আমাদের প্রিয় অভিনেতা ডঃ ইনামুল হক আর নেই।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
ইনামুল হক একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি নাট্যকার। অভিনেতা, লেখক, নাট্যকার, শিক্ষক। তিনি দীর্ঘকাল বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগের শিক্ষক এর দায়িত্ব পালন করেছেন
ইনামুল হকের জন্ম ফেনীর এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি রসায়নে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬৫ সালে প্রভাষক হিসেবে বুয়েটের রসায়ন বিভাগে যোগ দেন তিনি। পরে ১৯৭০, ১৯৭৯, এবং ১৯৮৭ সালে যথাক্রমে সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক এবং অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।
ড. ইনামুল হক দীর্ঘকাল বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগের শিক্ষক এর দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে জনগণকে উদ্ধুদ্ধ করার প্রয়াসে বিভিন্ন আন্দোলনমুখী নাটকে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭০ সালে আইয়ুব খানের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে তৎকালীন অসহযোগ আন্দোলনে অংশ নেন নাট্যচর্চাকে হাতিয়ার করে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ সৃজনীর ব্যানারে পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ট্রাকে ট্রাকে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে পথনাটক করেন। ইতোমধ্যে তার ১৮টি নাটক বিভিন্ন নাট্যপত্রে, বিশেষ ম্যাগাজিনে এবং বই আকারে প্রকাশিত হয়েছে। ইনামুল হক-এর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে: নির্জন সৈকতে, গৃহবাসী, মুক্তিযুদ্ধ নাটকসমগ্র, স্ট্রিন্ডবার্গ এর দু'টো নাটক, মহাকালের ঘোর সওয়ার, বাংলা আমার বাংলা ইত্যাদি।
পুরস্কার ও সম্মাননা :
একুশে পদক (২০১২)
টেলিভিশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ পুরস্কার আজীবন সম্মাননা (২০১২)
স্বাধীনতা পুরস্কার (২০১৭)
আমাদের প্রিয় অভিনেতা ডঃ ইনামুল হক আর নেই।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
ইনামুল হক একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি নাট্যকার। অভিনেতা, লেখক, নাট্যকার, শিক্ষক। তিনি দীর্ঘকাল বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগের শিক্ষক এর দায়িত্ব পালন করেছেন
ইনামুল হকের জন্ম ফেনীর এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি রসায়নে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬৫ সালে প্রভাষক হিসেবে বুয়েটের রসায়ন বিভাগে যোগ দেন তিনি। পরে ১৯৭০, ১৯৭৯, এবং ১৯৮৭ সালে যথাক্রমে সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক এবং অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।
ড. ইনামুল হক দীর্ঘকাল বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগের শিক্ষক এর দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে জনগণকে উদ্ধুদ্ধ করার প্রয়াসে বিভিন্ন আন্দোলনমুখী নাটকে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭০ সালে আইয়ুব খানের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে তৎকালীন অসহযোগ আন্দোলনে অংশ নেন নাট্যচর্চাকে হাতিয়ার করে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ সৃজনীর ব্যানারে পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ট্রাকে ট্রাকে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে পথনাটক করেন। ইতোমধ্যে তার ১৮টি নাটক বিভিন্ন নাট্যপত্রে, বিশেষ ম্যাগাজিনে এবং বই আকারে প্রকাশিত হয়েছে। ইনামুল হক-এর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে: নির্জন সৈকতে, গৃহবাসী, মুক্তিযুদ্ধ নাটকসমগ্র, স্ট্রিন্ডবার্গ এর দু'টো নাটক, মহাকালের ঘোর সওয়ার, বাংলা আমার বাংলা ইত্যাদি।
পুরস্কার ও সম্মাননা :
একুশে পদক (২০১২)
টেলিভিশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ পুরস্কার আজীবন সম্মাননা (২০১২)
স্বাধীনতা পুরস্কার (২০১৭)
Please follow me:
https://twitter.com/MDMilon69619069
https://www.facebook.com/freelancermdmilonhossain
বগুড়ার শেরপুরে পূজা মণ্ডপে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ৩ জনের মৃত্যু
সোমবার (১১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের চোরকোটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- নাম ক্ষিতিশ মহাতো (৪৫), বুদু মাহতো (৪২) ও পলাশ (৪০)। নিহতরা সবাই চোরকোটা গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে চোরকোটা গ্রামের পূজামণ্ডপ সাজসজ্জা ও লাইটিংয়ের জন্য পার্শ্ববর্তী বাড়ি থেকে বিদ্যুতের তার টানা হয়।
আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ির ওপর দিয়ে টানানো বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যান ক্ষিতিশ মহাতো, বুদু মাহতো, পলাশ ও বুজন। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান বুদু মাহতো ও পলাশ।
গুরুতর আহত অবস্থায় ক্ষিতিশ মাহাতোকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন বুজন মাহাতো। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তথ্য : আমার সংবাদ