২৫ বছরের গবেষণার পর ব্রাজিল চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক যুগান্তকারী সাফল্যের ঘোষণা দিয়েছে, যা ভবিষ্যতের চিকিৎসার ধারা বদলে দিতে পারে: মেরুদণ্ডের ক্ষত সারিয়ে তুলতে সক্ষম বলে দাবি করা বিশ্বের প্রথম ওষুধ।
এই ওষুধটি তৈরি করেছেন রিও ডি জেনেইরোর ফেডারেল ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী তাতিয়ানা কোয়েলহো দে সাম্পাইও ও তার দল। “পলিল্যামিনিন” নামের এই ওষুধটি তৈরি হয়েছে প্লাসেন্টাল ল্যামিনিন প্রোটিন থেকে।
💉 মেরুদণ্ডে সরাসরি ইনজেকশন দেওয়ার মাধ্যমে প্রাথমিক পরীক্ষায় এটি প্যারাপ্লেজিয়া ও কোয়াড্রিপ্লেজিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে অসাধারণ ফলাফল দেখিয়েছে, যাদের মেরুদণ্ড সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ছিঁড়ে গিয়েছিল। কিছু রোগী এমনকি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে আবার নড়াচড়ার ক্ষমতা ফিরে পেয়েছেন, তাও কোনো স্থায়ী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই।
এই চিকিৎসা পদ্ধতিটি ক্রিস্তালিয়া ল্যাবরেটরির সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করা হয়েছে। যদিও এটি এখনো পিয়ার-রিভিউ যাচাই ও নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের অপেক্ষায়, তবে যদি দাবিগুলো নিশ্চিত হয়, তাহলে এটি বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে—যেখানে একসময় চিকিৎসকেরা বলতেন, সুস্থ হওয়া অসম্ভব ✨