ঘুরে আসুন বাংলাদেশের মায়াবী নদী সোমেশ্বরী।
বিয়ে নিয়ে ছেলেদের যে পরামর্শ দিলেন সাইফ
***********************************************************************
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সাইফ আলী খান প্রথমে তাঁর চেয়ে বয়সে ১২ বছরের বড় অভিনেত্রী অমৃতা সিংকে বিয়ে করেন। ১৩ বছর সংসার করার পর ২০০৪ সালে তাঁরা আলাদা হয়ে যান। পরে ২০০৮ সালে ‘তাশান’ সিনেমার সেটে বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের প্রেমে পড়েন। ২০১২ সালে বিয়ে করেন সাইফ ও কারিনা। তাঁদের বয়সের পার্থক্য ১০ বছরের। সম্প্রতি বিয়ে নিয়ে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন সাইফ। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাইফ আলী খানকে তাঁর চেয়ে কম বয়সী কারিনা কাপুরকে বিয়ে করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কারিনা কাপুরকে বিয়ে করা তাঁর জীবনে ঘটা সবচেয়ে ভালো ব্যাপার। সব পুরুষেরই উচিত বয়সে ছোট নারী বিয়ে করা। তাঁর মতে, বয়সের পার্থক্য সম্পর্ক টিকিয়ে রাখে। তিনি আরও বলেন, ‘নারীদের তুলনায় পুরুষেরা একটু দেরিতে পরিণত হয়।’
আগে দেওয়া আরেকটি সাক্ষাৎকারে কারিনা কাপুরকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তিনি পর্দায় তাঁর চেয়ে বেশি বয়সী কারও সঙ্গে প্রেম করতে চান কি না? এ প্রশ্নের জবাবে কারিনা অবশ্য ‘না’ বলেছিলেন। অভিনেত্রীর মতে, বাস্তব জীবনে বয়সে ১০ বছরের বড় সাইফের সঙ্গে সংসার করলেও পর্দায় তাঁর চেয়ে বড় কারও সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করতে চান না।
বলিউড অভিনেত্রী সারা আলী খান ও ইব্রাহিম আলী খান অমৃতা সিংয়ের ঘরে সাইফের দুই সন্তান। কারিনা–সাইফ দম্পতিরও দুটি সন্তান রয়েছে—তৈমুর আলী খান ও জাহাঙ্গীর আলী খান।
Source: প্রথম আলো
সানি লিওনিকে কারণ ছাড়াই হেনস্তা করা হচ্ছে: আদালত
***********************************************************************
বলিউডের অভিনেত্রী সানি লিওনি, তাঁর স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবার ও তাঁদের এক কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিল কেরালার একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক নিয়েও অনুষ্ঠানে এসে পারফর্ম করেননি বলিউডের এই অভিনেত্রী। তবে সানির বিরুদ্ধে প্রতারণার এ অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে মনে করছেন কেরালার হাইকোর্ট।
সানি লিওনির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সেটা কোনো ফৌজদারি অপরাধ বলে মনে হচ্ছে না আদালতের। অভিযোগটির পক্ষে উপযুক্ত প্রমাণেরও অভাব রয়েছে। আদালত মনে করছেন, অকারণে এ অভিনেত্রীকে হেনস্তা করা হচ্ছে। তাই আদালত মামলাটি বাতিল করার পক্ষে। তবে তদন্ত যাতে চলতে পারে, তার জন্য মামলার শুনানি চলবে। যদিও এর আগে উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে মামলাটি বাতিল করেছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
কেরালার ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের অভিযোগের পর নিজেকে নির্দোষ দাবি করে মামলা খারিজের আবেদন নিয়ে হাইকোর্টে যান এই অভিনেত্রী। আদালতের কাছে সানির আবেদন ছিল, কোনো ভুল-বোঝাবুঝির কারণে এটা হয়ে থাকতে পারে। এতে অভিযোগকারীদের কোনো ক্ষতি না হলেও এ মামলার ফলে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এদিকে চলতি বছর অভিনয়ের দিক থেকে বেশ ব্যস্ততায় কাটবে সানি লিওনির। আগে বেশির ভাগ সময় তাঁকে আইটেম গানে দেখা গেলেও ২০২৩ সালে বেশ কয়েকটি সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে তাঁকে। কেবল হিন্দিই নয়, চলতি বছর তামিল ও মালয়ালাম সিনেমাতেও দেখা যাবে সানি লিওনিকে।
ভারতীয় বিনোদন জগতে সানি লিওন যাত্রা শুরু করেন ২০১১ সালে ‘বিগবস ৫’ রিয়েলিটি শোয়ের মাধ্যমে। পরের বছর ‘জিসম ২’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত কানাডীয় এই মডেল, ব্যবসায়ী ও সাবেক পর্নো তারকা। সানির আসল নাম করণজিৎ কৌর বোহরা। কানাডার অন্টারিওতে ১৯৮১ সালে একটি পাঞ্জাবি পরিবারে তাঁর জন্ম হয়।
১৩ বছর বয়সে মা-বাবার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় পাড়ি জমান সানি। ১৯৯৯ সালে তাঁর বাবার ক্যানসার ধরা পড়ে। দীর্ঘদিন ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত ২০১০ সালে মারা যান সানির বাবা। বাবাকে হারানোর এক বছর আগে মার্কিন রক ব্যান্ড দল ডিসপ্যারোসের লিড গিটারিস্ট ড্যানিয়েল ওয়েবারকে বিয়ে করেন সানি।
Source: প্রথম আলো
অন্য রকম ঘোরের গল্প ‘বনবিবি’
***********************************************************************
ব্যাঙ ডাকে ঘন ঘন, শীঘ্র হবে বৃষ্টি জানো
যদি হয় চৈতে বৃষ্টি, তবে হবে ধানের সৃষ্টি...’
খনার বচন আমাদের অনেকের জানা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এটা সুরে সুরে গুনগুন করছেন অনেকেই। এর পুরো কৃতিত্বই কোক স্টুডিও বাংলার ও ব্যান্ড মেঘদলের। সঙ্গে আছে ঘাসফড়িং ও জোহরা বাউল। বলছি কোক স্টুডিও বাংলা দ্বিতীয় সিজনের দ্বিতীয় গান ‘বনবিবি’র কথা। সুন্দরবনের কল্পিত চরিত্র বনবিবি, খনার বচন ও এস এম সুলতানের শৈল্পিক ভাবনাকে ফুটিয়ে তোলা ‘বনবিবি’র দৃশ্যায়ন দর্শক–শ্রোতাকে নিয়ে গেছে ভিন্ন এক ঘোরের জগতে।
মজার বিষয় হলো গানটি মুক্তি দেওয়া হয়েছে রাত একটায়। যখন প্রকৃতি শান্ত থাকে, চারপাশে বিরাজ করে অদ্ভুত প্রশান্তি। সবুজ-শান্ত একটা ঘোরের মধ্যে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা সম্পর্কে গানটির সংগীত প্রযোজক শিবু কুমার শীল জানান, ‘গানের শুরুতেই আমাদের ভাবনা ছিল সবুজ-শান্ত পরিবেশকে প্রাধান্য দেওয়া। তাই গান ও পুরো সেটে সেই আবহ নিয়ে আসা হয়েছে। “বনবিবি” মুক্তি দেওয়ার জন্য আমরা সপ্তাহের শেষ দিন গভীর রাতকে নির্বাচন করেছি। কারণ, গভীর রাতে দর্শক-শ্রোতারা তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের সব কাজ শেষে কোলাহলমুক্ত পরিবেশে গানটি উপভোগ করতে পারবেন। পুরো গানের পরিকল্পনা-দৃশ্যায়ন আমাদের লোকগাথা আর প্রকৃতিকে নিয়েই করা হয়েছে।’
যেহেতু গানটিতে লোকগাথা ও সুন্দরবন মুখ্য ছিল, তাই দৃশ্যায়ন বাস্তবধর্মী করতে পুরো ‘বনবিবি’ টিমকে প্রচুর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। টিম ‘বনবিবি’ সূত্রে জানা যায়, গানে খনার বচন ব্যবহার করা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় গানটির সুরে ভিন্নতা আনার জন্য বাদ্যযন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে কুলা-ঢেঁকিকে। সেই ঢেঁকি সংগ্রহ করা হয়েছে বান্দরবান থেকে। একতারার সুরের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে তারযন্ত্র। এর সঙ্গে গ্রামীণ পরিবেশের নানা আনুষঙ্গিক জিনিস সংগ্রহ করতে হয়েছে দৃশ্যায়নটি সুন্দর করার জন্য। আর সেটের সৌন্দর্য বাড়াতে ব্যবহৃত হয়েছে এস এম সুলতানের শিল্পকর্ম। বরেণ্য এই শিল্পীর কাজে প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টি সব সময় গুরুত্ব পেয়েছে। তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করার আয়োজনে কমতি ছিল না আন্তরিকতার।
কোক স্টুডিও বাংলার সংগীত প্রযোজক অর্ণব জানান, ‘খনার বচন ও বনবিবি কিংবদন্তি চরিত্র। তা নিয়েই করা হয়েছে গান। এই গান আমাদের নিয়ে যায় দূরের কোনো বনে, যেখানে আমরা নিজেদের প্রকৃতির কাছাকাছি অনুভব করতে পারি। সেই অনুভবের জন্য প্রকৃতিতে শুনতে পাওয়া নানা সুরের মিশ্রণ ঘটানোর চেষ্টা করেছি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কুলা-ঢেঁকি-পাতার শব্দ। গ্রামীণ বাংলার চিত্র এখানে খুব সুন্দরভাবে উঠে এসেছে। দর্শক-শ্রোতাদের আমরা একটি ম্যাজিক্যাল অভিজ্ঞতা উপহার দিতে চেয়েছি।’
গানে জোহরা বাউলের অংশগ্রহণ ও তাঁকে নিয়ে গান গাওয়ানোর অভিজ্ঞতাটিও ছিল ভিন্ন রকমের। জোহরা বাউলের গানে অংশগ্রহণ নিয়ে জানান শিবু কুমার শীল।
‘আমরা প্রথমে অন্য একজন বাউলকে নিয়ে কাজটা এগিয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত তাঁকে নিয়ে কাজটা করা হয়নি। এর মধ্যে জোহরা বাউলকে পেলাম। কিন্তু জোহরাবু পড়াশোনা জানেন না। গানের কথাগুলো লিখে দিলে উনি যে দেখে দেখে গাইবেন—সেই উপায় নেই। তাই আমরা গানটি তুলে রেকর্ডকৃত অংশটুকু তাঁকে পাঠিয়ে দিই। গ্রামের মধ্যে কানে হেডফোন লাগিয়ে জোহরাবু সারাক্ষণ তা চর্চা করেছেন। তাঁর দৈনন্দিন কাজ করে গেছেন কিন্তু ঠোঁটে আর মনে ছিল সারা দিন এই গান। একদিন আমাকে ফোন দিয়ে জানালেন, তিনি পুরো অংশটুকু আয়ত্ত করে ফেলেছেন। সুরে সুরে আমাকে গেয়ে শোনালেন। সেদিন আনন্দে আমার চোখে পানি চলে এসেছিল। এত সুন্দর রপ্ত করেছেন তিনি তার অংশটুকু!’ নিজের আবেগ–ভালো লাগার কথা এভাবেই প্রকাশ করেন শিবু।
টিম ‘বনবিবি’ জানায়, আরও একজন মানুষ পুরো দলকে চমৎকৃত করে রেখেছেন সব সময়ই। তিনি হলেন মিথুন চক্রবর্তী। কাজপাগল এই মানুষ সারাক্ষণ সব জিনিস ঘেঁটে প্রাকৃতিক শব্দ বের করায় নিমগ্ন থাকতেন। ছোট থেকে ছোট বস্তুতে তিনি নানা রকম শব্দ করে দেখতেন। এরই মধ্যে কাজের নিমগ্নতায় তিনি বিড়ালের বর্জ্যও হাত দিয়ে ধরে ফেলে পুরো টিমকে মজার একটা স্মৃতি তৈরি করে দেন।
‘বনবিবি’র ভিজ্যুয়াল ডিরেক্টর কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় জানান, ‘মেঘদলের সঙ্গে কাজ করা আমার জন্য একটা ভালোবাসার বিষয়। আনন্দের বিষয়। কাজের শুরুতে সবাই মিলে পরিকল্পনা করি স্টুডিতেই একটা জঙ্গল বানানোর। প্রাণ-প্রকৃতির শিল্পী এস এম সুলতানের কাজের ধারা আমরা “বনবিবি”তে ব্যবহার করি। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকে আমার দৃষ্টিতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে গেছেন। মেঘদল, জোহরাবু, ঘাসফড়িং—সবাই মিলে যে ঘোর তৈরি করল, আশা করি, তাতে দর্শক-শ্রোতা বুঁদ হয়ে থাকবেন অনেক অনেক দিন।’
Source: প্রথম আলো
ফিরলেন জিনাত, ফিরবেন সুস্মিতা, রাতে রাশমিকা
***********************************************************************
আজ শনিবার চাঁদের হাট বসেছে ল্যাকমের আসরে। সকাল থেকে রাত অবধি ল্যাকমের র্যাম্পে ঝড় তুলছেন একঝাঁক বলিউড তারকা। সকালের সেরা চমক ছিল জিনাত আমান। রাতেও আছে অন্য রকম চমক, রাতে মঞ্চ মাতাবেন দক্ষিণি নায়িকা রাশমিকা মান্দানা।
আজ ‘এফডিসিআই ল্যাকমে ফ্যাশন উইক’-এর তৃতীয় দিন উদ্যাপিত হচ্ছে। ভারতে শনিবার মানেই সপ্তাহের শেষ। আর তাই আজ ল্যাকমের আসর আরও রঙিন আর জমজমাট হয়ে উঠছে। এবারে এ ফ্যাশন উইক উদ্যাপিত হচ্ছে মুম্বাইয়ের জিও ওয়ার্ল্ড গার্ডেনে। ল্যাকমে ফ্যাশন উইকের তৃতীয় দিনে র্যাম্পজুড়ে বলিউড তারকাদের দাপট। এ দিনের প্রথম শো-তে র্যাম্পে হেঁটেছেন কাল্কি কোয়েচলিন আর শায়নি গুপ্তা।
তবে এদিন সকালে সেরা চমক দিয়েছেন ডিজাইনার শাহীন মান্নান। তাঁর ডিজাইন করা পোশাক পরে র্যাম্পে আলো ছড়িয়েছেন বলিউডের প্রবীণ অভিনেত্রী জিনাত আমান। সদ্য তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পা রেখে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন। এবার ল্যাকমের র্যাম্পে তাঁর উপস্থিতি এক অন্য মাত্রা এনে দিয়েছে। জিনাত মডেলিং দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। দীর্ঘ সময় পর আবার মডেলিংয়ের দুনিয়ায় ফিরলেন তিনি। এর আগে হেমা মালিনী, শাবানা আজমির মতো প্রবীণ অভিনেত্রীদের ল্যাকমের মঞ্চে দেখা গেছে।
এদিন শাহীনের ডিজাইন করা কালো প্যান্ট, কালো শার্ট আর জ্যাকেট পরে পাশ্চাত্য পোশাকে দেখা গিয়েছিল জিনাতকে। তাঁর উপস্থিতিতে চারদিক করতালিতে মুখর হয়েছিল। জিনাত বুঝিয়ে দিলেন সত্তর পেরিয়ে আজও তাঁর স্টারডম অক্ষত। এদিনে শোয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে জিনাত তাঁর ফ্যাশন দর্শন নিয়ে বলেন, ‘এমন পোশাক আমি পছন্দ করি, যা পরে আমি স্বচ্ছন্দ বোধ করি। আর তাতে আমার আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যায়। আমার কাছে এটাই ফ্যাশন। আমার মনে হয়, পোশাক মানুষকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে ডিজাইন, এমব্রয়ডারি—এ সবকিছুর ভান্ডার। আমাদের এখানে আন্তর্জাতিক মানের ডিজাইনার আছে। সারা দুনিয়াকে দেওয়ার মতো আমাদের কাছে অনেক কিছু আছে।’
কাল্কি কোয়েচলিন র্যাম্পে হাঁটা প্রসঙ্গে বলেন, ‘মনে হচ্ছে আমি এক ফ্যান্টাসির দুনিয়ায় বাস করছি। ঈশার (ডিজাইনার) পোশাক স্বপ্নের দুনিয়ার সঙ্গে বাস্তবের মিল ঘটিয়েছে। কোনো মিউজিক কনসার্টে যাওয়ার জন্য আমার এই পোশাক একদম পারফেক্ট।’
আজ দুপুরে খ্যাতনামা ডিজাইনার অনুশ্রী রেড্ডির ডিজাইন করা পোশাক গায়ে র্যাম্পে হাঁটার কথা সাবেক বিশ্ব সুন্দরী তথা বলিউড নায়িকা সুস্মিতা সেনের। কিছুদিন আগে সুস্মিতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে তাঁর হৃদ্রোগে আক্রান্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। তাঁর এ খবরে নেট দুনিয়ায় রীতিমতো হই হই পড়ে গিয়েছিল। সুস্থ হয়ে আবার র্যাম্পে ফিরছেন সুস্মিতা। আজ ল্যাকমের র্যাম্পে শো-স্টপার হিসেবে এখন পর্যন্ত দেখা গেছে ডায়না পেন্টি, তারা সুতারিয়া, কাল্কি কোয়েচলিন, শায়নি গুপ্তাকে। আজ সারা দিনে দেখা যাবে তাপসী পান্নু, পরিণীতি চোপড়া, রাশমিকা মান্দানা, সান্যায়া কাপুর, সারা আলী খান, আথিয়া শেঠিসহ আরও অনেককে।
Source: প্রথম আলো
ফেরদৌসের বাসায় এক দিনের অতিথি ঋতুপর্ণা
***********************************************************************
ঢাকায় এসে চিত্রনায়ক ফেরদৌসের ডিওএইচএসের বাসায় এক দিনের অতিথি হলেন কলকাতার অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। একটি অনুষ্ঠানে গতকাল শুক্রবার তিনি ঢাকায় আসেন। এসেই বন্ধু ফেরদৌসের বাসায় ওঠেন।
জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের ১৩০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঋতুপর্ণার এবারের ঢাকায় আসা। রাতে ক্লাবের অনুষ্ঠান শেষে ফেরদৌসের সঙ্গে তাঁর বাসায় যান অভিনেত্রী। ফেরদৌস বলেন, ‘অনেক দিন পর যেহেতু ঋতু ঢাকায় আসছে, তাই বললাম, বাইরে কোথাও থাকার দরকার নেই। এক দিনের জন্য আমার বাড়ির অতিথি হিসেবে তাঁকে দাওয়াত দিই। সেও সানন্দে আমার দাওয়াত গ্রহণ করে। দুই বন্ধুর অনেক দিন পর চমৎকার একটা আড্ডাও হলো।’
ভারতীয় পরিচালক বাসু চ্যাটার্জির ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে বাংলাদেশি ফেরদৌসের। এই একটি চলচ্চিত্র তাঁকে দুই বাংলায় দারুণ একটা অবস্থান করে দেয়।
এরপর ঢাকা ও কলকাতায় সমানতালে কাজ করতে থাকেন। কাজের সূত্রে ওপার বাংলার অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের সঙ্গে চমৎকার বন্ধুত্ব তৈরি হয়। পেশাদার সম্পর্ক ছাপিয়ে তা দুই পরিবারের মধ্যে গড়ে ওঠে বন্ধুত্বের সম্পর্ক। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরেই একে অপরের বাড়িতে অতিথিও হন। তারই ধারাবাহিকতায় এবার ফেরদৌসের বাসায় অতিথি হলেন ঋতুপর্ণা।
ফেরদৌস ও ঋতুপর্ণা প্রথম অভিনয় করেন ‘ওস্তাদ’ নামের একটি চলচ্চিত্রে। এরপর তাঁরা জুটি হয়ে কলকাতায় ৩০টির মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ঋতুপর্ণা জানালেন, তাঁর আর প্রসেনজিতের একসঙ্গে ৫০টির মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করা হয়েছে। আর ফেরদৌসের সঙ্গে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটি। কাজ করতে গিয়ে দুজনের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা একটা সময় দুই পরিবারের মধ্যেও ছড়িয়ে যায়। ফেরদৌসের মতো এত অসাধারণ বন্ধু পাওয়াটা ভীষণ আনন্দের বলেও জানালেন অভিনেত্রী।
‘ওস্তাদ’ ছাড়া ফেরদৌস–ঋতুপর্ণা জুটির অন্য ছবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ‘আমাদের সংসার’, ‘সুয়োরানী দুয়োরানী’, ‘অকৃতজ্ঞ’, ‘সাগর কিনারে’, ‘ভালো মেয়ে মন্দ মেয়ে’, ‘ঝরা হাওয়া’, ‘আকর্ষণ’, ‘বউমা জিন্দাবাদ’, ‘প্রতিহিংসা’, ‘ক্যামব্যাক’, ‘খাঁচা’, ‘ফুল আর পাথর’, ‘জনম জনমের সাথী’ ও ‘আরও একবার’।
ফেরদৌস প্রযোজিত ‘এক কাপ চা’ চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেন ঋতুপর্ণা। এ মূহূর্তে তাঁরা দুজন বাংলাদেশের আরও দুটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন। একটি ‘জ্যাম’, অন্যটি ‘গাংচিল’। দুটি চলচ্চিত্রের পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ।
আজ সকালে প্রথম আলোকে ঋতুপর্ণা জানালেন, ‘বাংলাদেশে বরাবরই অন্য রকম একটা আতিথেয়তা পাই। অসাধারণ মুগ্ধতা নিয়ে ফিরে যাই।’ এবারও এখন পর্যন্ত সে রকমই মুগ্ধতার মধ্যে আছেন। রাতের ফ্লাইটে ঋতুপর্ণার ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে। তবে এখান থেকে তিনি কলকাতায় নয়, যাবেন সিঙ্গাপুরে।
Source: প্রথম আলো