গোপন এইচটিটিপি উৎস থেকে ডাউনলোড বন্ধ করছে গুগল ক্রোম
***********************************************************************
গুগল ক্রোম নতুন একটি সুবিধা বা ফিচার আনছে। এই ফিচার গোপন এইচটিটিপি (হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল) উৎস থেকে কোনো ফাইল নামানো (ডাউনলোড) কঠিন করে দেবে। ক্রোম গেরিটে পাওয়া নতুন সংকেতে (কোড) দেখা যায়, এই গুগল এইচটিটিপি সাইট থেকে ‘অনিরাপদ’ কোনো কিছুর নামানো আটকে দিতে (ব্লক করতে) নতুন সুরক্ষাব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এই ফিচার মূলত বিদ্যমান টোগলের ওপরই তৈরি হবে, যা স্বয়ংক্রিভাবে ব্যবহারকারীর সংযোগকে এইচটিটিপিএসে নিয়ে যাবে। বর্তমানে এই সুরক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে। তবে ৯টু৫ গুগলের মতে, মার্চে যখন ক্রোম ১১১ উন্মুক্ত করা হবে, তখন এই ফিচারের আরও পরীক্ষা হবে।
বলে রাখা ভালো, এরই মধ্যে ক্রোম অরক্ষিত ডাউনলোড ব্লক করে দিয়েছে। আরও নির্দিষ্ট করে বললে, এনক্রিপ্টেড নয়, এমন ডাউনলোড ও অনলাইন ফর্ম স্বয়ংক্রিভাবে ব্লক হয়ে যাচ্ছে। এমনকি সেগুলো এইচটিটিপিএস ঘরানার ওয়েবসাইট থেকে তৈরি হলেও। আসছে ফিচারে এইচটিটিপিএস নয় এমন উৎস থেকে আসা যেকোনো ধরনের ডাউনলোড ব্লক করে দেবে। তবে কেউ যদি প্রয়োজনীয় ফাইল পেতে ঝুঁকি নিতে চান, তবে এ ব্লক এড়ানো সম্ভব। সে ক্ষেত্রে অনিরাপদ ডাউনলোডে সুরক্ষার পরিবর্তে ভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা সতর্কতা পাবেন ব্যবহারকারী।
এ ছাড়া এইচটিটিপি ওয়েবসাইটগুলো খোলার ক্ষেত্রে অনাগ্রহ তৈরি করতে গুগল গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। এর আগে ক্রোম ৯৪ থেকে এ ব্রাউজার অরক্ষিত ওয়েবসাইটে প্রবেশের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে সতর্কবার্তা দিত। গত বছরের জুনে ক্রোম ‘সর্বদা নিরাপদ সংযোগ ব্যবহার করুন’ একটি টোগল চালু করে। এ টোগল সক্রিয় থাকলে কোনো ওয়েবসাইটের এইচটিটিপি সংস্করণে ব্যবহারকারী চলে গেলেও তাঁর সংযোগকে ওই টোগল এইচটিটিপিএস সংস্করণে নিয়ে যায়। এখন এইচটিটিপি উৎস থেকে ডাউনলোডের ক্ষেত্রেও একই সুরক্ষা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে গুগল।
সূত্র: অ্যান্ড্রয়েড পুলিশ ডটকম
Source: প্রথম আলো
অ্যাপল ওয়াচের ইসিজি কীভাবে কাজ করে
***********************************************************************
২০১৮ সালে অ্যাপল কম্পিউটারের তৈরি স্মার্ট ঘড়ি অ্যাপল ওয়াচে ইলেকট্রোকার্ডিওগ্রাম বা ইসিজি পরীক্ষার সুবিধাটি যোগ হয়। এরপর থেকে এই ফিচার অনেক জীবন বাঁচাচ্ছে। এ ঘড়ি ৩০ সেকেন্ডের পরীক্ষায় হৃদস্পন্দনের যেকোনো অস্বাভাবিকতা—চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় যাকে অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশন (এফিব) বলে, তার লক্ষণ শনাক্ত করতে পারে। এফিব স্ট্রোক, হার্ট ফেইলিওর ও হৃদ্যন্ত্র–সম্পর্কিত জটিলতার ঝুঁকি বাড়ায়। তবে ঘড়ির এ ইসিজি অ্যাপ ব্যবহারের জন্য এটি কীভাবে কাজ করে বা কীভাবে সেটআপ দিতে হয়, তা জানতে হবে।
ইসিজি কী
প্রকৃতপক্ষে ইসিজিতে হার্টের সংক্ষিপ্ত সময়ের বৈদ্যুতিক বা ইলেকট্রিক্যাল কার্যক্রম ধারণ করা হয়। সাধারণত এটি চিকিৎসাসেবায় অনুমোদিত ইসিজি যন্ত্রে করা হয়ে থাকে। তবে অ্যাপল এই স্বাস্থ্য প্রযুক্তিটি তার স্মার্ট ওয়াচে যোগ করেছে। অ্যাপল ওয়াচের নিচের অংশের ইলেকট্রিক্যাল হৃৎস্পন্দন পর্যবেক্ষক (ইলেকট্রিক্যাল হার্ট রেট মনিটর) এবং ডিজিটাল ক্রাউন—উভয় ব্যবহার করে ইসিজি করা যায়।
অ্যাপল ওয়াচের ইসিজি কি নির্ভুল
এই ইসিজি অ্যাপ আনার ঘোষণার পর থেকেই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা হার্টের অস্বাভাবিক স্পন্দন শনাক্তে এটি কতটা নির্ভুল হবে, তা নিয়ে কথা বলেছেন। তবে এক গবেষণায় দেখা গেছে, একটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে ৬০০ জনের ওপর চালানো পরীক্ষায় অ্যাপল ওয়াচ সাইনাস স্পন্দনের ক্ষেত্রে ৯৯.৬ শতাংশ নির্ভুল ছিল। আর এফিব লক্ষণের ক্ষেত্রে ৯৮.৩ শতাংশ নির্ভুল ছিল। যদিও এ ঘড়ি কারও প্রকৃত এফিব আছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলতে পারবে না। এ ছাড়া হৃদ্রোগ, স্ট্রোক বা হৃৎপিণ্ডের অন্যান্য পরিস্থিতির লক্ষণও এটি শনাক্ত করতে পারে না। মোটকথা ঘড়িটি কতটা নির্ভুল, তা জানা অসম্ভব। তবে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলা শুরু করা এবং প্রাথমিক সতর্কতায় কাজের ক্ষেত্রে এটি বেশ নির্ভুল।
অ্যাপল ওয়াচে যেভাবে ইসিজি অ্যাপ চালু করবেন
অ্যাপল ওয়াচে ইসিজি অ্যাপ চালু করার জন্য অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ৪/৫/৬ বা ৭ প্রয়োজন। এ ছাড়া আপনার আইফোন এবং অ্যাপল ওয়াচে আইওএস অপারেটিং সিস্টেম এবং ওয়াচওএসের সর্বশেষ সংস্করণ থাকতে হবে। এতে ইসিজি অ্যাপের হালনাগাদ সংস্করণ পাওয়া যাবে। এরপর আপনার ফোনে অ্যাপল হেলথ অ্যাপ চালু করলে ইসিজি অ্যাপ সেটআপের প্রম্পট দেখাবে। এখন জন্মতারিখ প্রবেশ করালেই ইসিজির জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে অ্যাপটি।
অ্যাপল ওয়াচে ইসিজি করবেন যেভাবে
প্রাথমিকভাবে সেটআপ শেষ হলে ইসিজি অ্যাপ চালু করে যেকোনো সময় ইসিজি করা যাবে। তার আগে ঘড়িটি কবজিতে সঠিকভাবে পরতে হবে। এরপর অপর হাতের তর্জনী আঙুল দিয়ে ডিজিটাল ক্রাউন স্পর্শ করতে হবে। খুব শক্তভাবে স্পর্শ করার দরকার নেই। ডিজিটাল ক্রাউনের পুরো বৃত্ত স্পর্শ করলেই হবে। এবার হৃৎস্পন্দনের তাৎক্ষণিক গ্রাফ দেখা যাবে এবং টাইমারে ৩০ সেকেন্ড থেকে ক্ষণগণনা শুরু হবে। ৩০ সেকেন্ড পরে ইসিজির ফল পাওয়া যাবে। সঠিক ফল পেতে কয়েকবার পরীক্ষা করা ভালো।
এ ঘড়িতে ম্যানুয়ালি ইসিজি করার বাইরেও চাইলে হার্টের অনিয়মিত স্পন্দন জানতে নোটিফিকেশন চালু করা যায়। এই জন্য অ্যাপটি চালু করে তাতে ‘হেলথ ডেটা’ অপশন চাপতে হবে। এরপর সেখান থেকে হার্ট অপশন চেপে স্ক্রল করে নিচে গিয়ে ‘ইরেগুলার রিদম নোটিফিকেশন’ অপশন চাপতে হবে। এখানেও জন্মতারিখ দিতে হবে।
সূত্র: ওয়্যারেবল ডটকম
Source: প্রথম আলো
ফোনের নেপথ্যে ইউটিউব ভিডিও চালু রাখবেন যেভাবে
***********************************************************************
বিনোদনের অন্যতম উৎস এখন ইউটিউব। গান শোনার জন্যও ইউটিউব জনপ্রিয়। তবে ফোনে অন্য কাজ করার সময় ইউটিউব স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। ফলে গান শুনতে শুনতে অন্য কাজ করা যায় না। তবে চাইলেই কিছু কৌশল অবলম্বন করে ফোনের নেপথ্যে (ব্যাকগ্রাউন্ডে) ইউটিউব ভিডিও চালু রাখা যায়।
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা ফোনের নেপথ্যে ইউটিউব চালুর জন্য ক্রোম ব্রাউজারের মাধ্যমে ইউটিউবের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এবার ওপরের ডান দিকে থাকা তিনটি ডট মেনুতে ক্লিক করে ইউটিউবের ডেস্কটপ সংস্করণ নির্বাচনের পর পছন্দের ভিডিও চালু করতে হবে। এরপর ওয়েবসাইট থেকে বের হয়ে মুঠোফোনের নোটিফিকেশন বার নিচে নামালেই মিডিয়া কন্ট্রোল বক্স পাওয়া যাবে। এবার প্লে অপশনে ক্লিক করলেই ফোনের নেপথ্যে ভিডিওটি চলতে থাকবে।
আইফোনের নেপথ্যে ইউটিউব চালুর জন্য সাফারি ব্রাউজারের মাধ্যমে ইউটিউবের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর অ্যাড্রেস বারের ওপরের বাঁ দিকে থাকা এএ আইকনে ট্যাপ করে রিকোয়েস্ট ডেস্কটপ ওয়েবসাইটে ক্লিক করতে হবে। এরপর ওয়েবসাইট থেকে বের হয়ে কন্ট্রোল সেন্টার অপশন নিচে নামালেই দেখা যাবে মিউজিক কন্ট্রোল বক্স। এবার প্লে অপশনে ক্লিক করতে হবে।
সূত্র: এনডিটিভি
Source: প্রথম আলো
২৩ বছরে রায়ানস কম্পিউটারস
***********************************************************************
সাফল্যের ২৩ বছর পার করল কম্পিউটার ও প্রযুক্তিপণ্যের বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান রায়ানস কম্পিউটারস। এ উপলক্ষে ২ জানুয়ারি রায়ানসের প্রধান কার্যালয়ে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ হাসান। তিনি বলেন, ২০০০ সালে ঢাকার আগারগাঁওয়ে বিসিএস কম্পিউটার সিটিতে যাত্রা শুরু করা রায়ানস কম্পিউটারসের এখন ১৭টি শাখা রয়েছে। ঢাকার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে থাকা এসব শাখার মাধ্যমে প্রযুক্তিপণ্যের বাজারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে রায়ানস কম্পিউটারস।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, রায়ানস কম্পিউটারস থেকে সরাসরি বা অনলাইনে পণ্য কেনা যায়। শুধু তা–ই নয়, দেশের যেকোনো স্থান থেকে পণ্যগুলো সংগ্রহ করা যায়। প্রতিটি শাখাতেই নিজস্ব সার্ভিস সেন্টার এবং সার্বক্ষণিক অনলাইন পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ থাকায় ক্রেতারা দ্রুত বিক্রয়োত্তর সেবা পেয়ে থাকেন।
উল্লেখ্য, এইচপি, ডেল, এসার, আসুস, লেনোভো, গিগাবাইট, ইন্টেল, এএমডির মতো বিখ্যাত ব্র্যান্ডগুলোর প্রধান খুচরা অংশীদার হিসেবে একাধিকবার পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছে রায়ানস কম্পিউটারস।
Source: প্রথম আলো
কাল শুরু হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি মেলা
***********************************************************************
যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাস হোটেল–মোটেলের শহর। কিন্তু ৫ থেকে ৮ জানুয়ারি এই শহরের কোনো হোটেলের কক্ষ খালি মিলছে না। যাও আছে, ভাড়া আকাশছোঁয়া। কারণ, দুই বছর পর এ শহরে আবার বসছে প্রযুক্তিপণ্যের সবচেয়ে বড় মেলা কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক শো (সিইএস)। সিইএস ২০২৩ মেলায় অংশ নিতে লাখখানেক দর্শনার্থী, প্রযুক্তি ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও পেশাজীবী এসেছেন পৃথিবীর ১৬৫টি দেশ থেকে। মেলার মূল ভেন্যু লাস ভেগাস কনভেনশন সেন্টার (এলভিসিসি) হলেও ভেনেটিয়ান এক্সপো ও আশপাশের আরও অনেক মিলনায়তন ও হোটেলজুড়ে ছড়িয়ে হচ্ছে বিরাট এই আয়োজন।
লাস ভেগাস কনভেনশন সেন্টার শহরের মূল সড়ক দ্য স্ট্রিপের শেষ মাথায়। মেলা প্রাঙ্গণের বাইরেই বড় কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের প্যাভিলিয়ন। আজ সেখানে গিয়ে আলাদা করে চোখে পড়ল গুগলের চমৎকার দোতলা প্যাভিলিয়ন। স্যামসাংয়ের প্যাভিলিয়ন মনে হলো আরও বড়। হাতে গোনা এমন কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠানের প্যাভিলিয়ন মেলা প্রাঙ্গণের বাইরে থাকলেও প্রায় সব কটিই ভেতরে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি স্টল ও প্যাভিলিয়ন তৈরি হচ্ছে বলে জানা গেল মেলার তথ্যকেন্দ্র থেকে।
কী নেই এ প্রযুক্তি আয়োজনে? গাড়ি থেকে খাদ্যপ্রযুক্তি, ব্লকচেইন থেকে বিজ্ঞাপন ও বিপণন, স্মার্টহোম থেকে স্মার্ট সিটি, ভিডিও থেকে মহাকাশ কিংবা স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি। তবে ৭১০টি উদ্যোগ নিয়ে সবচেয়ে বেশি স্টল আছে স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানের। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ৫৭১টি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ দেখে বোঝা যাচ্ছে ভবিষ্যতে এ প্রযুক্তির দাপট কতটা হতে পারে! এ বছরের সিইএসের মূল বিষয় হলো মানবনিরাপত্তা। যে কারণে খাদ্যনিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবার গবেষণানির্ভর প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্ব পেয়েছে সিইএসে।
সিইএসে বাংলাদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ এবারই প্রথম। এলভিসিসির কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজের স্টলে দেখা গেল শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। সিইএসএসে ওয়ালট কী নিয়ে এসেছে? প্রতিষ্ঠানটির টেলিভিশন বিভাগের প্রধান ব্যবসায় কর্মকর্তা মোস্তফা নাহিদ হোসেন বললেন, ‘আমরা ইন্টারনেট অব থিংস বা আইওটিনির্ভর প্রযুক্তি ও পণ্যগুলো প্রদর্শন করব। এর মধ্যে রেফ্রিজারেটর, এসি, টেলিভিশেনর মতো গৃহস্থালি প্রযুক্তিপণ্যই বেশি থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্ববাজারে আমাদের বিশ্বমানের পণ্য ও প্রযুক্তি প্রদর্শনের বড় সুযোগ এটি।’
মেলার প্রতিষ্ঠান ও পণ্যের পাশাপাশি বড় আকর্ষণ থাকবে নানান বিষয়ের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠানগুলো। সব মিলিয়ে এই চার দিনে দুই শতাধিক অধিবেশনে উপস্থিত থাকবেন বিশ্বের সেরা ও প্রভাবশালী প্রযুক্তিবিদ, গবেষক ও উদ্যোক্তারা। প্রতিটি অধিবেশনে অংশ নিতে অনলাইনে আগে থেকেই নিবন্ধন করতে হচ্ছে।
কী চমক থাকছে? এবারের সিইএসে সেসবের কিছু জানা যাচ্ছে আগে থেকেই। মেলার তিন দিন আগে থেকে সংবাদ সম্মেলন করছে বড় প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে বড় প্রতিষ্ঠানের চেয়ে হয়তো স্টার্টআপগুলোর চমকই বেশি থাকবে এ বছর। স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানের পাখিকে খাবার খাওয়ানোর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির যন্ত্র, বিদ্যুৎ–চালিত জুতা বা স্কেটিং শু কিংবা ডিজিটাল উল্কির মতো উদ্ভাবন নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনায় আছে বেশ কিছু স্টার্টআপ।
এত বড় আয়োজনের এত কিছু কীভাবে জানবে দর্শনার্থীরা? কিংবা আগ্রহের বিষয় খুঁজে বের করা নিশ্চয়ই সহজ না! সিইএসে এটাই সহজ। পুরো মেলাকে হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে সিইএসের মোবাইল অ্যাপ। কোথায় কী হচ্ছে, নিবন্ধন, সরাসরি দেখা, শাটল বাসের সময়সূচি থেকে স্টলের অবস্থান—সবই জানা যাবে এই অ্যাপ থেকেই।
Source: প্রথম আলো