গানে আর কবিতায় হয়ে গেল রংতুলিতে মুক্তিযুদ্ধ
***********************************************************************
গান আর কবিতায় হয়ে গেল চ্যানেল আইয়ের আয়োজনে ‘রংতুলিতে মুক্তিযুদ্ধ’ অনুষ্ঠান। দেশের অর্ধশতাধিক চিত্রশিল্পীকে নিয়ে প্রতিবারের মতো এবারও অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রংতুলিতে মুক্তিযুদ্ধ’। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৫ মিনিটে চ্যানেল আই চেতনা চত্বর প্রাঙ্গণে শিল্পী হাশেম খানের তুলির আঁচড়ে ক্যানভাস রাঙিয়ে উদ্বোধন করা হয় ‘রংতুলিতে মুক্তিযুদ্ধ’। এরপর মঞ্চে পরিবেশন করা হয় ‘ও আমার দেশের মাটি’ গানটি। গান পরিবেশন করেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ও তাঁর সংগীতশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুরের ধারার শিক্ষার্থীরা।
‘রংতুলিতে মুক্তিযুদ্ধ’–এর এবারের আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর। উপস্থিত ছিলেন রফিকুন নবী এবং নাট্যজন ও সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর।
শিল্পী রফিকুন নবী ক্যানভাসে এঁকেছেন একটি কাক ও সূর্যের ছবি। ছবির ব্যাখ্যা দিয়ে শিল্পী বলেন, ‘কাক কিন্তু দুই রকম আছে, ভালো কাক ও চতুর কাক। আমি কাককে আমাদের সামাজিক যত রকমের অবক্ষয় থেকে শুরু করে সবকিছুর প্রতীক হিসেবে কাক ব্যবহার করি। সূর্যটিও আরেকটি প্রতীক।’ শিল্পী হাশেম খান বলেন, ‘ছবি আঁকার মাধ্যমে একটি শিশু ছোটবেলা থেকে সুনাগরিক হয়ে ওঠে। একটি পরিকল্পিত জীবন ছবি আঁকার মধ্য দিয়ে অর্জন করতে পারে। সুন্দর জিনিস সৃষ্টি করতে পারে। একটি ছবি আঁকা শেষ করে মনে করে, “আমি পেরেছি।” এই পেরে ওঠাই তাদের সাহস ও শক্তি জোগায়।’
৭ মার্চ দিনটি স্মরণ করে আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘আমি সেই সব সৌভাগ্যবান মানুষদের একজন যে সেই ঐতিহাসিক সময়ে উপস্থিত থাকার সুযোগ হয়েছিল। সেদিন আমাদের যে অভিজ্ঞতা, সেটি কখনই ভোলার নয়। লাখো মানুষের সমাবেশ, চতুর্দিক থেকে মিছিল আসছে। গন্তব্য একটাই—রেসকোর্স ময়দান। বঙ্গবন্ধু এলেন, তাঁর সেই দৃপ্ত উচ্চারণ, সেই উচ্চারণের মধ্য দিয়ে যেই বার্তা আমরা পেলাম, তা মুক্তিযুদ্ধের বার্তা। সেদিনই সেই বার্তাকে হৃদয়ে ধারণ করে জাতি এক মহাসংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।’
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, ‘নতুন একটি শিশুর জন্ম হলে আমরা যেমন আনন্দ পাই, সে রকমই এখানে আজ অনেক নতুন ছবির জন্ম হচ্ছে।’
ঢাকার তেজগাঁওয়ের চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে ‘রংতুলিতে মুক্তিযুদ্ধ’ অনুষ্ঠানের এবারের আয়োজনের উপস্থাপনা করেছেন আফজাল হোসেন। এ নিয়ে টানা ১৬ বছর এই অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করেন তিনি। এত বছর কীভাবে পার করেছেন, টেরই পাননি তিনি। অভিনয়ের বাইরে এই অনুষ্ঠান উপস্থাপনার কাজ খুব উপভোগ করেন আফজাল হোসেন। কারণ, বিভিন্ন প্রজন্মের চিত্রশিল্পীর সঙ্গে ভাবনার আদান–প্রদান চলে এই আয়োজনে, যা অন্য সময় সেভাবে সম্ভব হয় না।
‘রংতুলিতে মুক্তিযুদ্ধ’ আয়োজন সম্পর্কে আফজাল হোসেন বললেন, ‘আমার কাছে এটাকে খুবই অসাধারণ আয়োজন মনে হয়। কেউ আসলে এ রকম ভাবতেও পারে না। শিল্পীরা এক জায়গায় হন একটা দিনে, দিনের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ছবি আঁকেন। এটা অনেক বড় ব্যাপার। যদিও সেভাবে বিষয়টা দেখা হয় না। কিন্তু ব্যাপারটা অনেক বড়। দেশের শ্রেষ্ঠ শিল্পী থেকে শুরু করে বর্তমান ও যাঁরা আগামীর শিল্পী হবেন, তাঁরা সবাই একত্র হয়ে এদিন ছবি আঁকেন। ছবি আঁকার ধরনও খুব আলাদা। যা ভালো না লেগে উপায় নেই।’ রংতুলিতে মুক্তিযুদ্ধ অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন আমীরুল ইসলাম।
Source: প্রথম আলো
নারী দিবসে জয়বাংলা কনসার্টে বিশেষ আয়োজন
***********************************************************************
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত হয়ে গানের ছন্দে মেতে উঠতে আগামীকাল ঢাকা আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জয় বাংলা কনসার্ট। আয়োজক প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)-এর অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ‘ইয়াং বাংলা’ নারী দিবস উদ্যাপনে জয় বাংলা কনসার্টে নারীদের যোগ দেওয়ার আহ্বান জানায়। নারীদের আলাদা বিশেষ নিবন্ধনও চালু করা হয়েছে বলে জানায় ইয়াং বাংলা।
৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের দিনটিকে স্মরণ করে ৭ মার্চ ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে জয় বাংলা কনসার্ট আয়োজিত হয়ে আসছে। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে গত দুই বছর এটি অনুষ্ঠিত হয়নি। পবিত্র শবে বরাতের কারণে ৭ মার্চের বদলে এবার আয়োজন করা হচ্ছে ৮ মার্চ।
সর্বশেষ আয়োজনে কনসার্টে প্রথমবার যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ছোট বোন শেখ রেহানা। বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্রী সায়মা ওয়াজেদ হোসেন এবং দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকও ছিলেন সেই কনসার্টে।
এবারের কনসার্টে অংশ নেবে দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘আর্টসেল’, ‘ক্রিপটিক ফেইট’, ‘চিরকুট’, ‘নেমেসিস’, ‘লালন’, ‘আরেকটা রক ব্যান্ড’, ‘মেঘদল’, ‘অ্যাভয়েড রাফা’ ও ‘কার্নিভাল’। কনসার্টে অংশগ্রহণের জন্য বুধবার (১ মার্চ) থেকে নিবন্ধন শুরু হয়,যা চলছে এখনও। কনসার্টের মূল উদ্যোক্তা তারুণ্যের সংগঠন ইয়াং বাংলা জানায়, কনসার্টটি দেখতে বরাবরের মতোই কোনো টাকা লাগবে না। তবে নির্ধারিত সময়ে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে সংগ্রহ করতে হবে প্রবেশের টিকিট।
http: //ticket. youngbangla. org/ লিঙ্কে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। সেখানে ফটো আইডি হিসেবে কলেজের আইডি কার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্টের কপি বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের কপি ব্যবহার করতে হবে।
রেজিস্ট্রেশনের সময় খেয়াল রাখতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্রের নামের সঙ্গে যেন রেজিস্ট্রেশনের জন্য দেওয়া নামের সম্পূর্ণ মিল থাকে। সব কিছু সঠিকভাবে পূরণ হয়ে গেলে ‘সাবমিট অ্যান্ড গেট ফ্রি টিকেট’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।
Source: প্রথম আলো
‘অজয় আমার গায়ে একটা আঁচড়ও লাগতে দেয়নি’
***********************************************************************
অজয় আর টাবু জুটি এর আগে একাধিক হিট ছবি উপহার দিয়েছেন। এবার তাঁরা উপহার দিতে চলেছেন অ্যাকশনধর্মী ছবি ‘ভোলা’। তবে এ ছবিতে শুধু অজয় দেবগনকে নয়, টাবুকেও অ্যাকশন দৃশ্যে দেখা যাবে। এই প্রথম অ্যাকশনধর্মী চরিত্রে অভিনয়ের প্রসঙ্গে কিছু কথা বলেছেন টাবু।
গতকাল সোমবার মুম্বাইয়ের আইম্যাক্স থিয়েটারে মুক্তি পেল অজয়ের থ্রিডি ছবি ‘ভোলা’–র ট্রেলার। এ ছবিতে অজয় অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনা ও প্রযোজনার দায়িত্ব সামলেছেন। তবে এর আগে একাধিক ছবিতে তাঁকে একসঙ্গে তিনটি দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। ট্রেলার মুক্তির পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ প্রসঙ্গে অজয় কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলেন, ‘আমার কাছে মোটেও চাপের নয়। কারণ, এই তিন দায়িত্ব আমি সমানভাবে উপভোগ করি। কাজের মাধ্যমে নিজেকে ক্রমাগত আপডেট করছি। নিজের এবং অন্যের ভুল থেকে শিখছি।’
তামিল ছবি ‘কাইথি’-র হিন্দি রিমেক অজয়ের এ ছবি। রিমেকের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এ ছবি তামিল ছবির থেকে কিছুটা আলাদা। ছবিটা দেখলে বোঝা যাবে।’ অজয় আরও বলেন, ‘অ্যাকশনধর্মী ছবি হলেও এতে আবেগ ভরপুর আছে। আবেগ ছাড়া অ্যাকশন ছবি করা যায় না। আর এ আবেগ সবাইকে ছুঁয়ে যাবে।’
‘ভোলা’ ছবিতে টাবু পুলিশ অফিসারের চরিত্রে অভিনয় করতে চলেছেন। অজয়ের ছবি, তাই না বলার প্রশ্ন ছিল না বলে জানান টাবু।
একগাল হেসে টাবু বলেন, ‘আমাকে সে (অজয়) ফোন করতেই আমি “হ্যাঁ” বলে দিই। আসলে আমি তাকে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করি। খুব সহজে সে বলে যে ছবিতে আমায় অ্যাকশন করতে হবে। আসলে তার কাছে অ্যাকশন কোনো ব্যাপার নয়। ঘুমানোর সময়ও ও অ্যাকশন করতে পারে। সেটে আমি নিজেকে তার কাছে সমর্পণ করেছিলাম। সে ছিল বলে সেটে আমি নিশ্চিন্তে ছিলাম।’ সেটে পুরোপুরি সুরক্ষাব্যবস্থা ছিল বলে জানান টাবু।
টাবু আরও বলেন, ‘অ্যাকশন দৃশ্যের জন্য আমাকে কোনো রকম প্রস্তুতি নিতে হয়নি। সেটে অজয় আর তার এক্সপার্ট টিম ছিল। আমি শুধু তাদের নির্দেশ অনুসরণ করেছিলাম।’
সুরক্ষার প্রসঙ্গে এই বলিউড নায়িকা বলেন, ‘অজয় আমার গায়ে একটা আঁচড়ও লাগতে দেয়নি। আর এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিন্তে ছিলাম।’
‘ভোলা’ ছবিটি থ্রিডিতে ৩০ মার্চ মুক্তি পাবে। এ ছবিতে অজয় ও টাবু ছাড়াও আছেন দীপক দাব্রিয়েল, সঞ্জয় মিশ্রা, গজরাজ রাও, বিনীত কুমারসহ আরও অনেকে।
Source: প্রথম আলো
মান্না মারা যাওয়ার পরের ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন স্ত্রী শেলী মান্না
***********************************************************************
চিত্রনায়ক মান্নার পরিবার এবং ভক্তদের জন্য ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ভয়ানক এক শোকের দিন। সেদিন যেমন মান্নাকে হারিয়ে শোকে ‘পাথর’ ছিল পুরো পরিবার, তেমনি পরদিন চারপাশের মানুষের বদলে যাওয়া দেখে শোক যেন আরও বেড়ে গিয়েছিল পরিবারের সদস্যদের। সেই ঘটনা মান্নার স্ত্রী শেলী মান্নার কাছে মানসিক পীড়ন আর সংগ্রাম ছিল। তার ভাষায়, ‘পরদিন ১৮ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকাল থেকেই আমার চারপাশের অনেক স্বজনের মানবিক চরিত্রচিত্রের বদল ঘটেছিল।’
শেলী মান্না বলেন, ‘আমার স্বামীর এভাবে আকস্মিক চলে যাওয়া আমাদের জন্য বিশাল শূন্যতা ও বিষণ্নতার। পরবর্তী সময়ে আমার কাছের অনেক স্বজনের দূরে সরে যাওয়া দেখে হতবাক হয়েছি। খুব কাছ থেকে অনেককে দেখেছি, দিনের পর দিন তাঁরা একসময় অচেনা হয়ে গেলেন। এ সময় আমি মান্নার কর্মকাণ্ড ঘিরে ও আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে সমর্পণ করি। কিংবদন্তি অভিনেতা, প্রযোজক মান্নার অগণিত ভক্তকুল, সিনেমাপ্রেমী স্বজন ও পরিবারের দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল মান্না ফাউন্ডেশন গঠন নিয়ে। পরে আমরা ফাউন্ডেশন গঠন করি। সেখানেও একসময় সক্রিয় থাকা সম্ভব হয়নি।’
তারপরে মান্নার রেখে যাওয়া কৃতাঞ্জলি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও চলচ্চিত্রবিষয়ক কর্মকাণ্ডের হাল ধরেন শেলী। সেই অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এখানেও আমি এক বিশ্বাস ও অবিশ্বাসের ফাঁদের বেড়াজালে পড়ে যাই। সম্মান বাঁচাতে বৈষয়িক অনেক বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে লাগলাম। আমাকে শূন্যতা, বিষণ্নতা ও চরম পরিস্থিতি থেকে একবারে টেনে তোলার মতো কোনো স্বজন এগিয়ে আসেননি। যেমনটা আমি একসময় অনেকের অনেক সমস্যায় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলাম। শুরু হয় জীবনযুদ্ধ। সেই সঙ্গে কাছের মানুষেরাও হয়ে যায় চির অচেনা।’
নারী হিসেবে সেই সংগ্রামে কখনো জয়ী হয়েছেন, কখনো একাকী সংগ্রামী নারী হিসেবে যুদ্ধে পরাজিত হয়েছেন। তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যত বাধাই আসুক, মান্না ফাউন্ডেশন স্বজনহারা ও স্বজনবিহীন সংগ্রামী নারীদের নিয়ে কাজ করবে, একে অন্যের পাশে থাকবে। এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে শেলী বলেন, ‘এখন পারিবারিক, রক্তের বন্ধন ও সামাজিক বন্ধন অনেকাংশেই বিলুপ্তির পথে। আর এই বন্ধনকে আরও জোরদার করার লক্ষ্যে সামাজিক ও পারিবারিক অবক্ষয়কে রোধ দরকার বলেই মান্না ফাউন্ডেশন কাজগুলো নিয়মিত করবে। “এসো মানববন্ধন গড়ি” শিরোনামে এখানে শিক্ষণীয় ও দৃষ্টান্তমূলক বিষয়গুলো নিয়ে কাজ হবে। সেগুলো টেলিভিশন ও কৃতাঞ্জলির ডিজিটাল চ্যানেলে প্রকাশ পাবে।’
মান্না মারা যাওয়ার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন শেলী মান্না। সেসব ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েছেন। কিন্তু তারপরও চারপাশের কিছু মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছেন। তাঁরাই তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছেন মান্না ফাউন্ডেশনকে নতুন রূপে পুনর্গঠন করার। অভিনেতা মান্নার স্মৃতি রক্ষার্থে এবং তাঁর কর্মকাণ্ড ও আদর্শকে ভক্তদের মধ্যে নতুন করে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এর আগে মান্না ফাউন্ডেশনের অঙ্গসংগঠনে যাঁরা কাজ করেছেন, তাঁদেরও সংযুক্ত করা হবে উল্লেখ করে শেলী বলেন, ‘এবার আমরা মানবিক ও উদারমনা সংগঠকদের নিয়ে ফাউন্ডেশনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। দেশপ্রেম ও সংগঠনের কার্যক্রমকে প্রাধান্য দিয়ে প্রতিটি কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে। নারী-পুরুষের সম্মিলিত ভূমিকা থাকবে এই সংগঠনের কর্মকাণ্ডে।’
মান্না মারা যাওয়ার পর ২০০৯ সালের পয়লা বৈশাখে গঠন করা হয় মান্না ফাউন্ডেশন। পরবর্তীকালে বাংলাদেশজুড়ে ২৪৫টি অঙ্গসংগঠন তৈরি হয়। শেলী বলেন, ‘আমরা ২০১৪ সাল পর্যন্ত এর কার্যক্রম চালিয়ে যাই। পরে রাজনৈতিক ও পারিপার্শ্বিক কারণে ফাউন্ডেশনের কর্মকাণ্ড কিছুটা থেমে যায়। এ ছাড়া আমাদের ফাউন্ডেশনের কার্যকরী কমিটির শ্রদ্ধেয় চলচ্চিত্র পরিচালক, অভিভাবক চাষী নজরুল ইসলাম ভাইসহ সাতজন মারা যাওয়ার পর আমরা আরও ভেঙে পড়ি। এরা সবাই ছিলেন মান্নাঘনিষ্ঠ।’
Source: প্রথম আলো
Install app for better experience