সিদরাতুল মুনতাহা কি? জিব্রাইল ফেরেশতা সিদরাতুল মুনতাহা অতিক্রম করতে পারেননি - এ কথার অর্থ কি ?
সিদরাতুল মুনতাহা আরবী শব্দ। সিদরুন অর্থ বরই বা কূল গাছ, আর মুনতাহা অর্থ শেষ প্রান্ত, শেষ সীমায় উপনীত ইত্যাদি।
প্রচলিত অর্থে - মেরাজের সময়ে হযরত জিবরাইল আঃ যেখানে হযরত রাসূল পাক সঃ কে পৌঁছিয়ে দিয়ে উপরে গমন থেকে বিরত হয়েছিলেন, তাকে সিদরাতুল মুনতাহা বা ক্বালবের প্রথম স্তর সুদুরের মোকাম বলা হয়।
পবিত্র কুরআন শরীফে আল্লাহ বলেন,
" নিশ্চয় তিনি (মোহাম্মদ সঃ) তাকে আরেকবার দেখেছিলেন সিদরাতুল মুনতাহার নিকটে।" ( সূরা আন নাজম, আয়াত নং ১৩ ও ১৪ )।
রাসূল পাক সঃ বলেন,
" আমি আমার প্রতিপালককে উত্তম আকৃতিতে দেখেছি।" ( তাফসীরে তাবারীর ২৭ খন্ড, পৃষ্ঠা নং ৪৮ )।
" অতঃপর আমি সিদরাতুল মুনতাহার নিকট উপনীত হলাম। উহার এক একটা কুল 'হজর' অঞ্চলে তৈরি মটকার ন্যায়, উহার পাতা হাতীর কানের ন্যায়। জিবরাইল আমাকে বললেন, ইহা সিদরাতুল মুনতাহা। তথায় ৪টি প্রবাহমান নদী দেখতে পেলাম। ২টি ভিতরের দিকে এবং ২টি বাহিরের দিকে। নদীগুলি সম্পর্কে আমি জিবরাইলকে জিজ্ঞেস করায় তিনি বললেন, ভিতরের দিকে বেহেশতে প্রবাহমান ২টি নদী এবং বাহিরের দিকে প্রবাহমান ২টি হলো - নীল নদ ও ফোরাত নদী।" ( বোখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফের সূত্রে মেশকাত শরিফ, পৃষ্ঠা নং ৫২৭ )।
পবিত্র কুরআন ও হাদিসের বর্ণনার পাশাপাশি তাসাউফের সাধনা করে সিদরাতুল মুনতাহার সাথে মানব জীবনেও অপূর্ব মিল খুঁজে পাই। সিদরাতুল মুনতাহা বলতে মানুষের ক্বালবের বাহিরের আবরণকে বুঝানো হয়েছে। এখানে বরই এবং পাতা রুপক অর্থে ব্যবহার হয়েছে। বরই যেমন কাঁটাযুক্ত গাছের ফল অর্থাৎ কাঁটার আঘাত অতিক্রম করে এই ফল লাভ করতে হয়। তেমনি ক্বালবের প্রথম স্তর সুদুরের মাকামে অবস্থানরত শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে মুক্ত হতে না পারলে আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশা করা যায় না। আল্লাহর নৈকট্য লাভ জাগতিক যে কোন ফল লাভ অপেক্ষা কঠিন। এ কথা বুঝানোর জন্য হাদীসে বর্ণিত বরই বিরাট আকার বিশিষ্ট বলা হয়েছে। সিদরাতুল মুনতাহার একটা কুল বলতে মানুষের ক্বালব বা হৃদপিন্ডকে বুঝায়। আর পাতা বলতে মানুষের হৃদপিন্ড সংশ্লিষ্ট কলিজা ও ফুসফুসকে বুঝায়। এছাড়া সেখানকার ৪টি প্রবাহমান নদী বলতে ক্বালব বা হৃদপিন্ডের ৪টি শিরাকে বুঝায়। ক্বালবের বা হৃদপিন্ডের দুটি শিরা অন্তর্মুখী এবং দুটি শিরা বহির্মুখী। অন্তর্মুখী দুটি শিরা আল্লাহর বাসস্থান নফসীর মাকামের সাথে সম্পৃক্ত বিধায় আল্লাহর প্রেম লাভ করে ক্বালবের ভিতরে পরম স্বর্গীয় প্রশান্তি অনুভব করে। আর বহির্মুখী দুটি শিরা মস্তিষ্কের সাথে সংযুক্ত থেকে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালিত করে মানবদেহ সজীব ও সতেজ রাখে।
মানুষের ক্বালবের প্রথম স্তর ছুদুরের মাকাম। এর উর্ধ্বে কোন ফেরেশতার যাওয়ার অধিকার নাই। সেখান থেকে প্রেমের মাধ্যমে আশেক-মাশুক অর্থাৎ আল্লাহ ও তাঁর নৈকট্য লাভকারী বান্দার মিলনের দ্বার উন্মোচিত হয়। অর্থাৎ সিদরাতুল মুনতাহা আল্লাহর নৈকট্য লাভের পথে একটি বিশেষ স্তর। ফেরেশতার স্বভাব তথা আল্লাহর নির্দেশ পালনের মাধ্যমে ঐ স্তর পর্যন্ত পৌঁছা যায়। আল্লাহর সাথে মহামিলন কামনাকারী সাধক কেবল প্রেমের আকর্ষনে ঐ স্তর এমনকি মধ্যবর্তী আরো ৫টি স্তর যথা - নশর, শামছি, নূরী, কুরব ও মাকিম অতিক্রম করে নফসীর মাকামে আল্লাহর দীদার লাভ করে তাঁর সাথে ফানা বা বিলীন হয়ে থাকেন।
পবিত্র কুরআন ও হাদিস শরীফের উপরোক্ত আলোচনা থেকে পরিশেষে বলা যায় যে, জিবরাইল আঃ মেরাজের রজনীতে হযরত রাসূল পাক সঃ কে উর্ধ্বলোকের যে স্হানে নিয়ে পৌঁছে দিয়েছিলেন, উহাই সিদরাতুল মুনতাহা। আর জিবরাইল আঃ যেহেতু নফস থেকে মুক্ত, সেহেতু তিনি সিদরাতুল মুনতাহা অতিক্রম করে আল্লাহতে পৌঁছাতে পারেননি। এছাড়াও কোন ফেরেশতা ক্বালবের প্রথম স্তর ছুদুরের মোকাম অতিক্রম করতে পারে না।
যেকোনো আহলে বায়াত প্রেমিক এই পোস্ট কপি করার পূর্ণ অধিকার রাখে।
নিবেদক : আশেকে রাসুল ইউসুফ মোহাম্মদী।
নারীকুল শিরোমনি হযরত মা ফাতেমা যাহারা (আঃ)-এর মর্যাদা এই সৃষ্টি লোকের কেন্দ্রবিন্দু,
হযরত রাসূলে আকরাম (সাঃ) এরশাদ করেন,
আল্লাহ্ তা"আলা প্রথমেই রাসূলে আকরামে নূর সৃষ্টি করেন এবং সৃষ্টি কর্মের এক পর্যায়ে সকল নবী রাসূল (আঃ) -এর রুহ (আত্মা) সৃষ্টি করেন।
অর্থাৎ পৃথিবীর বুকে জন্ম নেয়ার বহু পূর্বেই তাদেরকে নবী হিসাবে মনোনীত করা হয়।
কিন্তু অন্যানা নবী রাসূলগণের রুহ সৃষ্টির বহু পূর্বেই আল্লাহ্ তা"আলা হযরত রাসূলে আকরাম হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)-এর নূর সৃষ্টি করার পর,
আরও কয়েকজনের নূরানী সত্তা সৃষ্টি করেন।
তাঁরা হচ্ছেন হযরত মা ফাতেমা (আঃ) হযরত মাওলা আলী (আঃ) হযরত ইমাম হাসান (আঃ) হযরত ইমাম হুসাইন (আঃ) এঁদের সম্পর্কে বিভিন্ন ইসলামী সূত্রেই শুধু নয়, ইসলাম- পূর্বযুগের বিভিন্ন ধর্ম গ্রন্থেও বিভিন্নভাবে উল্লিখিত হয়েছে।
বিভূতি ওরফে ভূতোকে সকলেই গোঁয়ার বলিয়া জানিত। কিন্তু সে যখন বিবাহ করিয়া বৌ ঘরে আনিল তখন দেখা গেল বৌটি তাহার চেয়েও এক কাঠি বাড়া, অর্থাৎ একেবারে কাঠ-গোঁয়ার। কাঠে কাঠে ঠোকাঠুকি হইতেও বেশী বিলম্ব হয় নাই।
ছোট শহর, সকলেই সকলকে চেনে। ভূতোকে সকলেই চিনিত এবং মনে মনে ভয় করিত। গ্যাঁটা-গোঁটা নিরেট চেহারা; কথাবার্তা বেশী বলিত না। টাকাকড়ি সম্বন্ধে তাহার হাত যেমন দরাজ ছিল, তেমনি বিবাদ-বিসম্বাদ উপস্থিত হইলে মুখ ফুটিবার আগেই তাহার হাত ছুটিত।
https://www.golperasor.com/202....2/07/blog-post_12.ht
উইন্ডোজে নিরাপত্তাত্রুটি, সাইবার হামলার আশঙ্কায় মাইক্রোসফট
***********************************************************************
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ভয়ংকর নিরাপত্তাত্রুটির সন্ধান পেয়েছে মাইক্রোসফট। সিভিই-২০২৩-২১৬৭৪ নামের এই ত্রুটি উইন্ডোজ অ্যাডভান্সড লোকাল প্রসিডিউর কল (এএলপিসি) প্রযুক্তির নিরাপত্তাব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেয়। ফলে সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এই ত্রুটি কাজে লাগিয়ে উইন্ডোজ ১০ থেকে শুরু করে উইন্ডোজ ১১ ও উইন্ডোজ সার্ভারে সাইবার হামলা চালানো সম্ভব।
নিজেদের তৈরি সফটওয়্যারে ত্রুটি শনাক্ত হলেই দ্রুত সমাধান করে নিরাপত্তা প্যাচ উন্মুক্ত করে মাইক্রোসফট। কিন্তু প্যাচ ছাড়ার আগে যদি হ্যাকাররা ত্রুটি ব্যবহার করতে সক্ষম হয়, তখন সেটিকে জিরো ডে এক্সপ্লয়েট বলে। সিভিই-২০২৩-২১৬৭৪ ত্রুটির ক্ষেত্রেও এমনটি হয়েছে বলে স্বীকারও করেছে মাইক্রোসফট।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার উইন্ডোজের ৯৮টি নিরাপত্তাত্রুটি দূর করে সফটওয়্যার হালনাগাদও (নিরাপত্তা প্যাচ) উন্মুক্ত করেছে মাইক্রোসফট। তবে জিরো ডে এক্সপ্লয়েট ত্রুটিটি কার্যকর থাকায় ব্যবহারকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
সূত্র: ফোর্বস
Source: প্রথম আলো
১ টেরাবাইট মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা যাবে এই ফোনে
***********************************************************************
বাংলাদেশে ওয়াই সিরিজের নতুন স্মার্টফোন এনেছে ভিভো। মিডিয়াটেক হেলিও পি৩৫ প্রসেসরে চলা ওয়াই ১৬ মডেলের এ ফোনে ৪ গিগাবাইট র্যাম ও ৬৪ গিগাবাইট রম রয়েছে। ১ টেরাবাইট মেমোরি কার্ড সমর্থন করা এই ফোনের দাম ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৯৯৯ টাকা।
৬.৫১ ইঞ্চি পর্দার ফোনটির পেছনে ১৩ ও ২ এবং সামনে ৫ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে।
আঙুলের ছাপ শনাক্তকরণ সুবিধার ফোনটিতে পাঁচ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি থাকায় দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা যায়। ১০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধা থাকায় দ্রুত চার্জও করা যায় ফোনটি।
অ্যান্ড্রয়েড ১২ (ফানটাচ ওএস ১২) অপারেটিং সিস্টেমে চলা ফোনটি ১৬ জানুয়ারি থেকে বাজারে পাওয়া যাবে। তবে আগ্রহী ব্যক্তিরা ফোনটি কেনার জন্য অগ্রিম নিবন্ধন করতে পারবেন।
Source: প্রথম আলো
কম্পিউটারে পোকেমন গো খেলার প্রলোভন দেখিয়ে তথ্য চুরি
***********************************************************************
অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অপারেটিং সিস্টেমের জন্য তৈরি হওয়ায় জনপ্রিয় গেম পোকেমন গো কম্পিউটারে খেলা যায় না। আর তাই গেমটি কম্পিউটারে খেলার প্রলোভন দেখিয়ে কম্পিউটার থেকে তথ্য চুরি করছে একদল সাইবার অপরাধী। এ জন্য একাধিক ভুয়া ওয়েবসাইটও তৈরি করেছে তারা। ওয়েবসাইটগুলো থেকে ভুয়া পোকেমন গো গেম নামালেই কম্পিউটারে গোপনে রিমোট এক্সেস টুল (র্যাট) ঢুকে পড়ে।
ভুয়া গেমের মাধ্যমে সাইবার হামলা চালানোর এ ঘটনা শনাক্ত করেছে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান এএসইসির একদল নিরাপত্তাবিশেষজ্ঞ। তাদের দাবি, উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের বোকা বানাতে পোকেমন গো নাম দিয়ে একাধিক ওয়েবসাইটও চালু করেছে সাইবার অপরাধীরা।
নামের মিল থাকায় অনেকেই অপরিচিত ওয়েবসাইটগুলো থেকে ভুয়া পোকেমন গো গেম নামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু ওয়েবসাইটে থাকা ‘প্লে অন পিসি’ ট্যাবে ক্লিক করলেই কম্পিউটারে রিমোট এক্সেস নামের ক্ষতিকর টুল প্রবেশ করে।
রিমোট এক্সেস টুলটি ব্যবহারকারীদের অজান্তেই কম্পিউটারে থাকা বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট ঠিকানায় পাঠাতে থাকে। এমনকি কম্পিউটারের পর্দার দৃশ্য গোপনে রেকর্ড করার পাশাপাশি কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য পণ্যের তথ্যও সংগ্রহ করতে পারে টুলটি।
সূত্র: টেক রাডার
Source: প্রথম আলো
শব্দরোধক ব্লু-টুথ মাইক্রোফোন
***********************************************************************
ভিডিও গেম খেলার সময় নিজের অজান্তেই জোরে চিৎকার করেন অনেকে। কেউ আবার জোরে কথাও বলেন। এ কারণে আশপাশে থাকা ব্যক্তিরা বেশ বিরক্ত হন। তবে চিন্তার কিছু নেই, মিউটক নামের এই মাইক্রোফোন মুখের সঙ্গে যুক্ত করে যত জোরেই আওয়াজ করেন না কেন, কেউ শুনতে পাবেন না।
ব্লু-টুথ প্রযুক্তি সমর্থন করায় মাইক্রোফোনটি দিয়ে ফোনেও কথা বলা যায়। ফলে ফোনের কথা পাশে থাকা অন্য কেউ শুনতে পারে না। শুধু তা-ই নয়, শব্দরোধক হওয়ায় কোলাহলপূর্ণ স্থান থেকেও স্বচ্ছন্দে কথা বলা যায়।
ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) হেডসেটের সঙ্গেও ব্যবহার করা যায় মাইক্রোফোনটি। ফলে, ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ায় যত আওয়াজই করেন না কেন, অন্য কেউ শুনতে পারবে না। মাইক্রোফোনটি তৈরি করেছে শিফটঅল নামের একটি প্রতিষ্ঠান। যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক শোতে (সিইএস) নিজেদের তৈরি রোবটের কার্যকারিতা প্রদর্শন করেছে তারা।
সূত্র: সিএনএন
Source: প্রথম আলো