বাংলা উইকিপিডিয়ায় নিবন্ধের মানোন্নয়ন প্রতিযোগিতা
***********************************************************************
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলা উইকিপিডিয়ায় শুরু হয়েছে অমর একুশে নিবন্ধ মানোন্নয়ন প্রতিযোগিতা। উন্মুক্ত বিশ্বকোষটিতে থাকা নিবন্ধের মানোন্নয়নের জন্য আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় যে কেউ ব্যক্তি অংশ নিতে পারবেন। আজ বুধবার থেকে শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতা চলবে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে প্রতিযোগিতার আয়োজক উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ।
বর্তমানে এক লাখ ৩৩ হাজারেরও বেশি নিবন্ধ রয়েছে বাংলা উইকিপিডিয়ায়। কিন্তু অনেক নিবন্ধেই বিস্তারিত তথ্য নেই। আর তাই নিবন্ধগুলোর মানোন্নয়ন করতে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে প্রথমেই https://bn.wikipedia.org/s/pfsr ঠিকানার ওয়েবসাইটে যেতে হবে। এরপর অংশগ্রহণ অপশনে ক্লিক করে অ্যাকাউন্ট খুলে বিষয় নির্বাচন করলেই এক বা একাধিক নিবন্ধ সম্পাদনা করা যাবে। নিবন্ধ সম্পাদনা করলেই পাওয়া যাবে ডিজিটাল সনদ। সর্বোচ্চসংখ্যক নিবন্ধের লেখক/সম্পাদক পাবেন সনদসহ পুরস্কার।
উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ ২০১৫ সাল থেকেই প্রতিবছর নিবন্ধ মানোন্নয়ন প্রতিযোগিতা আয়োজন করে আসছে। এ প্রসঙ্গে উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের সভাপতি শাবাব মুস্তাফা বলেন, ‘বাংলা ভাষায় উন্মুক্ত জ্ঞানের বড় ভান্ডার হলো বাংলা উইকিপিডিয়া। নিবন্ধের মানোন্নয়নের পাশাপাশি বাংলা উইকিপিডিয়াকে সমৃদ্ধ করাই এ প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য।’
Source: প্রথম আলো
ইলন মাস্ক কোন ফোন ব্যবহার করেন
***********************************************************************
পৃথিবীর অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক ইলন মাস্কের হাতে কোন স্মার্টফোন শোভা পায়, জানেন? না জানলেও এ তথ্য জানার আগ্রহ কমবেশি সবারই আছে। প্রশ্নোত্তরের অনলাইন তথ্যভান্ডার কোরা ডাইজেস্টে এই প্রশ্নের সংখ্যা অনেক। এর উত্তর দিয়েছেন সিলভেইন স্যরেল’স নিউজলেটারের প্রতিষ্ঠাতা সিলভেইন স্যরেল।
প্রথমেই জেনে নিন, ইলন মাস্ক একটি নির্দিষ্ট স্মার্টফোন ব্র্যান্ডের পক্ষে নন। তিনি কখনোই বলেননি, ‘আমি ১০০ শতাংশ অ্যাপল, ১০০ শতাংশ স্যামসাং বা ১০০ শতাংশ অ্যান্ড্রয়েড।’ তো ইলনের হাতে কোন ফোনটি থাকে?
ইলন মাস্ক যখন জনসমক্ষে আসেন, বছর কয়েক ধরে তা পর্যবেক্ষণ করে ঠিকই বোঝা যায়, তাঁর হাতে কোন ফোন থাকে। আর সেটা পরিষ্কার—অ্যাপল।
ইলন মাস্কের ছবি খুঁজে বের করে খেয়াল করে দেখবেন, সাধারণত তিনি আইফোন ব্যবহার করেন। অন্তত ২০১২ সাল থেকে, এটা নিশ্চিত। তিনি তাঁর আইফোন, আইপ্যাডের কথা অনেক সাক্ষাৎকারেও বলেছেন। তবে কখনো সরাসরি অ্যাপলের এই পণ্য ব্যবহারের সুপারিশ করেননি। সহজাতভাবে নিজের ফোন ও ট্যাবের কথা বলেছেন।
যদি জানতে চান ইলন মাস্ক আইফোন বা আইপ্যাডের কোন সংস্করণ ব্যবহার করেন, তবে সেই প্রশ্নের উত্তর পেতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হবে। তবে কিছুটা আন্দাজ করে নেওয়া যেতে পারে। প্রযুক্তি–দুনিয়ার ধনকুবের ইলন মাস্ক। অ্যাপল কম্পিউটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) টিম কুকের বন্ধু তিনি। ‘বন্ধু’ শব্দটি বললে হয়তো একটু বেশি বলা হতে পারে, তবে এখন পর্যন্ত ইলন মাস্ক ও টিম কুকের সম্পর্কটা বেশ ভালো।
তাই এটি ধরে নেওয়া যায়, টিম কুকের কাছে থেকে অ্যাপলের নতুন যন্ত্র উপহার হিসেবেই পেয়ে থাকেন ইলন মাস্ক। কারণ, এটি অ্যাপলের বিপণনকাজে বেশ সহায়ক। যদি ইলন মাস্ক আইফোন পছন্দ করেন এবং তাঁর হাতে সেটা শোভা পায়, তবে তা অ্যাপলের জন্য ভালো।
Source: প্রথম আলো
জীবন একটা লেখার খাতা
সাজাও তুমি বায়োডাটা।
চলার পথে খাবে ধোঁকা,
হুঁশ ফিরলে গোলা ফাঁকা।
চারিদিকে হুড়োহুড়ি
এরে মেরে তেড়ে ভাগি।
সং মাখা সংসারে,
আপন পর কারে ভাবি?
তবুও থাকুক ডাটা চালু,
লাইক কমেন্ট শেয়ারে
দেশি বয়েজ চলুক।
#সৃষ্টি
#premdevota
এই হেডফোনের মাইক্রোফোন খুলে রাখা যায়
***********************************************************************
অডিও বা ভিডিও কলে কথা বলার জন্য মাইক্রোফোনযুক্ত হেডফোন ব্যবহার করেন অনেকে। হেডফোনের সঙ্গে স্থায়ীভাবে যুক্ত থাকায় মাইক্রোফোনটি মুখের সামনে থেকে সরিয়ে গান শোনেন অনেকে। এ সমস্যার সমাধান দেবে রোড এনটিএইচ ১০০ মডেলের হেডফোন।
রোডের তৈরি এ হেডফোনে জ্যাকের মাধ্যমে মাইক্রোফোন যুক্ত করতে হয়। অর্থাৎ অডিও বা ভিডিও কলের পর মাইক্রোফোনটি খুলেও রাখা যাবে। ফলে গান শোনার সময় মাইক্রোফোন খুলে ব্যবহার করা যাবে হেডফোনটি।
হেডফোনটির উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে, এতে থাকা মাইক্রোফোন নষ্ট হলেও তা সহজে পরিবর্তন করা যায়। ফলে নতুন হেডফোন কিনতে হয় না। হেডফোনটির দাম ১৮৯ ডলার।
সূত্র: দ্য ভার্জ
Source: প্রথম আলো
যৌথ টুইটের সুযোগ বন্ধ হলো টুইটারে
***********************************************************************
টুইটারের মালিকানা নিজের করে নেওয়ার পরপরই ইলন মাস্ক জানিয়েছিলেন, টুইটারের বিভিন্ন সেবা পর্যালোচনা করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার যৌথভাবে টুইট (টুইটারে দেওয়া বার্তা) পাঠানোর সুযোগ বন্ধ হলো টুইটারে। ‘কো টুইট’ নামের এ সুবিধা কাজে লাগিয়ে যৌথভাবে টুইট লিখে নিজেদের অ্যাকাউন্ট থেকে আলাদাভাবে পোস্ট করতে পারতেন দুজন ব্যবহারকারী। এর ফলে দুজনের অনুসারীরাই টুইটটি দেখতে পারতেন।
এক বিবৃতিতে টুইটার জানিয়েছে, আজ বুধবার থেকে ‘কো টুইট’–সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে। এর ফলে যৌথভাবে আর টুইট পাঠানোর সুযোগ মিলবে না। টুইটারে থাকা আগের পোস্টগুলোও এক মাসের মধ্যে মুছে ফেলা হবে।
গত বছরের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও দক্ষিণ কোরিয়ায় ‘কো টুইট’–সুবিধা চালু করে টুইটার। পর্যায়ক্রমে সব দেশে চালুর কথা থাকলেও হঠাৎ এ সুবিধা বন্ধের ঘোষণা দিল টুইটার।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৭ অক্টোবর টুইটারের মালিকানা নিজের করে নেন ইলন মাস্ক। ধারণা করা হচ্ছে, ইলন মাস্ক দায়িত্ব নেওয়ার আগে টুইটারে চালু থাকা আরও কিছু সুবিধা ভবিষ্যতে বন্ধ করা হতে পারে।
সূত্র: দ্য ভার্জ
Source: প্রথম আলো
ইন্টারনেট ছাড়া গুগল ম্যাপসের ব্যবহার যেভাবে
***********************************************************************
প্রয়োজনের সময় যেকোনো ঠিকানা বা অবস্থানের খোঁজ পেতে গুগল ম্যাপসের জুড়ি নেই। কিন্তু সমস্যা একটাই, ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলে গুগলের এ ম্যাপস সেবা ব্যবহার করা যায় না। তবে অফলাইন সুবিধা কাজে লাগিয়ে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই গুগল ম্যাপস ব্যবহার করা সম্ভব।
অফলাইনে গুগল ম্যাপস ব্যবহারের জন্য প্রথমে গুগল ম্যাপসের ডানদিকের ওপরের অংশে থাকা প্রোফাইল ছবিতে ট্যাপ করে অফলাইন ম্যাপস অপশন নির্বাচন করতে হবে। এরপর ‘সিলেক্ট ইউর ওন ম্যাপ’ অপশনে ক্লিক করে আপনার প্রয়োজনীয় এলাকার ম্যাপ নির্ধারণ করতে হবে। জুম করে নির্দিষ্ট এলাকাও নির্ধারণ করা যাবে।
এলাকা নির্ধারণ করে ডাউনলোড বাটনে ট্যাপ করলেই নির্দিষ্ট এলাকার ম্যাপ ডাউনলোড হয়ে যাবে। ফলে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই যেকোনো সময় ম্যাপটি দেখে নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাওয়া যাবে।
Source: প্রথম আলো
সেক্স টেপ ফাঁস হওয়া নিয়ে মুখ খুললেন পামেলা
***********************************************************************
তারকাদের আত্মজীবনী মানেই যেন বিতর্কের ঝড়। যে ঝড়ের শুরুটা হয় আত্মজীবনী প্রকাশের আগে তাঁর দেওয়া সাক্ষাৎকার থেকেই। এসব সাক্ষাৎকার বইয়ের প্রচারে যেমন কাজ করে, তেমন উসকে দেয় অতীতের নানা বিতর্কও। আর আত্মজীবনীটি যদি হয় পামেলা অ্যান্ডারসনের, তাহলে তো কথাই নেই। যথারীতি বই প্রকাশের আগে নানা বিতর্কিত বিষয়ে বেওয়াচ তারকার মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে আলোচনার ঝড়।
নব্বইয়ের দশকে পামেলা অ্যান্ডারসন কী ছিলেন, সেটা তাঁর ভক্ত মাত্রই জানেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আর নেট–দুনিয়ার অভাবনীয় বিস্তার ছাড়াই তিনি হয়ে উঠেছিলেন দুনিয়ার অন্যতম আবেদনময়ী তারকা। সেই পামেলা এবার জোড়া চমক নিয়ে হাজির। তাঁর লেখা বই ‘লাভ, পামেলা’ প্রকাশিত হয়েছে ৩১ জানুয়ারি। একই দিন নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে তাঁকে নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্র ‘পামেলা, আ লাভ স্টোরি’।
নেটফ্লিক্সের তথ্যচিত্রে পামেলা দাবি করেন, অভিনেতা সিলভেস্টার স্ট্যালোন তাঁকে সঙ্গী হিসেবে চেয়েছিলেন। প্রত্যাখ্যান করায় স্ট্যালোন বলেছিলেন, ‘তোমার জন্য এটাই সেরা প্রস্তাব, তুমি এখন হলিউডে আছ।’ সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে পামেলা তখন বলেছিলেন, ‘আমি কেবল ভালোবাসা চাই, এর চেয়ে বেশি কিছু নয়।’ এই বিস্ফোরক দাবি নিয়ে স্বভাবতই শুরু হয় বিতর্ক। পরে এক বিবৃতিতে পামেলার দাবিকে ‘মিথ্যা’ অভিহিত করে স্ট্যালোনের মুখপাত্র বলেন, এমন কিছুই ঘটেনি।
ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে টিম অ্যালেনের সঙ্গে একটি ঘটনার কথাও বইতে উল্লেখ করেছেন পামেলা। জানান, প্রথম শুটিংয়ের দিন ইচ্ছে করে তাঁকে নিজের নগ্ন শরীর দেখিয়েছিলেন টিম অ্যালেন। অভিযোগ অস্বীকার করে এই অভিনেতা জানিয়েছেন, ‘পামেলার পক্ষে কেবল মিথ্যাই বলা সম্ভব।’
নেটফ্লিক্সের তথ্যচিত্রটিতে বিয়ে, সম্পর্কসহ ব্যক্তিগত নানা বিষয়ে অকপট বয়ান দিয়েছেন পামেলা অ্যান্ডারসন। যার মধ্যে একটি তাঁর বহুল চর্চিত চতুর্থ বিয়ে।
সেক্স টেপ ফাঁস হওয়া নিয়েও মুখ খুলেছেন পামেলা, ‘ওই ঘটনার পর মনে হয়েছিল আমি ব্যঙ্গচিত্রের উপকরণ হয়ে গেছি। ওই সময় জানতাম, আমার ক্যারিয়ার শেষ।’ পামেলা বই ও তথ্যচিত্র মুক্তির আগেই এত আলোচনা, মুক্তির পর আরও একবার পামেলা যে আলোচনার কেন্দ্রে থাকবেন, সে কথা বলাই বাহুল্য।
২০২০ সালে হঠাৎই জানা যায়, বিয়ে করেছেন পামেলা ও জন পিটার্স। তবে বিয়ের চেয়ে বড় চমক ছিল, মাত্র ১২ দিন পর তাঁদের বিচ্ছেদের খবর। জানা গেল, মাত্র ১২ দিন সংসার করলেও দীর্ঘদিনের বন্ধু ও সাবেক স্ত্রীর জন্য ১ কোটি ডলার বা ১০৬ কোটি বাংলাদেশি টাকা রেখেছেন পিটার্স। ভ্যারাইটিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পামেলা বলেন, ‘সে (জন পিটার্স) দুর্দান্ত, আমার জীবনে তাঁর ব্যাপক প্রভাব রয়েছে; আমৃত্যু তাঁকে ভালোবেসে যাব।’
পিটার্স জানিয়েছেন, তিনি তাঁর উইলে এক কোটি ডলার পামেলার জন্য রেখে যাবেন। ‘এটা তাঁর জন্য, সেটা তাঁর প্রয়োজন হোক বা না হোক’, বলেন পিটার্স। পামেলা ও জনের সম্পর্ক আশির দশক থেকে। পামেলার বয়স তখন ১৯, প্রথম দেখাতেই মনে ধরে পিটার্সের। পরের তিন দশকে একে–অপরের বন্ধু হয়ে থেকেছেন পামেলা ও জন। হঠাৎ পিটার্সকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন পামেলা। পিটার্সের তখন আরেকজনের সঙ্গে বাগদান হলেও পামেলার ডাক উপেক্ষা করতে পারেননি। মজা করে তখন পিটার্স বলেছিলেন, ‘পামেলাকে কি ফেরানো যায়?’ পামেলার ভক্ত মাত্রই জানেন, পিটার্সের এই কথা কতটা সত্যি।
Source: প্রথম আলো