Link QuickBooks And Transferwise
TransferWise is one of the most admired and developed online transfer software, which is loved by millions of users worldwide. This quickbooks transferwise integration software has been recently renamed as “Wise”, is popular in the USA and other countries, for being cost-effective and feature enriched with the best of tools.
https://quicklybookonline.com/....quickbooks-transferw
#প্রপোজ
:- একটা ছেলে একটা মেয়েকে প্রপোজ করলো!🌹🌹
:- মেয়েটি ছেলেটিকে পাত্তাই দিলোনা!❎❎
:- ছেলেটি বলল, আমি তোমাকে একশো দিন সময় দিলাম, তুমি ভেবে দেখ!🤔🤔
:- আমি এই একশ দিন তোমার বাড়ির সামনে থাকবো এবং তোমার জন্য অপেক্ষা করবো!❤❤
:- এই বলে ছেলেটি চলে গেল, পরেরদিন থেকে
ছেলেটি সেই মেয়েটির বাড়ির সামনে অপেক্ষা
করতে লাগলো!🚶🚶
:- এভাবে ৯৯ দিন চলে গেল। মেয়েটি ছেলেটাকে ভালোবেসে ফেলল!😱😱
:- আজ একশ দিন পুর্ণ হবে, মেয়েটি আজ ছেলেটাকে ভালোবাসার কথা বলবে!😍😍
:- সে বাড়ির সামনে গেল, কিন্তু সেখানে ছেলেটাকে দেখতে পেল না!😣😣
:- সেখানে একটা চিঠি পেল!🙄🙄
:- আমি সত্যি তোমাকে অনেক
ভালোবেসেছিলাম!💖💖
:- আমি বিশ্বাস করতাম তুমি আমার
কাছে আসবে!😘😘
:- আমি যখন তোমার বাড়ির সামনে ঘুর ঘুর করছিলাম, তখন তোমার পাশের বাড়ির মেয়েটা আমাকে ফলো করছিল!😊😊
:- এক মাস যাওয়ার পরই সে আমাকে তার ভালোবাসার কথা জানায়!🔥🔥
:- আমি তাকে তোমার কথা বললাম, সে তারপরও আমাকে পেতে চাইলো!😊😊
:- আমি তাকে তখন কিছু বললাম না!❎❎
:- যখন বৃষ্টিতে হচ্ছে তুমি হয়তো গায়ে কম্বল
দিয়ে শুয়ে ছিলে!🛌🛌
:- তখন তোমার পাশের বাড়ির মেয়েটা আমার জন্য ছাতা এনে দিয়েছিল, তার চখের কোনে লুকানো জল আমি দেখেছি!😢😢
:- আর তুমি একবারও বেরিয়ে দেখনি, আমি
কেমন আছি!😭😭
:- আমি তোমার মতো স্বার্থপর হতে পারিনি!😡😡
:- আমি আজ আমার সত্যিকারের ভালোবাসার মানুষকে পেয়েছি, তোমার কাছে আমার কোন দাম নেই, কিন্তু ওর কাছে আমার দাম অনেক!😍😍
:- তাই আমি আমার ভালোবাসার মানুষটার
কাছে চলে গেলাম!❤❤
:- ভালো থেকো, চিঠিটা পড়ে মেয়েটি
কাঁদতে লাগলো!😭😭
:- আমি সত্যি বোকা, তোমাকে আমি প্রথম দিন থেকে ভালোবেসেছি, কিন্তু বলিনি আমার প্রতি তোমার ভালোবাসা কতটুকু তা পরিক্ষা করার জন্য!🤔🤔
:- আমি বুঝিনি তুমি অন্য কারো হয়ে যাবে!😢😢
:- তুমি ফিরে এসো, আমি তোমাকে সত্যি
অনেক ভালোবাসি!💖💖
:- মেয়েটি কাঁদতে লাগলো, কিন্তু এখন আর কেঁদে লাভ নেই,অনেক দেরী হয়ে গিয়েছে!😢😢
:- গল্প শেষ, এবার আমি কিছু বলি!🤔🤔
:- নিচের কথাগুলো এখনকার প্রেমিক-প্রেমিকাদের জন্য!🚶🙋
:- নিজের ভালোবাসার মানুষটাকে পরীক্ষা
করা ভালো!👍👍
:- কিন্তু এমন পরীক্ষা কোরো না যাতে!❎❎
:- পরে তোমাকে কাঁদতে হয়!😢😢.
#সমাপ্ত
গার্লফ্রেন্ড কে কিডন্যাপ করতে গিয়ে ভুলে তার
ষাট বছরের দাদীকে কিডন্যাপ করে নিয়ে
এসেছি। রাতের অন্ধকারে কি বোঝা যায় কোনটা
বুড়ি আর কোনটা যুবতী মেয়ে?
সকালবেলা কাজের ছেলের ডাকাডাকিতে ঘুম
ভেঙ্গে গেলো। ও হাতে করে একটা পেপার
নিয়ে এসেছে আমাকে কিছু একটা দেখাতে। খুব
বিরক্তি নিয়ে বললাম " কি দেখাবি বল? ও বলল "ভাইয়া
আপনার আর একটা বুড়ির ছবি পেপারে এসেছে।
পড়ে দেখুন কি লিখেছে? আমি তাড়াহুড়ো করে
ওর হাত থেকে পেপার কেড়ে নিলাম। দেখি
পত্রিকার প্রথম পাতার নিচে লিখা " প্রেমের টানে
ষাট বছরের বুড়িকে কিডন্যাপ করেছে বাইশ
বছরের এক যুবক " নিচে আমার আর একটা বুড়ির ছবি
দেওয়া।
তাড়াতাড়ি ফোন খুলে আমার কুখ্যাত বন্ধুদের ফোন
দিলাম। ওরাই বলেছিল সকিনাকে কিডন্যাপ করা ওদের
বাম হাতের কাজ। বন্ধুর জন্য যদি এটুকুই না করতে
পারে তাহলে বন্ধু কিসের"। ফোন ধরতেই ওপাশ
থেকে আক্কাস বলে উঠলো " বন্ধু তুই আসবি
কখন। ভাবীতো এখনো ঘুমাচ্ছে । আর শোন
ভাবীকে একদম হালাল উপায়ে কিডন্যাপ করেছি।
আমাদের সাথে কিডন্যাপ করার সময় রুমাও ছিল। ও
নিজে হাতে ভাবীর মুখ বেঁধে বোরখা পরে
দিয়েছে। তারপর বাকি কাজ আমরা করেছি। তুই আসবি
বলে এখনো বোরখা খুলিনি। তুই তাড়াতাড়ি আয়"।
আমি এপাশ থেকে নায়ক মান্নার কন্ঠে বলে উঠলাম
" ঐ হারামিরা, তোরা কাকে তুলে নিয়ে এসেছিস
ভালো করে দেখ। তোদের ভাবী এখন
বাপের বাড়িতে বসে কার্টুন দেখছে। আর তোরা
তুলে এনেছিস ওর ষাট বছরের দাদীকে"। ওপাশ
থেকেই ফোনের লাইন কেটে গেলো।
সাথেসাথে ফোনে একটা মেসেজ এলো।
চেক করে দেখি ছকিনার মায়ের নাম্বার থেকে
মেসেজ। ও লিখেছে " কাল রাতে বাবা আমাকে
আমার ঘরে ঘুমাতে দেয়নি। আমি আম্মার সাথে
ঘুমিয়েছিলাম। আর বাবা রাতে আম্মার ফোন কেড়ে
নিয়েছিল বলে তোমাকে খবরটা দিতে পারিনি। প্লিজ
তুমি কিছু একটা করো নাহলে আব্বা আমাকে
দুইদিনের মধ্যে বিয়ে দিয়ে দিবে"।
দৌড়ে গেলাম ছকিনার দাদীকে যেখানে কিডন্যাপ
করে রাখা হয়েছে সেখানে। দেখি বুড়ি বসে
বসে ফোন টিপছে। আমাকে দেখেই বলল "
ওই তোর ফোনে নেট আছে? আমি আমতাআমতা
করে বললাম " না , আমার বাসায় ওয়াইফাই আছে"।
দাদী ঠাস করে আমার গালে একটা থাপ্পড় দিয়ে
বলল" কি রকম ছোট মাপের কিডন্যাপার তোরা যে
তোদের এখানে ওয়াইফাই নাই"। পাশে তাকিয়ে
দেখি আক্কাসও গালে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
বুঝতে আর বাকি রইলো না। আমার আগে ওর
গালেও থাপ্পড় পড়েছে। দুজনা চোখাচোখি করছি
এমন সময় দাদী বলে উঠলো " তাড়াতাড়ি তোরা
আমাকে নেট কিনে দে"। আমি তাড়াহুড়ো করে
নেট কিনে আমার ফোন দাদীর হাতে দিয়ে
বললাম এই নিন দাদী আমার ফোন"। দাদী আবার ঠাস
করে আমার নরম গালে থাপ্পড় দিয়ে বলল " ওই, তুই
আমাকে দাদী বললি কেন? আমি কি দেখতে
দাদীর মতন? বয়স একটু হয়েছে এই যা, এছাড়া
এখনো আমাকে যুবক ছেলেপেলে
ফেসবুকে মেসেজ দেয়। আমার ছবি
ফেসবুকে শেয়ার করে। তুই কোন সাহসে
দাদী বললি বল"? আমি ভয়েভয়ে বললাম " তাহলে
আপনাকে কি বলবো? দাদী এবার খুশিখুশি মুখে
বলল " আমাকে নারগিস বলে ডাকবি। ওটা আমার ডাক
নাম। আর তোরা সবাই আমার পাশে এসে দাঁড়া, একটা
সেল্ফি তুলবো। বুড়ির থাপ্পড়ের ভয়ে সবাই পাশে
এসে দাঁড়ালাম। বুড়ি সেল্ফি তুলে আমার হাতে দিয়ে
বলল ক্যাপশন লিখ 'অনেকদিন পর বন্ধুদের সাথে
সেল্ফিবন্দী হলাম। কেমন হয়েছে কমেন্টে
জানান "। বুড়ির কথামতো ক্যাপশন লিখে দিলাম।
দুইদিনেই বুঝে গেলাম। এইটা আমার প্রেমিকার বাবার
প্লানিং। উনি ইচ্ছে করেই উনার মাকে কিডন্যাপ করার
ব্যবস্থা করেছে সেই রাতে। আমাদের উচিৎ শিক্ষা
দেওয়ার জন্য।
রান্না করি আমি আর বুড়ি ফেসবুকে ছবি আপলোড
দিয়ে ক্যাপশন লিখে " বন্ধুরা অনেকদিন পর নিজে
হাতে রান্না করলাম, খাবারের স্বাদ কেমন হয়েছে
কমেন্ট জানাও"। এই দুইদিনে বুড়ি আমাদের
জ্বালিয়ে শেষ দিয়েছে। এতবার করে বললাম "
চলো নারগিস তোমাকে তোমার বাড়িতে দিয়ে
আসি"। বুড়ি বলে কিনা ঐ বাড়িতে আর কখনো যাবে
না। সারাজীবন আমার সাথে থাকবে । আমি মনে
মনে বলি দুইদিনে তোমার পা টিপে দিয়ে আমার হাত
ফুলে গেছে। সারাজীবন পা টিপে নেওয়ার ধান্ধা
তোমার।
সেইদিন রাতে আবার বুড়িকে কিডন্যাপ করলাম।
কিডন্যাপ করে উনার বাড়িতে রেখে আসলাম।
সকালবেলা উঠে দেখি বুড়ির মেসেজ " মজনু, তুমি
কেন আমাকে ফিরিয়ে দিয়ে গেলে? তুমি কি আমার
চোখের ভাষা বুঝতে পারোনি? আমি তোমাকে
ভালবেসে ফেলেছি মজনু। আমি সবকিছু ছেড়ে
তোমার কাছে ছুটে আসতে চাই মজনু। আমি জানি
এই সমাজ আমাদের মেনে নিবে না। তাই তুমি যদি চাও
তাহলে তোমাকে নিয়ে আমি মঙ্গল গ্রহে চলে
যাবো। সেখানে তুমি ধান চাষ করবে আর আমি
তোমার জন্য মজার মজার সব খাবার রান্না করবো।
আমাদের অনেক গুলো বাচ্চাকাচ্চা হবে। ওরা
তোমাকে আব্বা আব্বা বলে ডাকবে। আর আমি
পাশে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবো। আমি আসছি
তোমার বাড়িতে মজনু, তুমি থেকো "।
বুড়ির মেসেজ পড়ে মাথা ভোঁ ভোঁ করতে
লাগলো। দৌড়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলাম।
কখন যে বুড়ি এসে বলে চলো হানিমুনে যাই"।
❤️:: জীবনের গল্প::❤️
★★★★★★★★★★
ওর সাথে পারিবারিক ভাবেই বিয়েটা হয়েছিলো। বাসর রাতে ওর প্রথম প্রশ্ন ছিলো,কয়টা প্রেম করছেন?
আমি ওর মুখের দিকে অনেকক্ষন তাকিয়ে ছিলাম। আবার বলেছিলো,কয়টা প্রেম করছেন? আমি বলেছিলাম একটাও না!
উওরটা শুনে অনেক খুশি হয়েছিলো।বলেছিলো,এখন থেকে শুধু আমাকেই ভালোবাসবেন, অন্য কোন মেয়ের দিকে তাকালে মেরে ফেলবো!
ও আমাকে কতটা ভালোবাসে বুঝছিলাম সেই দিন।যেদিন আমি ওর চাচাতো বোনের সাথে হেসে হেসে কথা কিছুক্ষন বলছিলাম।
ও আমাকে জড়িযে ধরে সে কি কান্না! আমাকে বলেছিলো, তোমাকে না বলেছি আর কারো সাথে কথা বলবে না।
আমি মরে গেলে ইচ্ছেমত কথা বলো! তখন আর নিষেধ করবো না!
ওর কাঁন্না দেখে আমি নিজেই কেঁদেছিলাম। . ও আমাকে বলেছিলো,আমি নাকি বাবা হবো!
কথাটা শুনে যে কি খুশি হয়েছিলাম বোঝাতে পারবো না! ওকে কোলে করে সারা বাড়ি ঘুরেছিলাম।
. ও আমাকে বলতো রান্না করার সময় ওকে পিছন থেকে জড়িয়ে না থাকলে নাকি ওর রান্না করতে ইচ্ছে করে না।
আমি ওর সব আবদার হাসি মুখে পুরন করতাম। বড্ড ভালোবাসতাম ওকে। এখনো বাসি।
ও আমাকে বলেছিলো,আমাকে জড়িয়ে ধরে না ঘুমালে নাকি ওর ঘুমই আসে না! সারারাত জড়িযে ধরে থাকতো।
তাই কোথাও রাতে থাকতাম না যত রাতই হোক বাসায় আসতাম!
. ও যখন ৬ মাসের অন্তঃসন্তা তখন আমাকে বলেছিলো,আমাকে ছাড়া তোমার কেমন লাগবে গো?
আমি ওর কথা উওর দিতে পারি নি শুধু কেঁদেছিলাম! ও আমাকে প্রায় বলতো,আমার যদি কিছু হয়ে যায় তুমি আবার আরেক টা বিয়ে করো না যেন!
মরে গিয়েও তোমাকে অন্য কারও হতে দিবো না! আমাকে ভুলে যেও না।
ওর কথা শুনে কাঁদতাম। ঘুমানোর সময় আমাকে বলতো,আমাকে ছাড়া ঘুমানোর চেষ্টা করো? বলা তো যায় না..........
আমি ওকে আরও জড়িয়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরতাম!
. একদিন ওর ব্যথা উঠলো! সাথে সাথে ওকে হাসপাতালে নিয়ে গেলাম।
ও আমাকে বলেছিলো,আমার যদি কিছু হয়ে যায় প্লিজ আমাকে ভুলে যেও না! বড্ড ভালোবাসি তোমাকে।
কথাটা শুনে কান্না ধরে রাখতে পারি নি! ওকে বলেছিলাম,কিছু হবে না তোমার আমি তো আছি।
কিছু হতে দিবো না!
ও আমাকে বলেছিলো
শেষ বারের মত একবার বুকে নিবে?
কথাটা বলেই হাউ মাউ করে কেঁদে দিছিলো!
আমিও কান্না ধরে রাখতে পারি নি।ও আমাকে ছেড়ে দিতে চাইছিলো না, জড়িয়ে ধরে কাঁদছিলো!
আমিও কাঁদছিলাম! সবাই হা করে তাকিয়ে ছিলো।
. নিয়েছিলাম ওকে বুকে কিন্তু এটাই যে শেষবার বুঝতে পারি নি।বুঝতে পারলে কখনোই ছেড়ে দিতাম না।
ও আমাকে বলছিলো,আমার সাথে তুমিও চলো আমার খুব ভয় করছে!
ডাক্তারকে কত বার বলেছিলাম,আমিও ওর পাশে থাকবো!
কিন্তু আমাকে যেতে দিলো না।
. অপারেশন থিয়েটার থেকে একটা বাচ্চার কান্নার আওয়াজ শুনলাম। বাচ্চাকে পেলাম,কিন্তু ওকে আর পেলাম না!
. পাগলেন মত ওর কাছে গেলাম,দেখলাম সাদা কাপড় দিয়ে ওকে ঢেকে রাখছে।
কাপড়টা সরাতেই অজ্ঞান হয়ে গেছিলাম! জ্ঞান ফিরার পর দেখলাম ওকে খাটলিতে শুয়ে রাখছে।
ওর কাছে গেলাম।বলেছিলাম,এই কই যাও আমাকে ছেড়ে? আমার রাতে ঘুম হয় না তোমাকে ছাড়া জানো না?
তোমাকে না জড়িয়ে ঘুমালে আমার ঘুম হয় না জানো না?
কেন চলে যাচ্ছো?
এই উঠো উঠো অনেক তো ঘুমালা আর কত ঘুমাবে? আমার কথা মনে পড়েনি?
এই তুমি না বলেছিলে আমার চোখের জল তুমি সহ্য করতে পারো না! এই দেখো আমি কাদছি, এই উঠো,আরে উঠো না!
প্লিজ উঠো!
ও শুনলোই না আমার কথা ঘুমিয়ে থাকলো!
. ওকে যখন নিয়ে যাচ্ছিলো আমি পাগলের মত আচরন করছিলাম।
তবুও উঠলো না!
চলে গেলো।
ও আমাকে বলতো যে দিন হারিয়ে যাবো সেই দিন বোঝবে কতটা ভালোবাসি তোমাকে!
চলে গেলোহারিয়ে গেলো!
১০ বছর ধরে তার স্মৃতি বুকে নিয়ে বেঁচে আছি।
ছোট্ট মেয়ে বুঝতে শিখেছে।আমাকে বলে আব্বু আম্মুর জন্য আর কেঁদো না।তোমাকে আর কাঁদতে দিবো না! বলে চোখের পানি মুছে দেয়।আবার চোখ জলে ভরে উঠে,আবার মুছে দেয়।
~~~~~~~~সমাপ্ত ~~~~~~~🥀
বিয়ে করে কি পেয়েছি?
-বিয়ে করে সর্বপ্রথম একটা বউ পেয়েছি!
-পকেটে একটা মোবাইল থাকার পরও সারাদিনে যখন একটাও কল আসেনা তখন একটা কল করে ' তুমি এখন কোথায়? বলার মানুষ পেয়েছি! তখন নিজেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ 'পাবলিক' মনে হয়।
- একজন কুকার/সেফ/পাঁচক/রাঁধুনি পেয়েছি। একটা ওয়াসিং মেশিন পেয়েছি। পাঞ্জাবীটা ময়লা হয়েছে বললেই, মেশিন অটো চলে!
-একটা অটো টেপরেকর্ডার পেয়েছি, মাঝে মাঝে 'কি-বোর্ড' টেপা ছাড়াই বাজতে থাকে! কখনো জোড়ে 'স্টপ' বললে বন্ধ হয়, কখনো শব্দ পরিবর্তন হয়ে 'বৃষ্টি' চালু হয়! কখনো 'হাইফাইভ' দেখালে অটো বন্ধ হয়ে যায়। বড় বিচিত্র এই রেকর্ডার!
-সপ্তাহ পাঁচ-সাত দিন পর পর অতি যত্ন সহকারে বাজার-সদায়ের লিস্ট ধরিয়ে দেয়ার জন্য একজন 'কেয়ারটেকার' পেয়েছি!
-আমার ঘরে রাত ১১টা সাড়ে ১১টার পর আমাকেই প্রবেশ নিষেধ বলে হুমকি দেয়ার 'দারোয়ান' পেয়েছি!
-ছোট একটা 'এলার্মক্লক' পেয়েছি!
-বাড়তি প্রাপ্তি হিসেবে শ্বশুড়-শ্বাশুড়ি, শালা-শালী, সম্বন্ধী পেয়েছি। সম্পূর্ণ অপরিচিত কিছু মানুষকে নিকটাত্মীয় হিসেবে পেয়েছি।
- একটা সন্তান পেয়েছি। সে যখন Baba বলে কোলে চড়ে বসে কিংবা গলা জড়িয়ে ধরে তখন বাগানে ফুল ফুটলে মালির যে অনুভুতি হয় তার চেয়েও বেশি মনটা শীতল হয়!
-এত এত প্রাপ্তির মাঝে কিছু হারিয়েছিও! প্রথমত, কুমারত্ব হারিয়েছি ! (যদিও কোন মেডিকেল রিপোর্ট নাই)
-অতপর, মানিব্যাগ আর রিমোর্টের একছত্র অধিকার হারিয়েছি। মাঝে মাঝে মোবাইলটাও বেদখল হয়ে যায়!
সর্বশেষ সুখে- দুখে একটা কথা বলার সঙ্গী পেয়েছি!
এলার্জি শব্দটা যদিও আজ আর কারও কাছে নতুন কিছু নয়, তবুও এটা সম্পর্কে সার্বিক ধারণা থাকা সবার জন্য অতীব জরুরি। কেননা শ্বাসকষ্ট, একজিমাসহ বহু চর্মরোগের জন্য দায়ী এই এলার্জি। ধূলাবালি, ফুলের রেনু, নির্দিষ্ট কিছু খাবার ও ঔষধ মানুষের শরীরে প্রদাহজনিত যে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে সাধারণভাবে তাকেই আমরা এলার্জি বলে জানি। এলার্জি শব্দটা অষষড়ং ও ঊৎমড়ং নামক দুটি গ্রীক শব্দের সমন্বয়ে তৈরি, সম্মিলিতভাবে যার অর্থ দাঁড়ায় পরিবর্তিত প্রতিক্রিয়া।
https://www.techhub-bd.com/202....2/05/allergy-problem