিতভাবে বাইকের ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করলে ইঞ্জিনটি দীর্ঘদিন পর্যন্ত দুর্দান্ত চলবে। বাইকের ইঞ্জিন অয়েল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি সঠিক মানের বা সঠিক মাত্রার ইঞ্জিন অয়েল বাইকে না ঢালা হয়, সে ক্ষেত্রে ইঞ্জিনে বড়সড় সমস্যা দেখা দিতে পারে। বাইকের ভালো সার্ভিস পেতে হলে বাইকের ইঞ্জিন অয়েলের মান ও লেভেল নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত। ইঞ্জিন অয়েল নিজেই পরিবর্তন করে নেওয়া যায়। এ কাজের জন্য বাইকের সঙ্গে দেওয়া ব্যবহার নির্দেশিকা বা ইউজার ম্যানুয়ালটি ভালো করে পড়ে দেখুন। কোন গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েল আপনার বাইকের জন্য উপযোগী, তা এই নির্দেশিকায় পাবেন।
এয়ার ফিল্টার পরিবর্তন
বাইকের এয়ার ফিল্টার একটা নির্দিষ্ট সময় পর পরিবর্তন করা উচিত। কারণ, এয়ার ফিল্টার ইঞ্জিনে প্রবেশের পথে বাইরের বাতাসকে বিশুদ্ধ করে দেয়। এয়ার ফিল্টার ঠিক না থাকলে বাতাসের সঙ্গে ইঞ্জিনে ময়লা, ধূলিকণা ঢুকে যেতে পারে। ধূলিকণা পিস্টনের মাথা এবং পিস্টনের রিংগুলোয় দাগ ফেলবে। ফলে ইঞ্জিনে উৎপাদিত শক্তির অপচয় ঘটবে। একই সঙ্গে ইঞ্জিনে অতিরিক্ত কার্বন তৈরি হবে। তাই নির্দিষ্ট কিলোমিটার চালানোর পর এয়ার ফিল্টার পরিবর্তন করে ফেলা উচিত।
পরিষ্কার করা
অনেক সময় রাস্তায় ধুলাবালুর সঙ্গে কাদা-পানিও থাকে। এর ফলে বাইক চালাতে গেলে বাইকের বিভিন্ন জায়গায় ধুলাবালু আটকে যায়। কাদা শুকিয়ে লেগে থাকে। এসব কারণে বাইকের ইঞ্জিনের ক্ষতি হয় বেশি। ধুলাবালু আর ময়লা-আবর্জনা জমে গেলে মোটরবাইক সাধারণত পানি দিয়ে পরিষ্কার করা উচিত। পানির সঙ্গে শ্যাম্পু মিলিয়েও পরিষ্কার করা যায়। বাইক পরিষ্কার করার সময় এমন জায়গা বেছে নেবেন, যাতে বাইকে মাটি না লাগে। ডাবল স্ট্যান্ড করে পরিষ্কার করলে বাইকের সব অংশ সুন্দরভাবে ধোয়ামোছা করা যায়।
ঢেকে রাখা ও ছায়ায় রাখা
কর্মস্থলে এসে দীর্ঘ সময় থাকলে বা কাজ শেষে বাসায় গেলে বাইকটি অবশ্যই ঢেকে রাখতে হবে। দিনের বেলা ছায়ায় রাখা উচিত। বাইক ঢেকে রাখলে বাইকে ধুলাবালু পড়বে না। আর ছায়ায় থাকলে বাইক ঠান্ডা থাকে। অতিরিক্ত রোদে বাইক রাখলে বাইকের অনেক যন্ত্রাংশে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া শীতের কুয়াশা থেকে বাইককে রক্ষা করার জন্য বাইক ঢেকে রাখলে ভালো হয়।
চেইন ও ব্যাটারির যত্ন
বাইকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো চেইন। চেইন পরিষ্কার রাখলে বাইকের গতি ভালো পাওয়া যায়। শীতকালে চেইনে ব্যবহৃত তেল ও ময়লার মিশ্রণ জমে শক্ত হয়ে যেতে পারে, যা গরমের সময়ের চেয়ে দ্রুত হয়ে থাকে। তাই এ সময় চেইনের যত্ন একটু বেশি প্রয়োজন হতে পারে। মোটরসাইকেলের ব্যাটারি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাটারিতে সব সময় পর্যাপ্ত চার্জ রাখতে হবে। কিকস্টার্ট থাকুক বা না থাকুক, ব্যাটারিতে সম্পূর্ণ চার্জ রয়েছে কি না, তা অবশ্যই দেখে নিন। যদি না থাকে, তাহলে কোনো মেকানিকের কাছ থেকে সেটি চার্জ করানোর ব্যবস্থা করুন।
Source:. প্রথম আলো
চালু হলো ইউটিউবের ‘গো লাইভ টুগেদার’
***********************************************************************
আধেয় বা কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য ‘গো লাইভ টুগেদার’ ফিচার চালু করেছে ভিডিও দেখার ওয়েবসাইট ইউটিউব। স্মার্টফোন থেকেই একজন অতিথিকে নিয়ে এ সুবিধাটি ব্যবহার করে ইউটিউবে লাইভে ভিডিও প্রকাশ করতে পারবেন নির্মাতারা। নির্মাতাদের জন্য ইউটিউবের হালানাগাদ করা এই সুবিধা ব্যবহার করে অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো যাবে। এখন এটি শুধু স্মার্টফোন থেকে ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও ভবিষ্যতে কম্পিউটারের জন্যও ফিচারটি চালু করতে কাজ করছে ইউটিউব।
টিম ইউটিউব টুইটার অ্যাকাউন্টের বার্তায় বলা হয়, সহজে ‘কো-স্ট্রিম’ চালুর জন্য এসেছে গো লাইভ টুগেদার। এতে অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো যাবে। সবকিছুই হবে স্মার্টফোনে। ৫০–এর বেশি গ্রাহক হলেই যেকোনো নির্মাতা কো-স্ট্রিম আয়োজন করতে পারবেন। তবে যেকোনো একজন ব্যক্তি অতিথি হতে পারবেন।
অ্যানড্রয়েড এবং আইফোনে ইউটিউবের এই হালনাগাদ করা ফিচারটি চালু হয়েছে। স্মার্টফোনের অ্যাপে ক্রিয়েটর সেকশনে গো লাইভ বাটন থেকে এ ফিচারটি ব্যবহার করা যাবে। অ্যাপের নিচে থাকা প্লাস আইকনে ট্যাপ করে গো লাইভ টুগেদার থেকে কো–স্ট্রিমিং চালু করতে পারবেন নির্মাতারা। শুধু স্মার্টফোন দিয়ে এ ফিচার ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও কম্পিউটার দিয়ে লাইভের সময় আগেই নির্ধারণ করা যাবে।
সূত্র: গ্যাজেটস নাউ
Source:. প্রথম আলো
টুইটারে আয়ের নতুন সুযোগ আসছে, তবে..
***********************************************************************
বিজ্ঞাপনী আয়ের অংশ থেকে কনটেন্ট নির্মাতাদের অর্থ দেবে টুইটার। নতুন এ উদ্যোগের আওতায় ব্যবহারকারীদের যেসব কনটেন্টে বিজ্ঞাপন দেখানো হবে, সেগুলো থেকে আয়ের নির্দিষ্ট অংশ কনটেন্ট নির্মাতাদের দেবে খুদে ব্লগ লেখার সাইটটি। ফলে ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটকের আদলে টুইটারেও বিভিন্ন কনটেন্ট পোস্ট করে আয় করা যাবে। তবে সবাই নন, অর্থের বিনিময়ে নীল বা ব্লু টিক ব্যবহারকারীরাই কেবল এ সুযোগ পাবেন।
এক টুইটে (টুইটারের বার্তা) টুইটারের নতুন মালিক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, টুইটার কনটেন্ট নির্মাতাদের সঙ্গে বিজ্ঞাপনের আয় ভাগ করবে। এ সুবিধা পেতে হলে অ্যাকাউন্টটি অবশ্যই নীল টিকযুক্ত হতে হবে।
এক টুইটে (টুইটারের বার্তা) টুইটারের নতুন মালিক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, টুইটার কনটেন্ট নির্মাতাদের সঙ্গে বিজ্ঞাপনের আয় ভাগ করবে। এ সুবিধা পেতে হলে অ্যাকাউন্টটি অবশ্যই নীল টিকযুক্ত হতে হবে।
উল্লেখ্য,কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা মাসে আট ডলারের বিনিময়ে ব্লু টিক সুবিধা ব্যবহার করতে পারলেও আইফোন ও অ্যান্ড্রয়েড ফোনে নীল টিক যুক্ত করতে খরচ হয় ১১ ডলার। তবে সব দেশে এখনো নীল টিক ব্যবহারের সুযোগ চালু হয়নি। বর্তমানে শুধু যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান, সৌদি আরব, ফ্রান্স, পর্তুগাল, ইতালি ও স্পেনে বসবাসকারীরা টুইটারের নীল টিক সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন।
সম্প্রতি বিজ্ঞাপন গবেষণা সংস্থা স্ট্যান্ডার্ড মিডিয়া ইনডেক্স (এসএমআই) জানিয়েছে, গত ডিসেম্বরে আগের বছরের তুলনায় টুইটারে বিজ্ঞাপন কমেছে প্রায় ৭১ শতাংশ। গত নভেম্বরে কমেছে প্রায় ৫৫ শতাংশ।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
Source:. প্রথম আলো
অ্যামাজন-গুগল-মাইক্রোসফট কত কর্মী ছাঁটাই করেছে এক মাসে
***********************************************************************
দীর্ঘ ১৩ বছর পর সিকুয়েল এনে বক্স অফিসে রীতিমতো ‘তাণ্ডব’ চালিয়েছেন জেমস ক্যামেরুন। গত ১৬ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছিল অ্যাভাটারের সিকুয়েল ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’। শুধু যুক্তরাষ্ট্রের বক্স অফিস থেকে আয় করেছে ৬২৭ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডলার। আর এর মধ্য দিয়ে প্রবেশ করল যুক্তরাষ্ট্রের বক্স অফিসে সবচেয়ে বেশি আয়কারী সিনেমার তালিকার সেরা দশে।
এত দিন ৬২৩ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার আয় করে দশম স্থানে ছিল ‘দ্য অ্যাভেঞ্জার্স’। অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ এখন নিশ্বাস ফেলছে তালিকার নবম স্থানে আছে ‘জুরাসিক ওয়ার্ল্ড’র ঘাড়ে। ছবিটার আয় ৬৫৩ মিলিয়ন ডলার। ৬৫৯ মিলিয়ন ডলার আয় করে অষ্টম স্থানে আছে ‘টাইটানিক’ এবং সপ্তম স্থানে আছে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার’র আয় ৬৭৮ মিলিয়ন ডলার।
‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ যেই ‘অ্যাভাটার’ সিনেমার সিকুয়েল, সেই ‘অ্যাভাটার’ ৭৮৫ মিলিয়ন ডলার আয় করে এই তালিকার চতুর্থ স্থান দখল করেছে। তবে ‘অ্যাভাটার’ বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি ২ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে। পিছিয়ে নেই সিকুয়েলটিও। ২ দশমিক ১৩৩ বিলিয়ন ডলার আয় করে ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি আয় করা সিনেমার তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে।
‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’–এর পর এই ছবিটিই সবচেয়ে দ্রুত দুই বিলিয়নের ঘর অতিক্রম করেছে ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’। যুক্তরাষ্ট্র থেকে সবচেয়ে বেশি আয় করা সিনেমার নাম ‘স্টার ওয়ার্স: দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেন্স’। সিনেমাটি আয় করেছে ৯৩৬ মিলিয়ন ডলার।
৩৫০ মিলিয়ন ডলার বাজেটের ছবিটি ৯৫তম অস্কারে সেরা ছবির বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছে। এখন দর্শকের অপেক্ষা এর পরবর্তী সিনেমার জন্য। সিকুয়েল আসতে ১৩ বছর লাগলেও এর ‘অ্যাভাটার ৩’ আসবে আগামী বছর ডিসেম্বরে।
Source:. প্রথম আলো