Linkeei Linkeei
    #tructiepbongda #bongdatructuyen #best #xembongda #seo
    חיפוש מתקדם
  • התחברות
  • הירשם

  • מצב לילה
  • © 2026 Linkeei
    על אודות • מַדרִיך • צור קשר • מפתחים • מדיניות פרטיות • תנאי שימוש • הֶחזֵר • Linkeei App install

    בחר שפה

  • Arabic
  • Bengali
  • Chinese
  • Croatian
  • Danish
  • Dutch
  • English
  • Filipino
  • French
  • German
  • Hebrew
  • Hindi
  • Indonesian
  • Italian
  • Japanese
  • Korean
  • Persian
  • Portuguese
  • Russian
  • Spanish
  • Swedish
  • Turkish
  • Urdu
  • Vietnamese

שעון

שעון סלילים סרטים

אירועים

עיין באירועים האירועים שלי

בלוג

עיין במאמרים

שׁוּק

המוצרים החדישים

דפים

הדפים שלי דפי לייק

יותר

פוֹרוּם לַחקוֹר פוסטים פופולריים משחקים מקומות תעסוקה הצעות
סלילים שעון אירועים שׁוּק בלוג הדפים שלי ראה הכל

לְגַלוֹת פוסטים

Posts

משתמשים

דפים

קְבוּצָה

בלוג

שׁוּק

אירועים

משחקים

פוֹרוּם

סרטים

מקומות תעסוקה

Magazine
Magazine
3 שנים

ব্যবসায় ধারণা জমা দিয়ে পাওয়া যাবে পুরস্কার
***********************************************************************
স্মার্ট বাংলাদেশের সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তা করতে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ সামিট ও এক্সপো’ আয়োজন করছে জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) বাংলাদেশ। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) কর্মসূচির সহযোগিতায় আয়োজিত দুই দিনের এ সম্মেলন আগামী ৯ জুন রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় শুরু হবে। গতকাল রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জেসিআই বাংলাদেশের সভাপতি জিয়াউল হক বলেন, ‘সম্মেলনে এক হাজার উদ্যোক্তা নিজেদের ব্যবসায় ধারণা উপস্থাপন করবেন। বাছাই করা কিছু ধারণা পুরস্কার পাবে। সাড়ে তিন লাখ টাকা অর্থ পুরস্কারের পাশাপাশি বিভিন্ন বিনিয়োগকারীদের কাছে এই ধারণাগুলো তুলে ধরা হবে।’

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ছয়টি অধিবেশনে বিভক্ত এ সম্মেলনে স্মার্ট বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও উল্লেখযোগ্য সুবিধা নিয়ে দেশ–বিদেশের বিভিন্ন বক্তা নিজেদের মতামত ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন। সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন দশজন তরুণ উদ্যোক্তাকে জেসিআই ক্রিয়েটিভ ইয়াং এন্ট্রাপ্রেনিউর বা সিওয়াইই পুরস্কার দেওয়া হবে।

Source: প্রথম আলো

image
כמו
תגובה
לַחֲלוֹק
Magazine
Magazine
3 שנים

তামিলনাড়ুর পর এবার পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ হলো ‘দ্য কেরালা স্টোরি’
***********************************************************************
পশ্চিমবঙ্গে আলোচিত-সমালোচিত হিন্দি সিনেমা ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিষিদ্ধ করেছেন রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সচিবালয় নবান্ন থেকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

স্থানীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারকে নবান্ন সূত্র জানিয়েছে, শান্তি-সৌহার্দ্য বজায় রাখতেই পশ্চিমবঙ্গে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই সিনেমায় যেসব দৃশ্য দেখানো হয়েছে, তা রাজ্যটির শান্তিশৃঙ্খলার পক্ষে বিপজ্জনক হতে পারে বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী।

এর আগে তামিলনাড়ুতেও এই ছবি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে মধ্যপ্রদেশের রাজ্য সরকার আবার ছবিটিকে করমুক্ত ঘোষণা করেছে। এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র প্রাসঙ্গিকতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র সমালোচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ‘রাজনৈতিক দলগুলো আগুন নিয়ে খেলছে। তারা জাত-ধর্ম-বর্ণ নিয়ে ভেদাভেদ তৈরির চেষ্টা করছে। “দ্য কাশ্মীর ফাইলস” কেন? একটি সম্প্রদায়কে হেনস্তা করার জন্য। “দ্য কেরালা স্টোরি”? সে-ও এক অসত্য ও বিকৃত কাহিনি।’

‘দ্য কেরালা স্টোরি’র গল্প আইএসে যোগ দেওয়া ধর্মান্তরিত কেরালার নারীদের নিয়ে। ছবিতে ধর্মান্তরিত নারীর যে সংখ্যা দাবি করা হয়েছে, যা নিয়েই সবচেয়ে বেশি বিতর্ক হচ্ছে। ছবিটি নিয়ে প্রবল আপত্তি তুলেছেন কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারই ভিজয়ন। তিনি বলেছেন, এটা ‘প্রচারণামূলক’ সিনেমা, কোনোভাবেই তাঁর রাজ্যের গল্প নয়।

ছবিটির মুক্তি বাতিল চেয়েও আবেদন করা হয়। তবে গত মঙ্গলবার ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সে আবেদন খারিজ করে দেন। নানা বিতর্কের মধ্যে অবশেষে ১০টি দৃশ্য কর্তন সাপেক্ষে সেন্সর সনদ পায় ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। গত শুক্রবার ভারতের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ছবিটি।

Source: প্রথম আলো

image
כמו
תגובה
לַחֲלוֹק
Magazine
Magazine
3 שנים

রেস্তোরাঁতেও চাকরি করতে হয়েছে, এখন প্রতি সিরিজ থেকে ২ লাখ টাকার বেশি আয়
***********************************************************************
ভালো লাগা থেকে চিত্রগ্রাহক হতে এসেছিলেন কামরুল ইসলাম। সেটা ২০০৮ সালের কথা। তখন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে (নিমকো) প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেন তিনি। ভেবেছিলেন কোর্স শেষে সহজেই কাজ জুটে যাবে। টেলিভিশন চ্যানেল থেকে শুরু করে অনেক প্রোডাকশন হাউসেই ঘোরাঘুরি করছিলেন, কিন্তু সুযোগ পাননি। অনেকের কাছ থেকে শুনতে হয়েছিল, লবিং না থাকলে এখানে সুবিধা করতে পারবেন না। কিন্তু ‘মাইশেলফ অ্যালেন স্বপন’–এর এই চিত্রগ্রাহক মেধা দিয়ে এগিয়ে যেতে চান। তাই বাধাটাও বেশি।

কামরুল ফটোগ্রাফিতে বেশি মনোযোগী ছিলেন। কাজ শেখার পাশাপাশি সিনেমার ফটোগ্রাফি দেখতে থাকেন। একটু একটু এগিয়ে যান। কিন্তু ঢাকায় তখন অর্থনৈতিক টানাপোড়েনে টিকে থাকাই কষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। একসময় বাধ্য হয়ে পেশা ছাড়েন। চাকরি নেন একটি রেস্তোরাঁয়। প্রায় এক বছর এভাবেই চলে। কিন্তু মন পড়ে থাকত সিনেমাটোগ্রাফিতে। আবার রেস্তোরাঁর কাজ ছেড়ে দেন। প্রতিদিন স্টুডিও ও প্রোডাকশন হাউসে ঘুরতে থাকেন। একসময় পরিচয় হয় চিত্রগ্রাহক হৃদয় সরকারের সঙ্গে। টানা দুই বছর তাঁর সহকারী হিসেবে কাজ করেন। ২০১৩ সালে ‘মোকামতলা’ নাটক দিয়ে চিত্রগ্রাহক হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন।

কামরুল বলেন, ‘না বুঝেই ক্যামেরার কাজ করতে এসেছিলাম। প্রথম নাটকের কাজের পর অনেকেই প্রশংসা করতে লাগলেন। তখন মনে হলো সরাসরি কাজের প্রশংসা পাওয়া তো বেশ ভালোই লাগে। ক্যামেরার প্রতি ভালোবাসা আরও বেড়ে যায়। একসময় মনে হতে থাকে আমার সিদ্ধান্তই ঠিক। এটাই আমার জায়গা। ভালো কাজই আমাকে কাজের সুযোগ করে দিয়েছে।’ দীপংকর দীপন, হাসান মাসুদ উজ্জ্বল, শিহাব শাহীন, মাহমুদ দিদার, মিজানুর রহমান আরিয়ানদের সঙ্গে কাজ শুরু করেন। ‘নীল প্রজাপতি’, ‘বড় ছেলে’, ‘বুকের বাঁ পাশে’ নাটকগুলো প্রচারের পর আর পেছনে তাকাতে হয়নি। অনেকেই তাঁকে চিনে থাকেন। পরে ওটিটির কাজের জন্য আবার তাঁকে সংগ্রাম করতে হয়।

কীভাবে ‘মাইশেলফ অ্যালেন স্বপন’–এ যুক্ত হলেন কামরুল? ২০২০ সালের পর দেশে ওটিটির কাজের দাপট শুরু হয়। শুরু হয় একের পর এক ওয়েব সিরিজ ও সিনেমা নির্মাণ। কিন্তু কোনো কাজেই ডাক পাচ্ছিলেন না কামরুল। তিনি বলেন, ‘নাটকের জন্য নিয়মিত ডাক পাচ্ছি। সবাই পরিচিত নির্মাতা। তাঁরাই যখন ওটিটির জন্য কাজ বানাচ্ছিলেন, তখন আমাকে নিচ্ছিলেন না। অনেককে অনুরোধ করেছি, কিন্তু লাভ হয়নি। কারণ, আমি ওটিটিতে নতুন। নির্মাতারা আমাকে কাজে নিয়ে ঝুঁকি নিতে চাননি। সেখানে শিহাব শাহীন ভাই প্রথম আমাকে ওটিটির কাজের সুযোগ করে দেন। তাঁর সঙ্গে ১০ বছরের মতো কাজ করছি। আমাদের কাজের সিঙ্ক ভালো। তিনিই আমাকে ‘মায়াশালিক’, ‘সিন্ডিকেট’, ‘মাইশেলফ অ্যালেন স্বপন’–এর মতো বড় প্রজেক্টে নিয়েছেন। তাঁর কাছে কৃতজ্ঞতা।’

জানা গেল, প্রতিটা সিরিজ থেকে দুই থেকে তিন লক্ষাধিক টাকা পারিশ্রমিক পান তিনি। পারিশ্রমিক দিন হিসেবে। তবে এটা কখনো বাড়ে, কখনো কমে। অনেক সময় কাজ বুঝে পারিশ্রমিক কমও নেন। তিনি বলেন, ‘আমি কখনোই টানা কাজ করি না। আগে গল্প শুনি। তারপর ঢাকার বাইরে হলেও আগে লোকেশন গিয়ে ঘুরে আসি। প্রি–প্রোডাকশনে বেশি সময় দিই। ১০ থেকে ১৫ দিনের বেশি শুটিং করতে পারি না।’ বর্তমানে তাঁর হাতে রয়েছে ১০টির মতো ওয়েব সিরিজ ও সিনেমার কাজ। ‘বিউটি সার্কাস’ সিনেমার চিত্রগ্রহনের জন্যও প্রশংসা পেয়েছেন তিনি।

Source: প্রথম আলো

image
כמו
תגובה
לַחֲלוֹק
Magazine
Magazine
3 שנים

নওয়াজকে খোলা চিঠি আলিয়ার
***********************************************************************
বলিউড তারকা নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকী আর তাঁর স্ত্রী আলিয়া সিদ্দিকীর দাম্পত্য কলহের রেশ চার দেয়ালের বাইরে নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁদের এই কলহের কথা কারও জানতে বাকি নেই। তাঁরা একে অপরের বিরুদ্ধে কাদা ছোড়াছুড়ি করেই চলেছিলেন। এমনকি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল তাঁদের দাম্পত্য বিবাদ। নওয়াজ আর তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে পারিবারিক নির্যাতনের মামলা করেছিলেন আলিয়া। এবার সবকিছু মিটমাট করতে চাইছেন নওয়াজ-পত্নী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক খোলা চিঠিতে এমনই ইঙ্গিত দিলেন তিনি।

মনে হচ্ছে এবার একটু স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে চলেছেন নওয়াজুদ্দিন। শিগগিরই মুক্তি পেতে চলেছে তাঁর অভিনীত ছবি ‘জগিরা সারা রা রা’। এদিকে স্ত্রী আলিয়া সবকিছু ভুলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাইছেন।

এই চিঠিতে আলিয়া লিখেছেন, ‘হ্যালো নওয়াজ, এই চিঠি তোমার জন্য। আমি অনেক জায়গায় শুনেছি আর পড়েছি যে জীবন মানে এগিয়ে যাওয়া। কয়েক মাস ধরে আমাদের মধ্যে যা কিছু সব ঘটেছে, আমি সেসব কিছু ভুলে যেতে চাই। আর ওপরওয়ালার প্রতি আস্থা রেখে আমি নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে আর তোমার সব অন্যায়কে মাফ করে জীবনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। আর আমি জীবনকে এক সুন্দর রূপ দেওয়ার চেষ্টা করব। অতীতের জালে ফেঁসে থাকা কোনো চক্রব্যূহে ফেঁসে থাকার চেয়ে কম কিছু নয়। আর তাই অতীতকে পেছনে ফেলে, আর এই ভুল দ্বিতীয়বার না করার অঙ্গীকার নিয়ে আমাদের সন্তানদের এক সুন্দর ভবিষ্যৎ দেওয়ার শপথ নিচ্ছি আমি।’

নওয়াজপত্নী নওয়াজের উদ্দেশ্যে আরও লিখেছেন, ‘তুমি বাবা হিসেবে অত্যন্ত ভালো। আর আশা করি যে ভবিষ্যতে তুমি তোমার সব কর্তব্য ভালোভাবে পালন করবে। আর তাদের একটা ভালো ও সুন্দর ভবিষ্যৎ দেওয়ার সব রকম প্রয়াস করবে। আমার এই যুদ্ধ শুধু আমার সন্তানদের জন্য ছিল। ওদের মুখে হাসি দেখে আমার সব দুশ্চিন্তা দূর হয়ে গেছে আর রাগ গলে জল হয়ে গেছে। নওয়াজ, আমরা একসঙ্গে একটা দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেছি। আমরা জীবনে অনেক চড়াই–উতরাই দেখেছি আর সব কঠিন সময় আমরা জয় করেছি।

আর তাই আশা করি, তুমি তোমার ক্যারিয়ারকে অনেক বেশি উচ্চতায় নিয়ে যাবে। আমার স্রষ্টা আমাকে সব সময় এক ভালো মানুষ হয়ে ওঠার শিক্ষা দিয়ে এসেছে। আর তাই আমার স্রষ্টা আর আমার অন্তরের মানুষটা আমাকে সব সময় বলছে যে তোমার আর তোমার পরিবারের বিরুদ্ধে যেসব মামলা করেছিলাম, তা যেন আমি তুলে নিই। আমি তোমার থেকে কোনো প্রকার আর্থিক সাহায্য চাই না। আর আমি তার প্রত্যাশাও করি না। তোমার ছবি নির্মাণের সময় যে ঋণ নেওয়া হয়েছিল, তা আমি আমার অংশের ঘর বিক্রি করে শোধ দিতে চাই। কারণ, আমার ভেতরের মানুষটি আমাকে কারও সঙ্গে প্রতারণা করার অনুমতি দেয় না। আর তাই আমি সবকিছু শোধ করে নিজেকে মুক্ত করতে চাই।’

ভবিষ্যতে কাজে মনোযোগ দিতে চান উল্লেখ করে আলিয়া লিখেছেন, ‘আমার কর্মই আমাকে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। প্রার্থনা শুধু একটাই, তুমি আর তোমার পরিবারের সবাই যেন সুস্থ থাকো। আমরা ভালো স্বামী-স্ত্রী হয়ে উঠতে পারিনি, আশা করি আমরা ভালো মা–বাবা হয়ে উঠব। এই জীবনে যা কিছু ঘটেছে, এ কারণে একে অপরকে যেন ক্ষমা করে দিই। আর জীবনের পথে এগিয়ে যেতে চাই। তুমি সব সময় হাসিখুশি থেকো।’

Source: প্রথম আলো

image
כמו
תגובה
לַחֲלוֹק
techzoombd
techzoombd
3 שנים

https://techzoombd.com/%e0%a6%....b8%e0%a6%b0%e0%a6%95

image
כמו
תגובה
לַחֲלוֹק
Magazine
Magazine
3 שנים

‘ইউনিফর্মের আড়ালে একজন পুলিশ অফিসারের বাস্তব জীবনের আমি সাক্ষী হয়েছিলাম’
***********************************************************************
এক বিধায়কের বাসা থেকে এক জোড়া কাঁঠাল চুরি গেছে। আর এই কাঁঠালচোর আর চুরি যাওয়া কাঁঠাল খুঁজে বের করার দায়িত্ব পান পুলিশ অফিসার মহিমা। কাঁঠাল জোড়া খুঁজে বের করতে রীতিমতো হিমশিম খান মহিমা।

এই হচ্ছে হাসির ছবি ‘কাঁঠাল’-এর কাহিনি। নবাগত পরিচালক যশবর্ধন মিশ্রা পরিচালিত ছবিটি ১৯ মে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাবে।

ছবিতে পুলিশ অফিসার মহিমার চরিত্রে অভিনয় করছেন সানিয়া মালহোত্রা।

মুম্বাইয়ের এক পাঁচতারা হোটেলে গত বৃহস্পতিবার ছবির ট্রেলার মুক্তির আয়োজনে সানিয়া মালহোত্রা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ছবির মূল দুই অভিনেতা রাজপাল যাদব আর অনন্ত ভি জোসি।

ট্রেলার মুক্তির পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘কাঁঠাল’ ছবিতে অভিনয় প্রসঙ্গে সানিয়া বলেন, ‘“পাগলেট” ছবির পরপরই (প্রযোজক) গুণিত আমাকে জুম কলে এক লাইন শুনিয়েছিলেন।

শুনেই আমার দারুণ লেগেছিল। মনে হয়েছিল “পাগলেট”-এর পর মজার কিছু পেয়েছি। এরপর (পরিচালক) যশ আমাকে ছবির পুরো গল্প শুনিয়েছিলেন। আমি খুব খুশি এই চরিত্রে অভিনয় করে। আর এটাকে এক চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলাম। কারণ আজ অবধি কোনো পুলিশের সঙ্গে আমার সেভাবে পরিচয় হয়নি।’

নিজের অভিনীত চরিত্রটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রস্তুতির সময় একজন পুলিশের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি।

পুলিশ স্টেশনে তাঁর ঘরের এক কোনায় বসে তাঁকে লক্ষ করতাম। দেখতাম যে কীভাবে তিনি নানা কেসের সমাধান করছেন। এমনকি বাড়ির সমস্যা কীভাবে সামলাতেন, সেটাও দেখতাম। কারণ ঘরে তাঁর শিশুসন্তান ছিল। ইউনিফর্মের আড়ালে একজন পুলিশ অফিসারের বাস্তব জীবনের আমি সাক্ষী হয়েছিলাম। এই ছবিতে একজন পুলিশের বাস্তব কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। আমাদের বলিউড ছবিতে এসব দেখানো হয় না। শুধু দেখানো হয় পুলিশমাত্রই কীভাবে মারধর করছে বা গাড়ির সামনে বসে ছুটছে!’

পর্দায় ‘মহিমা’ হয়ে উঠতে সানিয়াকে আঞ্চলিক ভাষা শিখতে হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘চরিত্রের প্রয়োজনে আমাকে বিশেষ একটা অঞ্চলের ভাষা রপ্ত করতে হয়েছে। শেখাটা বেশ কঠিন ছিল। এ ব্যাপারে (সহশিল্পী) নেহা আমাকে সাহায্য করেছে। তার আগে আমি রীতিমতো হাতড়াচ্ছিলাম। কোনো দিশা খুঁজে পাচ্ছিলাম না। তবে নতুন এই ভাষা শিখে দারুণ মজা পেয়েছি। এখনো আমি এর থেকে বের হতে পারিনি। এই ছবিতে অভিনয়ের পর মনে হচ্ছে আমার অভিনয় ক্যারিয়ার সম্পূর্ণ বৃত্ত হয়ে গেছে।’

Source: প্রথম আলো

image
כמו
תגובה
לַחֲלוֹק
Magazine
Magazine
3 שנים

পানির পাত্র হাতে নিজেই ছুটলেন জ্যাকুলিন
***********************************************************************
বাংলাদেশের মতো ভারতের বিভিন্ন রাজ্যেও এখন তীব্র গরম অনুভূত হচ্ছে। গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ। শুধু মানুষ নয়, প্রাণীকুলও গরমে কাহিল। গরমে প্রাণীদের একটু প্রশান্তি দিতে রাস্তার পাশে পানিভর্তি পাত্র রাখছেন বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। পরে এ কার্যক্রমের ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেছেন ইনস্টাগ্রামে। প্রাণীপ্রেমী হিসেবে আগে থেকেই পরিচিত তিনি।

মানবিক এই কাজের ভিডিও ও ছবি শেয়ার করে অন্যদেরও এ ধরনের কাজ করতে উৎসাহী করছেন। ভিডিওতে জ্যাকুলিনকে দেখা যায়, একটি মাটির পাত্রে পানি ভর্তি করে রাস্তার পাশে রেখে আসতে।

যাতে গ্রীষ্মের গরমে হাঁসফাঁস করা রাস্তার প্রাণী, পাখি পানি খেতে পারে, গা ভিজিয়ে নিজেকে শীতল করার সুযোগ পায়।

ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা সেই পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লিখেন, ‘এই গ্রীষ্মের গরমে নিঃসঙ্গ প্রাণীদের শীতল হতে সাহায্য করবে পানির পাত্রগুলো। আমি অনুরোধ করছি, আপনারা যাঁরা পারবেন স্থানীয় কুমোর থেকে মাটির পাত্র বানিয়ে পানিসহ বাড়ির বাইরে রাখুন। প্রতিদিন পানি দিয়ে এই মাটির পাত্রগুলো পূর্ণ করে দিন।’

অভিনেতার এই কাজকে ভক্তরাও সমর্থন করছেন। মন্তব্যের ঘরে তাঁর এই কাজকে উৎসাহ দিতে তাঁর প্রশংসা করছেন অনেকেই। সম্প্রতি জ্যাকুলিন অমৃতসরে তাঁর পরবর্তী ছবি ‘ফতেহ’-এর শুটিং শেষ করেছেন। বৈভব মিশ্র পরিচালিত সাইবার ক্রাইমভিত্তিক এই সিনেমায় সোনু সুদের বিপরীতে অভিনয় করছেন তিনি।

Source: প্রথম আলো

image
כמו
תגובה
לַחֲלוֹק
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
3 שנים

image
כמו
תגובה
לַחֲלוֹק
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
3 שנים

image
כמו
תגובה
לַחֲלוֹק
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
3 שנים

image
כמו
תגובה
לַחֲלוֹק
Showing 13236 out of 21464
  • 13232
  • 13233
  • 13234
  • 13235
  • 13236
  • 13237
  • 13238
  • 13239
  • 13240
  • 13241
  • 13242
  • 13243
  • 13244
  • 13245
  • 13246
  • 13247
  • 13248
  • 13249
  • 13250
  • 13251

ערוך הצעה

הוסף נדבך








בחר תמונה
מחק את השכבה שלך
האם אתה בטוח שברצונך למחוק את השכבה הזו?

ביקורות

על מנת למכור את התוכן והפוסטים שלך, התחל ביצירת מספר חבילות. מונטיזציה

שלם באמצעות ארנק

התראת תשלום

אתה עומד לרכוש את הפריטים, האם אתה רוצה להמשיך?

בקש החזר