রিকি মেগির জীবন ২০০৬ সালে হঠাৎ করেই দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়—পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার একটি নির্জন সড়কের কোথাও। 🚧🌵
একজন হিচহাইকারকে গাড়িতে তোলার পর, রিকি পরে জানান যে তাকে নেশাগ্রস্ত করা হয়, লুট করা হয় এবং পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন পরিবেশগুলোর একটিতে ফেলে রেখে যাওয়া হয়। যখন তার জ্ঞান ফিরে আসে, তখন তিনি জানতেন না তিনি কোথায় আছেন—বা কীভাবে সেখানে পৌঁছেছেন।
কয়েকদিন তিনি বিভ্রান্ত অবস্থায় ঘুরে বেড়ান।
তারপর প্রবৃত্তি কাজ করতে শুরু করে।
আকাশ সুযোগ দিলে তিনি বৃষ্টির পানি পান করতেন।
তিনি ঘাসফড়িং, ব্যাঙ, টিকটিকি—এমনকি জোঁক পর্যন্ত খেয়েছেন।
তিনি গাছপালার নিচে ঘুমাতেন, যতটা সম্ভব নিজেকে সূর্যের তাপ থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করতেন।
কোনো সারভাইভাল প্রশিক্ষণ ছিল না, কোনো ছুরি বা আশ্রয় ছিল না।
ছিল শুধু প্রচণ্ড গরম, পানিশূন্যতা, সংক্রমণ এবং চারদিকে ছড়িয়ে থাকা নীরবতা।
দিনগুলো সপ্তাহে পরিণত হয়।
সপ্তাহগুলো মাসে।
৭১ দিন পর, কিছু পশুপালক তাকে দেখতে পান। তিনি তখনও জীবিত—কিন্তু খুবই দুর্বল। এতটাই ক্ষীণ হয়ে গিয়েছিলেন যে তাকে প্রায় চিনতেই পারা যাচ্ছিল না; তিনি দাঁড়াতেও বা ঠিকভাবে কথা বলতেও পারছিলেন না।
রিকি বেঁচে গিয়েছিলেন প্রস্তুতির কারণে নয়।
তিনি বেঁচে ছিলেন কারণ মানুষের শরীর—যখন চরম সীমায় ঠেলে দেওয়া হয়—হার মানতে চায় না।
কখনও কখনও, জ্ঞান নয় যা আপনাকে বাঁচায়।
কখনও কখনও, সেটি হলো প্রবৃত্তি। 🕊️