https://moto-plac.pl/957-husqv....arna-vitpilen-401-kt
https://moto-plac.pl/957-husqv....arna-vitpilen-401-kt
রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, মানুষ যখনই নামাজে দাঁড়ায়, শয়তান তখনই তার মনে রাজ্যের দুনিয়াবি চিন্তা এনে হাজির করে। হাদিসে নামাজের একাগ্রতা নষ্টকারী এই বিশেষ শয়তানের নাম বলা হয়েছে 'খিনজাব'।
নামাজ শুরু হলেই সে মানুষের অবচেতন মনে ফিসফিসিয়ে বলতে থাকে, "এটা মনে করো, ওটা মনে করো"—অথচ নামাজের আগে হয়তো সেই বিষয়গুলোর কথা মানুষের মনেই ছিল না। শয়তান খুব ভালো করেই জানে, একজন মুমিন যদি পূর্ণ একাগ্রতা ও খুশু-খুজুর সাথে নামাজ আদায় করতে পারে, তবে সে নিষ্পাপ হয়ে জান্নাতের অধিকারী হবে। তাই সে মুমিনের জীবনের সবচেয়ে বড় ইবাদতটিকে ভেতর থেকে প্রাণহীন ও পঙ্গু করে দেওয়ার জন্য নামাজেই হানা দেয়। খিনজাবের এই ক্ষতিকর 'ওয়াসওয়াসা' বা কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচতে নামাজ শুরুর আগেই মহান আল্লাহর দরবারে শয়তানের কবল থেকে মনে-প্রাণে আশ্রয় চাওয়া অত্যন্ত জরুরি।
সংস্করণ ২: সংক্ষিপ্ত ও পয়েন্ট আকারে (সোশ্যাল মিডিয়া বা দ্রুত পড়ার জন্য)
নামাজে মনোযোগ ধরে রাখা এবং শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচার ব্যাপারে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা:
বিশেষ শয়তানের উপস্থিতি: রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিস অনুযায়ী, নামাজে একাগ্রতা নষ্ট করার জন্য 'খিনজাব' নামের একটি বিশেষ শয়তান নিয়োজিত থাকে।
কৌশল: নামাজ শুরু হতেই সে মানুষের মনে অবচেতনভাবে নানা দুনিয়াবি চিন্তা এনে দেয় এবং বলতে থাকে, "এটা স্মরণ করো, ওটা স্মরণ করো"—যা নামাজের আগে মানুষের মাথায়ই ছিল না।
শয়তানের উদ্দেশ্য: শয়তান জানে, খুশু-খুজুর (নম্রতা ও একাগ্রতা) সাথে নামাজ শেষ করতে পারলে মুমিন ব্যক্তি নিষ্পাপ হয়ে জান্নাত লাভ করবে। তাই সে নামাজকে ভেতর থেকে প্রাণহীন করার চক্রান্ত করে।
করণীয়: এই ওয়াসওয়াসা বা কুমন্ত্রণা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে নামাজ শুরুর আগেই আল্লাহর কাছে শয়তানের কবল থেকে আন্তরিকভাবে আশ্রয় প্রার্থনা করা জরুরি।
মনে রাখুন: নামাজের ভেতরের লড়াইটা মূলত নিজের মন ও খিনজাবের কুমন্ত্রণা রুখে দেওয়ার লড়াই।
কঠিন বিচার চাই...
আড়াইহাজারে স্ত্রীর গলা টিপে হ*ত্যাচেষ্টার ভিডিও ভাইরাল, স্বামী গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে স্ত্রীকে গলা টিপে হ*ত্যারচেষ্টার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর মাজহারুল ইসলাম সবুজ (৩৭) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় হ*ত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) রাতে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রোববার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারেও পাঠানো হয় বলে জানান আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সবজেল হোসেন।
পুলিশ ও মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামের বাসিন্দা মাজারুল ইসলাম সবুজের সঙ্গে প্রায় ১২ বছর আগে ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের মধ্যপাড়া এলাকার তানিয়ার (২৬) বিয়ে হয়। তাঁদের দুই ছেলে সন্তান রয়েছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, সবুজ দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত। জুয়ার জন্য তিনি স্ত্রীর কাছে টাকা দাবি করতেন এবং বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। সম্প্রতি তিনি নিজের বেতন ও তাঁর মায়ের বেতনের প্রায় ৭০ হাজার টাকা অনলাইন জুয়ায় হারিয়ে ফেলেন।
মামলার এজাহারে তানিয়া উল্লেখ করেন, গত ৯ জুন সন্ধ্যায় জুয়া খেলা নিয়ে বাধা দিলে সবুজ তাঁকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এ সময় তিনি বাবার বাড়ি থেকে এক লাখ টাকা এনে দিতে বলেন। পরে দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতে চলে যান।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৩ জুন সকালে ফোনে আবারও ওই টাকা দাবি করেন সবুজ। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বেলা ১১টার দিকে তিনি ব্রাহ্মন্দী মধ্যপাড়ায় শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে ঘরে প্রবেশ করেন। পরে দরজা বন্ধ করে স্ত্রীকে মারধর এবং গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করেন।
এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন দরজা ভেঙে তাঁকে উদ্ধার করেন এবং অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পরে আহত অবস্থায় তানিয়াকে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন।
এদিকে, ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভিডিওটি আড়াইহাজারের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদের নজরে এলে তিনি দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশনা দেন।
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সবজেল হোসেন বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, মানুষ যখনই নামাজে দাঁড়ায়, শয়তান তখনই তার মনে রাজ্যের দুনিয়াবি চিন্তা এনে হাজির করে। হাদিসে নামাজের একাগ্রতা নষ্টকারী এই বিশেষ শয়তানের নাম বলা হয়েছে 'খিনজাব'।
নামাজ শুরু হলেই সে মানুষের অবচেতন মনে ফিসফিসিয়ে বলতে থাকে, "এটা মনে করো, ওটা মনে করো"—অথচ নামাজের আগে হয়তো সেই বিষয়গুলোর কথা মানুষের মনেই ছিল না। শয়তান খুব ভালো করেই জানে, একজন মুমিন যদি পূর্ণ একাগ্রতা ও খুশু-খুজুর সাথে নামাজ আদায় করতে পারে, তবে সে নিষ্পাপ হয়ে জান্নাতের অধিকারী হবে। তাই সে মুমিনের জীবনের সবচেয়ে বড় ইবাদতটিকে ভেতর থেকে প্রাণহীন ও পঙ্গু করে দেওয়ার জন্য নামাজেই হানা দেয়। খিনজাবের এই ক্ষতিকর 'ওয়াসওয়াসা' বা কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচতে নামাজ শুরুর আগেই মহান আল্লাহর দরবারে শয়তানের কবল থেকে মনে-প্রাণে আশ্রয় চাওয়া অত্যন্ত জরুরি।
সংস্করণ ২: সংক্ষিপ্ত ও পয়েন্ট আকারে (সোশ্যাল মিডিয়া বা দ্রুত পড়ার জন্য)
নামাজে মনোযোগ ধরে রাখা এবং শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচার ব্যাপারে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা:
বিশেষ শয়তানের উপস্থিতি: রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিস অনুযায়ী, নামাজে একাগ্রতা নষ্ট করার জন্য 'খিনজাব' নামের একটি বিশেষ শয়তান নিয়োজিত থাকে।
কৌশল: নামাজ শুরু হতেই সে মানুষের মনে অবচেতনভাবে নানা দুনিয়াবি চিন্তা এনে দেয় এবং বলতে থাকে, "এটা স্মরণ করো, ওটা স্মরণ করো"—যা নামাজের আগে মানুষের মাথায়ই ছিল না।
শয়তানের উদ্দেশ্য: শয়তান জানে, খুশু-খুজুর (নম্রতা ও একাগ্রতা) সাথে নামাজ শেষ করতে পারলে মুমিন ব্যক্তি নিষ্পাপ হয়ে জান্নাত লাভ করবে। তাই সে নামাজকে ভেতর থেকে প্রাণহীন করার চক্রান্ত করে।
করণীয়: এই ওয়াসওয়াসা বা কুমন্ত্রণা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে নামাজ শুরুর আগেই আল্লাহর কাছে শয়তানের কবল থেকে আন্তরিকভাবে আশ্রয় প্রার্থনা করা জরুরি।
মনে রাখুন: নামাজের ভেতরের লড়াইটা মূলত নিজের মন ও খিনজাবের কুমন্ত্রণা রুখে দেওয়ার লড়াই।
কঠিন বিচার চাই...
আড়াইহাজারে স্ত্রীর গলা টিপে হ*ত্যাচেষ্টার ভিডিও ভাইরাল, স্বামী গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে স্ত্রীকে গলা টিপে হ*ত্যারচেষ্টার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর মাজহারুল ইসলাম সবুজ (৩৭) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় হ*ত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) রাতে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রোববার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারেও পাঠানো হয় বলে জানান আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সবজেল হোসেন।
পুলিশ ও মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামের বাসিন্দা মাজারুল ইসলাম সবুজের সঙ্গে প্রায় ১২ বছর আগে ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের মধ্যপাড়া এলাকার তানিয়ার (২৬) বিয়ে হয়। তাঁদের দুই ছেলে সন্তান রয়েছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, সবুজ দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত। জুয়ার জন্য তিনি স্ত্রীর কাছে টাকা দাবি করতেন এবং বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। সম্প্রতি তিনি নিজের বেতন ও তাঁর মায়ের বেতনের প্রায় ৭০ হাজার টাকা অনলাইন জুয়ায় হারিয়ে ফেলেন।
মামলার এজাহারে তানিয়া উল্লেখ করেন, গত ৯ জুন সন্ধ্যায় জুয়া খেলা নিয়ে বাধা দিলে সবুজ তাঁকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এ সময় তিনি বাবার বাড়ি থেকে এক লাখ টাকা এনে দিতে বলেন। পরে দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতে চলে যান।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৩ জুন সকালে ফোনে আবারও ওই টাকা দাবি করেন সবুজ। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বেলা ১১টার দিকে তিনি ব্রাহ্মন্দী মধ্যপাড়ায় শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে ঘরে প্রবেশ করেন। পরে দরজা বন্ধ করে স্ত্রীকে মারধর এবং গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করেন।
এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন দরজা ভেঙে তাঁকে উদ্ধার করেন এবং অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পরে আহত অবস্থায় তানিয়াকে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন।
এদিকে, ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভিডিওটি আড়াইহাজারের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদের নজরে এলে তিনি দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশনা দেন।
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সবজেল হোসেন বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
Install app for better experience