***জেনে নিন কিছু অদ্ভুত তথ্যাবলী***
১. চকলেট হলো কুকুরের জন্য বিষ।
১টা বড় কুকুরকে মারতে সামান্য কয়েক পাউন্ড চকলেটই যথেষ্ট।
২. লিপস্টিকের প্রধান উপকরন হলো মাছের আশেঁর গুড়া।
৩. মার্লবোরো সিগারেট কোম্পানীর প্রথম মালিক ফুসফুসের ক্যান্সারে মারা যান।
৪. পৃথিবীর সবচেয়ে বেশী লোকের
নামের প্রথম বা শেষ অংশে “মোহাম্মদ” রয়েছে।
৫. চোখ খোলা রেখে হাচিঁ দেওয়া কোন মানুষের পক্ষেই সম্ভব না।
৬. কোকা কোলা কে গাড়ীর তেল (মবিলের বিকল্প) হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
৭. আমেরিকার ওয়াশিংটনে মানুষ অপেক্ষা টেলিফোনের সংখ্যা বেশী।
৮. আমেরিকার মিশিগানে কোন বিবাহিত মহিলার চুল
কাটাতে স্বামীর অনুমতি লাগে।
৯. আমেরিকার কলাম্বিয়া প্রদেশে মেয়ের বাসর রাতে
তার মায়ের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
১০. লিওনার্ডো দা ভিন্চি একই সাথে এক হাতে লিখতে
এবং অন্য হাতে ড্রয়িং করতে পারতেন।
***জেনে নিন কিছু অদ্ভুত তথ্যাবলী***
১. চকলেট হলো কুকুরের জন্য বিষ।
১টা বড় কুকুরকে মারতে সামান্য কয়েক পাউন্ড চকলেটই যথেষ্ট।
২. লিপস্টিকের প্রধান উপকরন হলো মাছের আশেঁর গুড়া।
৩. মার্লবোরো সিগারেট কোম্পানীর প্রথম মালিক ফুসফুসের ক্যান্সারে মারা যান।
৪. পৃথিবীর সবচেয়ে বেশী লোকের
নামের প্রথম বা শেষ অংশে “মোহাম্মদ” রয়েছে।
৫. চোখ খোলা রেখে হাচিঁ দেওয়া কোন মানুষের পক্ষেই সম্ভব না।
৬. কোকা কোলা কে গাড়ীর তেল (মবিলের বিকল্প) হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
৭. আমেরিকার ওয়াশিংটনে মানুষ অপেক্ষা টেলিফোনের সংখ্যা বেশী।
৮. আমেরিকার মিশিগানে কোন বিবাহিত মহিলার চুল
কাটাতে স্বামীর অনুমতি লাগে।
৯. আমেরিকার কলাম্বিয়া প্রদেশে মেয়ের বাসর রাতে
তার মায়ের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
১০. লিওনার্ডো দা ভিন্চি একই সাথে এক হাতে লিখতে
এবং অন্য হাতে ড্রয়িং করতে পারতেন।
#পৃথিবীর_শেষ_রাস্তাঃ
বরফে ঢাকা দীর্ঘ এক পথ। পৃথিবীর রাস্তা এখানে শেষ। এরপর আর যাওয়া যাবে না। নরওয়েতে অবস্থিত 'দ্য লাস্ট রোড অফ দ্য ওয়ার্ল্ড' বলে তার পোশাকি নাম
'ই সিক্সটিনাইন হাইওয়ে'।
শীতকালে তাপমাত্রা এখানে বছরের ছ'মাস দিন ছ'মাস রাত্রি। এ অঞ্চলে অনেক সময় তাপমাত্রা মাইনাস ৪৩ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমে যায়। গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রির আশেপাশে থাকে।
১২৯ কিমি দীর্ঘ এক হাইওয়ের অংশ এটি। এর পর আর কোনও রাস্তা নেই। এর পর শুধুই বরফ আর সমুদ্র। অর্থাৎ সড়কপথে আপনি এর পর আর যেতে পারবেন না। নরওয়ের ই সিক্সটিনাইন রাস্তাটি ১৪ কিমি দীর্ঘ। তবে এই রাস্তায় কারও একা যাওয়ার অনুমতি নেই। একাধিক ব্যক্তি একসঙ্গে এই রাস্তায় যেতে পারবেন। এই রাস্তায় বেশিরভাগটাই বরফের চাদরে মোড়া। ফলে চারপাশ অনেকটা একইরকম দেখতে। তাই রাস্তা হারিয়ে ফেলার সম্ভাবনা বেশি। সেই জন্যই এই রাস্তায় কারও একা যাওয়ার অনুমতি নেই।
#পৃথিবীর_শেষ_রাস্তাঃ
বরফে ঢাকা দীর্ঘ এক পথ। পৃথিবীর রাস্তা এখানে শেষ। এরপর আর যাওয়া যাবে না। নরওয়েতে অবস্থিত 'দ্য লাস্ট রোড অফ দ্য ওয়ার্ল্ড' বলে তার পোশাকি নাম
'ই সিক্সটিনাইন হাইওয়ে'।
শীতকালে তাপমাত্রা এখানে বছরের ছ'মাস দিন ছ'মাস রাত্রি। এ অঞ্চলে অনেক সময় তাপমাত্রা মাইনাস ৪৩ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমে যায়। গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রির আশেপাশে থাকে।
১২৯ কিমি দীর্ঘ এক হাইওয়ের অংশ এটি। এর পর আর কোনও রাস্তা নেই। এর পর শুধুই বরফ আর সমুদ্র। অর্থাৎ সড়কপথে আপনি এর পর আর যেতে পারবেন না। নরওয়ের ই সিক্সটিনাইন রাস্তাটি ১৪ কিমি দীর্ঘ। তবে এই রাস্তায় কারও একা যাওয়ার অনুমতি নেই। একাধিক ব্যক্তি একসঙ্গে এই রাস্তায় যেতে পারবেন। এই রাস্তায় বেশিরভাগটাই বরফের চাদরে মোড়া। ফলে চারপাশ অনেকটা একইরকম দেখতে। তাই রাস্তা হারিয়ে ফেলার সম্ভাবনা বেশি। সেই জন্যই এই রাস্তায় কারও একা যাওয়ার অনুমতি নেই।
Install app for better experience