রোহিণী রায় আমাদের গ্রামের জমিদার ছিলেন শুনেছিলাম।
আমাদের পাড়ায় তাঁদের মস্ত দোতলা বাড়ি। তিন-চার শরিকে ভাগ হয়ে এক একখানা ঘরে বাস করে এক-এক শরিক— এই অবস্থা। ধানের জোতজমি যা আছে, তাতে একটা গোলাও ভরে না। রোহিণী রায়ের বর্তমান বংশধরগণ পেটপুরে দু-বেলা খেতেও পান না।
https://www.golperasor.com/202....2/08/sonakora-jaduko
মানুষ কেনো বারেবারে এই পৃথিবীতে আসতে চায়? কারন এই পৃথিবীতে প্রেম আছে। একবার বাপ্পি লাহিড়ীকে প্রশ্ন করা হয়েছিলো, আপনি পুনর্জন্মে কোথায় আসতে চান? তিনি অকপটে বলেছিলেন, আমি এই জনপদেই আসতে চাই। কেনো তিনি আবার এই জনপদেই আসতে চান? কারন এখানে আছে সত্যিকারের মা মাটি প্রেম আর দৃশ্যমান জান্নাত।
মিঠুন চক্রবর্তী আর পুজা ভাট যখন কুমার শানু অলকা ইয়াগনিকের কণ্ঠে গাইতে থাকে, আজ পেহেলি বার দিলকি বাত কি হে... তখন হৃদয়ের সমস্ত আবেগ পরিস্ফুটিত হয়ে যায়। বার বার ছুটে আসতে ইচ্ছে করে এই জনপদে। কারন এই জনপদে আছে প্রেম, আছে বিরহ বেদনা আর প্রিয়জন হারানোর বেদনা মধুর অমৃত স্মৃতি!
এই জনপদ এক মধুমতী জনপদ, এখানে আবেগ ভরা জীবন যাপন করা যায়। প্রতিদানহীন ভালোবাসা পাওয়া যায়। দয়াভরা পিতা আর মমতাময়ী মা পাওয়া যায়। দায়িত্ববান ভাই/বোন আর নিঃস্বার্থ বন্ধু পাওয়া যায়।
এই জগত ভালোবাসার জগত, কিন্তু এই জনপদ হলো ভালোবাসার স্বর্গরাজ্য। এখানে ভালোবাসার উপন্যাস রচনা করা হয়। এখানে ভালোবাসার নাট্যমঞ্চ তৈরি করে প্রেমগীত গাওয়া হয়। এ জনপদে সুর ছন্দে প্রেমের কবিতা লেখা হয়।
এই জনপদ ভালোবাসার এক অমৃত নগর। এখানে স্বর্গ আসিয়া থমকে দাঁড়ায়। যার কাছে খোঁদা প্রেম অমলিন হয়ে যায়।
👉🌹🌹🌹🌹🌹শুভ সকাল সকলকে🌹🌹🌹🌹
সফটওয়্যার ও আইটিইএস রপ্তানিতে নিবন্ধন সনদ লাগবে না
***********************************************************************
সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি পরিষেবা (আইটিইএস) রপ্তানির ক্ষেত্রে এখন থেকে কোনো ধরনের ‘রপ্তানি নিবন্ধন সনদপত্র’-এর প্রয়োজন হবে না। মূলত বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পণ্য রপ্তানি করতে হলে আমদানি ও রপ্তানির চিফ কন্ট্রোলারের অফিস থেকে রপ্তানি নিবন্ধন সার্টিফিকেট (ইআরসি) সংগ্রহ করতে হয়। ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি পরিষেবা রপ্তানিতে ইআরসি লাগবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহকারী নিয়ন্ত্রক মো. সিরাজুল ইসলামের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ নভেম্বর ২০২২ তারিখে পত্রের নির্দেশনার আলোকে জানানো যাচ্ছে নন-ফিজিক্যাল ফরমের (সফটওয়্যার ও আইটিইএস) সেবা রপ্তানির ক্ষেত্রে আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর হতে রপ্তানি নিবন্ধন সার্টিফিকেট (ইআরসি) গ্রহণের প্রয়োজন নেই।’
বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, রপ্তানি অনুবিভাগ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কনটাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংসহ বিভিন্ন সংস্থা ও দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
দেশের সফটওয়্যার খাতের সংগঠন বেসিসের সভাপতি রাসেল টি আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি পরিষেবা (আইটিইএস) রপ্তানির ক্ষেত্রে আগে কোনো প্রকার ইআরসি প্রয়োজন ছিল না। পরে একটি ভুল-বোঝাবুঝির কারণে ইআরসির প্রয়োজন হতো। আমরা বেসিস থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসে বিষয়টি তাদের বোঝাই। এরপর বিষয়টির সমাধান হলো। বেসিসের পক্ষ থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে আমরা ধন্যবাদ জানাই। বেসিসের জন্য এটি একটি সুখবর, এখন থেকে রপ্তানিতে আবারও প্রণোদনা পাবে বেসিসের সদস্যপ্রতিষ্ঠানগুলো।’
Source: প্রথম আলো
নতুন ম্যাকবুক আনল অ্যাপল
***********************************************************************
নিজেদের তৈরি এম২ প্রো ও এম২ ম্যাক্স চিপ দিয়ে তৈরি নতুন মডেলের ম্যাকবুক উন্মুক্ত করেছে অ্যাপল। এম২ প্রো প্রসেসরে চলা ম্যাকবুক প্রো মডেলের দাম শুরু হয়েছে ৫৯৯ ডলার থেকে এবং এম২ ম্যাক্স চিপ দিয়ে তৈরি ম্যাকবুকটির দাম শুরু হয়েছে ১ হাজার ২৯৯ ডলার থেকে। ২৪ জানুয়ারি থেকে ম্যাকবুকগুলো বাজারজাত শুরু হবে। তবে ক্রেতারা চাইলেই অগ্রিম ফরমাশ দিতে পারবেন।
এম২ প্রো চিপে চলা ম্যাকবুকটিতে ৮ কোর সিপিউ, ১০ কোর জিপিউ (গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট), ৮ গিগাবাইট র্যাম এবং ২৫৬ গিগাবাইট ধারণক্ষমতা রয়েছে। অপর দিকে এম২ ম্যাক্স চিপে চলা ম্যাকবুকে রয়েছে ১০ কোর সিপিউ, ১৬ কোর জিপিউসহ ১৬ গিগাবাইট র্যাম এবং ৫১২ গিগাবাইট ধারণক্ষমতা। ১৪ এবং ১৫ ইঞ্চি পর্দার ম্যাকবুকগুলোতে থান্ডারবোল্ট ৪ পোর্টের পাশাপাশি একটি করে ইউএসবি এবং এইচডিএমআই পোর্ট রয়েছে।
অ্যাপলের তথ্যমতে, নতুন মডেলের ম্যাকবুক আগের যেকোনো সংস্করণের তুলনায় ছয় গুণ দ্রুত কাজ করায় গেমসের পাশাপাশি ফটোশপের মতো গ্রাফিকস সফটওয়্যারগুলো স্বচ্ছন্দে ব্যবহার করা যাবে। শুধু তা–ই নয়, সর্বাধুনিক ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং স্টান্ডার্ড ‘ওয়াই-ফাই ৬ ই’ প্রযুক্তি থাকায় দ্রুতগতির ইন্টারনেটও ব্যবহার করা যাবে।
উল্লেখ, প্রতিবছর মার্চে নতুন পণ্য উন্মোচন করে থাকে অ্যাপল। এবার হঠাৎ বছরের শুরুতেই নতুন ম্যাকবুক আনল অ্যাপল।
সূত্র: নাইনটুফাইভম্যাক ডটকম
Source: প্রথম আলো
টিকটকের জন্য কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্য কি সংকটাপন্ন
***********************************************************************
ভিডিওনির্ভর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে মগ্ন থাকা কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্যের সংকট তৈরি করতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। বিশেষজ্ঞদের এই উদ্বেগে যুক্তরাষ্ট্রে এরই মধ্যে টিকটক বেশ ঝামেলায় পড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলাও হয়েছে।
সম্প্রতি টিকটক তার মূল প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সের সূত্রে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্য ও ফেডারেল আইনপ্রণেতাদের উদ্বেগে চাপের মুখে পড়ে। কয়েকজন আইনপ্রণেতা ও গবেষক তরুণ ব্যবহারকারীদের ওপর এই অ্যাপটির নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কেও সতর্ক করেছেন।
আবার টিকটক ব্যবহারকারী তরুণেরাও এর নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে বলেছেন। যেমন ২৩ বছর বয়সী ইয়াঙ্কি বলেছেন, ‘টিকটক ব্যবহারের কারণে আমি আমার জীবন নিজের মতো করে গড়ার চেষ্টা করছিলাম না। আমি যা দেখছি, তা ধরেই বাঁচতে চেষ্টা করেছি। আমার ঘুম হতো না। পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছিলাম এবং বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশাও বন্ধ হয়ে যায়। অ্যাপটি মুছে ফেলার পর, আবার নিয়মিত ঘুম আসতে শুরু করল। তাড়াতাড়ি ঘুমাতে গিয়ে সকালে উঠলে কর্মক্ষমতাও ভালো থাকে।’
এদিকে রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান মাইক গ্যাল্লাঘের সম্প্রতি টিকটককে ‘ডিজিটাল ফেনটানিল’ অভিহিত করে বলেছেন, এই অ্যাপ আমেরিকার তরুণ-তরুণীদের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।
অন্যদিকে গত মাসে ইন্ডিয়ানা রাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল টিকটকের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেছেন। একটি মামলায় তিনি অভিযোগ করেছেন, অ্যাপটি ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ—এই মিথ্যা দাবি করে শিশুদের প্রলুব্ধ করছে।
অলাভজনক একটি সংস্থা এক সমীক্ষার বরাতে বলেছে, একটি অ্যাকাউন্ট খোলার কয়েক মিনিটের মধ্যে টিকটক কিশোর-কিশোরীদের জন্য আত্মহত্যা ও ক্ষুধামান্দ্য–সম্পর্কিত সম্ভাব্য ক্ষতিকর আধেয় বা কনটেন্ট দেখাতে পারে। টিকটকই একমাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নয়, কিশোর-কিশোরীদের ওপর যেটির প্রভাব সম্পর্কে আইনপ্রণেতা ও মানসিক স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন।
সম্প্রতি টিকটকসহ বেশ কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে তোপের মুখে পড়তে হয়। আর চলতি সপ্তাহে সিয়াটল পাবলিক স্কুল ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, স্ন্যাপচ্যাট ও ইউটিউবের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, এসব মাধ্যম যুবকদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য সংকট তৈরি করছে এবং স্কুলের শিক্ষাগত লক্ষ্য পূরণ কঠিন করে তুলছে।
এই ব্যাপারে মনোবিজ্ঞানী জেন টোয়েঞ্জ বলেছেন, টিকটকের অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীকে ধরে রাখার জন্য খুবই পরিশীলিত ও চিত্তাকর্ষক। তাই এখানে কিশোর-কিশোরীরা দীর্ঘ সময় মগ্ন থাকে। ডিজিটাল বিশ্লেষণ প্ল্যাটফর্ম সেন্সরটাওয়ারের মতে, টিকটকের বিশ্বব্যাপী ১০০ কোটি ব্যবহারকারী রয়েছে। গত বছর ব্যবহারকারীরা প্রতিদিন গড়ে দেড় ঘণ্টা এই অ্যাপে সময় কাটিয়েছেন, যা অন্য যেকোনো সামাজিক মাধ্যমের চেয়ে বেশি।
টোয়েঞ্জ বলেন, অনেক কিশোর-কিশোরী তাদের টিকটক ব্যবহারের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছে। তারা বলেছে, তারা ১৫ মিনিটের জন্য অ্যাপে ঢুকে ২ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় ব্যয় করেছে, এটিই সমস্যা। কারণ, একজন কিশোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যত বেশি সময় কাটাবে, তার বিষণ্নতার শঙ্কা তত বেশি। আর মাত্রারিক্ত ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই কথা আরও বেশি সত্য।
তবে কিশোর-কিশোরীরা বলছে, শুধু টিকটকের ভিডিওই তাদের অ্যাপটিতে ধরে রাখতে প্রলুব্ধ করছে না। অ্যাপটির ‘ফর ইউ’ সেকশনের কনটেন্টও তাদের অ্যাপটিতে মগ্ন রাখতে প্রলুব্ধ করছে। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, ২০১২ সালের দিকে স্মার্টফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেমন বেড়েছে, কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে বিষণ্নতাও তেমন বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবস্ট্যান্স অ্যাবিউজ অ্যান্ড মেন্টাল হেলথ সার্ভিস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ২০০৪ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে কিশোরদের মধ্যে বিষণ্নতার হার দ্বিগুণ হয়েছে। আর কিশোরীদের ক্ষেত্রে এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। ২০১৯ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারজন মেয়ের মধ্যে একজন বিষণ্নতা রোগে ভুগেছে।
এসব ব্যাপারে টিকটক বলছে, ব্যবহারকারীরা প্রতিদিন কতক্ষণ এই অ্যাপে ব্যয় করবেন, তার সীমা নির্ধারণে সাহায্য করতে তাদের একটি টুল রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি ব্যহারকারীর জন্য অন্যান্য সুরক্ষা আনার চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে। যেমন সমস্যাযুক্ত ভিডিও ফিল্টার করা এবং কে কী দেখছে, তাতে পর্যবেক্ষণ বাড়ানো।
প্রতিষ্ঠানটি আরও বলেছে, ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ও আত্মহত্যা–সম্পর্কিত ৯৩ দশমিক ৪ শতাংশ ভিডিও কেউ দেখার আগেই তারা সরিয়ে ফেলেছে।
সূত্র: সিএনএন
Source: প্রথম আলো
ফোনের ক্যামেরা হ্যাকড হলে বুঝবেন যেভাবে
***********************************************************************
ফোন বা কম্পিউটারে ম্যালওয়্যার প্রবেশ করিয়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তির অনলাইন বা দৈনন্দিন কার্যক্রমে নজরদারি করে থাকে সাইবার অপরাধীরা। শুধু তা–ই নয়, গোপনে ফোনের ক্যামেরা বা ওয়েবক্যাম চালু করে ছবি বা ভিডিও ধারণও করতে পারে। ফলে ব্যক্তিগত এবং প্রাতিষ্ঠানিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চলে যেতে পারে সাইবার অপরাধীদের দখলে। তবে ফোনের ক্যামেরা বা ওয়েবক্যাম অন্য কারো নিয়ন্ত্রণে গেছে কিনা তা বোঝার উপায়ও আছে। কিছু লক্ষণ দেখে ফোনের ক্যামেরা বা ওয়েবক্যাম হ্যাকড হয়েছে কি না, তা অনুমান করা সম্ভব।
ভিপিএন বা ভার্চ্যুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ভিপিএনওভারভিউয়ের সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ টোভি মার্কস জানিয়েছেন, ফোনের ক্যামেরা বা ওয়েবক্যাম হ্যাক হওয়ার বেশ কিছু লক্ষণ রয়েছে। এসব লক্ষণ দেখা গেলে বুঝতে হবে দূর থেকে কেউ ফোনের ক্যামেরা বা কম্পিউটারের ওয়েবক্যাম ব্যবহার করছে। সবাইকে সতর্ক করতে তিনটি লক্ষণের কথাও জানিয়েছেন তিনি।
১.
টোভি মার্কসের তথ্যমতে, কোনো অপরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আপনার নাম বা পেশা উল্লেখ করে নিয়মিত ই-মেইল বা সামাজিক মাধ্যমে বার্তা আসতে থাকলে আপনাকে সতর্ক হতে হবে। একই ঠিকানা থেকে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে বুঝতে হবে সাইবার অপরাধীদের লক্ষ্যে পরিণত হয়েছেন আপনি।
২.
দ্বিতীয় লক্ষণ হচ্ছে, ফোনের ক্যামেরায় বা ওয়েব ক্যামেরার ভেতরে হঠাৎ করেই ছোট আলোর বিন্দু জ্বলে ওঠা। ফ্ল্যাশলাইট জ্বলে ওঠার পাশাপাশি ভিডিও কলের সময় আলো কমবেশি হলেও সতর্ক হতে হবে।
৩.
তৃতীয় লক্ষণ হচ্ছে, ফোনের ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হওয়া। এ ছাড়া ফোন বা ওয়েবক্যাম ব্যবহারে সমস্যা হলে কিংবা বিভিন্ন সুবিধা নিজ থেকেই চালু হলে বুঝতে হবে ফোনের ক্যামেরা, ওয়েবক্যাম হ্যাক হয়েছে।
সাইবার অপরাধীদের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রয়োজন ছাড়া ফোনের ক্যামেরা বা ওয়েবক্যাম ঢেকে রাখার পাশাপাশি নিয়মিত অপারেটিং সিস্টেম হালনাগাদের পরামর্শ দিয়েছেন টোভি মার্কস। শুধু তা–ই নয়, নিয়মিত ফোন বা কম্পিউটারে মেলওয়্যার বা ভাইরাস স্ক্যান করে অবাঞ্ছিত অ্যাপ বা সফটওয়্যার মুছে ফেলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
সূত্র: ডেইলি মেইল
Source: প্রথম আলো
কম্পিউটারে পোকেমন গো খেলার প্রলোভন দেখিয়ে তথ্য চুরি
***********************************************************************
অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অপারেটিং সিস্টেমের জন্য তৈরি হওয়ায় জনপ্রিয় গেম পোকেমন গো কম্পিউটারে খেলা যায় না। আর তাই গেমটি কম্পিউটারে খেলার প্রলোভন দেখিয়ে কম্পিউটার থেকে তথ্য চুরি করছে একদল সাইবার অপরাধী। এ জন্য একাধিক ভুয়া ওয়েবসাইটও তৈরি করেছে তারা। ওয়েবসাইটগুলো থেকে ভুয়া পোকেমন গো গেম নামালেই কম্পিউটারে গোপনে রিমোট এক্সেস টুল (র্যাট) ঢুকে পড়ে।
ভুয়া গেমের মাধ্যমে সাইবার হামলা চালানোর এ ঘটনা শনাক্ত করেছে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান এএসইসির একদল নিরাপত্তাবিশেষজ্ঞ। তাদের দাবি, উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের বোকা বানাতে পোকেমন গো নাম দিয়ে একাধিক ওয়েবসাইটও চালু করেছে সাইবার অপরাধীরা।
নামের মিল থাকায় অনেকেই অপরিচিত ওয়েবসাইটগুলো থেকে ভুয়া পোকেমন গো গেম নামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু ওয়েবসাইটে থাকা ‘প্লে অন পিসি’ ট্যাবে ক্লিক করলেই কম্পিউটারে রিমোট এক্সেস নামের ক্ষতিকর টুল প্রবেশ করে।
রিমোট এক্সেস টুলটি ব্যবহারকারীদের অজান্তেই কম্পিউটারে থাকা বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট ঠিকানায় পাঠাতে থাকে। এমনকি কম্পিউটারের পর্দার দৃশ্য গোপনে রেকর্ড করার পাশাপাশি কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য পণ্যের তথ্যও সংগ্রহ করতে পারে টুলটি।
সূত্র: টেক রাডার
Source: প্রথম আলো
Install app for better experience