PINAS77 places the highest priority on player security by utilizing enterprise-grade encryption technology and certified payment gateways. All personal data and financial transactions are processed with speed,
Website: https://pinass77.com/
Add: 87 Nueve de Febrero St, Brgy. Addition Hills, Mandaluyong City, 1550 Metro Manila, Philippines
Phone: (+) 63 919 103 4997
Email: contact@pinass77.com
Hastags: #pinas77 #pinass77com #casino #pinas77_register #pinas77_login
🟦 অদৃশ্য। তাৎক্ষণিক। এড়ানো অসম্ভব।
দেখতে এটি একেবারেই সাধারণ একটি আত্মরক্ষার স্প্রের মতো—
কিন্তু এটি ব্যক্তিগত নিরাপত্তার নিয়মই বদলে দিচ্ছে।
নতুন প্রজন্মের এই পেপার স্প্রে শুধু হুমকি থামায় না।
এটি চিহ্নও রেখে যায়।
৪৮ ঘণ্টার জন্য।
ব্যবহারের মুহূর্তেই হামলাকারী পড়ে দ্বিগুণ আঘাতে:
🌶️ চোখ, ফুসফুস ও গলায় তীব্র জ্বালা — পেপার গ্যাসের পরিচিত প্রভাব।
💡 আর একটি অদৃশ্য নীল রং, যা ত্বক ও পোশাকে লেগে থাকে এবং UV আলোতে জ্বলে ওঠে।
আপনি দেখতে পাবেন না।
কিন্তু পুলিশ দেখতে পাবে।
এমনকি দুই দিন পরেও।
হামলাকারী দৌড়াক, লুকাক, বা কাপড় বদলাক—
ওই আলোই তাকে ফাঁস করে দেবে।
এটা শুধু সুরক্ষা নয়।
এটা প্রতিরোধ।
এটা সনাক্তকরণ।
এটা প্রমাণ।
একটি এমন বিশ্বের জন্য নতুন একটি হাতিয়ার,
যেখানে ন্যায়বিচার অনেক সময় সহিংসতার চেয়ে ধীরগতির।
শহরে ব্যবহারের জন্য নিরাপদ। আইনগতভাবে বৈধ।
শুধু ক্ষতি থামানোর জন্য নয়—
বরং এমন একটি চিহ্ন রেখে যাওয়ার জন্য, যা বলে:
“এটা করে তুমি পার পেয়ে যাবে না।”
কারণ নিরাপত্তা শুধু মুহূর্তে শেষ হওয়া উচিত নয়।
🌊 ঢেউয়ের নিচে এক মায়ের ভালোবাসা
ভারত মহাসাগরে ডাইভিং করার সময় রাশিয়ান আলোকচিত্রী মাইক কোরোস্তেলেভ এক বিরল ও শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্য ধারণ করেন: একটি মা তিমি তার বাচ্চাকে খাওয়ানোর জন্য চারপাশের পানিতে দুধ ছেড়ে দিচ্ছে।
স্থলচর স্তন্যপায়ীদের মতো তিমির বাচ্চারা প্রচলিতভাবে দুধ পান করতে পারে না—তাদের মুখের গঠনই সেভাবে তৈরি নয়। তাহলে বিশাল, সদা-চলমান সমুদ্রে তারা কীভাবে দুধ খায়?
এর উত্তর লুকিয়ে আছে প্রকৃতির অসাধারণ নকশায়।
তিমির দুধ অত্যন্ত ঘন—চর্বিতে ভরপুর, প্রায় টুথপেস্টের মতো। এই ঘনত্বের কারণে দুধ পানিতে সঙ্গে সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে না, ফলে স্রোতের সাথে হারিয়ে না গিয়ে বাচ্চাটি সহজেই তা গিলে নিতে পারে।
এ এক পানির নিচের ভালোবাসার দৃশ্য। নীরব, সৌম্য, শক্তিশালী। প্রমাণ করে—সমুদ্র যত গভীরই হোক, মাতৃত্ব তার পথ খুঁজে নেয়। 🐋❤️
তিনি কখনোই তাঁর মেয়েদের বলেননি তিনি কী কাজ করেন।
লজ্জা থেকে নয় — বরং যাতে তারা গর্বের সাথে মাথা উঁচু করে হাঁটতে পারে। 💔
ইদ্রিস বাংলাদেশে নর্দমা পরিষ্কার করতেন।
অন্যরা যখন মুখ ফিরিয়ে নিত, তখন তিনি তাঁদের শিক্ষার জন্য নিজের সবকিছু উজাড় করে দিতেন।
বাড়ি ফেরার আগে তিনি পাবলিক শাওয়ারে গোসল করতেন —
যাতে তাঁর কাজের বোঝা কখনোই মেয়েদের কাঁধে না পড়ে। 🚿
যখন পড়াশোনার খরচ জোগাতে পারতেন না, তাঁর সহকর্মীরা তাদের সামান্য যা ছিল তাই দিয়ে সাহায্য করতেন:
“প্রয়োজনে আমরা না খেয়ে থাকব — কিন্তু ও কলেজে পড়বই।” 🥹👐
আজ, তাঁর মেয়েরা স্নাতক। 🎓
তারা এখন বাবার যত্ন নেয়।
আর খাওয়ায় সেই মানুষগুলোকেও, যারা একদিন তাদের ভবিষ্যৎকে বাঁচিয়ে রেখেছিল। 🍛
কারণ সত্যিকারের ভালোবাসার জন্য করতালির দরকার হয় না।
দরকার হয় ত্যাগ… আর সাহস। ❤️🔥
📸 গল্প ও ছবি: জিএমবি আকাশ — পুরস্কারপ্রাপ্ত বাংলাদেশি আলোকচিত্রী, যিনি অন্ধকারের আড়ালে থাকা মানুষের মর্যাদা তুলে ধরেন।
সুইডেন একটি যুগান্তকারী পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ চালু করেছে, যেখানে বন্য কাকদের ফেলে দেওয়া সিগারেটের অবশিষ্টাংশ (বাট) সংগ্রহ করতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং একটি বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে সেগুলোর বিনিময়ে খাবার দেওয়া হচ্ছে।
যখন কোনো কাক যন্ত্রটির ভেতরে একটি আবর্জনার টুকরো ফেলে, তখন যন্ত্রটি খাবারের পুরস্কার দেয়, যা কাকদের অংশগ্রহণে উৎসাহিত করে।
গবেষকরা জানান, কাকদের উচ্চ বুদ্ধিমত্তা এবং জটিল আচরণ শেখার সক্ষমতাই এই কর্মসূচির সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। পাইলট প্রকল্পের প্রাথমিক ফলাফল ইঙ্গিত দেয় যে, বৃহৎ পরিসরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে এই পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে।
এই উদ্যোগটি দেখায়, কীভাবে উদ্ভাবনী ও বন্যপ্রাণী-সহায়ক সমাধান শহুরে বর্জ্য সমস্যার মোকাবিলায় সহায়তা করতে পারে এবং একই সঙ্গে প্রাণীদের অর্থবহ কাজে যুক্ত করতে পারে।
সংক্ষিপ্ত তথ্য: সুইডেনের পাইলট কর্মসূচিতে কাকদের খাবারের বিনিময়ে সিগারেটের আবর্জনা সংগ্রহ করতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যা জনসাধারণের বর্জ্য কমাতে সহায়ক।
সূত্র: সুইডিশ পরিবেশ গবেষণা প্রতিবেদন, ২০২৫
দায়িত্বস্বীকার: এই বিষয়বস্তু তথ্যগত ও শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে। বন্যপ্রাণীর সঙ্গে যেকোনো মিথস্ক্রিয়া নৈতিক ও নিরাপত্তা নির্দেশিকা মেনে করা উচিত।