জাপানের নির্মাণ প্রতিষ্ঠান শিমিজু কর্পোরেশন “লুনা রিং” নামে একটি ধারণা প্রস্তাব করেছে, যা চাঁদের বিষুবরেখা ঘিরে প্রায় ১১,০০০ কিলোমিটার (৬,৮৩৫ মাইল) দীর্ঘ একটি সৌরবিদ্যুৎ বেল্ট।
এই পরিকল্পনায় সৌর প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে এবং মাইক্রোওয়েভ ও লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেই বিদ্যুৎ পৃথিবীতে পাঠানো হবে।
শিমিজুর মতে, পুরো প্রকল্পটি সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হলে এটি সর্বোচ্চ ১৩,০০০ টেরাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হতে পারে।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, নির্মাণকাজে ব্যাপকভাবে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করা হবে।
শিমিজুর ধারণা, ভবিষ্যতে প্রাথমিক পরীক্ষামূলক প্রদর্শনের পর ২০৩৫ সালের আশেপাশে এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু করার মতো প্রস্তুত হওয়া যেতে পারে।
🏠✨ ১৯১৮ সালের জুনে জন্মগ্রহণ করা এলসি অলকক নটিংহ্যামশায়ারের হাথওয়েটের বার্কার স্ট্রিটে অবস্থিত একই দুই বেডরুমের টেরেসড বাড়িটিতেই তার পুরো জীবন কাটিয়েছেন। ১৯০২ সালে তার কয়লা খনিতে কাজ করা বাবা প্রথমে বাড়িটি ভাড়া নেন, আর পরে ১৯৬০-এর দশকে মাত্র £২৫০ দিয়ে তিনি ও তার স্বামী বাড়িটা কিনে নেন 💷🕰️
👵💛 এখন একশোরও বেশি বয়সে পৌঁছে এলসি সেই একই দোরগোড়া থেকেই ইতিহাসের বহু প্রজন্মকে বদলাতে দেখেছেন—পাঁচজন রাজা/রানী ও অগণিত প্রধানমন্ত্রীকে। এখনও তিনি তার ছেলের সঙ্গে সেই বাড়িতেই থাকেন। দীর্ঘ জীবনের রহস্য হিসেবে তিনি সক্রিয় থাকার কথা বলেন—আর জানান, তার পুরো পৃথিবী আর স্মৃতি ধরে রাখা এই বাড়ি তিনি কখনোই ছেড়ে যাবেন না 🏡❤️
😲 ১৯৭৪ সালের ৭ আগস্ট, ফরাসি টাইটরোপ শিল্পী ফিলিপ পেতি ইতিহাসের অন্যতম সাহসী কীর্তি করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেন।
🌆 ৪০০ মিটারেরও বেশি উচ্চতায়, নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের যমজ টাওয়ারের মাঝখানে টানানো একটি তারের ওপর তিনি হেঁটে যান—কোনো সেফটি হারনেস ছাড়াই, পায়ের নিচে শুধু শূন্য আকাশ।
৪৫ মিনিট ধরে তিনি শুধু হাঁটেননি… তিনি তারের ওপর বসেছেন, হাঁটু গেড়েছেন, এমনকি শুয়েও পড়েছেন, আর নিচে জড়ো হওয়া জনতা ও দুই প্রান্তে অপেক্ষমাণ পুলিশ অবিশ্বাসের চোখে সেই দৃশ্য দেখেছে।
🎭 এটা ছিল না খ্যাতি বা টাকার জন্য। পেতির কাছে এটি ছিল খাঁটি শিল্প—ভারসাম্য, সাহস আর নিয়ম ভাঙার এক অনন্য প্রদর্শনী, যা প্রায় ৫০ বছর পরও মানুষ ভুলতে পারেনি।
📱🧠 শিশু ও প্রযুক্তি নিয়ে বিজ্ঞানীদের একটি চমকপ্রদ আবিষ্কার: শিশুদের খুলির হাড় প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় প্রায় ৫০% পর্যন্ত পাতলা, যার ফলে তাদের বিকাশমান মস্তিষ্ক মোবাইল ফোনের বিকিরণ অনেক বেশি শোষণ করে।
👉 গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে যেখানে মাত্র ২৫% বিকিরণ মস্তিষ্কে পৌঁছায়, সেখানে শিশুদের ক্ষেত্রে তা প্রায় ৮০% পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
এটা আতঙ্কের বিষয় নয় — তবে সচেতন হওয়া জরুরি। পাতলা খুলি বিকিরণকে মস্তিষ্কের গভীর টিস্যুতে প্রবেশ করতে দেয়, যেখানে তখনও স্মৃতি, মনোযোগ ও শেখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোগগুলো তৈরি হচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে নিয়মিত এক্সপোজার ভবিষ্যতে কী ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, সে বিষয়ে গবেষকরা এখনো পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেননি।
মূল উদ্বেগের বিষয় হলো: ফোনের নিরাপত্তা মানদণ্ড তৈরি করা হয়েছে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য, শিশুদের জন্য নয়। এখন যেহেতু ডিভাইসগুলো জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এই গবেষণা ভবিষ্যতে আরও নিরাপদ নকশা ও হালনাগাদ নির্দেশিকার পথ খুলে দিতে পারে।
✅ ঝুঁকি কমাতে অভিভাবকরা এখনই কিছু ছোট পদক্ষেপ নিতে পারেন:
• স্পিকারফোন বা হেডফোন ব্যবহার করা
• দীর্ঘ সময় ফোনে কথা বলা সীমিত করা
• ফোন সরাসরি মাথায় লাগিয়ে না রাখা
শিশুরা শুধু “ছোট আকারের প্রাপ্তবয়স্ক” নয় — তারা এখনও বেড়ে উঠছে এবং তাদের পরিবেশের প্রতি অনেক বেশি সংবেদনশীল। এই আবিষ্কার আমাদের মনে করিয়ে দেয়, প্রযুক্তিনির্ভর এই পৃথিবীতে সবচেয়ে কচি মস্তিষ্কগুলোর সুরক্ষা কতটা জরুরি 💡
ISB (Indian School of Business) is the most reputed and a world-class business school in Asia which is funded completely by private corporations and foundations from all around the world. ISB is a top ranked business school which is very well known for its academics, excellent infrastructure and world-class faculty.
Read Our Blog - https://sayme.social/blogs/959....2/What-is-the-Proces
👉 আমি ও একজন মা আমার একটা কন্যা সন্তান আছে, সাথে একটা ছোট্ট ছেলে বাচ্চা আছে,, কালকে থেকে যতবার ফেসবুকে আসতেছি, ঠিক ততবারই বুক টা ফেটে যাচ্ছে, বুক কেঁপে উঠছে।
এমনিতেই দেশের পরিস্থিতি তেমন ভালো না,তার উপরে সবসময় একটা ভয়ে থাকি সবাই কে নিয়ে। এদিকে এত বড় একটা ভয়ংকর সত্যি সামনে আসলো।
সারারাত ঘুমাতে পারি নাই। কত হাজার মায়ের বুক খালি করে দিয়েছে এই ন*র খাদকেরা।
জানি আমার মতো অনেক মায়ের খুব খারাপ লাগছে।
এমন মনে হচ্ছে কেন নারী হয়ে জন্মালাম। তার উপর আল্লাহ একটা কন্যা দিয়েছেন।
আল্লাহ এত বড় ভয়ং *কর খবরটা এতটা বছর কেন ফাঁস হয় নি???আল্লাহ তুমি কেমনে সহ্য করে আছো।
আল্লাহ 😭😭😭৷ এদের বিচার কিভাবে হবে??? 😭