Linkeei Linkeei
    #tructiepbongda #bongdatructuyen #xembongda #best #digitalmarketing
    Advanced Search
  • Login
  • Create a new account or Register

  • Night mode
  • © 2026 Linkeei
    About • Directory • Contact Us • Developers • Privacy Policy • Terms of Use • Refund • Linkeei App install

    Select Language

  • Arabic
  • Bengali
  • Chinese
  • Croatian
  • Danish
  • Dutch
  • English
  • Filipino
  • French
  • German
  • Hebrew
  • Hindi
  • Indonesian
  • Italian
  • Japanese
  • Korean
  • Persian
  • Portuguese
  • Russian
  • Spanish
  • Swedish
  • Turkish
  • Urdu
  • Vietnamese

Watch

Watch Reels Movies

Events

Browse Events My events

Blog

Browse articles

Market

Latest Products

Pages

My Pages Liked Pages

More

Forum Explore Popular Posts Games Jobs Offers
Reels Watch Events Market Blog My Pages See all

Discover posts

Posts

Users

Pages

Group

Blog

Market

Events

Games

Forum

Movies

Jobs

Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
4 w

কিছু গল্প বাড়িয়ে বলার প্রয়োজন হয় না।
শুধু পরিষ্কারভাবে, সততার সঙ্গে, আর যত্ন নিয়ে বললেই যথেষ্ট। 🌱

এটি Somayeh Mehri—ইরানের এক তরুণী মা, যার জীবন ২০১১ সালে বদলে যায়, যখন তিনি ভয় ও নিয়ন্ত্রণের ওপর দাঁড়ানো একটি বিয়ে ছেড়ে যাওয়ার সাহস দেখান। এমন সিদ্ধান্তের কথা অনেকেই বলে, কিন্তু খুব কম মানুষই নিজেকে এতটা নিরাপদ মনে করে তা নিতে পারে। 💔

তার সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার বদলে, তার স্বামী এমন এক হুমকি দেন, যা কখনওই থাকা উচিত নয়। জুনের এক রাতে, সোমায়েহ এবং তার তিন বছরের মেয়ে Rana Mehri এমন এক আক্রমণের শিকার হন, যা তাদের চুপ করিয়ে দিতে এবং ভবিষ্যৎ মুছে দিতে চেয়েছিল।

কিন্তু তা সফল হয়নি।

তারা বেঁচে গেছেন।

সোমায়েহ তার দৃষ্টিশক্তি হারান। রানা আংশিকভাবে হারায়। তবুও নিষ্ঠুরতা যা ধ্বংস করতে চেয়েছিল—তাদের সম্পর্ক, মর্যাদা, আর বেঁচে থাকার ইচ্ছা—তা অটুট থাকে। 🕊️

একজন বাবা তাদের সাহায্য করতে নিজের সবকিছু বিক্রি করে দেন।
প্রতিবেশীরা পাশে দাঁড়ান।
তারপর বিশ্ব তাদের দিকে নজর দেয়।

একটি মাত্র ছবি—একজন মা তার আহত শিশুকে আলতো করে চুমু দিচ্ছেন—সীমান্ত ও ভাষা পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়ে। এটি ছিল না চমক দেওয়ার জন্য, না প্রদর্শনের জন্য—বরং ন্যায়বিচারের এক নীরব দাবি। 📸

ছবিটি একটি প্রতীকে পরিণত হয়:

📌 ভালোবাসা নিষ্ঠুরতার মাঝেও টিকে থাকতে পারে—এই স্মরণ করিয়ে দেয়
📌 সুরক্ষা, জবাবদিহিতা এবং শক্তিশালী আইনের প্রয়োজনীয়তার আহ্বান জানায়
📌 দেখায়—নীরবতা অন্যায়কে বাড়তে দেয়, আর সচেতনতা তা থামাতে পারে

সোমায়েহ ও রানা তাদের সঙ্গে যা ঘটেছে তা বেছে নেননি।

কিন্তু তাদের গল্প বলার মাধ্যমে তারা অন্যদের রক্ষা করতে সাহায্য করছেন—এটাই তাদের শক্তি। 💛

কারণ যন্ত্রণা মুছে ফেলতে চায়।
সত্য আরও জোরে কথা বলে।
আর ভালোবাসা সবসময় আলো রেখে যায়।

image
Like
Comment
Share
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
4 w

১৯৭১ সালে, বেশিরভাগ কিশোর-কিশোরী ছবি তুলত বিড়াল বা কুকুরের সঙ্গে।
কিন্তু Melanie Griffith ছবি তুলেছিলেন ৪০০ পাউন্ড ওজনের একটি সিংহের সঙ্গে। 🦁😳

তার মা, Tippi Hedren, এবং সৎ বাবা Noel Marshall একটি পূর্ণবয়স্ক পুরুষ সিংহ—Neil—কে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসেন “গবেষণার” জন্য, বড় বিড়ালজাতীয় প্রাণী নিয়ে একটি সিনেমা বানানোর উদ্দেশ্যে।

কিন্তু তারা শুধু তাকে পর্যবেক্ষণ করেননি—তারা তার সঙ্গে বসবাস করতেন।

Neil তাদের বিছানায় ঘুমাতো।
সে পুলের পাশে বিশ্রাম নিতো।
সে রান্নাঘরে ঘুরে বেড়াতো… এমনকি মাঝে মাঝে ফ্রিজে মাথা ঢুকিয়ে খাবারও খুঁজত।

Melanie—তখনও একজন কিশোরী—তার জন্য এই বিশাল শিকারি প্রাণী ছিল দৈনন্দিন জীবনেরই অংশ।

কিন্তু কয়েক বছর পর যখন Roar সিনেমার শুটিং শুরু হলো, তখন বাস্তবতা ভয়াবহভাবে সামনে এলো।

শুরু থেকেই সিনেমাটি ছিল বিশৃঙ্খল।

Melanie গুরুতরভাবে আহত হন—তার মুখে প্রায় ৫০টি সেলাই দিতে হয়।
Noel বারবার আক্রমণের শিকার হন এবং একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়।
Tippi-কে কামড়ানো হয়, আঁচড়ানো হয়, এমনকি একটি হাতি তাকে ছুড়ে ফেলে দেয়—ফলে তার পা ভেঙে যায়।

শুটিং শেষ হওয়ার আগেই ৭০ জনেরও বেশি অভিনেতা ও কর্মী আহত হন—যার ফলে Roar হলিউড ইতিহাসের সবচেয়ে বিপজ্জনক চলচ্চিত্র শুটিংগুলোর একটি হয়ে ওঠে। 🎬⚠️

আর অদ্ভুত বিষয়?

Neil—যে সিংহটির সঙ্গে তারা বসবাস করতেন—সে-ই ছিল সবচেয়ে শান্ত।

সে কখনও কাউকে আক্রমণ করেনি।

সে ছিল ব্যতিক্রম—একটি বাড়িতে, যেখানে বন্য প্রাণীদের এমনভাবে রাখা হয়েছিল, যেভাবে কখনওই রাখা উচিত ছিল না।

আজ, Melanie-র সেই বিশাল সিংহের পাশে আরাম করে বসে থাকার ছবিগুলো অবাস্তব মনে হয়—একটি সময়ের প্রতিচ্ছবি, যখন হলিউড সীমা অতিক্রম করত এমনভাবে, যা আজ কল্পনাও করা যায় না।

একটি পরিবার একসঙ্গে নাস্তা করছে, টিভি দেখছে, ঘরের ভেতর হাঁটছে—একটি শিকারি প্রাণীর সঙ্গে, যার স্থান ছিল বন্য প্রকৃতিতে… সোফায় নয়।

image
Like
Comment
Share
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
4 w

একজন প্রত্নতাত্ত্বিক Pompeii-এর ধ্বংসস্তূপ থেকে খুবই নাজুক কিছু তুলে ধরছেন—একটি ছোট শিশুর আকার, যার বয়স চার বছরের বেশি নয়। তিনি যা বহন করছেন, তা কোনো কঙ্কাল নয়, সংরক্ষিত দেহও নয়।

এটি শূন্যতার একটি প্লাস্টার ছাঁচ—প্রায় ২,০০০ বছর আগে বেঁচে থাকা এক শিশুর ছাপ।

খ্রিস্টাব্দ ৭৯ সালে যখন Mount Vesuvius অগ্ন্যুৎপাত করে, শহরটি এত দ্রুত ও সম্পূর্ণভাবে ছাইয়ে ঢেকে যায় যে মানুষের শেষ মুহূর্তের অবস্থান কঠিন আগ্নেয়স্তরের ভেতরে সিল হয়ে যায়। শতাব্দী পরে, প্রত্নতাত্ত্বিকরা সেই জায়গাগুলোতে ফাঁপা স্থান খুঁজে পান, যেখানে একসময় দেহ ছিল। সেই ফাঁপা জায়গাগুলোর ভেতরে তারা তরল প্লাস্টার ঢালেন।

যা বেরিয়ে আসে, তা হলো পম্পেইয়ের মানুষের শেষ মুহূর্তের অভিব্যক্তি—

মুখ ঢাকার জন্য উঠানো হাত,
সহায়তা খোঁজার চেষ্টা,
শিশুরা বাবা-মায়ের দিকে গুটিয়ে আছে—নিরাপত্তার স্বাভাবিক খোঁজে স্থির হয়ে গেছে।

ছোট ছেলেটির সেই ছাঁচটি খুব যত্ন করে, প্রায় শ্রদ্ধার সঙ্গে বহন করা হয়।

কারণ এটি শুধু প্লাস্টার নয়—এটি এক মুহূর্তের ভয়, যা শ্বাস আর হাড় হারিয়ে যাওয়ার পরও কোনোভাবে টিকে আছে।

প্রকৃতির তৈরি এক নিঃশব্দ ছায়া।

একটি শিশু, যে কারও দিকে হাত বাড়িয়েছিল—যে তাকে আর বাঁচাতে পারেনি।

অগ্ন্যুৎপাতের আগে, পম্পেই ছিল জীবন্ত—বাজারে মানুষের কণ্ঠের প্রতিধ্বনি, বেকারিতে রুটি তৈরি হচ্ছিল, আঙিনায় ঝরনা বয়ে যাচ্ছিল। তারপর এক সকালে, বিশাল ছাইয়ের মেঘ রাস্তাগুলো ঢেকে দেয় এবং পালানোর সব সুযোগ কেড়ে নেয়। অধিকাংশ মানুষ লাভায় মারা যায়নি—তারা অতিরিক্ত উত্তপ্ত ছাইয়ের কারণে শ্বাস নিতে না পেরে মৃত্যুবরণ করে, পালানোর আগেই।

এই প্লাস্টার ছাঁচগুলো প্রত্নতত্ত্বের সবচেয়ে হৃদয়বিদারক আবিষ্কারগুলোর একটি।

এগুলো সাধারণ নিদর্শন নয়।

এগুলো মানুষের প্রতিধ্বনি—মাংসে নয়, বরং তারা যে শূন্যতা রেখে গেছে তার মধ্যে সংরক্ষিত।

এগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয়—একটি পুরো পৃথিবী কত দ্রুত হারিয়ে যেতে পারে।

image
Like
Comment
Share
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
4 w

image
Like
Comment
Share
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
4 w

image
Like
Comment
Share
Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha  
4 w

সে পৃথিবীতে এসেছিল অনেক আগেই—সময়ের বহু আগে।

গর্ভধারণের মাত্র পাঁচ মাসে—১৬ সপ্তাহ আগেই জন্ম। এতটাই ছোট, যেন এক বোতল পানির চেয়েও হালকা। ডাক্তাররা তার ওজন পাউন্ডে নয়, গ্রামে মাপছিলেন। চারপাশে মেশিন, আলো জ্বলছে-নিভছে, আর প্রতিটি শ্বাস যেন এক একটি প্রশ্নচিহ্ন। 👶🏽💔

কিন্তু তারপর এলো এমন একটি মুহূর্ত, যা কোনো মেশিনের পক্ষে সম্ভব নয়।

তার বাবা একটু হেলান দিয়ে বসলেন, নিজের শার্ট সরিয়ে, সেই ক্ষুদ্র শরীরটিকে আলতো করে নিজের বুকে তুলে নিলেন।

চামড়া ছুঁয়ে চামড়া।
হৃদস্পন্দন ছুঁয়ে হৃদস্পন্দন। ❤️

ডাক্তাররা একে “ক্যাঙ্গারু কেয়ার” বলেন, কিন্তু বাবা-মায়েরা জানেন—এটা আরও গভীর কিছু। এটি এমন এক আশা, যা উষ্ণতা, স্থিরতা আর স্পর্শের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যেন নীরবে বলে—

তুমি এখানে আছো। তুমি নিরাপদ। লড়াই চালিয়ে যাও।

তাদের দিকে একটু খেয়াল করে দেখো—

একজন বাবা, যার বাহু যেন পাহাড়ও তুলতে পারে…
আর এক ক্ষুদ্র শিশু, যে তার হাতের তালুতেই বিশ্রাম নিতে পারে, তবুও এত শক্তিশালী যে নিজের গল্প নিজেই লিখে ফেলতে পারে। 👨🏾‍🍼✨

সেই নীরব হাসপাতালের ঘরে, এটি শুধু সান্ত্বনা ছিল না—এটি ছিল এক প্রতিশ্রুতি।

কোনো শব্দ ছাড়াই বলা এক অঙ্গীকার—

তুমি যতক্ষণ লড়বে, আমি ততক্ষণ তোমার পাশে আছি।

এই মুহূর্তটি কোনো চিকিৎসা পদ্ধতি নয়।

এটি ভালোবাসা, যা অক্সিজেনে পরিণত হয়েছে।

এটি প্রমাণ করে, কখনও কখনও পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ইনকিউবেটর…
একজন বাবা-মায়ের বুক। 💛

image
Like
Comment
Share
Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha  
4 w

চ্যান্ডলার ক্রুস জন্মগ্রহণ করেছিলেন অ্যাকন্ড্রোপ্লাসিয়া নিয়ে—এটি বামনত্বের সবচেয়ে সাধারণ একটি ধরন।

১৬ বছর বয়সে তার উচ্চতা ছিল ৩ ফুট ১০ ইঞ্চি, এবং দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি কাজ যেন বিশ্বের সাথে এক ধরনের সমঝোতার মতো ছিল—গাড়ি চালানো, দীর্ঘ পথ হাঁটা, সাধারণ জিনিসে হাত পৌঁছানো, কিংবা অন্যদের চোখের সমতলে দাঁড়ানো।

তাই তিনি এমন একটি সিদ্ধান্ত নিলেন, যা বামনত্ব সম্প্রদায়ে অনেক বিতর্কের জন্ম দেয়:

তিনি লিম্ব-লেন্থেনিং (অঙ্গ লম্বা করার) সার্জারি বেছে নেন—দেখতে ভিন্ন হওয়ার জন্য নয়, বরং ভিন্নভাবে বাঁচার জন্য।

এই প্রক্রিয়াটি ছিল দীর্ঘ, ধীর, এবং অত্যন্ত কষ্টকর।

চার বছরে তিনি তিনটি বড় অস্ত্রোপচার সহ্য করেছেন, যেখানে শরীরের ভেতরে বিশেষ রড বসানো হয়েছিল, যা ধীরে ধীরে নতুন হাড় বাড়াতে সাহায্য করত—কখনও কখনও দিনে মাত্র ১ মিলিমিটার করে।

কিন্তু ধীরে ধীরে, ইঞ্চি ইঞ্চি করে তার জীবন বদলাতে শুরু করে।

👉 তিনি উচ্চতায় ১৩ ইঞ্চি বাড়েন, পৌঁছান ৪ ফুট ১১ ইঞ্চিতে
👉 তার হাত ৪ ইঞ্চি লম্বা হয়
👉 তিনি এখন বেশি দূর হাঁটতে পারেন, বিশেষ যন্ত্র ছাড়াই গাড়ি চালাতে পারেন, দৈনন্দিন জিনিসে সহজে হাত পৌঁছাতে পারেন, এবং জীবনে প্রথমবারের মতো মানুষের চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারেন

চ্যান্ডলারের জন্য এটি নিজেকে বদলানোর বিষয় ছিল না—এটি ছিল সেই স্বাধীনতা অর্জনের পথ, যা তিনি সবসময় চেয়েছিলেন।

আজ তিনি “দ্য চ্যান্ডলার প্রজেক্ট” পরিচালনা করেন, যেখানে অ্যাকন্ড্রোপ্লাসিয়া নিয়ে থাকা মানুষদের চিকিৎসার বিকল্প, সহায়তা এবং সচেতনতার বিষয়ে সাহায্য করা হয়। এটি এমন একটি আলোচনা, যেখানে আবেগ, মতভেদ এবং ব্যক্তিগত সত্য জড়িয়ে আছে—তবুও তিনি খোলামেলাভাবে কথা বলে যাচ্ছেন, কারণ তিনি বিশ্বাস করেন কেউ যেন এই পথ একা না হাঁটে।

তার গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সাহস সবসময় উচ্চকণ্ঠ হয় না—

কখনও কখনও এটি মাপা হয় ইঞ্চিতে, ধৈর্যে, এবং নিজের শর্তে জীবন গড়ার নীরব দৃঢ়তায়। 💛

image
Like
Comment
Share
Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha  
4 w

প্রথম দেখায় ছবিটি যেন অন্য জগতের কিছু মনে হয়—নারীরা দেয়ালে ঝুলে আছে, শরীর সামনে ঝুঁকে, পায়ের আঙুল নিচের দিকে প্রসারিত, যেন মাধ্যাকর্ষণ তাদের ছেড়ে দিয়েছে। 👀

কিন্তু এখানে কোনো অতিপ্রাকৃত কিছু ঘটছে না।

না কোনো মিথ।
না কোনো ভৌতিক ঘটনা।

এই দৃশ্যটি এসেছে Barbe-Bleue (Bluebeard) থেকে—১৯৭৭ সালের এক যুগান্তকারী পরিবেশনা, কোরিওগ্রাফার Pina Bausch-এর সৃষ্টি, যিনি নৃত্যকে সত্য প্রকাশের এক ভাষায় রূপ দিয়েছিলেন।

দেয়ালটি জাদুময় ছিল না—এটি ছিল নিখুঁতভাবে তৈরি, লুকানো কাঠামোর সাহায্যে বানানো, যাতে নৃত্যশিল্পীরা এমন এক অবস্থায় ঝুলে থাকতে পারেন, যা প্রায় অসম্ভব মনে হয়। তাদের স্থিরতা ভয়ের নয়; এর ভেতরে ছিল অর্থ।

তারা ভাসছিল না।
তারা কোনো আত্মা নয়।

তারা ছিল সেইসব নারী, যারা এমন এক গল্পের ভেতরে আটকে, যা পৃথিবী বহুবার বলেছে।

বাউশ এই বিস্ময়কর দৃশ্য ব্যবহার করেছিলেন নিয়ন্ত্রণ, নীরবতা, জবরদস্তি, এবং ইতিহাস জুড়ে নারীদের শরীর ও কণ্ঠ কীভাবে নিয়ন্ত্রিত, থামিয়ে দেওয়া, বা পাশ কাটিয়ে দেওয়া হয়েছে—তা দেখানোর জন্য। নৃত্যশিল্পীরা চিৎকার করে না—কিন্তু তাদের নীরবতা যেকোনো চিৎকারের চেয়েও জোরালো।

আজও এই ছবিটি গভীরভাবে নাড়া দেয়।

কেউ অস্বস্তি অনুভব করে।
কেউ দুঃখ পায়।
আর অনেক নারী দেখে মনে করে—

আমি জানি এই অনুভূতি—দেয়ালে ঝুলে থাকা নয়, কিন্তু এমন এক জীবনে যেখানে আমাকে নড়তে দেওয়া হয়নি।

এই কারণেই এই ছবি টিকে আছে।
এই কারণেই এটি এখনও গুরুত্বপূর্ণ।

শিল্প সবসময় শান্ত করার জন্য নয়।

কখনও এটি উন্মোচন করে।
কখনও এমন প্রশ্ন তোলে, যা আমরা এড়িয়ে যাই।

আর এই দৃশ্যটি নীরবে এক সত্য বলে যায়—

স্থিরতা মানে আত্মসমর্পণ নয়।
নীরবতা মানে সম্মতি নয়।
আর পৃথিবী যতই তোমাকে থামিয়ে রাখতে চাইুক… মানুষের আত্মা ততক্ষণে প্রতিরোধ শুরু করে দিয়েছে। ✨

image
Like
Comment
Share
Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha  
4 w

এক শতাব্দীরও বেশি আগে, দুইজন ১৩ বছর বয়সী ছেলে পাশাপাশি বসে একটি ছবি তুলেছিল—একটি শান্ত ছবি, যা তাদের দুজনের জীবনকালকেও অতিক্রম করে টিকে থাকবে। পরে এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের অন্যতম স্পষ্ট শিক্ষামূলক উদাহরণ হয়ে ওঠে।

দুজনেই একই দিনে, একই ঘরে, একই গুটি বসন্তের উৎসের সংস্পর্শে এসেছিল। তারা একই সংক্রমিত বাতাসে শ্বাস নিয়েছিল। কিন্তু তাদের শরীর সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল।

বাম পাশের ছেলেটির শরীরে গুটি বসন্তের পূর্ণ প্রভাব দেখা যায়: তার মুখ ও হাতে যন্ত্রণাদায়ক ফুসকুড়ি ছড়িয়ে আছে—একটি ভাইরাসের স্পষ্ট লক্ষণ, যা একসময় মানব ইতিহাসকে বদলে দিয়েছিল। আধুনিক চিকিৎসার আগে, এটাই ছিল লাখো মানুষের বাস্তবতা—তীব্র জ্বর, অসহনীয় ব্যথা, অন্ধত্ব, দাগ, এবং এমন পরিণতি যা প্রায়ই ভাগ্যের ওপর নির্ভর করত।

আর ডান পাশের ছেলেটি?

মাত্র কয়েকটি ফিকে হয়ে যাওয়া দাগ, যা ইতিমধ্যেই সেরে উঠছে। কোনো তীব্র জ্বর নেই। কোনো মারাত্মক ফুসকুড়ি নেই। রোগের বিপজ্জনক পর্যায়ে যাওয়ার কোনো লক্ষণ নেই। তার শরীর ভাইরাসটিকে সঙ্গে সঙ্গেই চিনতে পেরেছিল—কারণ কয়েক বছর আগে, শিশুকালে সে টিকা নিয়েছিল। সেই ছোট্ট সুরক্ষাই তার সংক্রমণের পুরো গতিপথ বদলে দিয়েছিল।

এই ছবিটি ১৯০১ সালে লেস্টার স্মলপক্স আইসোলেশন হাসপাতালে ডা. অ্যালান ওয়ার্নার তুলেছিলেন। এটি সাজানো বা সম্পাদিত ছিল না। এটি সংরক্ষণ করে রেখেছে ডা. জেনারের বাড়ি—সেই চিকিৎসকের বাসভবন, যিনি বিশ্বের প্রথম সফল টিকার পথিকৃৎ ছিলেন। এটি একটি বাস্তব প্রাদুর্ভাবের সময় তোলা বাস্তব জীবনের তুলনামূলক চিত্র।

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে, গুটি বসন্ত ছিল মানবজাতির সবচেয়ে ভয়ংকর হুমকিগুলোর একটি। কিন্তু বিশ্বব্যাপী টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে ১৯৮০ সালে এই রোগকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মূল ঘোষণা করা হয়—এটি ছিল পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণরূপে দূর হওয়া প্রথম মানব রোগ।

১০০ বছরেরও বেশি সময় পরে, এই ছবিটি এখনও কোনো উচ্চকণ্ঠ ছাড়াই কথা বলে।

কখনও কখনও প্রমাণ চিৎকার করে না।

এটি শুধু দাঁড়িয়ে থাকে—পাশাপাশি দুই শিশু—দেখায় সুরক্ষা কত বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। 💛

image
Like
Comment
Share
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
4 w

image
Like
Comment
Share
Showing 495 out of 23216
  • 491
  • 492
  • 493
  • 494
  • 495
  • 496
  • 497
  • 498
  • 499
  • 500
  • 501
  • 502
  • 503
  • 504
  • 505
  • 506
  • 507
  • 508
  • 509
  • 510

Edit Offer

Add tier








Select an image
Delete your tier
Are you sure you want to delete this tier?

Reviews

In order to sell your content and posts, start by creating a few packages. Monetization

Pay By Wallet

Payment Alert

You are about to purchase the items, do you want to proceed?

Request a Refund

Install Linkeei

Install app for better experience