তারা বলেছিল, তারা বিশৃঙ্খলার অবসান ঘটাবে।
কিন্তু বিশ্ব যা দেখল…
তা ছিল নীরবতা।
হাজার হাজার পুরুষ—যারা একসময় ভয়ংকর গ্যাং সদস্য হিসেবে পরিচিত ছিল—আজ পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে, মাথা ন্যাড়া, কৃত্রিম আলোর নিচে ঝলমল করছে তাদের অবয়ব। তাদের পরিচয় যেন মুছে গেছে, মানবিকতা যেন হারিয়ে গেছে, এমনকি সূর্যের আলো থেকেও তারা বঞ্চিত।
এল সালভাদরের “মেগা-কারাগার”গুলো তৈরি হয়েছে প্রেসিডেন্ট নায়িব বুকেলের নেতৃত্বে, উদ্দেশ্য ছিল শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। অনেক দিক থেকেই তারা সফল হয়েছে।
রাস্তাঘাট এখন আগের চেয়ে নিরাপদ।
হত্যার হার কমেছে।
ভয় এখন গলির অন্ধকার থেকে সরে গিয়ে চলে গেছে কারাগারের দেয়ালের ভেতরে।
কিন্তু প্রশ্ন রয়ে যায়—
এর মূল্য কী? ⚖️
কিছু পরিবার দাবি করে, তাদের প্রিয়জনরা কোনো বিচার ছাড়াই নিখোঁজ হয়ে গেছে।
অনেক কণ্ঠস্বর হারিয়ে গেছে কোনো প্রতিধ্বনি ছাড়াই।
সমর্থকদের চোখে এটি একটি পুনর্জন্ম নেওয়া জাতির গল্প।
সমালোচকদের চোখে এটি শৃঙ্খলার নামে বন্দিত্ব।
কেউ একে ন্যায়বিচার বলে।
কেউ একে সতর্কবার্তা।
যেভাবেই দেখা হোক না কেন—
এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়:
শান্তি কখনো কখনো ক্ষমতার মুখোশ পরে আসে…
আর তার নীরবতা ভয়ের মতো শোনাতে পারে।